শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২

গভর্নর পদের ৬৭ বছরের বয়সসীমা তুলে দিয়ে বিল পাস

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:৩২ পিএম | 6 বার পড়া হয়েছে
গভর্নর পদের ৬৭ বছরের বয়সসীমা তুলে দিয়ে বিল পাস

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে সর্বোচ্চ ৬৭ বছর বয়সসীমা তুলে দিয়ে একটি বিল পাস করেছে জাতীয় সংসদ। বিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদের চার বছরের মেয়াদ ও পুনর্নিয়োগের সুযোগ বহাল রাখা হয়েছে। তবে ৬৭ বছর পূর্ণ হলে পদে থাকা যাবে না বলে যে শর্ত ছিল, তা বাদ দেওয়া হয়েছে।

আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে অধিবেশন শুরু হলে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ সংশোধনের বিলটি উত্থাপন করেন। পরে দফাওয়ারি কোনো সংশোধনী না থাকায় তা উত্থাপিত আকারে পাস হয়। নতুন আইনের নাম রাখা হয়েছে—বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধন আইন, ২০২৬।

বিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদের চার বছরের মেয়াদ ও পুনর্নিয়োগের সুযোগ বহাল রাখা হয়েছে। তবে ৬৭ বছর পূর্ণ হলে পদে থাকা যাবে না বলে যে শর্ত ছিল, তা বাদ দেওয়া হয়েছে। ফলে বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২-এর ১০ অনুচ্ছেদের ৫ দফায় থাকা শর্ত বিলুপ্ত হবে। এর অর্থ, গভর্নর পদে চার বছরের মেয়াদ ও পুনর্নিয়োগের বিধান থাকবে, কিন্তু বয়স ৬৭ বছর পার হলে পদ ছাড়তে হবে—এমন বাধ্যবাধকতা আর থাকবে না।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ-সংবলিত বিবৃতিতে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, মুদ্রানীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন, আর্থিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, ব্যাংক তদারকি এবং আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমন্বয়সহ আর্থিক খাতের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য গভর্নর পদে ‘অভিজ্ঞ, দক্ষ ও প্রজ্ঞাসম্পন্ন ব্যক্তি’ নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। সেখানে বলা হয়েছে, বিদ্যমান বয়সসীমা অনেক ক্ষেত্রে আর্থিক খাতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের তৈরি সংশোধনের যৌক্তিকতা-সংবলিত তুলনামূলক বিবরণীতেও একই কথা বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, এই পদে বয়সসীমা ৬৭ বছর নির্ধারিত থাকায় আর্থিক খাতে দক্ষতা ও অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ব্যক্তিকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করে।

ওই বিবরণীতে আরও বলা হয়েছে, পার্শ্ববর্তী দেশ নেপাল ও পাকিস্তান ছাড়া অন্য অনেক দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর পদের জন্য সর্বোচ্চ বয়সসীমার উল্লেখ নেই। সে কারণেই ‘উক্ত আইনগত সীমাবদ্ধতা দূরীকরণ’ জনস্বার্থে প্রয়োজন বলে মত দেওয়া হয়েছে। সংসদের চলতি অধিবেশনে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশকে আইনে রূপ দেওয়ার যে প্রক্রিয়া চলছে, তার অংশ হিসেবেই এই সংশোধনী বিলটি আনা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক সংশোধন বিলের পাশাপাশি আর্থিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো-সংক্রান্ত আরও কয়েকটি বিলও ওই অধিবেশনে নিষ্পত্তি হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর দেশের মুদ্রানীতি, আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতা, ব্যাংক তদারকি, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনা, রিজার্ভ ব্যবস্থাপনা ও আন্তর্জাতিক আর্থিক সংস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করেন। সে কারণে এই পদে নিয়োগের যোগ্যতা, মেয়াদ, পুনর্নিয়োগ ও বয়সসীমা নিয়ে আইনি বিধান সব সময়ই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়।

সরকারের যুক্তি হচ্ছে, আর্থিক খাতে অভিজ্ঞতার মূল্যায়ন করতে গেলে বয়সের নির্দিষ্ট সীমা অনেক সময় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষ করে জটিল ব্যাংকিং ও আর্থিক বাস্তবতায় অভিজ্ঞ নেতৃত্বের প্রয়োজনীয়তার কথা সামনে এনে তারা এই সংশোধনী প্রস্তাব এনেছে।

গভর্নর পদের বয়সসীমা নিয়ে এটাই প্রথম পরিবর্তন নয়। ২০২০ সালে আইন সংশোধন করে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৬৫ থেকে বাড়িয়ে ৬৭ বছর করা হয়েছিল। তখন সাবেক গভর্নর ফজলে কবিরকে দ্বিতীয় মেয়াদে দায়িত্বে রাখতেই সেই পরিবর্তন আনা হয়। পরে ২০২৪ সালে অন্তর্বর্তী সরকার আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর করার উদ্যোগ নিলে আবারও বয়সসীমার বিষয়টি সামনে আসে। সে সময় সরকারের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, বিদ্যমান আইনে ৬৭ বছরের বেশি বয়সী কাউকে গভর্নর পদে রাখার সুযোগ নেই। প্রায় ৭৩ বছর বয়সী আহসান এইচ মনসুরকে দায়িত্ব দিতে তাই আইন পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়। সেই ধারাবাহিকতায় এবার সংসদে পাস হওয়া সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদের বয়সের ঊর্ধ্বসীমা পুরোপুরি তুলে দেওয়া হলো।

বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার অনুযায়ী গভর্নরের মেয়াদ চার বছর। পুনর্নিয়োগের সুযোগ রয়েছে। এই অবস্থায় বয়সসীমা তুলে দেওয়ার ফলে ভবিষ্যতে সরকার এই পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে বয়সের বদলে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও প্রজ্ঞাকে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবে।

নতুন সংশোধনীতে গভর্নরের চার বছরের মেয়াদ ও পুনর্নিয়োগের সুযোগ বহাল থাকছে। বাদ যাচ্ছে শুধু বয়সসীমা-সংক্রান্ত শর্তটি। আহসান এইচ মনসুরকে গভর্নর করার সময় অন্তর্বর্তী সরকার অধ্যাদেশ জারি করে বয়সসীমা-সংক্রান্ত এই পরিবর্তন কার্যকর করেছিল; সংসদে বিল পাসের মধ্য দিয়ে সেটি এখন আইনি ভিত্তি পেল।

 

আলমগীর কবির, পত্নীতলা (নওগাঁ ) প্রতিনিধিঃ

সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন সামিনা পারভিন পলি

আলমগীর কবির, পত্নীতলা (নওগাঁ ) প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:০০ পিএম
সংরক্ষিত নারী আসনের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন সামিনা পারভিন পলি

সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম উত্তলন করেছেন নওগাঁ জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী সামিনা পারভিন পলি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করতে মনোনয়ন ফরম বিক্রি ও জমা গ্রহণ কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

পত্নীতলা উপজেলা বিএনপি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার (১০ এপ্রিল) বিকালে নয়া পল্টন বিএনপি কার্যালয় থেকে তিনি এ ফরম সংগ্রহ করেন।

পত্নীতলা উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম বলেন, নওগাঁ জেলা মহিলা দলের ভারপ্রাপ্ত সভানেত্রী সামিনা পারভিন পলি সংরক্ষিত নারী আসনের জন্য মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। দুঃসময়ে দলের নিবেদিত প্রাণ, ফ্যাসিস্ট সরকারের সময়ে নেতাকর্মীদের জেল জুলুম নির্যাতনে সব সময় পাশে থেকে তাদের পরিবারের খোঁজ খবর নিয়োছেন, তাদের মামলার খরচ জামিনের খরচ এবং অস্বচ্ছল নেতাকর্মীদের বাড়িতে বাজার খরচ পর্যন্ত দিয়েছেন। দুঃসময়ে নেতাকর্মীদের উজ্জীবিত রেখেছেন। নওগাঁ জেলা মহিলা দলকে সুসংগঠিত রেখে সকল কর্মসূচী মাঠে থেকে সফল করেছেন। যেহেতু নওগাঁর ৫ টি আসনেই বিএনপি মনোনীত এমপিপাশ করেছেন নওগাঁ ২ আসনে আমাদের সরকারে ইশতেহার বাস্তবায়ন লক্ষ্য ওনাকে মহিলা সংরক্ষিত আসনটি দিলে এই এলাকার উন্নয়নের ধারা গতিশীল হবে। আমরা শতভাগ আশাবাদী দল তাকে আসনটি দিবেন।

বিশ্বকাপের অমোঘ টান বনাম উদ্বেগ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
বিশ্বকাপের অমোঘ টান বনাম উদ্বেগ

অমোঘ টান আর উপভোগের নির্মল আনন্দ আছে বলেই ফুটবল বিশ্বকাপ উপেক্ষা করা যায় না। আর যায় না বলেই বরাবরের মতো এবারও বিশ্বকাপের টিকিটের গগনচুম্বী চাহিদা। কিন্তু শুরুর আগেই বিশ্বকাপের অমলিন আনন্দে উদ্বেগ ভর করার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ইউএস ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশনের এক জরিপে দেখা গেছে, আগ্রহ থাকলে আসন্ন বিশ্বকাপ দেখতে যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন কি না, তা নিয়ে দোটানায় আছেন আন্তর্জাতিক ফুটবলভক্তরা। ভ্রমণকালীন ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, ভিসা সমসা, টিকিটের চড়া দাম এবং মার্কিন সরকারের নীতি নিয়ে উদ্বিগ্ন তাঁরা।

বিশ্বকাপ শুরুর ঠিক দুই মাস আগে প্রকাশিত এই জরিপে ১০টি দেশের ৯ হাজার ৫০০ জনের বেশি অংশগ্রহণকারী মত দিয়েছেন। এর ভিত্তিতে ইউএস ট্রাভেল অ্যাসোসিয়েশন বলছে, ‘নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, ভিসা প্রসেসিংয়ে বিলম্ব এবং মার্কিন নীতির পরিবর্তন আন্তর্জাতিক পর্যটকদের সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারে, যা এই আয়োজনের মূল সম্ভাবনাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে।’

যদিও ফিফার দাবি, বিভিন্ন অঞ্চলের ২০০টির বেশি দেশের মানুষের টিকিট কেনার হার দেখে তারা আশাবাদী। কিন্তু এই দাবির সপক্ষে বিমান কিংবা হোটেল বুকিংয়ের তেমন কোনো জোরালো তথ্য এ পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। উল্টো সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, তিন আয়োজক দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে হাজারো হোটেল বুকিং বাতিল করা হয়েছে এবং প্রত্যাশিত চাহিদাও এখন পর্যন্ত দেখা যাচ্ছে না।

জরিপ অনুযায়ী, প্রায় প্রতি চারজনের একজন ভিসা ও সীমান্তপ্রক্রিয়াকে ভ্রমণ সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তবে যাঁরা যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা তুলনামূলক বেশি সময় অবস্থান করবেন এবং অন্যান্য পর্যটকের তুলনায় গড়ে ৬৭ শতাংশ বেশি ব্যয় করবেন; যা জনপ্রতি প্রায় ৫ হাজার ৪৮ ডলার।

টিকিটের ক্ষেত্রে ফিফার ‘ডায়নামিক প্রাইসিং’ (চাহিদার ওপর ভিত্তি করে দাম পরিবর্তন) পদ্ধতির কারণে ভক্তরা ক্ষুব্ধ। এর পাশাপাশি যাতায়াত খরচও দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছে। ম্যাসাচুসেটস বে ট্রান্সপোর্টেশন অথরিটি বোস্টন স্টেডিয়ামে যাতায়াতের জন্য ৮০ ডলারের সীমিত রাউন্ড-ট্রিপ টিকিট ঘোষণা করেছে। ইংল্যান্ড ও স্কটল্যান্ডের সমর্থক গোষ্ঠীগুলো এই উচ্চমূল্য নিয়ে এরই মধ্যে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।

সব মিলিয়ে বাড়তি খরচ, ভিসা জটিলতা ও নিরাপত্তা উদ্বেগ কাটিয়ে উঠতে না পারলে বিশ্বকাপ আয়োজনের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সুফল পুরোপুরি অর্জন কঠিন হয়ে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

 

লেবাননে যুদ্ধবিরতি ছাড়া আলোচনা সম্ভব নয়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৫৬ পিএম
লেবাননে যুদ্ধবিরতি ছাড়া আলোচনা সম্ভব নয়

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি শান্তি আলোচনা শুরু করার ক্ষেত্রে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ। তিনি বলেছেন, লেবাননে যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং বিদেশের ব্যাংকে জব্দ করা ইরানের অর্থ অবমুক্ত না করা পর্যন্ত কোনো আলোচনা শুরু হতে পারে না।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে গালিবাফ লিখেছেন, ‘উভয় পক্ষের মধ্যে পারস্পরিকভাবে সম্মত হওয়া দুটি বিষয় এখনো বাস্তবায়িত হয়নি—লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং আলোচনা শুরুর আগেই ইরানের অবরুদ্ধ অর্থ ফেরত দেওয়া।’

গালিবাফ বলেন, ‘আলোচনা শুরু হওয়ার আগে এই দুটি বিষয় অবশ্যই পূরণ করতে হবে।’

আগামীকাল শনিবার পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের শান্তি আলোচনা শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। তবে আলোচনার ঠিক আগমুহূর্তে গালিবাফের এই ঘোষণা পুরো প্রক্রিয়ায় নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এর আগে ইরান জানিয়েছিল, তাদের মিত্রদেশ লেবাননকে এই চুক্তির বাইরে রাখা হলে তেহরান কোনো সমঝোতায় পৌঁছাবে না। গালিবাফের এই মন্তব্য সেই অবস্থানকেই আরও শক্তিশালী করল।

উল্লেখ্য, গতকাল লেবাননের সঙ্গে শান্তি আলোচনার ঘোষণা দিয়েছিলেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। এক বিবৃতিতে নেতানিয়াহু বলেন, ‘ইসরায়েলের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য লেবাননের পক্ষ থেকে বারবার অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে আমি গতকালই মন্ত্রিসভাকে যত দ্রুত সম্ভব আলোচনা শুরুর নির্দেশ দিয়েছি। এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্রীকরণ এবং ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে শান্তিপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন।’ তবে আজ তিনি বলেন, লেবাননের সঙ্গে কোনো যুদ্ধবিরতি হবে না।

গত ২ মার্চ ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ ইসরায়েলে রকেট হামলা শুরু করার পর ইসরায়েল লেবাননে নতুন করে অভিযান শুরু করে। লেবানন কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্যমতে, ইসরায়েলি হামলায় এ পর্যন্ত প্রায় ১ হাজার ৭০০ জন নিহত হয়েছে এবং ১২ লাখের বেশি মানুষ ঘরবাড়ি ছাড়তে বাধ্য হয়েছে।

 

error: Content is protected !!