বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মানবিক উদ্যোগে স্বস্তি ফিরল শ্রমিকদের জীবনে

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৩:৩৮ পিএম | 23 বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মানবিক উদ্যোগে স্বস্তি ফিরল শ্রমিকদের জীবনে

শ্রমিক নেতা জাহাঙ্গিরের ভূমিকাও প্রশংসনীয়। যন্ত্রপাতি বিক্রি করে বকেয়া পরিশোধ, ঈদের আগে হাসি ফিরল শতাধিক পরিবারের মুখে।

চট্টগ্রামে আবারও মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। ঈদের প্রাক্কালে বেতন-ভাতা বঞ্চিত শতাধিক শ্রমিকের জীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে তাঁর সময়োপযোগী ও দৃঢ় পদক্ষেপ প্রশংসায় ভাসছে সর্বত্র।
নগরীর বায়েজিদ বোস্তামী এলাকায় অবস্থিত একটি পোশাক কারখানার প্রায় ১৩০ জন শ্রমিক দীর্ঘদিন ধরে তিন মাসের বকেয়া বেতন-ভাতার দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। দিন গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে তাদের হতাশা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছিল। ঈদ সামনে—কিন্তু ঘরে নেই স্বস্তি, নেই ন্যূনতম নিশ্চয়তা। ঠিক এমন সময় জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ যেন আশার আলো হয়ে আসে।
জানা যায়, জেলা প্রশাসকের নির্দেশে জে.পি. সনেট লিমিটেড নামের কারখানাটির মালিকপক্ষকে কঠোরভাবে বকেয়া পরিশোধে বাধ্য করা হয়। অবশেষে গত বুধবার (১৮ মার্চ) কারখানার যন্ত্রপাতি বিক্রি করে প্রায় ১৬ লাখ টাকা সংগ্রহ করা হয় এবং প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সেই অর্থ শ্রমিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
শ্রমিকদের একজন, সিনিয়র অপারেটর মো. মনির হোসেন আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন,
“ডিসি স্যার নিজে বিষয়টি তদারকি করেছেন। তিনি না থাকলে আমরা হয়তো আমাদের পাওনা পেতাম না। ঈদের আগে এই টাকা পেয়ে আমরা বাঁচলাম।”
‘বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন’-এর বায়েজিদ থানার সভাপতি শ্রমিক নেতা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘শ্রমিক অসন্তোষের খবর পেয়ে থানায় গিয়ে পুলিশ পাঠানোর অনুরোধ করি। জেলা প্রশাসনকে বিষয়টি অবহিত করি। ডিসি স্যার হস্তক্ষেপ না করলে ঈদের আগে শ্রমিকরা তাদের পাওনা পেতেন না। পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারত এবং শ্রমিকদের দুর্ভোগ বাড়ত।
এদিকে কারখানার মালিকপক্ষের প্রতিনিধি জানান, নানা চেষ্টা করেও অর্থের ব্যবস্থা করতে না পেরে শেষ পর্যন্ত যন্ত্রপাতি বিক্রির সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে। তবে প্রশাসনের উপস্থিতিতে সমঝোতার মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট প্লাবন কুমার বিশ্বাস জানান, শুরুতে কিছু জটিলতা থাকলেও জেলা প্রশাসকের কঠোর অবস্থানের কারণে ক্রেতা ও মালিকপক্ষ দ্রুত সমাধানে আসতে বাধ্য হয়। রাতভর প্রচেষ্টার পর ভোরেই শ্রমিকদের হাতে পুরো টাকা তুলে দেওয়া সম্ভব হয়।
চট্টগ্রাম কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহাপরিদর্শক মোহাম্মদ মাহবুবুল হাসান বলেন, “আমাদের কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও জেলা প্রশাসকের সক্রিয় ভূমিকায় শ্রমিকদের পাওনা নিশ্চিত করা গেছে—যা সত্যিই প্রশংসনীয়।”
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, “শ্রমিকদের দুর্দশার কথা বিবেচনা করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়—এ ক্ষেত্রেও তাই করা হয়েছে, যাতে ঈদের আগে তারা তাদের প্রাপ্য পায়।”
উল্লেখ্য, গত ১৪ মার্চ শ্রমিকরা কারখানার ভেতরে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ১৬ মার্চ প্রশাসন, মালিকপক্ষ ও শ্রমিক প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে বকেয়া পরিশোধের অঙ্গীকার করা হলেও তা বাস্তবায়নে দেরি হওয়ায় অসন্তোষ বাড়ে। শেষ পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের দৃঢ় পদক্ষেপে চার দিনের আন্দোলনের অবসান ঘটে।
এই ঘটনার মাধ্যমে আবারও প্রমাণ হলো—সমন্বিত উদ্যোগ, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও দায়িত্বশীল প্রশাসনিক নেতৃত্ব থাকলে জটিল সমস্যারও কার্যকর সমাধান সম্ভব। ঈদের আগে শ্রমিকদের মুখে হাসি ফিরিয়ে এনে জেলা প্রশাসন যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো, তা নিঃসন্দেহে অনুকরণীয়।

ঈদের হাসি ছড়িয়ে দিলেন লায়ন সৈয়দ হারুন-৭’শ অসহায় পরিবারের পাশে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৭’শ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবু নাছের, ব্যুরো চীফ নোয়াখালী: প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:১০ পিএম
ঈদের হাসি ছড়িয়ে দিলেন লায়ন সৈয়দ হারুন-৭’শ অসহায় পরিবারের পাশে মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত : পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ৭’শ পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নে গরীব, অসহায় ও কর্মহীন ৭ শতাধিক পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। মানবিক এই উদ্যোগে উপকৃত হয়েছেন শত শত সুবিধাবঞ্চিত মানুষ, যাদের মুখে ফুটেছে ঈদের আনন্দের হাসি।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর ২টায় ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এই মহতী অনুষ্ঠানের আয়োজন করে সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা ও টপ স্টার গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন সৈয়দ হারুন এমজেএফ।

ফাউন্ডেশনের আহ্বায়ক মোঃ ইমরান হোসেন ও সদস্য সচিব মাহামুদুর রহমান রাকিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-২ (সেনবাগ-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের ছয় বারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সাবেক বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ জননেতা জয়নুল আবেদিন ফারুক।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, নোয়াখালী জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহবায়ক আবদুল্লাহ আল মামুন, চট্টগ্রাম সরকারি সিটি কলেজের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মোঃ হুমায়ুন কবির, টপ স্টার গ্রুপের পরিচালক লায়ন এবিএম শাহাদাত হোসেন, সেনবাগ উপজেলা বিআরডিবি’র চেয়ারম্যান আবদুল হান্নান লিটন এবং সমাজসেবক মোঃ শহিদ উল্ল্যাহ।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ছিলোনিয়া ইউনিয়ন উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল মোতালেব দুলাল, প্রধান শিক্ষক মোঃ কামাল উদ্দিন, ৫নং অর্জুনতলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ সাখাওয়াত হোসেন রিপন, কাশিপুর মোহাম্মদীয়া ফাযিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মুফতি আবদুল মজিদ, স্থানীয় সমাজসেবক শাহাদাত হোসেন এবং ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হারুনুর রশীদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জয়নুল আবেদীন ফারুক বলেন, গরীব দুঃখিদের জন্য হারুন ফাউন্ডেশন যে ভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে,সেনবাগের অন্য বিত্তবানরা যদি এগিয়ে আসেন -তাহলে সেনবাগে অসহায় ও দরিদ্র লোক খুঁজে পাওয়া যাবে না।

অনুষ্ঠানে অন্যান্য বক্তারা বলেন, সমাজের বিত্তবানদের উচিত অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সৈয়দ হারুন ফাউন্ডেশনের এ ধরনের উদ্যোগ সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

অনুষ্ঠানে গরীব, অসহায় ও কর্মহীন ৭ শতাধিক পরিবারের সদস্যদের মাঝে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। উপহার সামগ্রীর মধ্যে ছিলো- সেমাই, নুডলস, পোলাওর চাউল, চিনি, কিচমিস, বাদাম, দুধপাউডার।

এ সময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ঈদের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে এমন উদ্যোগ সত্যিই অনুকরণীয়-এ যেন মানবতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

চট্টগ্রামে বিপণিকেন্দ্রে ভয়াবহ আগুনে নিহত- ২

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৫:০৮ পিএম
চট্টগ্রামে বিপণিকেন্দ্রে ভয়াবহ আগুনে নিহত- ২

চট্টগ্রাম নগরীর ব্যস্ততম বিপনী কেন্দ্র টেরিবাজার এলাকায় একটি বিপণিকেন্দ্রে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

১৯ মার্চ(বৃহস্পতিবার) দুপুরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাদের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন মোহাম্মদ ইউনূস (৫২) ও সোলায়মান (২৮)। তাদের বাড়ি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায়।
পবিত্র ঈদুল ফিতরের সময় চট্টগ্রামের এই এলাকার বিপণিবিতান ও দোকানগুলোয় কেনাকাটার জন্য হাজারো মানুষ আসেন। দুপুর থেকে দোকানগুলোয় শত শত মানুষ ভিড় করেন। তবে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় আজ সকালে মানুষের ভিড় ছিল না। তবে ভবনে আগুন দেখতে পেয়ে আশপাশ থেকে প্রচুর মানুষ জড়ো হন।
ফায়ার সার্ভিস সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে নগরীর টেরিবাজারের বক্সির বিট এলাকায় অবস্থিত ১২তলা বিশিষ্ঠ অর্কিড প্লাজার চতুর্থ তলায় একটি দোকানে আগুনের সূত্রপাত হয়। ভবনটিতে বাণিজ্যিক ব্যাংকের কার্যালয়সহ বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট রয়েছে। সকালে ভবনের চতুর্থ তলায় ওয়েস্টার্ন টেইলার্স থেকে আগুনের ধোঁয়া বের হতে দেখেন স্থানীয় লোকজন। তারা ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে চন্দনপুরা ও নন্দনকানন ফায়ার স্টেশন থেকে চারটি গাড়ি দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টার পর বেলা পৌনে ১১টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
অগ্নিকাণ্ডের পর ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ধোঁয়ায় অসুস্থ তিনজনকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয় এবং অপর একজন চিকিৎসা নিচ্ছেন।
চট্টগ্রাম মেডিক্যাল পুলিশ ফাঁড়ির এসআই নুরুল আলম আশেক জানান, বেলা পৌনে ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুইজনের মৃত্যু হয়।
ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক অতীশ চাকমা জানান, আগুনে অর্কিড প্লাজার চতুর্থ তলার টেইলারিং শপ, কাপড়ের দোকানসহ মোট সাতটি দোকান পুড়ে গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে আগুন লাগার কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।
তিনি আরও জানান, ভবনটির বিভিন্ন তলায় তৈরি পোশাক, টেইলারিং শপ ও কাপড়ের দোকান রয়েছে। এর মধ্যে পঞ্চম তলা থেকে দুইজন এবং ষষ্ঠ তলা থেকে একজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।

দিনাজপুরের বীরগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং SABD পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা, কুইজ প্রতিযোগিতা এবং SABD পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা অনুষ্ঠিত

 

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বেলা ১২টায় বীরগঞ্জ সরকারি কলেজ হলরুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মোঃ মনজুরুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে তরুণ প্রজন্মকে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে।
সবাই যদি মনোযোগ দিয়ে লেখাপড়া করে এবং জীবনে স্বচ্ছতা বজায় রেখে চলে, তাহলে একদিন অবশ্যই সফলতা আসবে। স্কলারশিপ অর্জনের জন্য ইংরেজি ও গণিতে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। অপ্রয়োজনীয় চাহিদা না বাড়িয়ে পরিবারের উপর আর্থিক চাপ কমাতে হবে-শুধু প্রয়োজনীয় জিনিসই চাইতে হবে।

তিনি শিক্ষার্থীদের আত্মনির্ভরশীল হওয়ার পরামর্শ দিয়ে বলেন, নিজেকে সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য টিউশনি করানোর মতো কাজেও যুক্ত হওয়া উচিত। পরিশ্রম, শৃঙ্খলা ও সঠিক দিকনির্দেশনা মেনে চললে শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশের জন্য গর্ব বয়ে আনতে পারবে।

শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, “তোমাদের পাশে আমি সবসময় থাকবো।” শিক্ষার্থীদের যেকোনো প্রয়োজনে তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছেন এবং তাদের সফলতার পথচলায় পাশে থেকে দিকনির্দেশনা দেবেন।

error: Content is protected !!