রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ৩১ ফাল্গুন ১৪৩২

স্বর্ণের দামে অস্থিরতা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৪, ২:০৮ এএম | 65 বার পড়া হয়েছে
স্বর্ণের দামে অস্থিরতা

সর্বোচ্চ দামের রেকর্ড গড়ার পর কিছুটা দরপতন হলেও আবারও বাড়ল সোনার দাম। দুদিনে প্রতি আউন্স সোনার দাম বেড়েছে ৫০ ডলার।

তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, চলতি বছরের জুন মাস থেকে সোনার দাম বাড়ার প্রবণতা শুরু হয়। গত ৭ জুন প্রতি আউন্স সোনার দাম ছিল ২ হাজার ২৯৩ ডলার। এরপর দফায় দফায় দাম বেড়ে ১৬ জুলাই প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৪৬৮ ডলারে ওঠে।

অবশ্য এখানেই সোনার দাম বাড়ার প্রবণতা থামেনি। এরপরও সোনার দাম বাড়ার প্রবণতা চলতে থাকে। গত ২০ সেপ্টেম্বর ইতিহাসে প্রথমবার প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৬০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করে। এ রেকর্ড গড়ার পরও সোনার দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত থাকলে ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৬৮২ ডলার পর্যন্ত ওঠে। এটিই এখন পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ দাম।

এই রেকর্ড দাম হওয়ার পর সোনার দাম কমার প্রবণতা দেখা যায়। কয়েক দফায় দাম কমে ১ অক্টোবর প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৬৩১ ডলারে নেমে আসে। এরপর কয়েক দফায় সোনার দামে উত্থান-পতন হলেও দাম কমার পাল্লা ভারী হয়। এতে ১০ অক্টোবার লেনদেনের এক পর্যায়ে প্রতি আউন্স সোনার দাম ২ হাজার ৬০৬ ডলারে নেমে যায়।

এই মূল্য সংশোধনের পর ১০ অক্টোবর লেনদেনের শেষদিকে আবার সোনার দাম বাড়ার প্রবণতা শুরু হয়। যা অব্যাহত থাকে গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস অর্থাৎ ১১ অক্টোবরও। এতে গত সপ্তাহের লেনদেন শেষে প্রতি আউন্স সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ৬৫৭ ডলারে। এর মধ্যে সপ্তাহের শেষদিন প্রতি আউন্স সোনার দাম বেড়েছে ২৩ দশমিক ৮৫ ডলার বা শূন্য দশমিক ৯১ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমার মধ্যে গত ২৯ সেপ্টেম্বর দেশের বাজারে সোনার দাম কিছুটা কমানো হয়। সে সময় সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ২৫৯ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ২০১ টাকা কমিয়ে এক লাখ ৩১ হাজার ১৯৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এক হাজার ৩৮ টাকা কমিয়ে এক লাখ ১২ হাজার ৪৫৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ৮৭৪ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয় ৯২ হাজার ২৮৬ টাকা। বর্তমানে এ দামেই দেশের বাজারে বিক্রি হচ্ছে সোনা।

এই দাম কমানোর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর সব থেকে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৩ হাজার ৪৪ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় এক লাখ ৩৮ হাজার ৭০৮ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৮৯৩ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ৩২ হাজার ৩৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ৪৯৬ টাকা বাড়িয়ে এক লাখ ১৩ হাজার ৪৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়। সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার দাম ২ হাজার ১২২ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ৯৩ হাজার ১৬০ টাকা। দেশের বাজারে এটিই এখনো পর্যন্ত সোনার সর্বোচ্চ দাম।

ময়মনসিংহে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৩ পিএম
ময়মনসিংহে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির মার্চ ২০২৬-এর মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ ১৫ মার্চ রবিবার সকালে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলনকক্ষে জেলা উন্নয়ন সমন্বয় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত সভায় সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসক মো. সাইফুর রহমান।

সভায় ময়মনসিংহের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরসমূহের কর্মকর্তাগণ নিজ দপ্তরের কার্যক্রমের অগ্রগতি ও বাস্তবায়ন সম্পর্কে জেলা প্রশাসককে অবহিত করেন। স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসমূহে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং তদন্তের ভিত্তিতে লাইসেন্স নবায়ন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে বলে জানান। সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধি জানান, নগরীর সড়ক, ড্রেনেজ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ অন্যান্য উন্নয়নমূলক কার্যক্রম চলমান রয়েছে। যানজট ও হকার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হচ্ছে। মশক নিধনে ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে লিফলেট বিতরণ, মশকনিরোধী ওষুধ, ঝোপঝাড় ও আবর্জনা পরিষ্কারে কার্যক্রম চলমান।

সড়ক ও জনপথ বিভাগ জানায়, নিয়মিত নতুন প্রকল্প গুলোর কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। মুক্তাগাছা টু সত্রাশিয়া বাইপাস সড়ক দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তর জানান, ময়মনসিংহ মহিলা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট স্থাপন প্রকল্পের আওতায় ০৭ সাতটি কাজ চলমান। নির্বাচিত বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সমূহের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ এবং ১০০টি উপজেলায় একটি করে টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজ স্থাপন শীর্ষ প্রকল্পের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। মজুদকৃত সার মনিটরিং ও প্রণোদনা কার্যক্রমে যাচাই-বাছাইপূর্বক তালিকা প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি জানান।

সভাপতি বলেন , আসন্ন ২৬ মার্চ উপলক্ষ্যে গৃহিত কর্মসূচিগুলোতে সকল সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণদের পেশাদারিত্বের জায়গা থেকে সক্রিয় অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানান। এছাড়াও আসন্ন ঈদুল ফিতরে যাত্রীদের নির্বিঘ্নে যাতায়াতের লক্ষ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং পরিবহন বিভাগের সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।

জেলার অন্যান্য দপ্তরের কর্মকর্তাগণ দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড স্বাভাবিকভাবে চলমান রয়েছে বলে উল্লেখ করেন। সভায় ময়মনসিংহের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রেজা মো. গোলাম মাসুম প্রধান, বিভাগীয় জেলা তথ্য অফিস ময়মনসিংহের পরিচালক মীর আকরাম উদ্দীন আহম্মদসহ জেলার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

​কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কটিয়াদীতে ভূমি অফিসে অনিয়মের পাহাড়: ৭৫ দিনেও নামজারি পাননি পঙ্গু ফরিদ

​কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩২ পিএম
কটিয়াদীতে ভূমি অফিসে অনিয়মের পাহাড়: ৭৫ দিনেও নামজারি পাননি পঙ্গু ফরিদ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা ভূমি অফিসে সেবাগ্রহীতাদের চরম ভোগান্তি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দিনের পর দিন ঘুরেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সেবা, উল্টো পোহাতে হচ্ছে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ।

​রোববার (১৫ মার্চ) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অফিসের বারান্দায় মাটিতে বসে ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করছেন উপজেলার ইন্দুয়াইল গ্রামের বাসিন্দা ফরিদ মিয়া। তার দুটি পা-ই অচল। শারীরিক প্রতিবন্ধকতা জয় করে গত আড়াই মাস (৭৫ দিন) ধরে তিনি ঘুরছেন স্ত্রীর নামে একটি ই-নামজারি (খারিজ) আবেদনের নিষ্পত্তির জন্য।

​ভুক্তভোগী ফরিদ মিয়া কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, দুইটা পা অচল। মাটিতে বসে বসে টেনে টেনে চলতে হয়। স্ত্রীর নামে খারিজের আবেদনের জন্য গত ২০-২৫ দিন নিজে এই অফিসে আইছি। এসিল্যান্ড (সহকারী কমিশনার-ভূমি), মৌলভী স্যারসহ সবার দ্বারে দ্বারে গেছি। কিন্তু কাজ হয় না; সবাই শুধু এক রুম থেকে অন্য রুমে পাঠায়। এতদিন ধইরা ঘুরতাছি, কবে কাজ শেষ হবে আল্লাহ জানে।”

​একই অফিসের অব্যবস্থাপনার শিকার অষ্টঘড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মুকুল মিয়া। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই অফিসে নামজারির পেছনে ছুটতে ছুটতে আমার চার জোড়া জুতা ছিঁড়ে গেছে। শেষে ঝগড়াঝাঁটি করে তবেই কাজ করাতে পেরেছি। এখানে স্বাভাবিকভাবে কাজ পাওয়া দুষ্কর।”

​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরও কয়েকজন ভুক্তভোগী অভিযোগ করেন, কটিয়াদী উপজেলা ভূমি অফিসে ‘টাকা ছাড়া কোনো ফাইল নড়ে না’। অদৃশ্য সিন্ডিকেটের কারণে সাধারণ মানুষ জিম্মি হয়ে পড়েছেন। বিশেষ করে দালাল চক্র ও অফিসের কিছু অসাধু কর্মচারীর যোগসাজশে সেবার নামে চলছে হয়রানি।

​এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যথাযথ হস্তক্ষেপ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।

এ বিষয়ে কিশোরগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(রাজস্ব) মোহাম্মদ নাহিদ হাসান খাঁন বলেন,এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ডাঃ মোঃ আবুল কালাম, জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ

গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে মহরম শরিফুল ইসলামের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান

ডাঃ মোঃ আবুল কালাম, জেলা প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: রবিবার, ১৫ মার্চ, ২০২৬, ৩:২২ পিএম
গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে মহরম শরিফুল ইসলামের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান

গণঅধিকার পরিষদের পক্ষ থেকে মহরম শরিফুল ইসলামের পরিবারকে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদ ময়মনসিংহ জেলার সিনিয়র সহ-সভাপতি হাকীম মোঃ আবুল কালাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডাঃ হাকীম এ কে এম নুরুজ্জামান, মুক্তাগাছা উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি মোঃ শাহিনুর আলম, এবং ছাত্র অধিকার পরিষদ মুক্তাগাছা উপজেলার সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইয়ামিন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মোঃ আইনল মিয়া, মোঃ ফাইজুল ইসলাম, মোঃ জাকির হোসেনসহ এলাকার যুব সমাজ এবং গণঅধিকার পরিষদ ও এর অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

error: Content is protected !!