মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ২৬ ফাল্গুন ১৪৩২

ফেব্রুয়ারিতে ১৮৭ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৪ জনের মৃত্যু

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৯ এএম | 53 বার পড়া হয়েছে
ফেব্রুয়ারিতে ১৮৭ মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৪ জনের মৃত্যু

গত ফেব্রুয়ারি মাসে দেশে ৫১৭টি সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ৪৩২ জন নিহত এবং ১ হাজার ৬৮ জন আহত হয়েছেন। এর মধ্যে ১৮৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ১৭৪ জন নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ৪০ দশমিক ২৭ শতাংশ।

আজ রোববার (৮ মার্চ) রোড সেফটি ফাউন্ডেশন প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়। ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং সংগঠনটির নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

দুর্ঘটনার প্রতিবেদনে যানবাহনভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৭৪ জন, বাসের যাত্রী ২২ জন, ট্রাক-পিকআপ-ট্রাক্টর-লরি আরোহী ২৪ জন, প্রাইভেট কার ও মাইক্রোবাসের আরোহী ১৬ জন এবং থ্রি-হুইলারের ৬৪ যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী ২৩ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ৭ জন নিহত হয়েছেন।

দুর্ঘটনার স্থান বিশ্লেষণে দেখা যায়, জাতীয় মহাসড়কে ১৫৭টি, আঞ্চলিক সড়কে ২১৩টি, গ্রামীণ সড়কে ৫৬টি, শহরের সড়কে ৮৪টি এবং অন্যান্য স্থানে ৭টি দুর্ঘটনা ঘটেছে।

দুর্ঘটনার ধরন অনুযায়ী ১১৩টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২২৮টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ১০৪টি পথচারীকে চাপা দিয়ে, ৬৮টি যানবাহনের পেছনে আঘাত এবং ৪টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

দুর্ঘটনায় মোট ৮২৬টি যানবাহন সম্পৃক্ত ছিল। এর মধ্যে মোটরসাইকেল ১৯৯টি, থ্রি-হুইলার ১৫২টি, বাস ৯৪টি, ট্রাক ১৩৮টি, পিকআপ ২৪টি, ট্রাক্টর ২৯টি, মাইক্রোবাস ১৪টি, প্রাইভেট কার ১২টি এবং অন্যান্য যানবাহন রয়েছে।

সময় বিশ্লেষণে দেখা যায়, ভোরে ৫ দশমিক ৬০ শতাংশ, সকালে ২২ দশমিক ৪৩ শতাংশ, দুপুরে ২০ দশমিক ১১, বিকেলে ১৫ দশমিক ৪৭, সন্ধ্যায় ১৬ দশমিক ৬৩ এবং রাতে ১৯ দশমিক ৭২ শতাংশ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১২২টি দুর্ঘটনায় ১০৯ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ২৮টি দুর্ঘটনায় ২২ জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৩২টি দুর্ঘটনায় ১৭ জন নিহত এবং ৪৬ জন আহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশন বলছে, ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন ও সড়ক, অতিরিক্ত গতি, চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা ও অদক্ষতা, মহাসড়কে ধীরগতির যান চলাচল, তরুণদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো, দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজি সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ।

সংগঠনটির মতে, সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বাড়ানো, চালকদের বেতন ও কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করা, বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি, ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং মহাসড়কে সার্ভিস রোড ও রোড ডিভাইডার নির্মাণ জরুরি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, জানুয়ারি মাসে প্রতিদিন গড়ে ১৫ দশমিক ৭০ জন নিহত হলেও ফেব্রুয়ারিতে তা কমে গড়ে ১৫ দশমিক ৪২ জনে নেমেছে। তবে এই হ্রাসকে স্থায়ী উন্নতির লক্ষণ বলা যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছে রোড সেফটি ফাউন্ডেশন।

 

ফটিকছড়িতে বরযাত্রীবাহী বাস উল্টে হতাহত-২০

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৭ এএম
ফটিকছড়িতে বরযাত্রীবাহী বাস উল্টে হতাহত-২০

চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে বরযাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলকে চাপা দিলে তিন আরোহী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় বাসের অন্তত ১৭ জন যাত্রী আহত হয়েছেন।

সোমবার (৯ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়কের ফেলাগাজী মোড় এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, মোটরসাইকেলের আরোহী নয়ন ওঁরাও (১৯), উত্তম ওঁরাও (২০) ও তপু কর্মকার (১৬)। তাদের বাড়ি ফটিকছড়ি উপজেলার হারুয়ালছড়ি ইউনিয়নের হাজারিখীল এলাকায়।
নিহত উত্তম ওঁরাওয়ের বাবা যোগেজ ওঁরাও জানান, তারা তিনজনই রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতেন। কাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে দুর্ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে নাজিরহাট হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, বোয়ালখালী উপজেলা থেকে দুটি বাসে করে লোকজন মানিকছড়ি উপজেলায় একটি হিন্দু বউভাত অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বিকালে ফেরার পথে ফেলাগাজী মোড় এলাকায় বরযাত্রীবাহী একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মোটরসাইকেলকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মোটরসাইকেলের একজন আরোহী নিহত হন। পরে আহত দুজনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
দুর্ঘটনায় অন্তত ১৭ জন বরযাত্রী আহত হন। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে কয়েকজনকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ফটিকছড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান জানান, আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় নয়জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ফটিকছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ সেলিম বলেন, ঘটনাস্থলে একজন মারা যান এবং হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও দুজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের চিকিৎসা চলছে।

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাতকে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

সেলিম মাহবুবঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৫ এএম
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাতকে ছাত্রদলের ইফতার ও দোয়া মাহফিল

 

দেশনেত্রী ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় ছাতক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের উদ্যোগে কলেজ প্রাঙ্গনে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এবং শহরে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ইফতার বিতরণ করা হয়েছে।

ইফতার ও দোয়া মাহফিলে ছাতক পৌর সভার সাবেক কাউন্সিলর, পৌর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক (স্বাক্ষর ক্ষমতা প্রাপ্ত) জসিম উদ্দিন সুমেন, উপজেলা জাসাসের আহবায়ক আব্দুল আলিম,

ছাতক ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাইদুল হক রাহেল, ছাত্রদলের শাওন আহমদ, ওহি আম্বিয়া,
মাহদি উল আলম, কাওছার আহমেদ সেবুল, রাহি আহমদ, সাদিকুর রহমান, গোলাম রাব্বি চৌধুরী সিফাত, তানভীর আহমেদ, ইশতিয়াক আম্বিয়া রায়হান, রবিন আহমেদ, মেহরাব মাহিম, ইস্তিয়াক আহমেদ ইদরাক,নাইম আহমেদ, তানভির হুসেন নাইম সহ কলেজ ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। ##

ছাতকে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় পন্য সহ দুই চোরাকারবারী আটক

সেলিম মাহবুবঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬, ১২:২৩ এএম
ছাতকে পুলিশের অভিযানে ভারতীয় পন্য সহ দুই চোরাকারবারী আটক

 

ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে ১ টি মোটরসাইকেল এবং ভারতীয় ১হাজার ৩৮০ পিচ ক্রীম সহ ১জন চোরাকারবারী কে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিকে ৯৬ কেজি পেস্তা বাদাম, ১০০ প্যাকেট (৫০ কেজি) AJNAIN মসলা, ৫০কেজি গুয়া মৌরির প্যাকেট, ১০০০(এক হাজার) পিচ BETNOVATE Creem ও ১টি ডিআই পিকআপ গাড়ী সহ আরো একজন চোরাকারবারীকে পুলিশের পৃথক অভিযানে গ্রেফতার করা হয়। দুই আসামীর বিরুদ্ধে পৃথক-পৃথক চোরাচালান মামলা থানায় দায়ের করা হয়েছে। রবিবার রাত পুলিশের পৃথক অভিযানে দুইজনকে আটক করা হয়েছে।

আটক আব্দুল করিম (২৬), সিলেট সদরের পশ্চিম কাজল শাহ এলাকার রইয়ব আলীর ছেলে। তার বিরুদ্ধে ০৯.০৩. ২০২৬ খ্রিঃ তারিখে ছাতক থানার মামলা নং-১৫ (০৩) ২৬ দায়ের করা হয়েছে। আটক আব্দুল করিমের কাছ থেকে ২,৭৬০০০ হাজার টাকা মুল্যের ভারতীয় পন্য উদ্ধার করা হয়

এদিকে আটক মো. জুয়েল আহমদ (২৮) এর বিরুদ্ধে ছাতক থানার মামলা নং-১৭ (০৩) ২৬ দায়ের করা হয়। সে ছাতকের কালারুকা ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের হুশিয়ার আলীর ছেলে তার কাছ থেকে ৯,৪০,০০০-টাকা মুল্যের ভারতীয় পন্য উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে দুইটি মামলায় মোট উদ্ধার করা মালের মূল্য-১২,১৬,০০০-টাকা।

গ্রেফতারকৃত আসামিদের সুনামগঞ্জ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানান, ছাতক থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মিজানুর রহমান। ##

error: Content is protected !!