রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

লেখক: আশিকুর সরকার (রাব্বি)

বৃষ্টির দিনে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১২:০৫ পিএম | 171 বার পড়া হয়েছে
বৃষ্টির দিনে

অঝোর ধারায় বৃষ্টিতে ঢেকে গেছে চারিদিক,থমথমে হয়ে উঠেছে আঁকাশ।আর এই বৃষ্টিতেই দির্ঘদিনের অল্প অল্প করে গড়ে উঠা একটা সম্পর্কের যেনো এক নিমিষেই সমাপ্তি হয়েছিল।যেখানে দুজনের মধ্যে ছিল এক আকাশ সমান অভিযোগ।

‎-নির্জন বয়স ১৮ মাত্র কলেজে সদ্য ভর্তি হয়েছে। সেদিন কলেজ লাইফে তাঁর প্রথম দিন ছিল।তাই সেইদিনের জন্য তাঁর পেপারেশন টা অনেক বেশিই ছিলো। নির্জন কলেজে প্রবেশ করার পর,তাঁর কাছে সবকিছুই নতুন নতুন লাগছিল, প্রথম ক্লাস শেষে,সব নতুন বন্ধুদের সাথে পরিচয় হওয়া ও কথা বার্তা হওয়ার পর সে কলেজের ফুলের বাগানের দিকে ঘুরতে গেলো,এবং সেখানে হঠাৎ করেই সে দেখতে পেল একটা অপুর্ব মায়াবী চোখের একটা মেয়ে,মেয়েটি বাগান থেকে একটা ফুল নিয়ে তাঁর মাথায় গেঁথে নিচ্ছিল,তখন নির্জন মেয়েটির দিকে একটু এগিয়ে গিয়ে বললো হাই,মেয়েটি আস্তে বললো হ্যালো,তখন নির্জন কাঁপা কাঁপা গলা দিয়ে বললো তোমার নামটা জানতে পারি কি?

‎তখন মেয়েটি বললো হুম অবশ্যই, আমার নাম রাধিকা। তোমার নাম কি? নির্জন বললো আমার নাম নির্জন,আমি এই কলেজে নতুন,এবার ইন্টার ফার্স্ট ইয়ারে ভর্তি হয়েছি। তখন রাধিকা বলে উঠলো আমিও তো নতুন আচ্ছা আমরা কি ভালো বন্ধু হতে পারি? নির্জন বললো কেনো নয় অবশ্যই তাতে আমি বেশি খুশি হবো। এরপর বেশ কয়েকদিন দুজনের সময় অনেক ভালো কাটছিল এরপর ধীরে ধীরে দুজনের মধ্যে একটা আলাদা অনুভুতি তৈরি হয়। ভাললাগা,ভালবাসা এবং দুজন দু’জনকে অনেক টা ভালোবাসতে শুরু করে এবং এভাবেই কেটে যায় প্রায় ৩ মাস। হঠাৎ একদিন নির্জন বললো রাধিকা চলো আমরা কোথাও ঘুরতে জাই,রাধিকা বলে উঠলো তাহলে তো ভালই হয়। এবং দুজনে একটা পার্কে গেলো এবং অনেক আনন্দ করলো। এভাবে চলতে থাকে তাদের নিত্যদিনের ভালবাসা ও এক অপূর্ব প্রেম কাহিনী।

‎তাঁরা দুজন দু’জনের হাতে হাত রেখে কথা দেয় যে জিবনের যেকোনো পরিস্থিতিতে তাঁরা একে অপরের সাথেই থাকবে, এবং যে কোনো পরিস্থিতিতে তাঁরা কখনো কাউকে ছেড়ে যাবে না। এইভাবে তাদের অনাগত দিনগুলো খুব মধুময় ভাবেই কাটছিল।একদিন হঠাৎ করেই নির্জন রাধিকার ফোন ব্যাস্ত পেলো এবং মেসেজ দিলেও তাঁর কোনো উত্তর পায়না,এইভাবে প্রায় ৭ দিন অতিবাহিত হলো কিন্তু নির্জন রাধিকাকে কলেজেও পায়না এবং ফোনেও পায়না, নির্জনের মনটা অনেকটা খারাপ হয়ে আছে,৮ দিনের মাথায় হঠাৎ করেই নির্জনের ফোনে একটা মেসেজ আসে এবং মেসেজটি রাধিকার ছিল। এবং মেসেজে লেখা ছিলো যে নির্জন তুমি আমাদের কলেজের পাশেই যে পার্কটি আছে ওখানে কালকে দুপুরে চলে আসবে। নির্জন বললো আচ্ছা ঠিক আছে,আর তোমার ফোন এতো দিন বন্ধ কেন?আর এতো দিন তোমার কোন খোঁজ খবর নেই কিন্তু এর কারণ কি? এতো কিছু প্রশ্ন করার পরেও রাধিকা কোনো উত্তর দেয়নি।

‎সেদিন আকাশ টা কেমন জানি মেঘলা ছিল, মনে হয় এই যানি বৃষ্টি নামবে,নির্জন কলেজের পাশেই পার্কে গেলো এবং সেখানে রাধিকাকে অনেক টা চিন্তিত ও হতাশা দেখা যাচ্ছে। নির্জন,রাধিকা তোমাকে এই রকম দেখাচ্ছে কেন? তোমার কি হয়েছে?আর এতো দিন তোমাকে ফোনে অথবা কলেজ পাওয়া যায় নাই কেন? রাধিকা অনেক টা চুপচাপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।মেঘলা আকাশে হঠাৎ অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামতে শুরু করেছে,এবং দুজনে একটা ছাদনাতলায় গিয়ে দারালো,এবং রাধিকা হঠাৎ বলে উঠল নির্জন আমাদের দুজনের সম্পর্কে আমার বাবা সব জেনে ফেলেছে এবং আমার বাবা আমার বিয়ে ঠিক করেছে,সামনের সপ্তাহে আমার বিয়ে,এখন এই পরিস্থিতিতে আমরা কি করবো নির্জন?চলো আমরা পালিয়ে কোথাও চলে গিয়ে সেখানে আমাদের একটা ছোট্ট সংসার তৈরি করি। এই কথা শুনে নির্জন রিতিমত নিরুপায় হয়ে রাধিকাকে বললো, রাধিকা আমার মায়ের ক্যান্সার এবং ডক্টর বলেছেন যেকোনো সময় কিছু একটা হয়ে যেতে পারে এবং তুমি তো জানো রাধিকা যে আমার বাবা এক্সিডেন্ট এ মারা যাওয়ার ৫ বছর হলো।আর এই পরিস্থিতিতে তোমাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়া আমার পক্ষে কোনো ভাবেই সম্ভব নয়।

‎রাধিকা বললো যে নির্জন তোমাকে যেকোনো একটা বেঁচে নিতে হবে,হয় ফ্যামিলি না হয় আমাকে,এখন তুমি কি করবে বলো,নির্জন অনেকটা নিশ্চুপ হয়ে গেলো -চারিদিকে যেন বৃষ্টিতে নিশ্চুপ হয়ে গেছে। রাধিকা অনেক টা চুপচাপ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। তাঁর চোখে মুখে যেন অনেকটা অভিমান ও অভিযোগের ছাপ ছিল, নির্জন বলে উঠলো,আমার পহ্মে এই মুহূর্তে তোমাকে নিয়ে পালানোটা সম্ভব নয়। এরপর রাধিকা কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকার পর অশ্রু ঝরা চোখে বললো,তাহলে ঠিক আছে থাকো তুমি তোমার ফ্যামিলি নিয়ে,তবে নির্জন তুমি কিন্তু আমাকে সারাজীবনের জন্য হারালে। এই কথা বলার পর রাধিকা কিছুক্ষণ কান্না করার পর রাধিকা চলে গেলো। কিন্তু নির্জন কিছু সময় ভাবার পর সেও চলে গেলো। এরপরে মাসের পর মাস, বছরের পর বছর ঘুরতে শুরু করলো,এইভাবেই সমাপ্ত হলো তিল তিল করে গড়ে তোলা একটা সম্পর্ক যার সামনে ছিল শুধুই কষ্ট কান্না আর অনুসচনা।

‎-আমরা খুব সহজেই একটা মানুষ কে খুব আপন ভেবে নেই, এবং সেখানে থেকেই শুরু হয় ভালোলাগা,ভালবাসা,কিন্তু শেষে নিয়তির নির্মম পরিহাসে আবার সেখান থেকেই অনেকটা কষ্ট পাই। তবে আমরা জদি জানতাম যে একটা সম্পর্কের শেষে থাকবে ব্যাথা, কষ্ট,কান্না আর অনুসচনা, তাহলে হয়তো প্রতিটা সম্পর্ক গড়ার আগে একবার হলেও ভাবতাম। আসলে নিয়তির নির্মম পরিহাস যখন তখন যে কোনোভাবে একটা তিল তিল করে গড়ে উঠা সম্পর্ক এক নিমিষেই সমাপ্তি ঘটাতে পারে। তবে নিয়তির সাথে লরতে হলে,ও পৃথিবীতে বাঁচতে হলে এখানে প্রতিটি কষ্ট, প্রতিটি চ্যালেঞ্জ,এবং প্রতিটি অভিজ্ঞতা আমাদের আরো শক্তিশালী করে তুলবে।

মোঃ আপেল মিয়া কুড়িগ্রাম

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদে নতুন যাত্রার সুচনা

মোঃ আপেল মিয়া কুড়িগ্রাম প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৪ পিএম
কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদে নতুন যাত্রার সুচনা

কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসনিক দায়িত্ব হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে সূচিত হলো এক নতুন অধ্যায়।

জেলা প্রশাসক ও জেলা পরিষদের সাবেক প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথের সফল ও দায়িত্বশীল নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় নবাগত জেলা পরিষদ প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।

অন্নপূর্ণা দেবনাথের দক্ষতা, সততা ও আন্তরিক প্রচেষ্টায় কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ উন্নয়নের ধারায় এগিয়ে গেছে। তাঁর অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

নবাগত প্রশাসক সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদের প্রতি রইল আন্তরিক শুভকামনা। তাঁর নেতৃত্বে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ আরও গতিশীল, জনমুখী ও উন্নয়নমুখী হয়ে উঠবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।

কুড়িগ্রামের অগ্রযাত্রা হোক আরও শক্তিশালী,ও সমৃদ্ধ।

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন ও বিপণন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৫ পিএম
চুয়াডাঙ্গায় জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন ও বিপণন বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখ সকাল ১১:৩০ ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে জ্বালানি তেলের মজুদ, পরিবহন, বিপণন এবং সুশৃঙ্খল ব্যবহার নিশ্চিতকরণ বিষয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উক্ত ​সভায় জনাব মোহাম্মদ কামাল হোসেন, জেলা প্রশাসক, চুয়াডাঙ্গা’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোহাম্মদ রুহুল কবীর খান, পুলিশ সুপার, চুয়াডাঙ্গা।

চুয়াডাঙ্গা জেলায় জ্বালানি তেলের বর্তমান মজুদ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয় এবং সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়।

​সভায় বক্তারা বলেন, জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট রোধ এবং সরকার নির্ধারিত মূল্যে সঠিক ও মানসম্মত জ্বালানি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন কঠোর মনিটরিং ব্যবস্থা চালু রাখবে। কোনো ধরণের অনিয়ম বা কালোবাজারি পরিলক্ষিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। জ্বালানি তেলের পরিবহন এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

​এছাড়াও সভায় আরোও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিজিবি, পাম্প মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, কৃষক প্রতিনিধি, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ, সাংবাদিকবৃন্দ

পরিশেষে, আসন্ন দিনগুলোতে সরবরাহ পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে ব্যবসায়ী ও ডিলারদের কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানানো হয়।

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম)

পশ্চিম গুজরায় চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাসন্তী পূজা সম্পন্ন

মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম) প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম
পশ্চিম গুজরায় চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাসন্তী পূজা সম্পন্ন

চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পশ্চিম গুজরা এলাকায় স্বর্গীয় স্বপন দে’র বাড়িতে শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়েছে।

গত ২৪, ২৫, ২৬ ও ২৭ মার্চ ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই আয়োজনে ভক্তদের ব্যাপক অংশগ্রহণে এলাকা উৎসবমুখর হয়ে ওঠে।
অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, সমবেত প্রার্থনা, মায়ের শুভ অধিবাস, ষষ্ঠী, সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমী পূজা, রাজভোগ নিবেদন, ভোগ আরতি ও কীর্তন, শ্রীমদ্ভগবদগীতা পাঠ, জাগরণ পূতিপাঠ, গীতা পাঠ ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা, সাংস্কৃতিক ও নৃত্য প্রতিযোগিতা, ধর্মীয় আলোচনা সভা, ধুনুচি নৃত্য, ধর্মীয় নাটিকা (থিমস), পাল্টা কীর্তন, অতিথি সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণ এবং অন্নপ্রসাদ বিতরণ।
২৪ মার্চ মহাষষ্ঠীতে মায়ের বরণ ও ধুনুচি নৃত্য প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। রাতে ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন শিল্পী প্রত্যয় বড়ুয়া ও তনু চৌধুরী।
২৫ মার্চ মহাসপ্তমীতে জাগরণ পূতিপাঠ পরিবেশন করেন জুয়েল দাশ। রাতে পাল্টা কীর্তনে অংশ নেন কবিয়াল বিকাশ দত্ত, ঝিনুক সরকার, নিরঞ্জন সরকার, হৃদয় বড়ুয়া ও তাঁদের দল।
২৬ মার্চ মহাঅষ্টমীতে গীতাপাঠ, সংগীত ও আবৃত্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন স্বপ্না ঘোষ ও রিপন দাশ। রাতে একক লালন সংগীত পরিবেশন করেন জুয়েল দাশ এবং বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে ধর্মীয় থিম “মহামায়ায় মহাভারত” পরিবেশন করেন শ্রীজাতা চৌধুরী বন্যা।
২৭ মার্চ মহানবমীতে গীতা পাঠ পরিবেশন করেন বিকাশ দত্ত। নৃত্য প্রতিযোগিতা শেষে রাতে “ত্রিগুণাত্মিকা” শীর্ষক ধর্মীয় থিমস্ উপস্থাপন করে টিম যাজ্ঞসেনী, পরিচালনায় ছিলেন পার্থ দেওয়ানজী।
২৮ মার্চ শুভ বিজয়া দশমীতে মায়ের বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আয়োজনের সমাপ্তি ঘটে।

মহতী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের উপদেষ্টা নেপাল কর।
শ্রীজাতা চৌধুরী বন্যা সঞ্চালনায়।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
কৈলাসশ্বরী, শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের উপদেষ্টা মৃদুল পারিয়াল, আশালতা কলেজ সাবেক সভাপতি প্রবাল কৃষ্ণ দে,সংগঠক ও তরুণ রাজনীতিবিদ দোলন বড়ুয়া, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সনজিব ঘোষ,রাঙ্গামাটি সরকারী কলেজের প্রভাষক রাজীব ঘোষ,রাউজান প্রেস ক্লাবের সাবেক দপ্তর সম্পাদক সাংবাদিক রতন বড়ুয়া, রাউজান প্রেস ক্লাবের সদস্য সাংবাদিক মিলন বৈদ্য শুভ।
সম্মানিত অতিথি সংগঠক ও সমাজসেবক শিবু বিশ্বাস, মইশকরম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক রনজিত দাশ, হলি চাইন্ড স্কুল এন্ড কলেজের ভাইচ প্রিন্সিপাল পরমেশ ধর, স্টার লিট গ্রামার স্কুলের সহকারী শিক্ষক উজ্জ্বল ঘোষ,
সংগঠক ও সমাজসেবক সুধীর মুহুরী,শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অসীম পারিয়াল,ক্ষেত্রপাল বিগ্রহ মন্দির পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক পণ্ডিত লাভলু পারিয়াল,শ্রীশ্রী রক্ষা কালী মন্দির পরিচালনা পরিষদের অর্থ সম্পাদক সনজিত ধর বাপ্পু,বাগীশিক রাউজান উপজেলা সংসদের সভাপতি বিটু কান্তি দে প্রমূখ

শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজা পরিচালনা পরিষদের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন তপন দে,সুধীর দে,অধীর দে,রণধীর দে,রুবেল দে রাসেল দে সহ অন্যান্য সকল সদস্য বৃন্দ।

চারদিনব্যাপী এই মহতী আয়োজন ঘিরে দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার ভক্তবৃন্দের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা পরিণত হয় এক মিলনমেলায়।

error: Content is protected !!