বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২

নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রায় নিরলস এক অভিভাবক ইব্রাহিম আলী মন্ডল

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩১ জুলাই, ২০২৫, ৬:০৮ পিএম | 122 বার পড়া হয়েছে
নারী শিক্ষার অগ্রযাত্রায় নিরলস এক অভিভাবক ইব্রাহিম আলী মন্ডল

বগুড়া জেলার কাহালু উপজেলার কালাই ইউনিয়নের কালাই কর্নিপাড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দীর্ঘদিন ধরেই নারী শিক্ষা বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এই প্রতিষ্ঠানের বর্তমান প্রধান শিক্ষক ইব্রাহিম আলী মন্ডল শুধুমাত্র একজন শিক্ষক নন, একজন সৎ, যোগ্য, পরিশ্রমী ও মানবিক অভিভাবক যিনি নারী শিক্ষার প্রসারে নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

বিদ্যালয়ে বর্তমানে ২৮২ জন ছাত্রী অধ্যয়ন করছে। এর মধ্যে প্রায় ২৫০ জন শিক্ষার্থী নিয়মিত শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থাকে। এই উপস্থাপনযোগ্য উপস্থিতির হার অনেকটাই প্রধান শিক্ষকের প্রতিনিয়ত তদারকি, অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং শিক্ষার্থীদের প্রতি দায়িত্ববোধের ফল। ইব্রাহিম আলী মন্ডল ছাত্রছাত্রীদের নিজের সন্তানের মতন ভালোবাসেন। প্রত্যেকের পড়াশোনা ও উপস্থিতি সম্পর্কে অবগত থাকেন। শুধু পাঠদানে নয়, মানসিকভাবে সাহস জোগাতে তিনি সরাসরি ভূমিকা রাখেন।

২০২৫ সালের এসএসসি পরীক্ষায় এই বিদ্যালয় থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়, যার মধ্যে ১৫ জন উত্তীর্ণ হয়। পাশের হার দাঁড়ায় ৭৫ শতাংশ। এই ফলাফল তুলে ধরে প্রতিষ্ঠানটির শৃঙ্খলা ও পাঠদানের মান। তিনি শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট শিক্ষার পরিবর্তে বাসায় পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার পরামর্শ দেন এবং অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষার প্রতি মনোযোগ বাড়াতে পারিবারিক সহায়তা অপরিহার্য।

এই বিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী দরিদ্র, যার ফলে অনেকে উপবৃত্তি বা প্রাইভেট শিক্ষকের সহায়তা পায় না। ইব্রাহিম আলী মন্ডল তাদের জন্য বিনা বেতনে পড়ার ব্যবস্থা করেছেন। যেসব ছাত্রী উপবৃত্তির বাইরে থাকে, তাদের খুঁজে নিয়ে নিজস্ব উদ্যোগে পড়ালেখা অব্যাহত রাখার পরিবেশ তৈরি করেন। তার এই দৃষ্টান্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনায় মানবিক দায়িত্ববোধের বাস্তব রূপ।

ইব্রাহিম আলী মন্ডল দীর্ঘদিন যাবত বগুড়ার কাহালু উপজেলার ২ নম্বর কালাই ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরেও তিনি সমাজের মধ্যে একজন শিক্ষানুরাগী, পরিচ্ছন্ন ও নিরপেক্ষ মানুষ হিসেবে স্বীকৃত। বর্তমানে তিনি কাহালু উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্য কল্যাণ সমিতির সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করছেন।

বিদ্যালয়ের মান উন্নয়ন, ছাত্রীর ঝরে পড়া রোধ, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ, মেয়েদের সচেতনতা বৃদ্ধি, ও মা-বাবাদের শিক্ষা সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনের লক্ষ্যে তিনি ধারাবাহিকভাবে সভা, মতবিনিময় ও ব্যক্তিগত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন। এলাকার অভিভাবকদের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ, স্কুল ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিশ্বাসভিত্তিক সম্পর্ক গড়ে তোলার কারণে প্রতিষ্ঠানে একটি ইতিবাচক পরিবেশ তৈরি হয়েছে।

ইব্রাহিম আলী মন্ডলের স্বপ্ন—এই বিদ্যালয়কে এলাকার একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা, যেখানে প্রত্যেক মেয়ে বাল্যবিয়ের পরিবর্তে নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার সুযোগ পাবে। নারী শিক্ষা বিস্তারের মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে তিনি বিশ্বাসী। তার উদ্যোগে বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি ও ফলাফলে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে, যা গোটা এলাকায় প্রশংসিত হয়েছে।

ছাত্রীরা তাকে একজন শিক্ষক নয়, একজন পথপ্রদর্শক এবং নির্ভরতার মানুষ হিসেবে দেখে। একজন শিক্ষক হিসেবে নয়, একজন সমাজ সচেতন দায়িত্ববান নাগরিক হিসেবে ইব্রাহিম আলী মন্ডল আজ এলাকার মানুষের কাছে আস্থার প্রতীক। নারী শিক্ষার উন্নয়নে তার এই প্রচেষ্টা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

জয় ই মামুন

মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

জয় ই মামুন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরির অভিযোগে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে যেসব ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে সেগুলো হলো- কে এফ সি ব্রিকস (বেরুন্ডি) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহানা ব্রিকস (খোলাপাড়া) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স এ এ বি অ্যান্ড কোং (গাড়াদিয়া) ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স জে বি সি ব্রিকস (গোবিন্দল) ২ লাখ টাকা, মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-১ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-২ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস (রামকান্তপুর) ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মো. মোজাফফর খান।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাব-৪ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা সহায়তা প্রদান করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে পরিবেশ ধ্বংস রোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিস্টরা।

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী

জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী পৌর (৪নং ওয়ার্ড) ডাঙ্গপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

নিহত মিমনুর রহমান ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন (আল্লীর) প্রথম পুত্র এবং বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ তিনি ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উদ্বেগ, শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে ব্যানার হাতে নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ন্যায়বিচারের দাবি জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: মনোয়ারা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মহুবর রহমান, শিক্ষক আব্দুল হাই, মিজানুর রহমান, স্বপন কুমার রায়, ভগীরথ চন্দ্র রায় এবং সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা সুলতানা ও শিলা রানী রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, নিহতের পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করছে। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এমন ঘটনা আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চারতলা ভবন

আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

মেহেদী হাসান রিপন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

যশোরবাসীর পুলিশি সেবা আরও বেগবান ও আধুনিক করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগে হাত দিয়েছে সরকার। শহরের জরাজীর্ণ কোতোয়ালি মডেল থানা ভবনটি ভেঙে সেখানে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ষাট দশকে নির্মিত বর্তমান থানা ভবনটি দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সরকারের দেশব্যাপী ১০৭টি থানা আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় এই সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে। যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২৬ হাজার স্কয়ার ফিটের এই ভবনের মূল কাঠামো বা ফাউন্ডেশন হবে ছয়তলা পর্যন্ত, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি চারতলা হিসেবে নির্মিত হবে। ঝিনাইদহের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেবাপ্রার্থী এবং পুলিশ সদস্যদের সুবিধার্থে ভবনের প্রতিটি তলা সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছে:
* প্রথম তলা: অভ্যর্থনা কেন্দ্র এবং দাপ্তরিক অফিস।
* দ্বিতীয় তলা: হাজতখানা ও প্রশাসনিক শাখা।
* তৃতীয় তলা: অফিস এবং নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক।
* চতুর্থ তলা: পুরুষ পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক ব্যারাক।

অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়িতে

নির্মাণ কাজ চলাকালীন জনসেবা যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য থানার যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পরিচালিত হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান ভবনটি খালি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জনবল অনুযায়ী চাঁচড়া ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় পুলিশ সদস্যদের সাময়িকভাবে কিছুটা আবাসন সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, উন্নত ও আধুনিক পুলিশি সেবার স্বার্থে এই সাময়িক কষ্টটুকু মেনে নিতে হবে। নতুন ভবন নির্মিত হলে যশোরবাসীকে সেবা প্রদানের মান ও পুলিশের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

error: Content is protected !!