মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে শেখ ফরিদ বাহারকে নিয়োগের দাবি জোরালো

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ২:০৫ পিএম | 75 বার পড়া হয়েছে
ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে শেখ ফরিদ বাহারকে নিয়োগের দাবি জোরালো

ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও জেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি শেখ ফরিদ বাহারকে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী এবং সমর্থকরা। তারা মনে করেন, দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ত্যাগ, সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য শেখ ফরিদ বাহার এ গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ার যোগ্য।
এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেম এবং একই সংস্থার সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ হানিফ সাংবাদিক এক যৌথ আবেদনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি শেখ ফরিদ বাহারকে ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার আহ্বান জানান।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ ফরিদ বাহার ফেনীর রাজনীতিতে একজন মেধাবী, সৎ ও নির্লোভ নেতা হিসেবে সুপরিচিত। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে দলের বিভিন্ন পর্যায়ে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে তিনি একাধিকবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছেন। বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তাকে বারবার কারাবরণ করতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা। তবে এসব প্রতিকূলতার মধ্যেও তিনি দলের আদর্শ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন থেকে কখনো পিছিয়ে যাননি।
ফেনীর রাজনীতিতে ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি হিসেবে শেখ ফরিদ বাহার দীর্ঘ সময় সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন। ছাত্ররাজনীতির পাশাপাশি তিনি সংগঠনকে শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। বর্তমানে তিনি ফেনী জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, শেখ ফরিদ বাহারকে ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হলে তিনি তার অভিজ্ঞতা, সততা ও সাংগঠনিক দক্ষতা দিয়ে জেলার উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে পারবেন। পাশাপাশি জেলার সাধারণ মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।
নেতাকর্মীরা এ বিষয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন, শেখ ফরিদ বাহারের দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগ, সংগ্রাম এবং সাংগঠনিক দক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে তাকে ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি সদয়ভাবে বিবেচনা করা হবে।
একই সঙ্গে তারা ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, ফেনী-২ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক ভিপি জয়নাল আবেদীন এবং মাননীয় মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর প্রতিও বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন।
নেতাকর্মীরা বলেন, শেখ ফরিদ বাহার দীর্ঘদিন ধরে ফেনীর মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হিসেবে কাজ করে আসছেন। তার নেতৃত্বে জেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক কার্যক্রম আরও সুসংগঠিত হবে এবং জেলা পরিষদের কার্যক্রমও মানুষের কল্যাণে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
তারা আরও বলেন, ফেনীর রাজনীতিতে ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের মূল্যায়ন করা হলে দল আরও শক্তিশালী হবে এবং তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উৎসাহিত হবেন। শেখ ফরিদ বাহার সেই ধরনের একজন নেতা, যিনি সব সময় দলের জন্য নিবেদিত থেকেছেন।
শেষে ফেনী জেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা শেখ ফরিদ বাহারের জন্য শুভকামনা জানিয়ে বলেন, তিনি যেন আগামী দিনে আরও বড় দায়িত্ব নিয়ে ফেনী জেলার মানুষের সেবা করতে পারেন—এটাই তাদের প্রত্যাশা।

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!