বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২

আজও তবু কি ভুলতে বসেছি চব্বিশের স্বাধীনতা?

“তারুণ্যের ভাবনায় আগামী বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনায়

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৫, ১:২৫ পিএম | 227 বার পড়া হয়েছে
“তারুণ্যের ভাবনায় আগামী বাংলাদেশ” শীর্ষক আলোচনায়

সারাবিশ্বে যুব আন্দোলনের ইতিহাস আবহমান, যা সামাজিক, রাজনৈতিক, এবং সাংস্কৃতিক পরিবর্তনের একটি প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করেছে। এই আন্দোলনগুলি প্রায়শই সামাজিক অসাম্য, অধিকারের লঙ্ঘন, এবং স্বৈরাচার ও ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গড়ে উঠেছে। ১৮ শতকের সামাজিক অসাম্য, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, এবং স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে ফ্রান্স বিপ্লব, ২০ শতকের রাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে রুশ বিপ্লব, ১৯৫০ এবং ১৯৬০ এর দশকে আমেরিকায় আফ্রিকান আমেরিকান যুবকদের ন্যায়বিচার এবং সমান অধিকারের পক্ষে মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের নেতৃত্বে সিভিল রাইটস বিপ্লব, ১৯৬৮ সালে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যুবকরা সামাজিক পরিবর্তনের দাবিতে গণ আন্দোলন, এমনকি বাংলাদেশে ৫২ এর ভাষা আন্দোলনেও তারুণ্যের অবদান অনস্বীকার্য। আজও সারা পৃথিবী স্মরণ করে বাংলার সালাম, জব্বার, রফিক, বরকতদেরকে।যুগে যুগে কোন দেশ ও জাতি যখন বৈষম্য ও দুর্গতির শিকার হয়, তখন এই তারুণ্যের শক্তিই সেই দুর্গতি নাশের জন্য রক্তস্নাত লাশের মিছিলে শামিল হয় যতক্ষণ পর্যন্ত না বিজয় অর্জিত হয়।
এবার বাংলাদেশ নামক স্বাধীন মানচিত্রের দিকে দৃষ্টিপাত করা যাক। স্বাধীনতার ৫৪ বছর অতিক্রম করার পর আমাদের মাতৃভূমি বাংলাদেশ একটি সম্ভাবনাময় জাতি হিসেবে গড়ে উঠার স্বপ্ন দেখছে। এই স্বপ্ন বাস্তবায়নের মূল চালিকা শক্তি হল এদেশের তরুণ প্রজন্ম। তারুণ্য মানেই প্রযুক্তির নবজাগরণ, সমস্যা সমাধানের সৃজনশীলতা ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে সাহসিকতার প্রতীক যা প্রমাণিত হয়েছে ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধে, ৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী গণ আন্দোলনে এবং ২৪ এর ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার বিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে।
কেন এই জুলাই, ২৪ এর ছাত্র জনতার বিপ্লব? কেনই বা তাদের বিদ্যালয় ছেড়ে লাশের মিছিলে যোগদান? কিইবা ছিলো এর প্রেক্ষাপট? এদেশের ক্ষমতা লিপ্সু শাসক যখন গণতন্ত্রের কবর রচনা করে “জনগণ সকল ক্ষমতার উৎস” শীর্ষক মূলনীতি ভূলুণ্ঠিত করে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নিয়ে প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে অবৈধ সরকার গঠণ করে, একদলীয় শাসন কায়েমের লক্ষ্যে সকল বিরোধী দলের বিরুদ্ধে যখন গুম-খুন ও দমন-পীড়ন নীতি প্রতিষ্ঠা করে, দেশের সুস্থধারার রাষ্ট্র যন্ত্রগলোকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে যখন অসুস্থ ও কুলোসিত করে ফেলে, আইনের শাসন যখন নিভৃতে ক্রন্দন করে, উন্নয়নের নামে যখন দেশের অর্থ বিদেশে পাচার করে দেশকে রিজার্ভশূণ্য করে ফেলে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কর্মসংস্থানে যখন দলীয়করন নিশ্চিত করা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ যখন সন্ত্রাসদের অভয়ারণ্যে পরিনত হয়, তথাকথিত নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নিকট যখন সারাদেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জিম্মি হয়ে যায়, তখন এই জাহিলিয়াতের কালো থাবা হতে মুক্তি লাভের আশায় সকল তরুণ ছাত্র জনতা শহিদি তামান্না বুকে নিয়ে ঝাপিয়ে পড়ে ঐ স্বৈরাচার সরকার পতনে এবং একটি বৈষম্যহীন ও সাম্যের বাংলাদেশ গড়তে। তাদের এই আত্নত্যাগের বিনিময়ে পাওয়া একটি নতুন করে স্বাধীন হওয়া বাংলাদেশে আজ আমরা সম্ভাবনাময় বাংলাদেশ গড়তে সেই তরুনদের স্মরণে তারুন্য উৎসব উৎযাপন করতে পারছি। স্যালুট সেই তরুনদের।স্যালুট জানাই বাংলাদেশের নতুন স্বাধীনতা দিগন্তে চির অম্লান হয়ে থাকা আবু সা্ঈদ, মুগ্ধসহ সকল শহীদদের।
২১ শতকের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্মুক্ত আবহে বেড়ে উঠা বর্তমান তরুনরা সাম্য, সভ্যতা, প্রকৃত স্বাধীনতা, অর্থবহ আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ইত্যাদি সুচারুভাবে পরখ করতে শিখেছে।তারা আজ ভাবতে শিখেছেঃ
‘আজ নেই বর্গি, ইংরেজ আর পাক হানাদার,
আজও তবু কেন আমার মনে শূন্যতা, হাহাকার?
আজও তবু কি একাত্তরের রক্ত যাবে বৃথা?
আজও তবু কি ভুলতে বসেছি চব্বিশের স্বাধীনতা?’

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত।

আগামী ০৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সফল নারীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো: অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী, সফল জননী নারী, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী। ময়মনসিংহ বিভাগে প্রতিটি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা দুইজন করে নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তী সভায় চূড়ান্তভাবে একজন করে বাছাই করে ঢাকায় পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি নারীর নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অবদান ও সংগ্রামের ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং তুলনামূলক অধিকতর যোগ্য নারীকে সর্বসম্মতিক্রমে বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সারাদেশে বাছাইকৃত নারীদের মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে আগামী ০৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।

তাসলিমা রত্না

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

তাসলিমা রত্না প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা, ময়মনসিংহের সদর – ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আবু ওয়াহাব আকন্দ মহোদয়
আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নগরী নিয়ে কিছু কথা ব্যক্ত করতে চাই।
আমার এই লেখাটির যাদের দৃষ্টিগোচর হবে অবশ্য শেয়ার করবেন।
১/ প্রথম কথা হলো বর্তমানে এই নগরীর আপনি একজন এমপি হয়েছেন,সেক্ষেএে আমার প্রশ্ন —
২/ নগরীর যানজট নিরসন করতে হবে অবৈধ লাইসেন্স বাতিল করতে হবে, অবৈধ ফুটপাত পার্ক দখল মুক্ত করতে হবে।
৩/ নগরীকে মাদক মুক্ত করতে হবে– যদিও মাদক মুক্ত হওয়ার পথে না কারন টাকা খেয়ে পুলিশ প্রশাসন আসামী ছেড়ে দেয়, — এটা নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।
৪/ বেকার যুবকদের কর্মসংস্হানের ব্যবস্হা করতে হবে,, —
৫ /সব শেষে এটাই বলবো কিছু কিছু পয়েন্টে রাস্তার যে বহালদশা সেটা সংস্কার করতে হবে/ শিক্ষানগরীকে কোন পুঁজিবাদ ইভেন ব্যবসায়ী ক্ষেএে নেওয়া যাবেনা, বরং একজন শিক্ষার্থীকে সঠিক শিক্ষা পাঠদানে গড়ে তুলতে হবে – আর বয়স্ক বাবা মা যাদের কেউ নেই, তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থল গড়ে তুলতে হবে।
আর সব চেয়ে বড় কথা হলো বিগত বছরে কি হয়েছে,সব দ্বিধাধন্দ ভূলে আমাদের এই নগরীকে অন্যান্য জেলার তুলনায় আরও ডেভেলপ করতে হবে।
থানায় কোন সাংবাদিক দালালি করতে পারবেনা
আর একটা বিশেষ কথা না বলে পারলাম না সেটা হলো
অহিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে? চুরি, ছিনতাই ও অরাজকতা লুটপাট থেকে পুলিশ প্রশাসন কে অবশ্য সজাক দৃষ্টিভঙি রাখতে হবে, সেক্ষেএে আপনার ভূমিকা বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
ইভেন ময়মনসিংহ বাসি আপনার কাছে এইটুকুর দাবিদার
আমি একজন গণমাধ্যম কর্মী হয়ে একজন সাধারণ মানুষ হয়ে এই কথা বলছি।
এই নগরীর মানুষ একজন সত্যি কারের সেবক হিসেবে, আপনার কি করনীয় আছে, সেই টুকো আমরা শত ভাগ আশাবাদী।
জনগণ আপনাকে ভোট দিয়েছে বলে আজ আপনি জন প্রতিনিধি, তাই আমার এই লেখাটা একটু দৃষ্টিগোচর দিবেন মহোদয়।
আমি ছোট মানুষ আমার মনে এই কথা গুলো ছিলো তাই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করলাম।
বেয়াদবি নিবেননা।
আর একটা বিষয় না বললেই হয়না, এখন আপনার আশেপাশে কিছু অহেতুক সুবিধাবাদী লোক যাতায়াতের মাএা দ্বিগুণ আকারে বৃদ্ধি পাবে, তাদেরকে একটু দুরে সরিয়ে রাখবেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়।
পরে নগদ ৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শুভ (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত শুভ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের ছোট পাঁকা গ্রামের মো. শাহিন আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় পাঁকা গ্রামের মৃত কানু হাজীর ছেলে সাইফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা: জেমি খাতুন (৩৭)-এর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাকাঁ কলেজের সভাপতি আবু আব্দুল্লাহ ওরফে বুলবুলের নাম ভাঙিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেন তিনি। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
পরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শুভ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুভ জেমি খাতুনের বাড়িতে গিয়ে উল্টো আবারও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি মারার হুমকি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বান্দরবানে বদলি করিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
জেমি খাতুন বলেন, “চাকুরির আশ্বাসে আমরা কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে দিয়েছি।
এখন টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।” জেমি আরও জানান, ঘটনার সময় গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অভিযুক্তের হুমকিমূলক বক্তব্য রেকর্ড রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের প্রতারণার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়ান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুরুল আলম’র মুঠোফোন বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।