শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬, ১২ চৈত্র ১৪৩২

পদ্মার ঢেউয়ে বিলীন ঈদ আনন্দ: আর কত লাশের মিছিল দেখবে বাংলাদেশ?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম | 12 বার পড়া হয়েছে
পদ্মার ঢেউয়ে বিলীন ঈদ আনন্দ: আর কত লাশের মিছিল দেখবে বাংলাদেশ?

পদ্মার উত্তাল ঢেউ আজ শুধু জলরাশি নয়, বহন করছে এক অবুঝ শিশুর আর্তনাদ আর অসংখ্য পরিবারের স্বপ্নভঙ্গের হাহাকার। দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে বাস ছিটকে নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনাটি কেবল একটি দুর্ঘটনা নয়, এটি আমাদের পরিবহন খাতের অব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার চরম উদাসীনতার এক জীবন্ত দলিল।

​জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী রাইয়ান এবং তার পরিবারের ট্র্যাজেডি আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, প্রতিটি ঈদযাত্রা কীভাবে আনন্দের পরিবর্তে ‘মৃত্যুর মিছিলে’ রূপ নিচ্ছে। যেখানে কতনা প্রাণ ঝরে যায়, সেখানে শোক জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেলে জাতি।​দুর্ঘটনার নেপথ্যে ও বর্তমান বাস্তবতা
​দৌলতদিয়া ঘাটের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে একটি বাস পন্টুন থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নদীতে পড়ে যাওয়া অত্যন্ত উদ্বেগজনক। তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও, অতীতের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে যে সুপারিশগুলো অনেক সময়ই আলোর মুখ দেখে না।​অদক্ষ চালক ও ফিটনেসবিহীন যানবাহন: দূরপাল্লার বাসগুলোতে অনেক সময় ক্লান্ত বা অনভিজ্ঞ চালক নিয়োগ করা হয়, যা এই ধরনের দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।
​ঘাটের অবকাঠামোগত দুর্বলতা: পন্টুনগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বাসের চাকা আটকানোর পর্যাপ্ত প্রতিবন্ধক না থাকা জীবনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দিচ্ছে।​যাত্রী সংখ্যা ও নিরাপত্তা: ৬ জন যাত্রী নিয়ে যাত্রা শুরু করলেও মাঝপথে অতিরিক্ত যাত্রী তোলা এবং সঠিক মনিটরিং না থাকা বিপদের মাত্রা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।
​পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের প্রতি জোরালো দাবি ও সুপারিশ,​এই ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা বন্ধে কেবল শোক প্রকাশ যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন কঠোর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ:
​চালকদের কঠোর স্ক্রিনিং ও লাইসেন্স যাচাই: দূরপাল্লার যানে কোনোভাবেই অনভিজ্ঞ বা লাইসেন্সবিহীন চালক রাখা যাবে না। উৎসবের সময় চালকদের কর্মঘণ্টা সুনির্দিষ্ট করতে হবে যাতে ক্লান্তির কারণে দুর্ঘটনা না ঘটে।
​ঘাট ও পন্টুনের নিরাপত্তা সংস্কার: দেশের প্রতিটি ফেরিঘাট ও পন্টুনে শক্তিশালী ‘সেফটি ব্যারিয়ার’ স্থাপন করতে হবে। পন্টুনের ঢালু অংশ এবং পিচ্ছিল ভাব দূর করতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার জরুরি।
​অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ন্ত্রণ: যত্রতত্র যাত্রী ওঠানো এবং বাসের ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত লোক বহন করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। হাইওয়ে পুলিশ এবং বিআইডব্লিউটিএ-এর নজরদারি আরও জোরালো করা প্রয়োজন।​দ্রুত উদ্ধার ব্যবস্থার আধুনিকায়ন: উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ বা ‘রুস্তম’ পৌঁছাতে যেন দীর্ঘ সময় ব্যয় না হয়, সে জন্য প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে উদ্ধারকারী সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখা বাধ্যতামূলক।​তদন্ত কমিটির স্বচ্ছতা ও বিচার: প্রতিটি দুর্ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তি বা সংস্থাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কেউ দায়িত্বে অবহেলা করতে সাহস না পায়।
​উপসংহার,​রাইয়ানের মায়ের নিথর দেহ আর সেই ছোট্ট শিশুটির “মা কোথায়?”এই আর্তনাদ যেন আকাশ-বাতাসকে ভারী করে তুলছে। আমরা চাই না আর কোনো সন্তান তার মায়ের হাত এভাবে হারিয়ে ফেলুক। প্রশাসন এবং পরিবহন সংশ্লিষ্ট সকলের কাছে আমাদের বিনীত দাবি—সাধারণ মানুষের জীবনের মূল্য দিতে শিখুন। সড়ক, রেল বা নৌপথ যেন আর কারো শোকের কারণ না হয়, বরং তা যেন হয় নিরাপদ মিলনের সেতু।
​আল্লাহ এই শোকাবহ পরিবারগুলোকে ধৈর্য ধারণ করার শক্তি দান করুন এবং নিখোঁজদের দ্রুত ফিরে পাওয়ার তৌফিক দিন

গোবিন্দগঞ্জে বারুণী মেলা থেকে জুয়া খেলার অভিযোগে আটক ৮

মারুফ মন্ডল উপজেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ১০:১৭ পিএম
গোবিন্দগঞ্জে বারুণী মেলা থেকে জুয়া খেলার অভিযোগে আটক ৮

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার রাখালবুজ ও হরিরামপুর এলাকায় অনুষ্ঠিত বারুণী মেলা থেকে জুয়া খেলার অভিযোগে ৮ জনকে আটক করেছে গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ ২০২৬) বিকেলে মেলা প্রাঙ্গণে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এ সময় আটক ব্যক্তিদের কাছ থেকে জুয়ার সরঞ্জাম ও নগদ টাকা জব্দ করা হয়েছে।

গোবিন্দগঞ্জ থানা জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। আটককৃতরা দীর্ঘদিন ধরে মেলায় জুয়ার আসর বসিয়ে অবৈধ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছিল বলে অভিযোগ রয়েছে।

এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুহাম্মদ মোজাম্মেল হক জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পাশাপাশি এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই, যে বাংলাদেশ হবে সকল শিশুদের,নারীর জন্য নিরাপদ —-সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন

আলী আহসান রবি প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৮:২৩ পিএম
একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই, যে বাংলাদেশ হবে সকল শিশুদের,নারীর জন্য নিরাপদ —-সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেছেন, ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আজ বাঙালি জাতির জাতীয় জীবনের এক অবিস্মরণীয় ও গৌরবোজ্জ্বল দিন। পরাধীনতার শিকল ভেঙে বিশ্বের বুকে স্বাধীন দেশ হিসেবে অস্তিত্ব ঘোষণার আজ ৫৫ বছর। তিনি বলেন, সেই ঘোষণার পথ ধরেই ৩০ লাখ শহীদ, অগণিত মা-বোনের সম্ভ্রমহানি এবং বীর সন্তানদের লড়াই সংগ্রামে অর্জিত হয়েছে সবুজ- শ্যামল এই বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের এ দিনেই দৃপ্ত শপথে বাঙালি জানান দিয়েছিল এ দেশ আমাদের। এ দিনটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় সেসব অগণিত শহীদের কথা, যাদের রক্তে রঞ্জিত হয়ে জন্ম নিয়েছিল বাংলাদেশ। আত্মত্যাগের সেই ঋণ কখনো শোধ হওয়ার নয়। আমি কৃতজ্ঞচিতে আজ শ্রদ্ধা জানাই সে বীর সন্তানদের। তিনি বলেন আমরা এখন সামনের দিকে তাকাতে চাই। একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। যে বাংলাদেশ হবে সকল শিশুদের, নারীর জন্য নিরাপদ।

তিনি আজ ঢাকায় বাংলাদেশ শিশু একাডেমি মিলনায়তনে ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা, পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির দায়িত্বে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মোছাঃ আরজু আরা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (শিশু ও সমন্বয়) শবনম মোস্তারী এবং দুইজন শিশু শিল্পী জাইমা তাসরিন ও রায়হান মাহমুদ।

প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন বলেন, বাচ্চাদের মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তুলতে হবে। বিশেষত মেয়েশিশুদের কোনটা গুড টাচ, কোনটা ব্যাট টাচ এ সম্পর্কে বাচ্চাদের সচেতন করে তুলতে হবে । এ বিষয়ে ক্যাম্পেইন করতে হবে। আমরা সকলে মিলে আমাদের সন্তানদের জন্য একটা সুন্দর দেশ গড়তে চাই।
তিনি বলেন, এখন থেকে আমাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে হবে। নারী নির্যাতন, ধর্ষণ হতে রক্ষা পেতে আমাদের একসাথে আওয়াজ তুলতে হবে। এখনই আমাদের নজর দেওয়ার সময় এসেছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কঠোর পরিশ্রম করে লেখাপড়ার পাশাপাশি শরীর চর্চা,খেলাধুলা, বই পড়া, ছবি আঁকা, আদব-কায়দা শিখে শিক্ষিত হতে হবে। তাহলেই দেশ এগিয়ে যাবে।

প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন আরো বলেন, স্বাধীনতার ঘোষণায় ছিল সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার- এ তিনটির কোনটিই অর্জিত হয়নি বরং নানা ধরনের অন্যায় অবিচার হয়েছে। তবে সব কিছুর পরও এখনো হতাশ হতে চান না বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি, রাজনীতি বিশ্লেষক ও রাজনৈতিকরা। আমরা মনে করি ফ্যাসিস্ট সরকারের বিদায়ের পর ১২ ফেব্রুয়ারি একটা নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হয়েছে। এখন সবাইকে আন্তরিক হতে হবে, একই সঙ্গে সাধারণ জনগণ আরো বেশি সচেতন ও সংঘটিত হতে পারলেই প্রকৃত বিজয় অর্জন করা সম্ভব বলে মনে করেন তিনি। বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ ইনসাফভিত্তিক স্বনির্ভর, নিরাপদ ও কর্মমুখর বাংলাদেশ বিনির্মাণে দলমত নির্বিশেষে সকলকে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন।

পরে প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত চিত্রাংকন প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিশুদের মধ্যে ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করেন। প্রতিমন্ত্রী শিশু একাডেমির শিশুদের পরিবেশনায় শিশু শিল্পীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন।

মুক্তাগাছায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

মোঃ শাহীন আলম, ময়মনসিংহ প্রতিনিধি। প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২৬, ৮:২১ পিএম
মুক্তাগাছায় মহান স্বাধীনতা দিবস পালিত

‎দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী প্রত্যুষে তোপধ্বনি , শহীদ স্মরণে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ , কুচকাওয়াজ ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের সাথে অভিবাদন গ্রহণ , বর্ণাঢ্য র্যালী , আলোচনা ও সংবর্ধনা প্রদানের মধ্য দিয়ে আজ ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস ২০২৬ যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য পালিত হয় । মুক্তাগাছা থানা আয়োজিত ৩১ বার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসের শুভসূচনা করা হয় । স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত ৫.৫৬ মিনিটে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক কৃষ্ণ চন্দ্রের নেতৃত্বে

‎ মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনের কার্যসূচি শুরু হয়। ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় বিএনপি,সহযোগী ও অঙ্গ সংগঠনসহ অন্যান্য রাজনৈতিক , সামাজিক , সাংস্কৃতিক , শ্রমিক , স্বেচ্ছাসেবী , স্বায়ত্ব শাসিত সংগঠন , বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান , মুক্তাগাছা থানা , এপিবিএন , ফায়ার সার্ভিস সিভিল ডিফেন্স , উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স , মপবিস-১পুষ্পস্তবক অর্পণ করে । সকাল ৮.০০টায় স্থানীয় আর.কে.সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় খেলার মাঠে অনুষ্ঠেয় আনুষ্ঠানিক জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও সঙ্গীত পরিবেশন , শিক্ষার্থী সমাবেশ , কুচকাওয়াজ , ডিসপ্লে পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করেন স্থানীয় সাংসদ মোঃ জাকির হোসেন। বেলা ১১টায় স্থানীয় উপজেলা হলরুম মিলনায়তনে দিবস উপলক্ষে আলোচনা , চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা , পুরস্কার বিতরণী , বেলা ১২টায় স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবার সদস্যদের সংবর্ধনা , স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের আহ্বায়ক ও উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণ চন্দ্রের সভাপতিত্বে উক্ত আয়োজনে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট রফিকুল ইসলাম , বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হাই আকন্দ , বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম , এডভোকেট আবু রেজা ফজলুল হক বাবলু , বিএনপি নেতা হাবিবুর রহমান খাঁন রতন ও অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ লুৎফুর রহমান প্রমুখ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো জাকির হোসেন বাবলু বলেন , মুক্তাগাছার অবকাঠামো উন্নয়নসহ শিক্ষা ব্যবস্থা ও প্রতিষ্ঠান , ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান , যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সার্বিক উন্নয়নসহ দেশের সূর্য সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের কবরস্থান পাকা করণ আমার নৈতিক দায়িত্ব এবং সকলের সমন্বিত উদ্যোগ ও সহযোগিতায় তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর ।
‎সুবিধাজনক সময়ে শিক্ষার্থীদের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক চলচ্চিত্র প্রদর্শন , বিশেষ খাবার পরিবেশন , রুহের মাগফেরাত কামনায় মোনাজাত ও প্রার্থনা , জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনসহ প্রীতি ফুটবল ম্যাচ আয়োজন ছিলো দিনব্যাপী কার্যসূচির অন্যতম । এর আগে গতকাল গণহত্যা দিবস -২০২৬ যথাযোগ্য পর্যাদায় পালিত হয়।

error: Content is protected !!