বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬, ২১ ফাল্গুন ১৪৩২

লেবাননকে হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৪, ৩:০৫ এএম | 101 বার পড়া হয়েছে
লেবাননকে হুঁশিয়ারি নেতানিয়াহুর

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু লেবাননের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেছেন, তারা “গাজার মতো ধ্বংস ও দুর্ভোগ এড়াতে” চাইলে তারা যেনো দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী হেজবুল্লাহকে বিতাড়িত করে।

ইসরায়েল হেজবুল্লাহ’র বিরুদ্ধে তাদের চলমান স্থল অভিযানের ব্যাপকতা আরও বৃদ্ধির পর গতকাল মঙ্গলবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ওইদিন লেবাননের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের নতুন একটি স্থানে আরও হাজার হাজার সৈন্যও পাঠিয়েছে ইসরায়েল।

নেতানিয়াহু আরও দাবি করেছেন,ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্স (আইডিএফ) অর্থাৎ ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী হেজবুল্লাহ’র সাবেক নেতা হাসান নাসরাল্লাহ’র উত্তরসূরিকে হত্যা করেছে। তবে পরবর্তীতে আইডিএফ বলেছে যে তারা হাশেম সাফিয়েদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেনি।

এদিকে, হেজবুল্লাহ’র যোদ্ধারা টানা তিনদিন ইসরায়েলের বন্দর নগরী হাইফা’র দিকে রকেট নিক্ষেপ করে। এতে করে ১২ জন আহত হয়।

লেবাননের জনগণকে উদ্দেশ্য করে একটি ভিডিও ভাষণে মি. নেতানিয়াহু বলেন, “একটি দীর্ঘ যুদ্ধের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাওয়ার আগে আপনাদের কাছে লেবাননকে রক্ষা করার একটি সুযোগ আছে। এই যুদ্ধ লেবাননকে ধ্বংস ও দুর্ভোগের দিকে নিয়ে যাবে, ঠিক যেমনটা আমরা গাজায় দেখছি।”

“লেবাননের জনগণ, আমি আপনাদেরকে বলছি: আপনারা আপনাদের দেশকে হেজবুল্লাহ থেকে মুক্ত করুন, যাতে করে এই যুদ্ধ শেষ হয়।”

লেবাননের কর্মকর্তারা বলছেন, তিন সপ্তাহ ধরে তীব্র হামলা করার পরও হেজবুল্লাহকে দমন করা যায়নি। এ ক’দিনে লেবাননে এক হাজার ৪০০ জন মানুষ নিহত ও ১২ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

এর আগে মঙ্গলবার হাসান নাসরাল্লাহ’র সাবেক ডেপুটি নাইম কাসেম জোর দিয়ে বলেছিলেন যে ইসরায়েলের সাম্প্রতিক আঘাত কাটিয়ে উঠেছে হেজবুল্লাহ।

গাজায় যুদ্ধের কারণে গত প্রায় এক বছর ধরে ইসরায়েল ও লেবাননের মাঝে চলমান আন্তঃসীমান্ত লড়াইয়ের পর ইসরায়েল লেবাননে আক্রমণ চালিয়েছে।

ইসরায়েলের ভাষ্য, ইসরায়েলের সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসকারী যেসব মানুষ হেজবুল্লাহ’র রকেট, মিসাইল ও ড্রোন হামলার কারণে নিজেদের ঘরবাড়ি হারিয়েছেন, তাদের নিরাপদ প্রত্যাবর্তন নিশ্চিত করতে চায় ইসরায়েল।

গত বছরের আটই অক্টোবর হেজবুল্লাহ ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে ইসরায়েলের উত্তর অঞ্চলে রকেট ছোঁড়া শুরু করার পর থেকে দুই দেশের মাঝে ক্রমশ উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। হেজবুল্লাহ’র মিত্র সংগঠন সশস্ত্রগোষ্ঠী হামাস দক্ষিণ লেবাননে মারাত্মক হামলা করার পর হেজবুল্লাহ ওই হামলা করে।

মঙ্গলবার সকালে আইডিএফ ঘোষণা করেছে যে তাদের ১৪৬তম ডিভিশনের সংরক্ষিত সৈন্যরা দক্ষিণ-পশ্চিম লেবাননে “সীমিত” এবং “সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যে” অভিযান চালানো শুরু করেছে।

গত ৩০শে সেপ্টেম্বর থেকে লেবাননের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে স্থল অভিযান শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর তিনটি স্ট্যান্ডিং ডিভিশন যোগ দিয়েছে। ধারণা করা হয়, তিনটি ডিভিশনে মোট সৈন্য সংখ্যা ১৫ হাজারের বেশি।

আইডিএফ বলছে যে তাদের সৈন্যরা সীমান্তবর্তী গ্রাম মারুন আল-রাসের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। এই গ্রামকে হেজবুল্লাহ “কমব্যাট কম্পাউন্ড” নামে অভিহিত করেছে।

আইডিএফ এই গ্রামের যেসব ছবি প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা গেছে যে সেখানে একটি রকেট লঞ্চার আছে। সেইসাথে, একটি আবাসিক ভবনের মাঝে বিভিন্ন অস্ত্রশস্ত্র রয়েছে ও সরঞ্জামও রয়েছে।

এদিকে, ড্রোন ফুটেজে মারুন আল-রাসের নিকটবর্তী গ্রাম ইয়ারুনের ব্যাপক ধ্বংসলীলা দেখা গেছে। স্থল অভিযানের প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তু ছিল এই গ্রামটি।

লেবাননের জন্য জাতিসংঘের বিশেষ কো-অর্ডিনেটর ও জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা বাহিনীর প্রধান একটি যৌথ বিবৃতিতে সতর্ক করেছেন, সংঘাতের মানবিক প্রভাব “বিপর্যয় থেকে কম কিছু নয়”।

লেবাননের সরকার বলেছে, গত এক বছরে প্রায় ১২ লাখ মানুষ তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে। এই বাস্তুচ্যুতদের জন্য অনুমোদিত আশ্রয়কেন্দ্র রয়েছে প্রায় এক লাখ ৮০ হাজার মানুষ।

সেইসাথে, চার লাখেরও বেশি মানুষ প্রাণ বাঁচাতে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ সিরিয়ায় পালিয়েছে গেছে। পালিয়ে যাওয়াদের মাঝে দুই লাখের বেশি সিরিয়ার শরণার্থী রয়েছে। এটি এমন এক পরিস্থিতি, যেটিকে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান “অর্থহীন ভোগান্তি” হিসাবে বর্ণনা করেছেন।

বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি বলেছেন, লেবাননের জনগণ নিজেদের খাবার নিজেরা উৎপাদন করতে পারে কি না, তা নিয়েও উদ্বেগ আছে। কারণ, দেশটি হাজার হাজার হেক্টর কৃষিজমি পুড়ে গেছে বা পরিত্যক্ত হয়েছে।

আইডিএফ আরও বলেছে যে মঙ্গলবার বৈরুতের দক্ষিণ দিকের শহরতলিতে ও অন্যান্য অঞ্চলে থাকা হেজবুল্লাহ’র ঘাঁটিগুলোতে তারা নতুন দফা বিমান হামলা চালিয়েছে।

এর আগে আইডিএফ আরও ঘোষণা করেছিলো, গত সোমবার বৈরুতে হেজবুল্লাহ সদর দপ্তরে বৈরুতে হেজবুল্লাহ কমান্ডার সুহাইল হুসেইনি নিহত হয়েছেন।

হেজবুল্লাহ এখনও ওই দাবির বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেনি।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!