শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২

ময়মনসিংহে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৯ পিএম | 12 বার পড়া হয়েছে
ময়মনসিংহে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা

ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের আয়োজনে বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ পরিবারের সদস্যগণের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। এডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৪৯ ময়মনসিংহ-৪ সদর আসনের সংসদ সদস্য মোঃ আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ্ শাম্মী, এনডিসি, সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক রোকনুজ্জামান রোকন, রেঞ্জ ডিআইজি মোঃ আতাউল কিবরিয়া, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ গোলাম মোস্তফা, ময়মনসিংহের চব্বিশে জুলাই শহিদ সাগর এর বাবা মোঃ আসাদুজ্জামান, বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল খালেক মন্ডল প্রমুখ। এতে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান। এছাড়াও সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের পরিবারের সদস্যগণ, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার এবং সংশ্লিষ্ট সর্বস্তরের প্রবীণ ও সাধারণ জনগণ উপস্থিত ছিলেন।

শুরুতে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়। আলোচনায় মুক্তিযোদ্ধা বক্তারা স্মৃতিচারণ করে বলেন, আমরা বেতারে তৎকালীন মেজর জিয়ার ‘উই রিভল্ট’ ঘোষণা শুনে যুদ্ধে গিয়েছিলাম। চট্টগ্রামের হালিশহরে ইপিআরে কর্মরত অবস্থায় ২৫ মার্চ রাতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাধারণ জনগণ এবং ছাত্রদের মাঝে বিলিয়ে দিয়েছিলাম। আমরা শহিদ জিয়ার নেতৃত্বে যুদ্ধ করে এ মাতৃভূমিকে মুক্ত করেছি। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। যে বৈষম্যহীন ও ন্যায় ভিত্তিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের জীবন বাজি রেখেছিল, সরকার যেন তার পরিপূর্ণ বাস্তবতায়ন করেন। অন্যান্য বক্তারা বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা এ জাতির সূর্য সন্তান। তাদের এ ঋণ কখনোই ভুলবার নয়। মুক্তিযোদ্ধারা যে আদর্শ বুকে ধারণ করে যুদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন, দেশকে সেই কাঙ্ক্ষিত জায়গায় নিতে হলে সবাইকে নিজ নিজ অধিক্ষেত্রে যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে হবে। স্বাধীনতা অর্জনের চেয়ে রক্ষা করা কঠিন। স্বাধীনতা সমুন্নত রাখতে হলে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বলেন, ১৯৭১ এ যারা যুদ্ধে গিয়েছিলেন, তারা কোনো লাভের আশায় যাননি, গিয়েছিলেন স্বাধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য। বৈষম্য দূর করাট জন্য তারা অনিশ্চিত জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন। তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিক্রি নয়, বুকে ধারণ করতে হবে। সিটি কর্পোরেশনকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য করে গড়ে তুলতে হলে নাগরিকদের সচেতন হতে হবে। কোনোভাবেই ময়লাযুক্ত পলিথিন সাততলার উপর থেকে রাস্তায় ফেলে দেওয়া দায়িত্বশীল নাগরিকের পরিচয় নয়। যানজটমুক্ত পরিচ্ছন্ন ময়মনসিংহ নগরী গড়ে তুলতে সকলের সার্বিক সহযোগিতা চাই।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিভাগীয় কমিশনার বলেন, ১৯৭১ সালে ছাত্র জনতা, কৃষক শ্রমিক, সাধারণ জনগণ অন্যায়, শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। তাদের আত্মত্যাগ ও অবদান কখনোই ভুলবার নয়। এই দেশ, এই স্বাধীনতা ও জাতীয় পতাকা আপনাদের আত্মত্যাগের ফসল। এ স্বাধীনতা ও আত্মত্যাগ তখনই ফলপ্রসূ হবে যখন ন্যায়ভিত্তিক, দুর্নীতিমুক্ত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

প্রধান অতিথি বলেন, মহান স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় সম্মুখ সারিতে যুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। তিনি দেশ পরিচালনা করছেন, ইতোমধ্যে দায়িত্ব নেওয়ার এক মাসের মধ্যে নির্বাচনী ইশতেহারের কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু করেছেন। সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন কর্মসূচিসহ একগুচ্ছ কর্মসূচি হাতে নিয়েছেন। আমরা তার এ উন্নয়ন পরিকল্পনায় সহযোগিতা করি। বর্তমান সরকার দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে কাজ করতে বদ্ধপরিকর।

সভাপতি বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধারা বয়সের ভারে নুঁজ হলেও মনের দিক থেকে চিরতরুণ, বজ্রকন্ঠ। মুক্তিযোদ্ধারা দেশের সম্পদ। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। কেবল স্বাধীনতা দিবস উদযাপন নয়, দায়িত্ব নিয়ে ন্যায়ভিত্তিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ বির্নিমানে কাজ করে যেতে হবে। এ সময় তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

গোবিন্দগঞ্জে বারুণী মেলা থেকে জুয়া খেলার অভিযোগে আটক ৮

মারুফ মন্ডল উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
গোবিন্দগঞ্জে বারুণী মেলা থেকে জুয়া খেলার অভিযোগে আটক ৮

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুজ ও হরিরামপুর এলাকায় অনুষ্ঠিত বারুণী মেলা থেকে জুয়া খেলার অভিযোগে ৮ জনকে আটক করেছে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) বিকেলে মেলা প্রাঙ্গণে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ সময় আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে জুয়ার সরঞ্জাম ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানা জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে মেলায় জুয়ার আসর বসিয়ে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই, যে বাংলাদেশ হবে সকল শিশুদের,নারীর জন্য নিরাপদ —-সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন

আলী আহসান রবি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই, যে বাংলাদেশ হবে সকল শিশুদের,নারীর জন্য নিরাপদ —-সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ বাঙালি জাতির জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল দিন। পরাধীনতার শিকল ভেঙে বিশ্বের বুকে স্বাধীন দেশ হিসেবে অস্তিত্ব ঘোষণার আজ ৫৫ বছর। তিনি বলেন, সেই ঘোষণার পথ ধরেই ৩০ লাখ শহীদ, অগণিত মা-বোনের সম্ভ্রমহানি এবং বীর সন্তানদের লড়াই সংগ্রামে অর্জিত হয়েছে সবুজ- শ্যামল এই বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের এ দিনেই দৃপ্ত শপথে বাঙালি জানান দিয়েছিল এ দেশ আমাদের। এ দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেসব অগণিত শহীদের কথা, যাদের রক্তে রঞ্জিত হয়ে জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশ। আত্মত্যাগের সেই ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়। আমি কৃতজ্ঞচিতে আজ শ্রদ্ধা জানাই সে বীর সন্তানদের। তিনি বলেন আমরা এখন সামনের দিকে তাকাতে চাই। একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। যে বাংলাদেশ হবে সকল শিশুদের, নারীর জন্য নিরাপদ।

তিনি আজ ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা, পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির দায়িত্বে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোছাঃ আরজু আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শিশু ও সমন্বয়) শবনম মোস্তারী এবং দুইজন শিশু শিল্পী জাইমা তাসরিন ও রায়হান মাহমুদ।

প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, বাচ্চাদের মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে হবে। বিশেষত মেয়েশিশুদের কোনটা গুড টাচ, কোনটা ব্যাট টাচ এ সম্পর্কে বাচ্চাদের সচেতন করে তুলতে হবে । এ বিষয়ে ক্যাম্পেইন করতে হবে। আমরা সকলে মিলে আমাদের সন্তানদের জন্য একটা সুন্দর দেশ গড়তে চাই।
তিনি বলেন, এখন থেকে আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে। নারী নির্যাতন, ধর্ষণ হতে রক্ষা পেতে আমাদের একসাথে আওয়াজ তুলতে হবে। এখনই আমাদের নজর দেওয়ার সময় এসেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কঠোর পরিশ্রম করে লেখাপড়ার পাশাপাশি শরীর চর্চা,খেলাধুলা, বই পড়া, ছবি আঁকা, আদব-কায়দা শিখে শিক্ষিত হতে হবে। তাহলেই দেশ এগিয়ে যাবে।

প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন আরো বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণায় ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার- এ তিনটির কোনটিই অর্জিত হয়নি বরং নানা ধরনের অন্যায় অবিচার হয়েছে। তবে সব কিছুর পরও এখনো হতাশ হতে চান না বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, রাজনীতি বিশ্লেষক ও রাজনৈতিকরা। আমরা মনে করি ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায়ের পর ১২ ফেব্রুয়ারি একটা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এখন সবাইকে আন্তরিক হতে হবে, একই সঙ্গে সাধারণ জনগণ আরো বেশি সচেতন ও সংঘটিত হতে পারলেই প্রকৃত বিজয় অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ইনসাফভিত্তিক স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কর্মমুখর বাংলাদেশ বিনির্মাণে দলমত নির্বিশেষে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।

পরে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মধ্যে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন। প্রতিমন্ত্রী শিশু একাডেমির শিশুদের পরিবেশনায় শিশু শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

মুক্তাগাছায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

মোঃ শাহীন আলম, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৮:২১ পিএম
মুক্তাগাছায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

‎দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রত্যুষে তোপধ্বনি , শহীদ স্মরণে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ , কুচকাওয়াজ ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সাথে অভিবাদন গ্রহণ , বর্ণাঢ্য র্যালী , আলোচনা ও সংবর্ধনা প্রদানের মধ্য দিয়ে আজ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য পালিত হয় । মুক্তাগাছা থানা আয়োজিত ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের শুভসূচনা করা হয় । স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ৫.৫৬ মিনিটে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক কৃষ্ণ চন্দ্রের নেতৃত্বে

‎ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যসূচি শুরু হয়। ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় বিএনপি,সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনসহ অন্যান্য রাজনৈতিক , সামাজিক , সাংস্কৃতিক , শ্রমিক , স্বেচ্ছাসেবী , স্বায়ত্ব শাসিত সংগঠন , বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , মুক্তাগাছা থানা , এপিবিএন , ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স , উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স , মপবিস-১পুষ্পস্তবক অর্পণ করে । সকাল ৮.০০টায় স্থানীয় আর.কে.সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠেয় আনুষ্ঠানিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সঙ্গীত পরিবেশন , শিক্ষার্থী সমাবেশ , কুচকাওয়াজ , ডিসপ্লে পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন স্থানীয় সাংসদ মোঃ জাকির হোসেন। বেলা ১১টায় স্থানীয় উপজেলা হলরুম মিলনায়তনে দিবস উপলক্ষে আলোচনা , চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা , পুরস্কার বিতরণী , বেলা ১২টায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবার সদস্যদের সংবর্ধনা , স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক ও উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্রের সভাপতিত্বে উক্ত আয়োজনে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট রফিকুল ইসলাম , বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই আকন্দ , বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম , এডভোকেট আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু , বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান খাঁন রতন ও অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো জাকির হোসেন বাবলু বলেন , মুক্তাগাছার অবকাঠামো উন্নয়নসহ শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রতিষ্ঠান , ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান , যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সার্বিক উন্নয়নসহ দেশের সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরস্থান পাকা করণ আমার নৈতিক দায়িত্ব এবং সকলের সমন্বিত উদ্যোগ ও সহযোগিতায় তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর ।
‎সুবিধাজনক সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র প্রদর্শন , বিশেষ খাবার পরিবেশন , রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত ও প্রার্থনা , জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনসহ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন ছিলো দিনব্যাপী কার্যসূচির অন্যতম । এর আগে গতকাল গণহত্যা দিবস -২০২৬ যথাযোগ্য পর্যাদায় পালিত হয়।

error: Content is protected !!