সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

দেশে চরম দারিদ্র্যে ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২৪, ১:২২ পিএম | 142 বার পড়া হয়েছে
দেশে চরম দারিদ্র্যে ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষ

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বাংলাদেশে চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষ। এদের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করছেন ৬ দশমিক ৫ শতাংশ।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)-র ‘বৈশ্বিক বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক-২০২৪ : সংঘাতের মধ্যে দারিদ্র্য’ শিরোনামে গতকাল বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

বৈশ্বিক বহুমাত্রিক দারিদ্র্য সূচক-২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রাখছে মানুষের জীবনযাত্রার মান। এক্ষেত্রে দারিদ্র্য সূচকে বাংলাদেশের মান ৪৫ দশমিক ১ শতাংশ। শিক্ষায় ৩৭ দশমিক ৬ শতাংশ ও স্বাস্থ্যে রয়েছে ১৭ দশমিক ৩ শতাংশ। সবমিলিয়ে দেশের চরম দারিদ্র্যে অতি মানবেতর জীবন যাপন করছেন ৪ কোটি ১৭ লাখ মানুষ।

ইউএনডিপির ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, বিশ্বের ১১০ কোটি মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে বসবাস করছেন। তাদের প্রায় অর্ধেকই সংঘাতকবলিত দেশের বাসিন্দা। চরম দারিদ্র্যে থাকা জনগোষ্ঠীর ৮৩ শতাংশের বেশি বসবাস করেন আফ্রিকা ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে। দক্ষিণ এশিয়ায় ২৭ কোটি ২০ লাখ দরিদ্র মানুষ এমন পরিবারে আছেন, যে পরিবারের অন্তত একজন অপুষ্টিতে ভুগছেন।

সূচক অনুযায়ী, দারিদ্র্যের স্তর অন্য দেশগুলোর চেয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোতে বেশি। এসব দেশে পুষ্টি, বিদ্যুৎ, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশনের ক্ষেত্রে বড় বৈষম্য দেখা গেছে। চরম দারিদ্র্যে বসবাস করা ১১০ কোটির মধ্যে ৪৫ কোটি ৫ লাখ মানুষ সংঘাতের ছায়ায় রয়েছেন। ১৮ বছরের কম বয়সী প্রায় ৫৮ কোটি ৪০ লাখ মানুষ চরম দারিদ্র্যের মধ্যে রয়েছে।

জাতিসংঘ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য পরিস্থিতি বুঝতে বিশ্বের ১১২টি দেশের ৬৩০ কোটি মানুষের ওপর গবেষণা করেছে। এতে ২০২৩ সাল পর্যন্ত এক দশকের বেশি সময়ের তথ্য বিশ্লেষণ করা হয়। এতে পর্যাপ্ত আবাসন, পয়ঃনিষ্কাশন, বিদ্যুৎ, ভোজ্যতেল ও পুষ্টির মতো মৌলিক মানবিক সেবাগুলো পাওয়ার ক্ষেত্রে ঘাটতি কেমন, তা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। শিশুদের স্কুলে উপস্থিতির হারও বিবেচনায় এসেছে।

এদিকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ২০২২ সালের সর্বশেষ তথ্য বলছে, বাংলাদেশের ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন। তাদের মধ্যে অতি দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছেন ৫ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ। সর্বশেষ জনশুমারি অনুসারে, দেশে বর্তমানে জনসংখ্যা আছে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার। সে হিসাবে, দেশে দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৩ কোটি ১৭ লাখ ৫৭ হাজার।

উন্নয়নের জোয়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে

গোদাগাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির জমকালো উদ্বোধন

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল, গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৯ পিএম
গোদাগাড়ীতে খাল খনন কর্মসূচির জমকালো উদ্বোধন

রাজশাহীর গোদাগাড়ী অঞ্চলের কৃষি বিপ্লব ও জলবদ্ধতা নিরসনে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হলো। প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আজ সোমবার গোদাগাড়ীতে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘খাল খনন কর্মসূচি’-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

​এলাকার সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি এবং আধুনিক সেচ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই মেগা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ভূমি মন্ত্রী জনাব মোঃ মিজানুর রহমান মিনু ফিতা কেটে এবং খনন কাজের সূচনা করে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

​অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি এবং স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের সরব উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন
​মেজর জেনারেল (অবঃ) মোঃ শরীফ উদ্দীন: সদস্য, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিল।
​জনাব মোঃ রেহান আসাদ রাতুল: মাননীয় উপদেষ্টা (প্রতিমন্ত্রী), ডাক ও টেলিযোগাযোগ, বিজ্ঞান ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।

​উদ্বোধনী বক্তব্যে ভূমি মন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যা কথা দেন, তা বাস্তবায়ন করেন। আজকের এই খাল খনন কর্মসূচি কেবল একটি মাটি কাটার কাজ নয়, এটি এই অঞ্চলের হাজার হাজার কৃষকের মুখে হাসি ফোটানোর অঙ্গীকার।
​প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসাদ রাতুল তার বক্তব্যে বলেন, প্রযুক্তির ছোঁয়ায় গ্রামকে শহরে রূপান্তরের পাশাপাশি কৃষি উৎপাদন বাড়াতে আধুনিক ড্রেনেজ ও সেচ ব্যবস্থা অপরিহার্য। আজকের এই উদ্যোগ রাজশাহীর কৃষি অর্থনীতিতে গতির সঞ্চার করবে।

​জনমনে আশার আলো
​স্থানীয় কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে সেচের অভাবে এবং বর্ষাকালে পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় ফসলহানি ঘটত। এই খাল খনন শেষ হলে গোদাগাড়ীর ফসলি জমিতে তিন মৌসুমে চাষাবাদ করা সম্ভব হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপস্থিতিতে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
​সংক্ষিপ্ত বার্তা: জননেতা তারেক রহমানের হাত ধরে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে বিএনপির এই পদক্ষেপ গোদাগাড়ীবাসীর দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটাবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাবনা জেলার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুর থানার ওসি শামীম আকনজি

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৭ পিএম
পাবনা জেলার ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত হয়েছেন ফরিদপুর থানার ওসি শামীম আকনজি

পাবনা জেলার ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শামীম আকনজি ফেব্রুয়ারি ২০২৬ মাসে জেলার সকল ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন এবং জনগণকে কার্যকর ও দ্রুত সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।

জেলা পুলিশের মূল্যায়নে দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব, সততা ও দক্ষতার ভিত্তিতে তাকে এ মাসের শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে মনোনীত করা হয়। ফরিদপুর থানায় দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তিনি এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনসাধারণের সঙ্গে পুলিশের সুসম্পর্ক বজায় রাখতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।

এ অর্জনের জন্য ওসি শামীম আকনজি পাবনা জেলার মান্যবর পুলিশ সুপারসহ জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। পাশাপাশি তিনি তার সহকর্মীদের সহযোগিতা ও আন্তরিকতার জন্য কৃতজ্ঞতা জানান।

ওসি শামীম আকনজি বলেন, যেকোনো পুরস্কার বা মূল্যায়ন একজন কর্মকর্তার কাজের গতিকে আরও বৃদ্ধি করে এবং ভবিষ্যৎ কর্মজীবনে নতুন উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা যোগায়। এই স্বীকৃতি আমাকে আরও নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে জনগণের সেবায় কাজ করতে উৎসাহিত করবে।

জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, অপরাধ দমনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখার জন্য তাকে ফেব্রুয়ারি মাসের শ্রেষ্ঠ অফিসার ইনচার্জ হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

মাহিদুল ইসলাম ফরহাদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:৩৫ পিএম
চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভায় ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন

২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সারাদেশে ১০ কেজি হারে বিনামূল্যে ভিজিএফ খাদ্যশস্য (চাল) বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) সকাল ৯টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ভিজিএফ চাল বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য মোঃ নূরুল ইসলাম বুলবুল।
এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মামুন অর রশীদ, পৌর কমিটির সদস্য ও জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আব্দুল মতিন, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর গোলাম ফারুক, পৌর কর্মচারী সংসদের সভাপতি মোঃ এনামুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আজিজ খানসহ পৌরসভার অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, সরকারের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের মাঝে এই ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হচ্ছে, যাতে তারা পবিত্র ঈদুল ফিতর আনন্দের সাথে উদযাপন করতে পারে।
প্রসঙ্গত, ঈদ উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে অসহায় ও নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে ১০ কেজি করে ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হচ্ছে।

error: Content is protected !!