সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

নির্বাচনের সময় সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা চাই

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ৯:৫৩ পিএম | 75 বার পড়া হয়েছে
নির্বাচনের সময় সরকারি কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা চাই

বস্ত্র ও পাট এবং নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, নির্বাচনের সময়ে সব মন্ত্রণালয় ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতা দিতে হবে।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের ওপর সরকারের হস্তক্ষেপ বন্ধ করতে হবে। সরকারি চাকরি থেকে অবসরের পর কমপক্ষে তিন বছর না হলে দলীয় মনোনয়ন যাতে না পান সেই জন্যও বিধান রাখা উচিত।

আজ শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত ‘নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কেমন চাই’ বিষয়ক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপদেষ্টা এসব কথা বলেন।

সংগঠনের সভাপতি একরামুল হক সায়েমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সেমিনারে আলোচনায় অংশ নেন- নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর, জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী, সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স, এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু ও আয়োজক সংগঠন আরএফইডি’র সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর প্রমুখ।

সেমিনারে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, রাজনৈতিক দল সঠিকভাবে দায়িত্ব পালন না করলে নির্বাচন কমিশন সুষ্ঠু নির্বাচন করতে পারবে না। গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজসহ অংশীজনদের সঠিক ভূমিকা পালন করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘পুরো নির্বাচনি প্রক্রিয়া সঠিক হতে হবে। যে নির্বাচন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে কার্যকর করে না, সেটা প্রকৃতপক্ষে নির্বাচন নয়। নির্বাচনের সময় সরকার, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। তা না করলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ।’

বদিউল আলম বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য রাজনৈতিক ঐক্যমত এবং রাজনৈতিক সংস্কৃতির পরিবর্তন প্রয়োজন। নিরপেক্ষ, সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন নিয়োগের এখতিয়ার নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের নয়। এ সিদ্ধান্ত নেবে অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকার।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, প্রজাতন্ত্রের মালিক যেন জনগণ হয়, সেজন্য কিছু সংস্কার প্রয়োজন। আমরা সব দলের সঙ্গে আলোচনা করে ৩১ দফা সুপারিশ দিয়েছি।
নির্বাচন কমিশন নিয়োগ আইন অবশ্যই সংস্কার করতে হবে উল্লেখ করে রিপন বলেন, কোনো আসনে কেউ যেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত না হন সেদিকে অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মতো পরিস্থিতি তৈরি হলে সেখানে পুনরায় নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন আহবান করতে হবে। তিনি উচ্চ আদালতে ২৩ জন বিচারক নিয়োগ প্রসঙ্গে বলেন, বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রেও কিছু নীতিমালা থাকতে হবে।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল বলেন, নির্বাচন চলাকালীন সময়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে কোনো আদালতের রিট গ্রহণ করা যাবে না। এ ব্যাপারে আইন থাকতে হবে। স্থানীয় সরকারের নির্বাচন নিয়ে সংবিধানে এক ধারার সাথে আরেক ধারার সাংঘর্ষিক শব্দ ব্যবহার নিরসন করতে হবে। দুই বারের বেশি কেউ প্রধানমন্ত্রী বা প্রেসিডেন্ট যাতে না থাকতে পারেন তারও বিধান থাকতে হবে।

জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, নির্বাচনি ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে গেছে। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা সংশোধন করে সংবিধানে তা স্থায়ীভাবে সন্নিবেশিত করতে হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে কয়েকটি নির্বাচন অপেক্ষাকৃত গ্রহণযোগ্য হয়েছে।

তিনি বলেন, ডিজিটাল ভোট ব্যবস্থা বাতিল করতে হবে। এনআইডি ব্যবস্থাপনা নির্বাচন কমিশনের অধীনে আনতে হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক কিংবা দলীয় মনোনয়ন থাকবে না।
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, শুধু একটি নির্বাচন করার জন্য এই গণঅভ্যুত্থান হয়নি। অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ নির্বাচন চাইলে নিরপেক্ষ প্রশাসন প্রয়োজন। সংবিধান বাতিল করে নতুন সংবিধান করতে হবে। সংখ্যানুপাতিক নির্বাচনে কারো সমস্যা থাকার কথা না। রাজনৈতিক দলগুলোর বাজেট নিয়ে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে দলীয় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে।

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, কমিশনগুলো কিভাবে কাজ করবে সেটা এখনও সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি। বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের পথ তৈরি হয়নি। রাজনৈতিক দলগুলোর ভেতরে নির্বাচন সুষ্ঠু করার আগ্রহ নেই। তারা নিরঙ্কুশ ক্ষমতা পেতে চায়। অন্তত তিন থেকে পাঁচটি নির্বাচন নির্বাচনকালীন অন্তর্র্বতী সরকারের অধীনে হতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে একটি স্বতন্ত্র সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে তৈরি করতে হবে। না ভোটের বিধান থাকা দরকার। গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ সংশোধনের মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলোর নিবন্ধন সহজ করতে হবে।

জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী বলেন, নির্বাচন সংস্কার অন্তর্র্বর্তী সরকারের মুখ্য দায়িত্ব। নির্বাচনকালীন সরকার কে থাকবে সেটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন ব্যবস্থা করতে হবে।

সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা ছাড়া নির্বাচন ব্যবস্থার সংস্কার সম্ভব নয়। সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যতটুকু কাজ প্রয়োজন সেটুকু করুক অন্তর্র্বর্তীকালীন সরকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকার স্থায়ী হবে কি না সেই সিদ্ধান্তও নিতে হবে রাজনৈতিক দলের ঐক্যমতের ভিত্তিতে।

এবি পার্টির সদস্য সচিব মজিবুর রহমান মঞ্জু বলেন, প্রার্থীরা প্রিজাইডিং অফিসার ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন। নির্বাচনের সময় কে ডিসি, কে এসপি সেটা নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েন।

আরএফইডি’র সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বলেন, রাজনৈতিক দল গুলোর আয়-ব্যয়ের হিসাব, প্রবাসীদের ভোটার, পোস্টাল ভোট ও জাতীয় পরিচয়পত্র নিয়ে যে সমস্যা তৈরি হয়েছে তা নিরসনে নির্বাচন সং¯কার কমিশনকে কাজ করতে হবে।

জনতার ভালোবাসায়, উন্নয়নের প্রত্যাশায়

চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগণের অনুরোধে ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়বেন রবিউল ইসলাম

নাছিম মৃধা, বাগেরহাট প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:১৯ পিএম
চিতলমারী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে জনগণের অনুরোধে ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়বেন রবিউল ইসলাম

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলা-র পরিচিত মুখ, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, সমাজসেবক ও তরুণ নেতা মোঃ রবিউল ইসলাম (রবি) আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচন-এ ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এলাকাবাসীর অনুরোধ ও ভালোবাসার প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছেন মোঃ রবিউল ইসলাম (রবি)। এলাকার সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা, দরিদ্র ও অসহায় মানুষের সহায়তায় এগিয়ে আসা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগে সম্পৃক্ত থাকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে চিতলমারী উপজেলার মানুষের আস্থা ও ভালোবাসা অর্জন করেছেন। অনেকেই তাকে এলাকার সাধারণ মানুষের “নয়নের মণি” হিসেবে উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে মোঃ রবিউল ইসলাম (রবি) বলেন, “আমি সবসময় চেষ্টা করেছি সাধারণ মানুষের পাশে থাকতে এবং তাদের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিতে। এলাকার মানুষের অনুরোধ ও ভালোবাসা আমাকে অনুপ্রাণিত করেছে। তাই আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নির্বাচিত হলে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের কল্যাণে কাজ করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং স্থানীয় অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে চিতলমারীকে একটি আধুনিক ও উন্নত উপজেলায় রূপান্তর করার লক্ষ্য নিয়েই তিনি কাজ করতে চান।
এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে তিনি চিতলমারী উপজেলার সর্বস্তরের জনগণকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন। তিনি সকলের সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে আগামী দিনের পথচলায় সবার দোয়া ও সমর্থন প্রত্যাশা করেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, তরুণ ও উদ্যমী নেতৃত্ব হিসেবে মোঃ রবিউল ইসলাম (রবি) নির্বাচনে অংশ নিলে চিতলমারী উপজেলার রাজনীতিতে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি হবে এবং উন্নয়নের ধারাকে আরও গতিশীল করবে।

সাঁথিয়ায় গাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:১৫ পিএম
সাঁথিয়ায় গাছ থেকে পড়ে বৃদ্ধার মৃত্যু

পাবনার সাঁথিয়ায় তেঁতুল গাছ থেকে পড়ে কৃষকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। সে উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের মৃত হোসেন আলী মুন্সীর ছেলে জয়নাল আলী মুন্সী (৬০)।

পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, রবিবার বিকালে জয়নাল মুন্সী মাঠে থেকে বাড়িতে আসেন। এসময় পরিবারের প্রয়োজনে তিনি তেঁতুল সংগ্রহের জন্য গাছে উঠেন। গাছে উঠার পর হঠাৎ করে জয়নাল মুন্সী মাটিতে পড়ে যায়। আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পাবনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থা অবনতি হলে দ্রুত রাজশাহী হাসাপাতালে নেবার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। রাজশাহী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জয়নাল মুন্সী মৃত্যু বরণ করেন।

পরিবারের উপার্জন শীল একমাত্র ব্যক্তির মুত্যুত শোকের মাতম পড়ে পরিবারে।

দিঘলিয়ায় উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনের কর্মসূচি

জাহিদ হোসেন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি-খুলনা প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:১২ পিএম
দিঘলিয়ায় উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলা ও মাদক প্রতিরোধে প্রশাসনের কর্মসূচি

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দিঘলিয়ায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও মাদক প্রতিরোধে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিনসহ আগে ও পরে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং মাদকদ্রব্য আমদানি ও কেনাবেচা প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ঈদের দিন সকল সরকারি, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে জাতীয় পতাকা উত্তোলন এবং সূর্যাস্তের সাথে সাথে তা নামিয়ে ফেলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া ঈদের জামাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঈদের ছুটিকালীন সময়ে বিভিন্ন ঘাটে নির্ধারিত টোলের বেশি আদায় করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছে। অতিরিক্ত টোল আদায়কে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে।
এদিকে সড়কে খোলা ট্রাক বা পিকআপে মাইক বা সাউন্ড বক্স ব্যবহার করে উচ্চ শব্দে গান বাজানো নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা এবং বেপরোয়া গতিতে যানবাহন চালানো থেকেও বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দিঘলিয়ার প্রতিটি খেয়াঘাটে নৌকাতে ১৫ জনের বেশি উঠানো যাবে না।

ঈদের জামাতে সম্ভাব্য সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও নাশকতা প্রতিরোধে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে। এ লক্ষ্যে দিঘলিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দিঘলিয়া কন্টিনজেন্ট এবং দিঘলিয়া, আড়ংঘাটা ও খানজাহান আলী থানা পুলিশ সার্বিক দায়িত্ব পালন করবে।

error: Content is protected !!