শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

লেবাননকে হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ৩:০৫ এএম | 97 বার পড়া হয়েছে
লেবাননকে হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেছেন, তারা “গাজার মতো ধ্বংস ও দুর্ভোগ এড়াতে” চাইলে তারা যেনো দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহকে বিতাড়িত করে।

ইসরায়েল হেজবুল্লাহ’র বিরুদ্ধে তাদের চলমান স্থল অভিযানের ব্যাপকতা আরও বৃদ্ধির পর গতকাল মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ওইদিন লেবাননের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের নতুন একটি স্থানে আরও হাজার হাজার সৈন্যও পাঠিয়েছে ইসরায়েল।

নেতানিয়াহু আরও দাবি করেছেন,ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) অর্থাৎ ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী হেজবুল্লাহ’র সাবেক নেতা হাসান নাসরাল্লাহ’র উত্তরসূরিকে হত্যা করেছে। তবে পরবর্তীতে আইডিএফ বলেছে যে তারা হাশেম সাফিয়েদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি।

এদিকে, হেজবুল্লাহ’র যোদ্ধারা টানা তিনদিন ইসরায়েলের বন্দর নগরী হাইফা’র দিকে রকেট নিক্ষেপ করে। এতে করে ১২ জন আহত হয়।

লেবাননের জনগণকে উদ্দেশ্য করে একটি ভিডিও ভাষণে মি. নেতানিয়াহু বলেন, “একটি দীর্ঘ যুদ্ধের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়ার আগে আপনাদের কাছে লেবাননকে রক্ষা করার একটি সুযোগ আছে। এই যুদ্ধ লেবাননকে ধ্বংস ও দুর্ভোগের দিকে নিয়ে যাবে, ঠিক যেমনটা আমরা গাজায় দেখছি।”

“লেবাননের জনগণ, আমি আপনাদেরকে বলছি: আপনারা আপনাদের দেশকে হেজবুল্লাহ থেকে মুক্ত করুন, যাতে করে এই যুদ্ধ শেষ হয়।”

লেবাননের কর্মকর্তারা বলছেন, তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র হামলা করার পরও হেজবুল্লাহকে দমন করা যায়নি। এ ক’দিনে লেবাননে এক হাজার ৪০০ জন মানুষ নিহত ও ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার হাসান নাসরাল্লাহ’র সাবেক ডেপুটি নাইম কাসেম জোর দিয়ে বলেছিলেন যে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আঘাত কাটিয়ে উঠেছে হেজবুল্লাহ।

গাজায় যুদ্ধের কারণে গত প্রায় এক বছর ধরে ইসরায়েল ও লেবাননের মাঝে চলমান আন্তঃসীমান্ত লড়াইয়ের পর ইসরায়েল লেবাননে আক্রমণ চালিয়েছে।

ইসরায়েলের ভাষ্য, ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী যেসব মানুষ হেজবুল্লাহ’র রকেট, মিসাইল ও ড্রোন হামলার কারণে নিজেদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন, তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে চায় ইসরায়েল।

গত বছরের আটই অক্টোবর হেজবুল্লাহ ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে ইসরায়েলের উত্তর অঞ্চলে রকেট ছোঁড়া শুরু করার পর থেকে দুই দেশের মাঝে ক্রমশ উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। হেজবুল্লাহ’র মিত্র সংগঠন সশস্ত্রগোষ্ঠী হামাস দক্ষিণ লেবাননে মারাত্মক হামলা করার পর হেজবুল্লাহ ওই হামলা করে।

মঙ্গলবার সকালে আইডিএফ ঘোষণা করেছে যে তাদের ১৪৬তম ডিভিশনের সংরক্ষিত সৈন্যরা দক্ষিণ-পশ্চিম লেবাননে “সীমিত” এবং “সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে” অভিযান চালানো শুরু করেছে।

গত ৩০শে সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে স্থল অভিযান শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তিনটি স্ট্যান্ডিং ডিভিশন যোগ দিয়েছে। ধারণা করা হয়, তিনটি ডিভিশনে মোট সৈন্য সংখ্যা ১৫ হাজারের বেশি।

আইডিএফ বলছে যে তাদের সৈন্যরা সীমান্তবর্তী গ্রাম মারুন আল-রাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এই গ্রামকে হেজবুল্লাহ “কমব্যাট কম্পাউন্ড” নামে অভিহিত করেছে।

আইডিএফ এই গ্রামের যেসব ছবি প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা গেছে যে সেখানে একটি রকেট লঞ্চার আছে। সেইসাথে, একটি আবাসিক ভবনের মাঝে বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে ও সরঞ্জামও রয়েছে।

এদিকে, ড্রোন ফুটেজে মারুন আল-রাসের নিকটবর্তী গ্রাম ইয়ারুনের ব্যাপক ধ্বংসলীলা দেখা গেছে। স্থল অভিযানের প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু ছিল এই গ্রামটি।

লেবাননের জন্য জাতিসংঘের বিশেষ কো-অর্ডিনেটর ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর প্রধান একটি যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করেছেন, সংঘাতের মানবিক প্রভাব “বিপর্যয় থেকে কম কিছু নয়”।

লেবাননের সরকার বলেছে, গত এক বছরে প্রায় ১২ লাখ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। এই বাস্তুচ্যুতদের জন্য অনুমোদিত আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার মানুষ।

সেইসাথে, চার লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ বাঁচাতে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়ায় পালিয়েছে গেছে। পালিয়ে যাওয়াদের মাঝে দুই লাখের বেশি সিরিয়ার শরণার্থী রয়েছে। এটি এমন এক পরিস্থিতি, যেটিকে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান “অর্থহীন ভোগান্তি” হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলেছেন, লেবাননের জনগণ নিজেদের খাবার নিজেরা উৎপাদন করতে পারে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ আছে। কারণ, দেশটি হাজার হাজার হেক্টর কৃষিজমি পুড়ে গেছে বা পরিত্যক্ত হয়েছে।

আইডিএফ আরও বলেছে যে মঙ্গলবার বৈরুতের দক্ষিণ দিকের শহরতলিতে ও অন্যান্য অঞ্চলে থাকা হেজবুল্লাহ’র ঘাঁটিগুলোতে তারা নতুন দফা বিমান হামলা চালিয়েছে।

এর আগে আইডিএফ আরও ঘোষণা করেছিলো, গত সোমবার বৈরুতে হেজবুল্লাহ সদর দপ্তরে বৈরুতে হেজবুল্লাহ কমান্ডার সুহাইল হুসেইনি নিহত হয়েছেন।

হেজবুল্লাহ এখনও ওই দাবির বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

গালাগালির উপকারিতা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০৫ পিএম
গালাগালির উপকারিতা

মিন্টু বাবু ব্যাগ নিয়ে বাজারের দিকে যাচ্ছিলেন। হঠাৎ রাস্তার পাশের পাঁচতলা বিল্ডিংয়ের নিচে পাবলিকের ভিড় দেখে সেদিকে এগিয়ে গেলেন। সবাই ওপরের দিকে তাকিয়ে কী যেন দেখছে!
ভদ্রলোকও ওপরের দিকে তাকালেন। দেখলেন, ছাদের কার্নিশে একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে। একটু এদিক-সেদিক হলেই পাঁচতলা থেকে সোজা নিচে পড়ে যাওয়ার প্রবল আশঙ্কা।
মিন্টু বাবু উপস্থিত একজনকে জিজ্ঞেস করলেন,
“মশাই, বিষয় কী?”
ভদ্রলোক বললেন,
“বউ ছ্যাঁকা দিয়েছে।
তাই আত্মহত্যা করার জন্য ছাদে উঠেছে।”
মিন্টু বাবু বললেন,
“আপনারা তাঁকে বাঁচানোর চেষ্টা করছেন না?”
ভদ্রলোক বললেন,
“সবাই তাকে নেমে আসার জন্য বলছে, কিন্তু সে নামতেই চাইছে না।”
মিন্টু বাবুর মনটা খুব খারাপ হয়ে গেল। এমন তরতাজা নওজোয়ানরা তুচ্ছ কারণে আত্মহত্যার পথ বেছে নিচ্ছে দেখে তাঁর মন ব্যথায় ভরে গেল। ব্যথার জন্য পাশের ফার্মেসি থেকে একটা পেইনকিলার খেয়ে ছেলেটাকে কীভাবে বাঁচানো যায়, সে চিন্তা শুরু করলেন।
আইডিয়া পেতে দেরি হলো না।
মিন্টু বাবু ওপরের দিকে তাকিয়ে বললেন,
“কোন শু…র…বাচ্চা ছাদে উঠেছে রে?”
ওপর থেকে জবাব এলো,
“গালাগালি করে কে রে?”
মিন্টু বাবু আবার বললেন,
“বেশ করেছি গালাগালি করেছি। তুই কী করবি রে… দা-হা… মজা…?”
ওপর থেকে আত্মহননকারীর জবাব এলো,
“দেখুন, ভদ্রলোক মানুষ, মুখ খারাপ করবেন না।
আমি নেমে আসলে কিন্তু অবস্থা খারাপ করে ফেলব!”
এবার মিন্টু বাবু আসল বোমাটা ছাড়লেন—
“তোর এত বড় সাহস, আমাকে হুমকি দিস!
কু…চ্চা! সাহস থাকলে সামনে আয়… র ছেলে!”
ব্যস, এতেই কাজ হয়ে গেল। আত্মহননকারী আত্মহত্যার চিন্তা বাদ দিয়ে মিন্টু ঘোষকে ধরতে সিঁড়ি দিয়ে হড়হড় করে নামতে শুরু করল।
এই ফাঁকে মিন্টু বাবু দিলেন দৌড়।
সেই আত্মহননকারী আজও বেঁচে আছে।
মিন্টু বাবুকে উপযুক্ত শিক্ষা না দিয়ে সে মরবে না—এই পণ করেছে।

দীঘির গায়ে জুস পড়ায় সত্যিই কি চাকরি হারিয়েছেন ওয়েটার?

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০১ পিএম
দীঘির গায়ে জুস পড়ায় সত্যিই কি চাকরি হারিয়েছেন ওয়েটার?

সম্প্রতি রাজধানীর একটি জনপ্রিয় রেস্তোরাঁ ‘কাচ্চি ডাইন’-এর শাখা উদ্বোধন করতে গিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত এক পরিস্থিতির শিকার হন সময়ের আলোচিত চিত্রনায়িকা প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। তবে সেই ঘটনার রেশ ধরে একজন সাধারণ কর্মচারীর চাকরি হারানোর গুঞ্জন এখন সামাজিক মাধ্যমে তুঙ্গে।
একটি ভিডিওতে দেখা যায়, দীঘি যখন রেস্তোরাঁটিতে খাবার খাচ্ছিলেন, তখন একজন ওয়েটার পানীয় পরিবেশন করতে আসেন। সে সময় তিনটি জুসের গ্লাসের মধ্যে একটি হঠাৎ ভারসাম্য হারিয়ে দীঘির গায়ের ওপর পড়ে যায়। আকস্মিক এই ঘটনায় দীঘি কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়লেও পরক্ষণেই নিজেকে সামলে নেন। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট ওয়েটারকে অত্যন্ত ভীত ও দুঃখ প্রকাশ করতে দেখা যায়। তাৎক্ষণিকভাবে রেস্তোরাঁর অন্য কর্মীরা এসে দীঘির পোশাক ও হাত পরিষ্কার করে দেন।
ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নেটিজেনদের একটি বড় অংশ দাবি করছেন, দীঘির গায়ে জুস ফেলার দায়ে সেই ওয়েটারকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। নেটিজেনদের মতে, একজন আমন্ত্রিত তারকার সঙ্গে এমন অপেশাদার আচরণ রেস্তোরাঁ কর্তৃপক্ষ সহজভাবে নেয়নি। মালিকপক্ষ ক্ষুব্ধ হয়েই তাকে ছাঁটাই করেছে বলে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা চলছে।
ঘটনার বিস্তারিত এবং ওই ওয়েটারের সঙ্গে কথা বলতে সংশ্লিষ্ট রেস্তোরাঁটিতে যোগাযোগ করা হয়। তবে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন করতেই সেখানকার দায়িত্বরত এক কর্মকর্তা প্রসঙ্গটি এড়িয়ে ফোনটি কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও তার সাথে আর কোনো সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি।
তবে বিষয়টি নিয়ে ভিন্ন কথা বলছে ‘কাচ্চি ডাইন’-এর প্রধান কার্যালয়। প্রতিষ্ঠানটির মার্কেটিং বিভাগের কর্মকর্তা সৈয়দ তানভীর নীল এই গুঞ্জন নাকচ করে দিয়ে বলেন, চাকরিচ্যুতির দাবিটি সম্পূর্ণ মিথ্যা। সংশ্লিষ্ট কর্মী আমাদের সাথেই আছেন এবং নিয়মিত কাজ করছেন। এটি একটি দুর্ঘটনা ছিল, যা অনিচ্ছাকৃত। ভুলবশত হওয়া এমন ঘটনায় কারও চাকরি যেতে পারে না। অফিশিয়ালি কিছুটা জবাবদিহি করতে হলেও এর বেশি কিছু হয়নি। আমরা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দীঘির কাছেও দুঃখ প্রকাশ করেছি।
বিষয়টি নিয়ে চিত্রনায়িকা দীঘির অবস্থান জানতে তার সঙ্গে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। সব মিলিয়ে রেস্তোরাঁর সংশ্লিষ্ট শাখার কর্তৃপক্ষের নীরবতা এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার দাবির জেরে এই গুঞ্জন নিয়ে খানিকটা ধোঁয়াশাই থেকে গেল।

মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:০০ পিএম
মুক্তি পেল ধানুশ-কৃতির ‘তেরে ইশক মে’

প্রেক্ষাগৃহে দর্শকমন জয়ের পর ধানুশ ও কৃতি শ্যানন অভিনীত আলোচিত ছবি ‘তেরে ইশক মে’ অবশেষে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্স-এ মুক্তি পেয়েছে। শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে ছবিটি জনপ্রিয় এই প্ল্যাটফর্মে দেখা যাচ্ছে। তথ্যটি নেটফ্লিক্স তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া পেজে জানিয়েছে।
‘তেরে ইশক মে’ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় গত বছরের ২৮ নভেম্বর। অবশ্য সে সময় ছবিটি মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মুখে পড়লেও বক্স অফিসে অন্য ছবিগুলোর সঙ্গে তীব্র প্রতিযোগিতা করে দর্শকদের আগ্রহ ধরে রাখতে সক্ষম হয়। দর্শকের মুখে মুখে ইতিবাচক প্রচারণার জেরেই মূলত শেষ পর্যন্ত ছবিটি বাণিজ্যিকভাবে সফলতার দেখা পায়।
ক্ষতি, অনুশোচনা এবং অমীমাংসিত অনুভূতির প্রেক্ষাপটে আবেগঘন প্রেমের গল্প নিয়ে নির্মিত ‘তেরে ইশক মে’ পরিচালনা করেছেন আনন্দ এল. রাই।
সিনেমায় ধানুশ অভিনয় করেছেন শঙ্কর চরিত্রে। অন্যদিকে, কৃতি শ্যাননের চরিত্রের নাম মুক্তি। কলেজ জীবনে শুরু হয় শঙ্কর ও মুক্তির সম্পর্ক। পরবর্তীতে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় আবার যখন দুজন একত্রিত হয় তখন তাদের পূর্বের স্মৃতি কীভাবে দুজনের জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে সেটাই রুপালি পর্দায় তুলে ধরেছেন নির্মাতা।
ছবিটি নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি-তে প্রকাশিত এক পর্যালোচনায় সমালোচক শৈবাল চ্যাটার্জি লেখেন, ‘মুখ্য চরিত্রে থাকা ধানুশ ও কৃতি শ্যানন, শঙ্কর ও মুক্তি চরিত্রে যথাসাধ্য আবেগ ও তীব্রতা তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন। তবে গল্পের জটিলতা এতটাই বেশি যে, অভিনয়ে দুজনের আপ্রাণ প্রচেষ্টার পরও সেটা সামাল দেওয়া সম্ভব হয়নি।’
রানঝানা (২০১৩) ও আতরঙ্গি রে (২০২১)-এর পর পরিচালক আনন্দ এল. রাইয়ের পরিচালনায় দক্ষিণী তারকা ধানুশের এটি তৃতীয় সিনেমা।