শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান: আইজিপি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৪, ৫:১০ পিএম | 59 বার পড়া হয়েছে
শুরু হচ্ছে সাঁড়াশি অভিযান: আইজিপি

দুর্গাপূজার পর সারাদেশে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. ময়নুল ইসলাম।

শনিবার (১২ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনে দুর্গাপূজা মণ্ডপ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

পুলিশপ্রধান বলেন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাসী কার্যকলাপ, মাদক ও ট্রাফিক ব্যবস্থাসহ সবগুলো নিয়ে সাঁড়াশি অভিযান শুরু হবে। আমরা যে কোনো ধরনের আইনশৃঙ্খলাজনিত অবনতি ঘটনা প্রতিহত করতে চাই।

তিনি বলেন, আমরা দেখছি, অনলাইনে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সেগুলো ফ্যাক্টচেক করে দেখা গেছে অধিকাংশই গুজব এবং মিথ্যা। সোশ্যাল মিডিয়ায় আমরা কী ধরনের আচরণ করবো সে ব্যাপারেও সচেতন হতে হবে।

আগামীকাল রোববার বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা শেষ হবে। বিসর্জনের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

আইজিপি বলেন, সারাদেশে ৩২ হাজারের বেশি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদযাপিত হচ্ছে। এ পূজা যেন নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হতে পারে সেজন্য বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সারাদেশে পূজামণ্ডপে প্রায় সোয়া দুই লাখ আনসার সদস্য মোতায়েন রয়েছেন। পুলিশ বাহিনীর ৭৫ হাজার সদস্য প্রত্যক্ষভাবে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত। এছাড়া সারাদেশে সশস্ত্র বাহিনী মোতায়েন আছে।

তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯, কন্ট্রোল রুম সার্বক্ষণিক চালু রয়েছে। আমরা যখনই পূজা সংক্রান্ত যে কোনো সংবাদ পাচ্ছি তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যারা অপতৎপরতা চালাতে চায় তারা মুষ্টিমেয়।

আইজিপি হুঁশিয়ার উচ্চারণ করে বলেন, কোনো ঘটনা ঘটিয়ে কেউ পার পাবে না। অপরাধী যেই হোক তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে আইজিপি বলেন, রাজনৈতিক পরিচয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

গালাগালির উপকারিতা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
গালাগালির উপকারিতা

মিন্টু বাবু ব্যাগ নিয়ে বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ রাস্তার পাশের পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের নিচে পাবলিকের ভিড় দেখে সেদিকে এগিয়ে গেলেন। সবাই ওপরের দিকে তাকিয়ে কী যেন দেখছে!
ভদ্রলোকও ওপরের দিকে তাকালেন। দেখলেন, ছাদের কার্নিশে একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। একটু এদিক-সেদিক হলেই পাঁচতলা থেকে সোজা নিচে পড়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা।
মিন্টু বাবু উপস্থিত একজনকে জিজ্ঞেস করলেন,
“মশাই, বিষয় কী?”
ভদ্রলোক বললেন,
“বউ ছ্যাঁকা দিয়েছে।
তাই আত্মহত্যা করার জন্য ছাদে উঠেছে।”
মিন্টু বাবু বললেন,
“আপনারা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন না?”
ভদ্রলোক বললেন,
“সবাই তাকে নেমে আসার জন্য বলছে, কিন্তু সে নামতেই চাইছে না।”
মিন্টু বাবুর মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। এমন তরতাজা নওজোয়ানরা তুচ্ছ কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে দেখে তাঁর মন ব্যথায় ভরে গেল। ব্যথার জন্য পাশের ফার্মেসি থেকে একটা পেইনকিলার খেয়ে ছেলেটাকে কীভাবে বাঁচানো যায়, সে চিন্তা শুরু করলেন।
আইডিয়া পেতে দেরি হলো না।
মিন্টু বাবু ওপরের দিকে তাকিয়ে বললেন,
“কোন শু…র…বাচ্চা ছাদে উঠেছে রে?”
ওপর থেকে জবাব এলো,
“গালাগালি করে কে রে?”
মিন্টু বাবু আবার বললেন,
“বেশ করেছি গালাগালি করেছি। তুই কী করবি রে… দা-হা… মজা…?”
ওপর থেকে আত্মহননকারীর জবাব এলো,
“দেখুন, ভদ্রলোক মানুষ, মুখ খারাপ করবেন না।
আমি নেমে আসলে কিন্তু অবস্থা খারাপ করে ফেলব!”
এবার মিন্টু বাবু আসল বোমাটা ছাড়লেন—
“তোর এত বড় সাহস, আমাকে হুমকি দিস!
কু…চ্চা! সাহস থাকলে সামনে আয়… র ছেলে!”
ব্যস, এতেই কাজ হয়ে গেল। আত্মহননকারী আত্মহত্যার চিন্তা বাদ দিয়ে মিন্টু ঘোষকে ধরতে সিঁড়ি দিয়ে হড়হড় করে নামতে শুরু করল।
এই ফাঁকে মিন্টু বাবু দিলেন দৌড়।
সেই আত্মহননকারী আজও বেঁচে আছে।
মিন্টু বাবুকে উপযুক্ত শিক্ষা না দিয়ে সে মরবে না—এই পণ করেছে।

দীঘির গায়ে জুস পড়ায় সত্যিই কি চাকরি হারিয়েছেন ওয়েটার?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০১ পিএম
দীঘির গায়ে জুস পড়ায় সত্যিই কি চাকরি হারিয়েছেন ওয়েটার?

সম্প্রতি রাজধানীর একটি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ ‘কাচ্চি ডাইন’-এর শাখা উদ্বোধন করতে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এক পরিস্থিতির শিকার হন সময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে সেই ঘটনার রেশ ধরে একজন সাধারণ কর্মচারীর চাকরি হারানোর গুঞ্জন এখন সামাজিক মাধ্যমে তুঙ্গে।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দীঘি যখন রেস্তোরাঁটিতে খাবার খাচ্ছিলেন, তখন একজন ওয়েটার পানীয় পরিবেশন করতে আসেন। সে সময় তিনটি জুসের গ্লাসের মধ্যে একটি হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে দীঘির গায়ের ওপর পড়ে যায়। আকস্মিক এই ঘটনায় দীঘি কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়লেও পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নেন। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট ওয়েটারকে অত্যন্ত ভীত ও দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে রেস্তোরাঁর অন্য কর্মীরা এসে দীঘির পোশাক ও হাত পরিষ্কার করে দেন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের একটি বড় অংশ দাবি করছেন, দীঘির গায়ে জুস ফেলার দায়ে সেই ওয়েটারকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। নেটিজেনদের মতে, একজন আমন্ত্রিত তারকার সঙ্গে এমন অপেশাদার আচরণ রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ সহজভাবে নেয়নি। মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়েই তাকে ছাঁটাই করেছে বলে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চলছে।
ঘটনার বিস্তারিত এবং ওই ওয়েটারের সঙ্গে কথা বলতে সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁটিতে যোগাযোগ করা হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করতেই সেখানকার দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা প্রসঙ্গটি এড়িয়ে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার সাথে আর কোনো সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন কথা বলছে ‘কাচ্চি ডাইন’-এর প্রধান কার্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তা সৈয়দ তানভীর নীল এই গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে বলেন, চাকরিচ্যুতির দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। সংশ্লিষ্ট কর্মী আমাদের সাথেই আছেন এবং নিয়মিত কাজ করছেন। এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল, যা অনিচ্ছাকৃত। ভুলবশত হওয়া এমন ঘটনায় কারও চাকরি যেতে পারে না। অফিশিয়ালি কিছুটা জবাবদিহি করতে হলেও এর বেশি কিছু হয়নি। আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দীঘির কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেছি।
বিষয়টি নিয়ে চিত্রনায়িকা দীঘির অবস্থান জানতে তার সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে রেস্তোরাঁর সংশ্লিষ্ট শাখার কর্তৃপক্ষের নীরবতা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দাবির জেরে এই গুঞ্জন নিয়ে খানিকটা ধোঁয়াশাই থেকে গেল।

মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০০ পিএম
মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

প্রেক্ষাগৃহে দর্শকমন জয়ের পর ধানুশ ও কৃতি শ্যানন অভিনীত আলোচিত ছবি ‘তেরে ইশক মে’ অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স-এ মুক্তি পেয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে ছবিটি জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে। তথ্যটি নেটফ্লিক্স তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে জানিয়েছে।
‘তেরে ইশক মে’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় গত বছরের ২৮ নভেম্বর। অবশ্য সে সময় ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়লেও বক্স অফিসে অন্য ছবিগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখতে সক্ষম হয়। দর্শকের মুখে মুখে ইতিবাচক প্রচারণার জেরেই মূলত শেষ পর্যন্ত ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে সফলতার দেখা পায়।
ক্ষতি, অনুশোচনা এবং অমীমাংসিত অনুভূতির প্রেক্ষাপটে আবেগঘন প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘তেরে ইশক মে’ পরিচালনা করেছেন আনন্দ এল. রাই।
সিনেমায় ধানুশ অভিনয় করেছেন শঙ্কর চরিত্রে। অন্যদিকে, কৃতি শ্যাননের চরিত্রের নাম মুক্তি। কলেজ জীবনে শুরু হয় শঙ্কর ও মুক্তির সম্পর্ক। পরবর্তীতে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আবার যখন দুজন একত্রিত হয় তখন তাদের পূর্বের স্মৃতি কীভাবে দুজনের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে সেটাই রুপালি পর্দায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা।
ছবিটি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-তে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় সমালোচক শৈবাল চ্যাটার্জি লেখেন, ‘মুখ্য চরিত্রে থাকা ধানুশ ও কৃতি শ্যানন, শঙ্কর ও মুক্তি চরিত্রে যথাসাধ্য আবেগ ও তীব্রতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে গল্পের জটিলতা এতটাই বেশি যে, অভিনয়ে দুজনের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরও সেটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।’
রানঝানা (২০১৩) ও আতরঙ্গি রে (২০২১)-এর পর পরিচালক আনন্দ এল. রাইয়ের পরিচালনায় দক্ষিণী তারকা ধানুশের এটি তৃতীয় সিনেমা।