রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৪ চৈত্র ১৪৩২

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

রেশনিং ও কারসাজিতে চট্টগ্রামে জ্বালানি সংকট তীব্র

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:২৯ পিএম | 23 বার পড়া হয়েছে
রেশনিং ও কারসাজিতে চট্টগ্রামে জ্বালানি সংকট তীব্র

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার অস্থির থাকলেও বাংলাদেশে একের পর এক তেলবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ছে। সরকার সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে নানা পদক্ষেপ নিলেও অসাধু ব্যবসায়ীদের কারসাজিতে চট্টগ্রামে তৈরি হয়েছে কৃত্রিম সংকট। কোথাও তেল মজুদ রেখেও বিক্রি বন্ধ, আবার কোথাও ‘রেশনিং’-এর নামে সীমিত সরবরাহ—সব মিলিয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ ভোক্তারা।
এমন পরিস্থিতিতে হাটহাজারী উপজেলার নাজিরহাট নতুন ব্রিজ সংলগ্ন একটি ফিলিং স্টেশনকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। শনিবার অভিযান চালিয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহেদ আরমান পাম্পটির রিজার্ভারে প্রায় ছয় হাজার লিটার অকটেন মজুদ পান। এর মধ্যে চার হাজার লিটার ওইদিনই ডিপো থেকে আনা হয়েছিল।
মজুদ থাকা সত্ত্বেও বিক্রি বন্ধ রাখায় পেট্রোলিয়াম আইন, ২০১৬-এর ২০ ধারায় পাম্পটিকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং তাৎক্ষণিকভাবে বিক্রি চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়।

পাম্পে পাম্পে তেলের সংকট, দীর্ঘ লাইনঃ

গত সোমবার সকাল থেকে চট্টগ্রামের অধিকাংশ পেট্রোল পাম্পে অকটেন মিলছে না। যেসব পাম্পে পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি দেখা গেছে। অনেক পাম্পে নির্দিষ্ট পরিমাণে তেল দেওয়া হচ্ছে।
“চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ এলাকায় একটি পেট্রোল পাম্প থেকে স্কুটি নিয়ে বেরিয়ে আসছিলেন এক গ্রাহক, চোখেমুখে তার রাজ্যের হতাশা।তেল পাওয়া গেল কি না জানতে চাইলে বললেন, “গত সন্ধ্যা থেকে ঘুরছি, রাতে একটি পাম্পে মাত্র ১০০ টাকার অকটেন দিয়েছে। সকাল থেকে কোথাও অকটেন পাইনি।”
চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন পেট্রোল পাম্প ঘুরে দেখা গেল চাহিদামত অকটেন ও ডিজেল দিচ্ছে কেবল নগরীর গণি বেকারী মোড়ের কিউ সি পেট্রোল পাম্প। গত সোমবার বিকালে সেখানে দেখা গেল কয়েকশ মোটর সাইকেলের লাইন। সেখানে মোটর সাইকেলের জন্য অকটেন নিতে আসা সাংবাদিক মহিউদ্দিন বললেন, “বেশ কয়েকটি পেট্রোল পাম্প ঘুরে তেল কিনতে পারিনি। এখানে এসে প্রায় ২০ মিনিট ধরে লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছি।” কবীর আহামদ ভাড়ায় মোটর সাইকেল চালান। তেলের আশায় অপেক্ষা করতে করতে বললেন, “এখন ঈদের সময়। আমাদের আয় রোজগারের সময়। যাত্রী থাকলেও বাইক চালাতে পারছি না তেলের কারণে। আধা ঘন্টার বেশি সময় দাঁড়িয়ে আছি। এখনও সামনে ১৫/২০টা মোটর সাইকেল। কখন তেল পাব, কখন ভাড়া মারতে পারব জানি না।”

‘তেল নেই’ সাইনবোর্ডে বন্ধ পাম্পঃ

নগরীর প্রবর্তক মোড়, মুরাদপুর, কাতালগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় অনেক পাম্পে ‘অকটেন নাই’ লিখে গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। পাম্প মালিকদের দাবি—ডিপো থেকে পর্যাপ্ত সরবরাহ না পাওয়ায় তারা বিক্রি করতে পারছেন না।
এক পাম্প ব্যবস্থাপক জানান, “যতটুকু তেল পাই, ততটুকুই বিক্রি করি। চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না।”

ডিলারদের দাবি: চাহিদা বেশি, সরবরাহ কমঃ

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলার, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্ট ও পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির নেতারা বলছেন, নগরীতে অকটেনের চাহিদা বেশি হওয়ায় সাময়িক সংকট তৈরি হয়েছে। এছাড়া ঈদের ছুটিতে ব্যাংক বন্ধ থাকায় পে-অর্ডার করতে না পারাও সরবরাহে প্রভাব ফেলেছে।
তারা আশা করছেন, ব্যাংক খোলার পর পরিস্থিতির উন্নতি হবে। তবে কেউ কেউ বলছেন, রেশনিং ব্যবস্থার কারণে আগে যেমন মজুদ রাখা যেত, এখন তা সম্ভব হচ্ছে না।

পুলিশের নতুন নির্দেশনা নিয়ে বিতর্কঃ

এর মধ্যে নতুন করে জ্বালানি বিক্রিতে শর্ত জুড়ে দিয়েছে পুলিশ। বৈধ কাগজপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া তেল বিক্রি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে পাম্প মালিকদের।
এই সিদ্ধান্তে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পাম্প মালিকরা বলছেন, গাড়ির কাগজ যাচাই করা তাদের দায়িত্ব নয়; এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাজ।
তাদের আশঙ্কা, তেলের সংকটের মধ্যে এমন নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে গেলে পাম্পে বিশৃঙ্খলা ও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে।

আতঙ্কে অতিরিক্ত কেনা, সংকট আরও ঘনীভূতঃ

জ্বালানি ঘাটতির আশঙ্কায় অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের চেয়ে বেশি তেল কিনছেন, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করছে। সরকার এর আগে সীমা বেঁধে দিলেও পরে তা শিথিল করা হয়।
ঈদের আগে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও ২৩ মার্চের পর আবার সংকট দেখা দেয়। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। এহেন পরিস্থিতিতে কোন কোন পাম্প মালিক জ্বালানী মজুদ রেখে কৃত্রিম সংকট সৃষ্ঠি করছে কিনা তা নজরদারী বৃদ্ধি করার উপর গুরুত্বারোপ করেন অনেকেই, এবং সংকটকালীন এ সময়ে অসাধু অতিরিক্ত মুনাফালোভী পাম্প মালিকদের আইনের আওতায় ়আনার জোর দাবী জানান।

পাবনায় হঠাৎ হামের প্রাদুর্ভাব: হাসপাতালে ভর্তি ২৭ রোগী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪১ পিএম
পাবনায় হঠাৎ হামের প্রাদুর্ভাব: হাসপাতালে ভর্তি ২৭ রোগী

হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে উত্তরের জেলা পাবনায়। ফলে এ রোগে আক্রান্ত রোগীর ভিড় বাড়ছে হাসপাতালে। আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে শিশুর সংখ্যাই বেশি। পাবনা জেনারেল হাসপাতালে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২৭ জন।

আড়াই শ শয্যাবিশিষ্ট পাবনা জেনারেল হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে সাতজন। আর গত সাত দিনে জেলায় ২৩ জন হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। এ ছাড়া গত ১ জানুয়ারি থেকে ২৯ মার্চ পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ১১৮।

বর্তমানে হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন ২৭ রোগীর মধ্যে তিন মাস থেকে ১২ মাস বয়সী শিশু রয়েছে ২৫টি। আর মেডিসিন ওয়ার্ডে ভর্তি দুজন যুবকের মধ্যে একজনের বয়স ২২, অন্যজনের ৩২ বছর।

রোববার (২৯ মার্চ) দুপুরে পাবনা জেনারেল হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা যায়, হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডের সামনের মেঝে রোগীতে ঠাসা। পায়ে হেঁটে যাওয়ার উপায় নেই। একেকটি শয্যায় দু-তিনজন করে রোগী ভর্তি। এই ওয়ার্ডের বারান্দায় একটি কাচঘেরা কক্ষে হামে আক্রান্ত শিশুরা চিকিৎসাধীন। সেখানেও একেকটি শয্যায় দুজন করে—মেঝেতে চারটি শিশু চিকিৎসাধীন।

পাবনা সদর উপজেলার আশুতোষপুর গ্রামের গৃহবধূ স্মৃতি খাতুন তাঁর চার মাস বয়সী মেয়েশিশুকে ২৬ মার্চ হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। এখনো সুস্থ হয়নি তাঁর সন্তান। মেয়ের প্রথমে ঠান্ডা-জ্বর হয়। তারপর শরীরে ও মুখে লাল গুটি বের হয়। অসহ্য যন্ত্রণায় ছটফট করে। বিছানায় ঘুমাতে পারে না। এমন অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক ভর্তি করার পরামর্শ দেন। পরে পরীক্ষা করলে তার হাম শনাক্ত হয়।

একই উপজেলার হারিয়াবাড়িয়া গ্রামের সুফিয়া বেগম তাঁর ৯ মাস বয়সী নাতি মাশরাফকে কোলে নিয়ে পায়চারি করছিলেন।

সুফিয়া বেগম জানান, শিশুটিকে গতকাল শনিবার (২৮ মার্চ) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কিন্তু এখানে ঠিকমতো চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে না। মাঝে মাঝে চিকিৎসক এলেও নার্সদের ডেকেও পাওয়া যাচ্ছে না।

শিমলা খাতুন তাঁর আট মাস বয়সী ছেলে সাফায়াতকে ঈদের পরদিন ভর্তি করেছেন। তিনি জানান, হাসপাতাল থেকে ওষুধ ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না। চিকিৎসক লিখে দিলে বাইরে থেকে কিনে আনতে হচ্ছে। আর নার্স ও পরিচ্ছনতাকর্মী কেউ এই রুমে আসতে চাচ্ছেন না।

চিকিৎসক তানভীর ইসলাম বলেন, ‘হামের রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমরা পৃথক স্থানে রেখে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। আপাতত কোনো সমস্যা হচ্ছে না। বিষয়টি আমরা নজরদারিতে রেখেছি।’

পাবনা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক মো. রফিকুল হাসান বলেন, এটি ভাইরাসজনিত ছোঁয়াচে রোগ। শিশুসহ যেকোনো বয়সী মানুষের হাম হতে পারে। আপাতত ভর্তি রোগীদের চিকিৎসার কোনো ঘাটতি নেই।

রোগীর স্বজনদের অভিযোগের বিষয়ে সহকারী পরিচালক বলেন, ‘৩৮ শয্যার শিশু ওয়ার্ডে প্রতিদিন ভর্তি থাকে ২০০ রোগীর ওপরে। আমাদের তো ওই ৩৮ শয্যার ওষুধ সরবরাহ করা হয়। এ ক্ষেত্রে কিছু সংকট তো থেকেই যায়। তবে হামের জন্য নতুন করে একটি ওয়ার্ড চালুর কথা ভাবা হচ্ছে।’ হামের টিকা নেওয়ার পরও কী কারণে হঠাৎ হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে, সে বিষয়টি স্বাস্থ্য বিভাগের তদন্ত করে দেখা দরকার বলে মনে করেন এই চিকিৎসক।

পাবনার সিভিল সার্জন আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রায় প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দু-চারজন করে হামের রোগী ভর্তি হচ্ছে। সে কারণে জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পৃথক আইসোলেশন সেন্টার করা হয়েছে। ৯ মাস বা তার কম বয়সী শিশু রোগীর সংখ্যাই বেশি। যেহেতু ৯ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়ার পরও নতুন করে হামে আক্রান্ত হচ্ছে, তাই টিকার কার্যকারিতাসহ বিষয়টি নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।

মোঃ সবুজ খান

উন্নয়নের সপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আলোচিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী লাভলু ছিদ্দিকী

মোঃ সবুজ খান প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:৩১ পিএম
উন্নয়নের সপ্ন নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে আলোচিত কাউন্সিলর পদপ্রার্থী লাভলু ছিদ্দিকী

টাংগাইল জেলা মির্জাপুর উপজেলার মির্জাপুর পৌরসভার নির্বাচনকে সামনে রেখে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দ্র হয়ে গেছে যুবসমাজের আইকন একজন ভালো সাদা মনের মানুষ লাভলু ছিদ্দিকী, ইতিমধ্যেই আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা দিয়ে মানুষের ঘরে ঘরে গিয়ে তার উন্নয়নের বার্তা চালাচ্ছে। তিনি তার মির্জাপুর ৩নং ওয়ার্ড নিয়ে তার ভাবনা তার পথচলা এবং সাধারণ মানুষের মন জয় করে চলছে।

তিনি বলেন, আপনাদের দোয়া ও ভালবাসা আমার সামনে চলার অনুপ্রেরণা আমার, সময়ের সাথে আগামীর পথে
আধুনিক মডেল মির্জাপুর ৩নং ওয়ার্ড পৌর সভা করার জন্য আপনাদের সাথে কাজ করতে চাই।
আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য। উন্নয়নের স্বপ্ন নিয়ে কেউ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হতে চান , কেউ ওয়ার্ড মেম্বার প্রার্থী হতে চান জল্পনা-কল্পনা আর আবেগে ভরা অনেক পোস্ট চোখে পড়ে।
স্বপ্ন দেখা অবশ্যই ভালো , স্বপ্নই মানুষকে সামনে এগিয়ে নেয় । কিন্তু শুধু আবেগ নয় , বাস্তবতাও গুরুত্বপূর্ণ ।

মোঃ সোহানুর রহমান

সরিষাবাড়ীতে জমির বিরোধে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

মোঃ সোহানুর রহমান প্রকাশিত: রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২৬, ৬:২৭ পিএম
সরিষাবাড়ীতে জমির বিরোধে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ

জামালপুরের সরিষাবাড়ীতে জমির বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হামলা ও মারধর করে স্বর্ণালংকার লুট ও শ্লীলতাহানির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দুই নারীসহ ৫ জন আহত হয়েছে।

শনিবার (২৮ মার্চ) দুপুরে এ ঘটনায় ছাহেবুজ্জামান বিদ্যুৎকে প্রধান আসামি করে চারজনের নামে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। এ ঘটনায় পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের দোলভিটি গ্রামের রহুল আমিন ও ছাহেবুজ্জামান বিদ্যুৎ এর সাথে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলেও সমাধান হয়নি। ২৭ মার্চ বিকালে এনিয়ে ফের কথা-কাটাকাটি বাঁধে। কথা-কাটাকাটির এক পর্যায়ে ছাহেবুজ্জামান বিদ্যুৎ, আবু সাঈদ দুলাল ও তাদের লোকজন রহুল আমিনের ভাই জহুরুল ইসলামের ওপর হামলা চালিয়ে মারধর করে। এতে তার মাথা ও চোখ গুরুতর জখম হয়। পরে তার ডাকচিৎকারে বাড়ীতে থাকা নারীরা এগিয়ে আসলে তাদের কেউ মারধর ও শ্লীলতাহানি করে গলায় থাকা দুটি স্বর্ণের চেইন লুটে নেয়। এসময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে তারা পালিয়ে যায়। পরে আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে প্রতিপক্ষের তোতা মিয়া নামে একজন জানান, আমাদের জমিই তারা দক্ষল করে আছে। তাদের কাউকে মারা হয়নি।

এ ব্যাপারে সরিষাবাড়ী থানার ওসি বাচ্চু মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, এক পক্ষের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

error: Content is protected !!