আখতারুজ্জামান চ্যারিটি ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।মরহুম আখতারুজ্জামান বাবলুর সুযোগ্য কন্যা ফৌজিয়া আবিদা জেসি,এলাকার গরিব,অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে মাসব্যাপী এ সকল ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ)বিকেলে নিজ বাসভবনে প্রায় ২ শতাধিক উপহার সামগ্রী (ফুড প্যাকেজ) বিতরণ করা হয়।
এসময় ফৌজিয়া আবিদা জেসি বলেন,আমি এলাকাবাসীর সেবা করতে পেরে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি,মনের তৃপ্তি হয়।মনের প্রশান্তির জন্যই এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াতে চাই।
আমার বাবা মরহুম আখতারুজ্জামান বাবলু ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন।তিনি সবসময় জনগণের বিপদে-আপদে পাশে থেকে কাজ করেছেন। গরিব,অসহায় ও দুঃস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।আমার বাবা সব সময় নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন।আমি আমার বাবার দেখে শিক্ষা নিয়েছি।
আমার মা লায়লা আনজুমান বানু বুলবুলি ১৬,১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর ছিলেন। আমার মা সব সময় ওয়ার্ডের গরিব অসহায় দুস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছেন নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন। আমি আমার কাজের মধ্যে দিয়ে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।
জনগণ যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন, তাহলে আমি কাজের মাধ্যমে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করব।
আমি আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৬,১৭ ও ১৮নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।আমি নির্বাচিত হলে এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিব,অর্থের অভাবে কেউ লেখাপড়া করতে না পারলে,তার লেখাপড়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করব। আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে আমার সংরক্ষিত আসনের একটি শিশু ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে না।
বিশেষ করে এলাকার মেয়েদের জন্য কাজ করব।অনেক মেয়েরা ইংলিশ বোঝেনা,বাংলা ভাষার পাশাপাশি তারা যাতে ইংলিশ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে সে দিকে বিশেষ নজর থাকবে। বিভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে তাদের ইংলিশ শিক্ষা নিশ্চিত করব যেন যেকোনো চাকরির ক্ষেত্রে ইংলিশ শিক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।
পিছিয়ে থাকা মেয়েদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি থাকবে, উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ-বিদেশে পাড়ি দিতে তাদের পাশে থাকবো।
আমি নির্বাচিত হলে আমার সংরক্ষিত আসনে কোন অবহেলিত মেয়ে বা পুরুষ থাকবে না। আমি খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।
স্থানীয়রা বলেন,ফৌজিয়া আবিদা জেসি সব সময় নিঃস্বার্থভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।এলাকায় কেউ মারা গেলে তার পরিবারের পাশে সবার আগে তিনি দাঁড়ান।এলাকায় খাবার পানির সমস্যায় টিউবওয়েল স্থাপন করে দিয়েছেন,যেন আমরা বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারি।তিনি প্রথম রমজান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করছেন। আর্থিক সমস্যা থেকে শুরু করে যেকোন বিপদে পড়লে ফৌজিয়া আবিদা জেসি পাশে দাঁড়াতে পিছুপা হন না।আমরা যে কোন সমস্যার জন্য সব সময় তার সাথে কথা বলতে পারি,তার বাড়িতে গিয়ে ডাকলে তিনি কোন সময় বিরক্ত হন না বরং হাসিমুখে সমস্যার কথা শুনে সমাধান করে দেন। আমরা তার জন্য দোয়া করি।আমরা ফৌজিয়া আবিদা জেসিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চাই।
এ সময় অনেকে বলেন,সাবেক মহিলা কাউন্সিলর কে আমরা কখনো দেখিনি,বিপদে-আপদে ডেকে পাওয়া যায়নি।তাই আমরা নতুন নেতৃত্বে ফৌজিয়া আবিদা জেসিকে দেখতে চাই বলে জানান এলাকাবাসী।