বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৩ চৈত্র ১৪৩২

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রামের রাউজানে ডাকাতি, আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৪ পিএম | 28 বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রামের রাউজানে ডাকাতি, আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

চট্টগ্রামের রাউজানে এক প্রবাসীর বাড়িতে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা ডাকাত দলের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের সহায়তায় পরিচালিত অভিযানে তাদের কাছ থেকে লুণ্ঠিত মালামাল ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তাররা মূলত সিলেট অঞ্চল থেকে এসে চট্টগ্রামে ডাকাতি করত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) মধ্যরাতে রাউজান থানার পাহাড়তলী ইউনিয়নের দেওয়ানপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, ১৪ থেকে ১৫ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে প্রবাসীর পরিবারের সদস্যদের জিম্মি করে। পরে তাদের একটি কক্ষে আটকে রেখে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার ও মোবাইল ফোনসহ বিপুল পরিমাণ মালামাল লুট করে পালানোর চেষ্টা করে।
খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান শুরু করে। স্থানীয়দের সহযোগিতায় দ্রুত সময়ের মধ্যে আসামিদের শনাক্ত করা হয়। পরে পাহাড়তলী ও বাগোয়ান ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের নয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে একটি লকেটসহ চেইন, এক জোড়া কানের দুল, ১৩টি হাতের চুড়ি, তিনটি ব্রেসলেট, একটি হাতঘড়ি, নগদ ৪ হাজার ৯৮৪ টাকা, একটি মোবাইল ফোন এবং স্ক্রু ড্রাইভার, প্লাস ও রেঞ্জসহ ডাকাতির সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নাজির আহমেদ খান জানান, ডাকাত দলের মূলহোতা ফজর আলী চট্টগ্রামের হলেও অন্য সদস্যরা সিলেটের হবিগঞ্জ থেকে এসে ডাকাতি করত। ঘটনার দিন সকালে তারা হবিগঞ্জ থেকে বাস ও ট্রেনে করে চট্টগ্রামে এসে সন্ধ্যার দিকে আলাদা হয়ে পাহাড়তলী এলাকায় অবস্থান নেয়। পরে রাত ১১টার দিকে ঘটনাস্থলের আশপাশে লুকিয়ে থেকে পরিকল্পিতভাবে ডাকাতি সংঘটিত করে।
গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন হবিগঞ্জের বাহুবল থানার কবির হোসেন (৪৬), মাধবপুর থানার আশিক (৪২), বুদু মিয়া (২২), আবুল কালাম (২২), মো. মিটু (২৮), মো. মামুন মিয়া (৩০), সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থানার আলী আহম্মদ (২৩), গোলাপগঞ্জ থানার মনোয়ারুজ্জামান ইমন (২৭) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর থানার আবুল হোসেন (৩২)।
এ ঘটনায় পলাতক রয়েছেন হবিগঞ্জের চুনারুঘাট থানার ফজর আলী ও বাহুবল থানার আমিন আলী।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তাররা পেশাদার ডাকাত চক্রের সক্রিয় সদস্য এবং তাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। কবির হোসেনের বিরুদ্ধে ১৩টি, আশিকের বিরুদ্ধে ৫টি, মিটুর বিরুদ্ধে ৩টি, মনোয়ারুজ্জামানের বিরুদ্ধে ১১টি এবং মামুনের বিরুদ্ধে ১০টি মামলা রয়েছে। অন্যদিকে পলাতক ফজর আলীর বিরুদ্ধে ২৯টি এবং আমিন আলীর বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, মূলহোতা ফজর আলী দেশের বিভিন্ন স্থানে টার্গেট নির্ধারণ করে সংঘবদ্ধভাবে ডাকাতি পরিচালনা করত। পুলিশের দ্রুত ও সমন্বিত অভিযানে চক্রটির সদস্যদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং অন্যান্য আলামত উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট

‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন

‎রবি ডাকুয়া, বাগেরহাট প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম
‎মোংলা-খুলনা মহাসড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন

মোংলা-খুলনা মহাসড়কের রামপালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের পাশে নৌবাহিনী-জেলা প্রশাসন
‎বাগেরহাটের রামপালে নৌবাহিনীর বাস ও মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৭ মার্চ) দুপুরে মোংলা জেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে নিহতদের স্বজনদের হাতে সহায়তার অর্থ তুলে দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ডক্টর শেখ ফরিদুল ইসলাম।

‎অনুষ্ঠানে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে নিহত প্রত্যেকের পরিবারকে ১ লাখ করে টাকা দেওয়া হয়। এছাড়া বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে মোংলার ৯টি পরিবারকে মোট ২ লাখ ৪০ হাজার টাকা এবং রামপালের নিহত মাইক্রোবাস চালকের পরিবারকে ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে।

‎বুধবার মোংলার ৯ জন ও রামপালের ১ জনের পরিবারকে এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আর বৃহস্পতিবার খুলনার কয়রার ৪ জনের পরিবারের কাছে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে হবে।

‎এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক অনুপ দাস, মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার সুমি, নৌবাহিনীর খুলনা নৌ অঞ্চলের কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল একেএম জাকির হোসাইন, মোংলা দিগরাজ নৌঘাঁটির অধিনায়ক ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ জুবায়ের শাহীন, মোংলা-রামপাল সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার রেফাতুল ইসলাম।

‎উল্লেখ্য, গত ১২ মার্চ মোংলা-খুলনা মহাসড়কের গুনাই ব্রিজ সংলগ্ন এলাকায় খুলনাগামী নৌবাহিনীর বাস ও মোংলাগামী মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে ১৪ জন নিহত হয়। এর মধ্যে ছিলো মোংলার বিএনপি নেতা আ. রাজ্জাক পরিবারের ৯ জন, তার নতুন পুত্রবধূসহ তাদের পরিবারের ৪ জন এবং মাইক্রোচালক।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাঁশখালীতে অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, জাল-মাছসহ আটক ৪

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৫ পিএম
বাঁশখালীতে অবৈধ ট্রলিং বোট জব্দ, জাল-মাছসহ আটক ৪

চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে অবৈধ আর্টিসনাল ট্রলিং বোট, নিষিদ্ধ জাল ও বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক মাছসহ ৪ জেলেকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড।

মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে কোস্ট গার্ড কন্টিনজেন্ট বাঁশখালী থানাধীন শেখেরখীল মাছঘাট সংলগ্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। অভিযান চলাকালে একটি অবৈধ আর্টিসনাল ট্রলিং বোট জব্দ করা হয়। এ সময় বোটে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের দুটি ট্রলিং জাল ও প্রায় ৪০০ কেজি সামুদ্রিক মাছ উদ্ধারসহ চার জেলেকে আটক করা হয়।
কোস্ট গার্ড জানায়, সামুদ্রিক মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে সরকার প্রতি বছর নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সাগরে মাছ ধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সাধারণত ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম এবং সামুদ্রিক মাছের বংশবিস্তার রক্ষায় ৬৫ দিনের জন্য (মে-জুলাই) সাগরে সকল ধরনের মাছ ধরা বন্ধ থাকে। এছাড়া বছরের বিভিন্ন সময়ে নির্দিষ্ট প্রজাতির মাছ ধরায়ও নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকে। কিন্তু অসাধু কিছু জেলে এই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধ ট্রলিং ও নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করে আসছে, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য মারাত্মক হুমকি।
পরবর্তীতে উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জব্দকৃত বোট থেকে ট্রলিং সরঞ্জামাদি অপসারণ করা হয় এবং অবৈধ জাল বিনষ্ট করা হয়। উদ্ধারকৃত মাছ নিলামে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড পূর্ব জোনের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকতি বলেন, “মৎস্য সম্পদ রক্ষা এবং সরকারের নির্দেশনা বাস্তবায়নে কোস্ট গার্ড নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টেকসই মৎস্য আহরণ নিশ্চিত করতে জেলেদের সচেতনতার পাশাপাশি আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কঠোর নজরদারি জরুরি।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রামে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দানে

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: বুধবার, ১৮ মার্চ, ২০২৬, ৫:৪৪ পিএম
চট্টগ্রামে ঈদের প্রধান জামাত সকাল ৮টায় জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দানে

মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলোতে এ বছর পবিত্র ঈদুল ফিতর পালিত হতে পারে ২০ মার্চ শুক্রবার। আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সোসাইটির চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান জানিয়েছেন, এ বছর আরব বিশ্বে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হতে পারে এবং শাওয়াল মাসের প্রথম দিন হবে ২০ মার্চ। সে হিসাবে বাংলাদেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে পারে ২১ মার্চ শনিবার।
এদিকে ঈদুল ফিতরের কেন্দ্রীয় জামাত উপলক্ষে চট্টগ্রামের জমিয়তুল ফালাহ ঈদগাহ ময়দান সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। ১৭ মার্চ
বুধবার জমিয়তুল ফালাহ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিদর্শনকালে তিনি বলেন, ঈদকে সামনে রেখে গত সাত দিন ধরে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে, যাতে মুসল্লিরা নির্বিঘ্নে ও স্বাচ্ছন্দ্যে নামাজ আদায় করতে পারেন।
তিনি জানান, প্রায় ৬৫ হাজার বর্গফুট এলাকাজুড়ে বিশাল প্যান্ডেল নির্মাণ করা হয়েছে। মাঠজুড়ে কার্পেট বিছানো হয়েছে এবং বৃষ্টির সম্ভাবনা মাথায় রেখে ওপরে টারপলিন দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ২৫০টি পাখা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা, ৫০টি মাইক এবং সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।
মেয়র বলেন, প্রতিবছরের মতো এবারও প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার মুসল্লির সমাগম হবে বলে আশা করা হচ্ছে। অতিরিক্ত মুসল্লির কথা বিবেচনায় রেখে দুটি জামাতের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে—প্রথম জামাত সকাল ৮টায় এবং দ্বিতীয় জামাত সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে।
মুসল্লিদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে তিনটি প্রধান গেট খোলা রাখা হবে এবং পেছনের গেটটিও ব্যবহারযোগ্য করা হচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ মোতায়েন থাকবে বলেও জানান তিনি।
নগরীর সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে মেয়র বলেন, চট্টগ্রামকে একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করতে সিটি কর্পোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অপরাধ দমনে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় এবং বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, গত ১৬ মাসে চট্টগ্রামে সব ধর্ম ও বর্ণের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, যা একটি নিরাপদ নগরী গড়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রথম ও প্রধান জামাতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব আলহাজ্ব সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী এবং দ্বিতীয় জামাতে ইমামতি করবেন সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক আল কাদেরী।
এছাড়া চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরীর বিভিন্ন স্থানে সকাল ৮টায় ঈদ জামাতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—লালদীঘি শাহী জামে মসজিদ, হযরত শেখ ফরিদ (রঃ) চশমা ঈদগাহ মসজিদ, সুগন্ধা আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, চকবাজার সিটি কর্পোরেশন জামে মসজিদ, জহুর হকার্স মার্কেট জামে মসজিদ, দক্ষিণ খুলশী (ভিআইপি) আবাসিক এলাকা জামে মসজিদ, আরেফীন নগর কেন্দ্রীয় কবরস্থান জামে মসজিদ, সাগরিকা গরুবাজার জামে মসজিদ এবং মা আয়েশা সিদ্দিকী চসিক জামে মসজিদ।
পরিদর্শনকালে মেয়র নগরবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানান এবং রমজানের শিক্ষাকে কাজে লাগিয়ে চট্টগ্রামের উন্নয়নে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

error: Content is protected !!