বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬, ১৮ চৈত্র ১৪৩২

দায় কার, সমাধান কোথায়?

অপসাংবাদিকতার দৌরাত্ম্য ও পেশাদারিত্বের সংকট

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৫:৪১ পিএম | 62 বার পড়া হয়েছে
অপসাংবাদিকতার দৌরাত্ম্য ও পেশাদারিত্বের সংকট

মফস্বল সাংবাদিকদের বেতন-বঞ্চনা, নৈতিক অবক্ষয় ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে ক্ষতিগ্রস্ত পেশার মর্যাদা—উত্তরণে প্রয়োজন কার্যকর নীতি, জবাবদিহিতা ও আত্মসমালোচনা

বাংলাদেশের সাংবাদিকতা পেশা বর্তমানে এক গভীর সংকটের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করছে। একদিকে রয়েছে দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা, পেশাগত দায়বদ্ধতা ও নৈতিকতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা মূলধারার সাংবাদিকতা; অন্যদিকে ক্রমবর্ধমান অপসাংবাদিকতা, হলুদ সাংবাদিকতা এবং ব্যক্তিস্বার্থে পরিচালিত নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ড। এই দ্বৈত বাস্তবতা সাংবাদিকতা পেশার মর্যাদা ও বিশ্বাসযোগ্যতাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকটের অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হলো মফস্বল সাংবাদিকতা। রাজধানী-কেন্দ্রিক মিডিয়া কাঠামোর বাইরে থাকা জেলার সাংবাদিকদের বড় একটি অংশ দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত। বিভিন্ন মহলের দাবি, দেশের প্রায় ৯০ শতাংশ মফস্বল সাংবাদিক নিয়মিত কোনো পারিশ্রমিক পান না। ফলে জীবিকার তাগিদে তারা বিকল্প আয়ের পথ খুঁজতে বাধ্য হন—যার কিছু অংশ পেশার নৈতিকতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।
বেতনহীনতা ও অপসাংবাদিকতার যোগসূত্র
মিডিয়া বিশ্লেষকদের মতে, বেতনহীনতা সরাসরি অপসাংবাদিকতার অন্যতম প্রধান কারণ। যেসব প্রতিষ্ঠান তাদের প্রতিনিধিদের কোনো নির্দিষ্ট বেতন বা সম্মানী প্রদান করে না, সেসব প্রতিষ্ঠানের অধীনে কর্মরত অনেক সাংবাদিক আর্থিক সংকটে পড়ে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।
ব্ল্যাকমেইলিং, চাঁদাবাজি, সুবিধাবাদী সংবাদ পরিবেশন কিংবা বিশেষ গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষায় পক্ষপাতমূলক রিপোর্টিং—এসব প্রবণতা মূলত আর্থিক অনিশ্চয়তা থেকেই জন্ম নেয়। যদিও সব মফস্বল সাংবাদিককে একই মানদণ্ডে বিচার করা অন্যায়, তবুও বাস্তবতা হলো—একটি অংশের অনৈতিক কর্মকাণ্ড পুরো পেশাটির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করছে।
নৈতিক অবক্ষয় ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব
সাংবাদিকতার মৌলিক ভিত্তি হলো সত্য, নিরপেক্ষতা ও জনস্বার্থ। কিন্তু বর্তমানে অনেক ক্ষেত্রে এই মূল্যবোধগুলো উপেক্ষিত হচ্ছে। ব্যক্তিগত স্বার্থ, রাজনৈতিক প্রভাব কিংবা প্রতিদ্বন্দ্বিতার কারণে সংবাদ পরিবেশনে বিকৃতি দেখা যাচ্ছে।
একইসঙ্গে সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, গ্রুপিং এবং অসুস্থ প্রতিযোগিতাও পেশাটিকে দুর্বল করে তুলছে। অনেক ক্ষেত্রে সহকর্মীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার, মিথ্যা অভিযোগ কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ্য বিরোধ—এসব ঘটনা জনমনে নেতিবাচক বার্তা দিচ্ছে।
দায় কার?
এই সংকটের দায় এককভাবে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর ওপর চাপানো যায় না।
মিডিয়া মালিকপক্ষ: পর্যাপ্ত বেতন ও পেশাগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হওয়া
সাংবাদিক সমাজ: নৈতিকতা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে ব্যর্থতার কিছু উদাহরণ
নিয়ন্ত্রক সংস্থা: কার্যকর নজরদারি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে দুর্বলতা
সমাজ ও পাঠক: অনেক সময় যাচাই-বাছাই ছাড়াই বিভ্রান্তিকর তথ্য গ্রহণ
সব মিলিয়ে এটি একটি কাঠামোগত সংকট, যার সমাধানও হতে হবে সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে।
উত্তরণের পথ কোথায়?
বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট কাটিয়ে উঠতে কয়েকটি কার্যকর পদক্ষেপ জরুরি—
১. ন্যায্য বেতন ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা
মফস্বলসহ সব পর্যায়ের সাংবাদিকদের জন্য ন্যূনতম বেতন কাঠামো নির্ধারণ এবং তা বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।
২. কঠোর নীতিমালা ও নজরদারি
অপসাংবাদিকতা ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর আইন প্রয়োগ এবং নজরদারি জোরদার করতে হবে।
৩. প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন
নতুন ও কর্মরত সাংবাদিকদের জন্য নিয়মিত প্রশিক্ষণ, নৈতিকতা বিষয়ক কর্মশালা এবং আধুনিক সাংবাদিকতা বিষয়ে দক্ষতা বাড়ানোর উদ্যোগ প্রয়োজন।
৪. আত্মসমালোচনা ও পেশাগত শুদ্ধতা
সাংবাদিকদের নিজেদের মধ্যেই আত্মসমালোচনার চর্চা গড়ে তুলতে হবে। পেশার মর্যাদা রক্ষায় ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা অপরিহার্য।
৫. সংগঠনগুলোর সক্রিয় ভূমিকা
সাংবাদিক সংগঠনগুলোকে আরও কার্যকর ও জবাবদিহিমূলক ভূমিকা পালন করতে হবে, যাতে সদস্যদের অধিকার ও পেশাগত মান রক্ষা পায়।
উপসংহার
সাংবাদিকতা শুধু একটি পেশা নয়; এটি গণতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ। তাই এই পেশার সংকট মানে সমাজেরই সংকট। অপসাংবাদিকতার দৌরাত্ম্য ও পেশাদারিত্বের অবক্ষয় রোধে এখনই সম্মিলিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি।
ন্যায্য পারিশ্রমিক, কঠোর নীতি প্রয়োগ, নৈতিকতার চর্চা এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ—এই চারটি স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়েই পুনরুদ্ধার করা সম্ভব সাংবাদিকতার হারানো

জয় ই মামুন

মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

জয় ই মামুন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৫ পিএম
মানিকগঞ্জে অবৈধভাবে ইট উৎপাদনের দায়ে সাতটি ইটভাটাকে জরিমানা

সোমবার (৩০ মার্চ) সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরিবেশ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, কৃষিজমির উর্বর উপরিভাগের মাটি কেটে ইট তৈরির অভিযোগে ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) (সংশোধন) আইন, ২০১৯-এর ৫(১) ধারা লঙ্ঘনের দায়ে ১৫(১) ধারা অনুযায়ী এসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

অভিযানে যেসব ইটভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে সেগুলো হলো- কে এফ সি ব্রিকস (বেরুন্ডি) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স সোহানা ব্রিকস (খোলাপাড়া) ৪ লাখ টাকা, মেসার্স এ এ বি অ্যান্ড কোং (গাড়াদিয়া) ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা, মেসার্স জে বি সি ব্রিকস (গোবিন্দল) ২ লাখ টাকা, মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-১ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা,
মেসার্স কে বি সি ব্রিকস-২ (রামকান্তপুর) ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং মেসার্স এম আর এম ব্রিকস (রামকান্তপুর) ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা।

অভিযানটি পরিচালনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের মনিটরিং অ্যান্ড এনফোর্সমেন্ট উইংয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাজ্জাদ জাহিদ রাতুল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কার্যালয়ের উপপরিচালক মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। প্রসিকিউটর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন সহকারী পরিচালক মো. মোজাফফর খান।

অভিযানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাব-৪ ও জেলা পুলিশের সদস্যরা সহায়তা প্রদান করেন।

পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, পরিবেশ ও কৃষিজমি রক্ষায় অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালিত হলে পরিবেশ ধ্বংস রোধে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিস্টরা।

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী

জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

সামিনুর ইসলাম নীলফামারী প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১৩ পিএম
জলঢাকায় শিক্ষার্থী হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার বগুলাগাড়ী পৌর (৪নং ওয়ার্ড) ডাঙ্গপাড়া এলাকায় সপ্তম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মানববন্ধন করেছে স্থানীয় বাসিন্দা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।

নিহত মিমনুর রহমান ভ্যানচালক আলমগীর হোসেন (আল্লীর) প্রথম পুত্র এবং বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের একজন শিক্ষার্থী ছিলেন।

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২৭ মার্চ তিনি ছিনতাইকারীদের হামলার শিকার হয়ে নিহত হন। এ ঘটনার পর থেকেই এলাকায় উদ্বেগ, শোক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।

এ মর্মান্তিক ঘটনার প্রতিবাদে এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের উদ্যোগে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর অংশগ্রহণে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে ব্যানার হাতে নিয়ে অংশগ্রহণকারীরা ন্যায়বিচারের দাবি জানান। এসময় উপস্থিত ছিলেন বগুলাগাড়ী স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রধান শিক্ষিকা মোছা: মনোয়ারা বেগম, সহকারী প্রধান শিক্ষক মহুবর রহমান, শিক্ষক আব্দুল হাই, মিজানুর রহমান, স্বপন কুমার রায়, ভগীরথ চন্দ্র রায় এবং সহকারী শিক্ষিকা সাজেদা সুলতানা ও শিলা রানী রায়সহ অন্যান্য শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, একজন নিরপরাধ শিক্ষার্থীর এমন নির্মম মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। তারা অবিলম্বে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান। একইসঙ্গে এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি জোরদার করার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা যায়।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল আলম বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক। বিষয়টি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। খুব শিগগিরই জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে।

এদিকে, নিহতের পরিবার শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে এবং দ্রুত বিচার প্রত্যাশা করছে। পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে, যাতে এমন ঘটনা আর পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

১২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে চারতলা ভবন

আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

মেহেদী হাসান রিপন প্রকাশিত: বুধবার, ১ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:১১ পিএম
আধুনিক হচ্ছে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানা

যশোরবাসীর পুলিশি সেবা আরও বেগবান ও আধুনিক করতে বড় ধরনের সংস্কার উদ্যোগে হাত দিয়েছে সরকার। শহরের জরাজীর্ণ কোতোয়ালি মডেল থানা ভবনটি ভেঙে সেখানে প্রায় ১২ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি দৃষ্টিনন্দন ও আধুনিক চারতলা ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ষাট দশকে নির্মিত বর্তমান থানা ভবনটি দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। সরকারের দেশব্যাপী ১০৭টি থানা আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় এই সংস্কার কাজ শুরু হচ্ছে। যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে এই মেগা প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

যশোর গণপূর্ত অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, নতুন এই ভবনটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১১ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২৬ হাজার স্কয়ার ফিটের এই ভবনের মূল কাঠামো বা ফাউন্ডেশন হবে ছয়তলা পর্যন্ত, তবে প্রাথমিক পর্যায়ে এটি চারতলা হিসেবে নির্মিত হবে। ঝিনাইদহের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান দরপত্রের মাধ্যমে কাজটি সম্পন্ন করার দায়িত্ব পেয়েছে। আগামী দেড় থেকে দুই বছরের মধ্যে নির্মাণ কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সেবাপ্রার্থী এবং পুলিশ সদস্যদের সুবিধার্থে ভবনের প্রতিটি তলা সুনিপুণভাবে সাজানো হয়েছে:
* প্রথম তলা: অভ্যর্থনা কেন্দ্র এবং দাপ্তরিক অফিস।
* দ্বিতীয় তলা: হাজতখানা ও প্রশাসনিক শাখা।
* তৃতীয় তলা: অফিস এবং নারী পুলিশ সদস্যদের জন্য ব্যারাক।
* চতুর্থ তলা: পুরুষ পুলিশ সদস্যদের জন্য আধুনিক ব্যারাক।

অস্থায়ীভাবে কার্যক্রম চলবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়িতে

নির্মাণ কাজ চলাকালীন জনসেবা যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য থানার যাবতীয় কার্যক্রম সাময়িকভাবে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ি থেকে পরিচালিত হবে। আগামী ৫ এপ্রিলের মধ্যে বর্তমান ভবনটি খালি করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তবে জনবল অনুযায়ী চাঁচড়া ফাঁড়িতে পর্যাপ্ত আবাসন ব্যবস্থা না থাকায় পুলিশ সদস্যদের সাময়িকভাবে কিছুটা আবাসন সংকটে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এ বিষয়ে কোতোয়ালি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাসুম খান বলেন, উন্নত ও আধুনিক পুলিশি সেবার স্বার্থে এই সাময়িক কষ্টটুকু মেনে নিতে হবে। নতুন ভবন নির্মিত হলে যশোরবাসীকে সেবা প্রদানের মান ও পুলিশের সক্ষমতা বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।

error: Content is protected !!