বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬, ২৭ ফাল্গুন ১৪৩২

রাজশাহীতে মাশব্যাপী আখতারুজ্জামান চ্যারিটি ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:২৬ এএম | 51 বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীতে মাশব্যাপী আখতারুজ্জামান চ্যারিটি ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ

আখতারুজ্জামান চ্যারিটি ফাউন্ডেশন এর পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।মরহুম আখতারুজ্জামান বাবলুর সুযোগ্য কন্যা ফৌজিয়া আবিদা জেসি,এলাকার গরিব,অসহায় ও দুঃস্থদের মাঝে মাসব্যাপী এ সকল ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করেন। মঙ্গলবার (১০ মার্চ)বিকেলে নিজ বাসভবনে প্রায় ২ শতাধিক উপহার সামগ্রী (ফুড প্যাকেজ) বিতরণ করা হয়।

এসময় ফৌজিয়া আবিদা জেসি বলেন,আমি এলাকাবাসীর সেবা করতে পেরে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি,মনের তৃপ্তি হয়।মনের প্রশান্তির জন্যই এলাকাবাসীর সুখে-দুঃখে, বিপদে-আপদে পাশে দাঁড়াতে চাই।

আমার বাবা মরহুম আখতারুজ্জামান বাবলু ১৬ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ছিলেন।তিনি সবসময় জনগণের বিপদে-আপদে পাশে থেকে কাজ করেছেন। গরিব,অসহায় ও দুঃস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।আমার বাবা সব সময় নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন।আমি আমার বাবার দেখে শিক্ষা নিয়েছি।

আমার মা লায়লা আনজুমান বানু বুলবুলি ১৬,১৭ ও ১৮ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর ছিলেন। আমার মা সব সময় ওয়ার্ডের গরিব অসহায় দুস্থদের পাশে দাঁড়িয়েছেন নিষ্ঠার সাথে কাজ করেছেন। আমি আমার কাজের মধ্যে দিয়ে বাবা-মায়ের মুখ উজ্জ্বল করতে চাই।

জনগণ যদি আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন, তাহলে আমি কাজের মাধ্যমে জনগণকে দেয়া প্রতিশ্রুতি নিশ্চিত করব।

আমি আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে ১৬,১৭ ও ১৮নং ওয়ার্ড সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী।আমি নির্বাচিত হলে এলাকায় শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিব,অর্থের অভাবে কেউ লেখাপড়া করতে না পারলে,তার লেখাপড়ার ব্যবস্থা নিশ্চিত করব। আমি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে আমার সংরক্ষিত আসনের একটি শিশু ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হবে না।

বিশেষ করে এলাকার মেয়েদের জন্য কাজ করব।অনেক মেয়েরা ইংলিশ বোঝেনা,বাংলা ভাষার পাশাপাশি তারা যাতে ইংলিশ শিক্ষায় শিক্ষিত হতে পারে সে দিকে বিশেষ নজর থাকবে।  বিভিন্ন কোর্সের মাধ্যমে তাদের ইংলিশ শিক্ষা নিশ্চিত করব যেন যেকোনো চাকরির ক্ষেত্রে ইংলিশ শিক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।
পিছিয়ে থাকা মেয়েদের প্রতি বিশেষ দৃষ্টি থাকবে, উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ-বিদেশে পাড়ি দিতে তাদের পাশে থাকবো।
আমি নির্বাচিত হলে আমার সংরক্ষিত আসনে কোন অবহেলিত মেয়ে বা পুরুষ থাকবে না। আমি খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করব।

স্থানীয়রা বলেন,ফৌজিয়া আবিদা জেসি সব সময় নিঃস্বার্থভাবে আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।এলাকায় কেউ মারা গেলে তার পরিবারের পাশে সবার আগে তিনি দাঁড়ান।এলাকায় খাবার পানির সমস্যায় টিউবওয়েল স্থাপন করে দিয়েছেন,যেন আমরা বিশুদ্ধ পানি পান করতে পারি।তিনি প্রথম রমজান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ করছেন। আর্থিক সমস্যা থেকে শুরু করে যেকোন বিপদে পড়লে ফৌজিয়া আবিদা জেসি পাশে দাঁড়াতে পিছুপা হন না।আমরা যে কোন সমস্যার জন্য সব সময় তার সাথে কথা বলতে পারি,তার বাড়িতে গিয়ে ডাকলে তিনি কোন সময় বিরক্ত হন না বরং হাসিমুখে সমস্যার কথা শুনে সমাধান করে দেন। আমরা তার জন্য দোয়া করি।আমরা ফৌজিয়া আবিদা জেসিকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চাই।
এ সময় অনেকে বলেন,সাবেক মহিলা কাউন্সিলর কে আমরা কখনো দেখিনি,বিপদে-আপদে ডেকে পাওয়া যায়নি।তাই আমরা নতুন নেতৃত্বে ফৌজিয়া আবিদা জেসিকে দেখতে চাই বলে জানান এলাকাবাসী।

বহুল জনপ্রিয় পোর্টাল দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা -কবি সাহিত্যিক সাংবাদিক ও সংগঠক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ২:০১ এএম
বহুল জনপ্রিয় পোর্টাল দৈনিক উজ্জ্বল বাংলাদেশ পত্রিকার প্রধান উপদেষ্টা -কবি সাহিত্যিক সাংবাদিক ও সংগঠক

এ এস এম সাদেকুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ, যাহা বলতে চাই অন্তিম পয়গামে ” বইটি অমর একুশে বইমেলা-২০২৬
উচ্ছ্বাস প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত স্টল নম্বর ৬৩৮ এ পাওয়া যাচ্ছে।

সুলভ মূল্যে বই কিনুন উচ্ছ্বাস প্রকাশনী আপনাদের পাশে।

দালাল সিন্ডিকেটের কবলে ময়মনসিংহ বিআরটিএ

মামুনুর রশীদ মামুন,ময়মনসিংহ থেকে: প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৭ এএম
দালাল সিন্ডিকেটের কবলে ময়মনসিংহ বিআরটিএ

ময়মনসিংহের বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) অফিসে সরকারি সেবা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়ছেন সাধারণ মানুষ। অভিযোগ উঠেছে—দালাল সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে থাকা এই অফিসে দালাল ছাড়া সেবা পাওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি,নির্ধারিত সরকারি ফি জমা দিয়েও নিয়ম অনুযায়ী সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে; বরং দালালদের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা দিলে খুব সহজেই সম্পন্ন হয়ে যাচ্ছে ড্রাইভিং লাইসেন্সসহ বিভিন্ন যানবাহন সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ।

সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এবং সরেজমিন অনুসন্ধানে জানা গেছে,দীর্ঘদিন ধরে একটি শক্তিশালী দালাল চক্র অফিসটিকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ করছে। অফিসের ভেতর-বাইরে প্রকাশ্যেই এসব দালালের তৎপরতা চললেও দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। দালাল ছাড়া আবেদন করলেই শুরু হয় হয়রানি! ভুক্তভোগীদের অভিযোগ,কেউ যদি সরাসরি অফিসে গিয়ে নিয়ম অনুযায়ী আবেদন করতে চান,তাহলে নানা অজুহাতে তার আবেদন বাতিল করে দেওয়া হয়। কখনো কাগজপত্রে সামান্য ত্রুটি দেখানো হয়, আবার কখনো ড্রাইভিং পরীক্ষায় অযৌক্তিকভাবে ফেল দেখানো হয়। ফলে নিরুপায় হয়ে অনেকেই শেষ পর্যন্ত দালালদের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হন।
একাধিক আবেদনকারীর অভিযোগ,লাইসেন্স পেতে সরকারি নির্ধারিত ফি ছাড়াও দালালদের মাধ্যমে কয়েক হাজার থেকে শুরু করে কয়েক দশ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত দিতে হচ্ছে। বিনিময়ে অনেক ক্ষেত্রে পরীক্ষা ছাড়াই কিংবা নিয়মের তোয়াক্কা না করেই লাইসেন্স পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। অফিস কক্ষেই দালালদের অবাধ বিচরণ: সরেজমিনে দেখা গেছে, বিআরটিএ অফিস চত্বরে দালালদের অবাধ বিচরণ। এমনকি কিছু দালালকে সরাসরি অফিস কক্ষে ঢুকে কম্পিউটার অপারেটিং থেকে শুরু করে সরকারি নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করতেও দেখা গেছে। তাদের আচরণ দেখে অনেক সময় সাধারণ মানুষ বুঝতেই পারেন না—তারা কোনো সরকারি কর্মকর্তা নন,বরং অফিস বহির্ভূত দালাল চক্রের সদস্য। স্থানীয়দের ভাষ্য,বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরেই “ওপেন সিক্রেট” হয়ে আছে। কিন্তু অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কার্যকর কোনো দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। অভিযোগের কেন্দ্রে মোটরযান পরিদর্শক! অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, এই দালাল সিন্ডিকেটের নেতৃত্বের অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট অফিসের মোটরযান পরিদর্শক জহির উদ্দিন বাবর। অভিযোগ রয়েছে, তার কক্ষেই দালালদের নিয়মিত আনাগোনা এবং সরকারি নথিপত্রে প্রবেশের সুযোগ তৈরি হয়।
যদিও এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,
“দালালদের সরকারি নথিপত্র ঘাঁটাঘাঁটির বিষয়টি দুঃখজনক। বিষয়টি রোধে আমার কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।” তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি,এমন কোনো উদ্যোগ এখনো বাস্তবে দৃশ্যমান হয়নি। ফলে অভিযোগের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রয়েছে। সহকারী পরিচালকের পদক্ষেপের আশ্বাস,বাস্তবে অগ্রগতি নেই! এদিকে সংশ্লিষ্ট অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) আনিসুর রহমান যোগদানের পরপরই দালাল চক্রের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দেন বলে জানা গেছে। তবে অভিযোগ রয়েছে,সেই আশ্বাসের পরও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। ফলে দালালদের তৎপরতা আগের মতোই বহাল রয়েছে বলে দাবি করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা। চিহ্নিত কয়েক দালালের নাম: অনুসন্ধানে স্থানীয়ভাবে পরিচিত কয়েকজন কথিত দালালের নামও উঠে এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন—মোফাজ্জল,হীরা,শান্ত,কামাল, খোকন,রিপন,ভুট্টো,শাহ কামাল,সেলিম ও তপন সহ আরও কয়েকজন। অভিযোগ রয়েছে, এসব দালাল ভুক্তভোগীদের “হয়রানিমুক্ত সেবা” দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করেন। স্থানীয় সূত্রের দাবি, আদায়কৃত টাকার একটি অংশ ‘অফিস খরচ’ নামে সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। প্রশাসনের বক্তব্য: এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট (এডিএম) এবং ড্রাইভিং কম্পিটেন্সি টেস্ট কমিটি (ডিসিটিসি)-এর সভাপতি আসাদুজ্জামান বলেন,“বিষয়টি আমাদের
নলেজে না থাকলেও–অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” দ্রুত তদন্তের দাবি: সচেতন মহল বলছে,দীর্ঘদিন ধরে চলা এসব অভিযোগের দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া জরুরি। তাদের মতে,বিআরটিএ অফিসে দালাল সিন্ডিকেটের প্রভাব বন্ধ করা না গেলে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি আরও বাড়বে এবং সরকারি সেবার প্রতি মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত করে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয় সচেতন মহল।

তেজগাঁওয়ে ৪৭টি মাথার খুলি উদ্ধার, মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার

দিশা আক্তার ঃ স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: বুধবার, ১১ মার্চ, ২০২৬, ১:৪৫ এএম
তেজগাঁওয়ে ৪৭টি মাথার খুলি উদ্ধার, মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার

রাজধানীর তেজগাঁও এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৪৭টি মাথার খুলি ও মানবদেহের বিপুল পরিমাণ হাড় উদ্ধারসহ একটি সংঘবদ্ধ মানব কঙ্কাল চোর চক্রের চার সদস্যকে গ্রেফতার করেছে তেজগাঁও থানা পুলিশ।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিক (২৫), মোঃ আবুল কালাম (৩৯), আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদ (৩২) এবং মোঃ ফয়সাল আহম্মেদ (২৬)। তাদের হেফাজত থেকে বিভিন্ন প্লাস্টিকের বাজারের ব্যাগে রাখা অবস্থায় ৪৭টি মাথার খুলি এবং মানবদেহের বিভিন্ন অঙ্গের হাড় উদ্ধার করা হয়।
তেজগাঁও থানা সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশের একটি আভিযানিক দল জানতে পারে যে তেজগাঁও থানাধীন মনিপুরীপাড়া এলাকার ১ নম্বর গেটের সামনে এক ব্যক্তি অবৈধভাবে কবরস্থান থেকে মানব কঙ্কাল সংগ্রহ করে বিক্রির উদ্দেশ্যে অবস্থান করছে। পরে গত ৯ মার্চ রাত আনুমানিক ১টা ৪৫ মিনিটে সেখানে অভিযান চালিয়ে কাজী জহরুল ইসলাম ওরফে সৌমিককে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার কাছ থেকে একটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন সকাল আনুমানিক ৭টা ১০ মিনিটে তেজগাঁও কলেজের সামনে অভিযান চালিয়ে মোঃ আবুল কালাম ও আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে আরও দুটি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন দুপুর আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে উত্তরা পশ্চিম থানাধীন ‘Sapporo Dental College & Hospital’-এর হোস্টেলে অভিযান চালানো হয়। সেখান থেকে মোঃ ফয়সাল আহম্মেদকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় হোস্টেলের ৪০২ নম্বর কক্ষে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা অবস্থায় ৪৪টি মানব কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা স্বীকার করেছে যে তারা গাজীপুরসহ দেশের বিভিন্ন কবরস্থান থেকে গোপনে কবর খুঁড়ে মানব কঙ্কাল চুরি করে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে চড়া দামে বিক্রি করত।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত মোঃ আবুল কালামের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ২১টি এবং আসাদুল মুন্সী ওরফে জসিম ওরফে এরশাদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা রয়েছে। এ ঘটনায় তেজগাঁও থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে ।

error: Content is protected !!