মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১ ফাল্গুন ১৪৩২

রাসেদ বিল্লাহ চিশতীঃ (নোয়াখালী থেকে)

দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্ব, তাৎপর্য ও যাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণে নোয়াখালীতে সেমিনার অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৪০ পিএম | 18 বার পড়া হয়েছে
দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্ব, তাৎপর্য ও যাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণে নোয়াখালীতে সেমিনার অনুষ্ঠিত

নোয়াখালীতে দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্ব, তাৎপর্য ও যাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণে সেমিনারের আয়োজন করেছে ইসলামিক ফাউণ্ডেশন নোয়াখালী।

সকাল ১০ টায় নোয়াখালী জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের হল রুমে ইসলামিক ফাউণ্ডেশন নোয়াখালী জেলা শাখার আয়োজনে ও ইসলামিক ফাউণ্ডেশন নোয়াখালী জেলা শাখার উপপরিচালক মোঃ আবদুল্লাহ আল মাসউদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন নোয়াখালী জেলা প্রশাসক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম। প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন নোয়াখালী ক্যারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড. মুহাম্মদ আমিনুল্লাহ।

যাকাত প্রদানে ইচ্ছুক প্রায় ১৫০ জন অতিথি দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্ব, তাৎপর্য ও যাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণের সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

এছাড়া বিভিন্ন শ্রেণি পেশার অতিথিবৃন্দ আলোচনায় অংশ গ্রহণ করেন।

আলোচকনগন যাকাত ফান্ডে যাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণ ও দরিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা নিয়ে আলোচনায় অংশ নেন।

ইসলামিক ফাউণ্ডেশন নোয়াখালী শাখার আয়োজনে যাকাত আদায় বিষয়ক শীর্ষক সেমিনারে ইসলামিক ফাউণ্ডেশন নোয়াখালী জেলা শাখার উপপরিচালক মোঃ আবদুল্লাহ আল মাসউদ গণমাধ্যম কর্মীদের বলেন, ‘আমাদর দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাতের অপরিসীম গুরুত্ব ও তাৎপর্য রয়েছে। যাকাত প্রদানে সবার মাঝে উৎসাহ বাড়াতে হবে। আজকে নোয়াখালীতে যাকাত প্রদানে উদ্বুদ্ধকরণে সেমিনার সফল করতে সহযোগিতা করায় সকলের প্রতি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

তাড়াশে খালকুলা আঞ্চলিক সড়কে বেহাল দশা জনদুর্ভোগ চরমে

খালিদ হাসান,স্টাফ রিপোর্টার,উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:৩১ পিএম
তাড়াশে খালকুলা আঞ্চলিক সড়কে বেহাল দশা জনদুর্ভোগ চরমে

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে খালকুলা বাজার সংলগ্ন আঞ্চলিক সড়কটি বহু বছর ধরে সংস্কারের অভাবে ভয়াবহ অবস্থায় পৌঁছেছে। খানাখন্দ, বড় বড় গর্ত, উঠে যাওয়া কার্পেটিং ও ছড়িয়ে থাকা পাথর-খোয়ার কারণে এই সড়কে চলাচল এখন সাধারণ মানুষের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। যানবাহন তো দূরের কথা, অনেক জায়গায় সাইকেল বা হেঁটে চলাও কষ্টসাধ্য।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ, তাড়াশ পৌর শহর থেকে খালকুলা পর্যন্ত প্রায় সাত কিলোমিটার দীর্ঘ এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কে দীর্ঘদিন ধরেই কোনো কার্যকর সংস্কারকাজ হয়নি। প্রতিদিন হাজারো মানুষ যাতায়াত করলেও বছরের পর বছর অবহেলায় পড়ে থাকায় দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এলাকাবাসীর কাছে সড়কটি এখন ‘মৃত্যুর ফাঁদ’ নামেই পরিচিত।

‎জানা গেছে, এলজিইডি-র আওতাধীন এই সড়কটি বাস, সিএনজি, অটোরিকশা, মোটরসাইকেলসহ ভারী যানবাহন চলাচলের একমাত্র ভরসা। কিন্তু কার্পেটিং উঠে গিয়ে নিচের পাথর-বালু বেরিয়ে এসেছে, বৃষ্টির পানি জমে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত, যা দীর্ঘদিন শুকায় না। ফলে প্রতিদিনই দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে পথচারী ও চালকদের।

‎স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুমে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হয়ে ওঠে। পানি জমে গর্ত বোঝা না যাওয়ায় প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে, কখনো কখনো যানবাহন উল্টে যাওয়ার ঘটনাও ঘটছে। দ্রুত সংস্কার না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন তারা।

‎এ বিষয়ে উপজেলা এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফজলুল হক বলেন, সড়কটির পূর্ণ সংস্কারের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। অনুমোদন পেলেই দ্রুত কাজ শুরু করা হবে।

‎অন্যদিকে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুসরাত জাহান জানান, বিষয়টি একাধিকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় চিঠিপত্র পাঠানো হয়েছে। দ্রুত অনুমোদন মিললে সংস্কারকাজ শুরু হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

‎এলাকাবাসীর জোর দাবি, গুরুত্বপূর্ণ এই আঞ্চলিক সড়কটি দ্রুত সংস্কার করে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করা হোক। অন্যথায় প্রতিদিনের দুর্ভোগের পাশাপাশি দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা তাদের।

ময়মনসিংহে বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫০ পিএম
ময়মনসিংহে বিভাগীয় উন্নয়ন সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত

ময়মনসিংহ বিভাগের সকল বিভাগীয় দপ্তরের কার্যধারার অগ্রগতি ও সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে আজ ২৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে এক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী, এনডিসি। সিনিয়র সহকারী সচিব মো: মোরশেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় ময়ময়সিংহ রেঞ্জ ডিআইজি, ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের (মসিক) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা, বিভাগের অন্তর্গত চার জেলার জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি, বিভাগীয় অন্যান্য সকল সরকারি দপ্তরের প্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, মশা নিধনে ৩৩ ওয়ার্ড জুড়ে ক্রাশ প্রোগ্রাম, যানজট ও পার্কিং সমস্যা নিরসনে ব্যবস্থা গ্রহণ, মেডিক্যাল বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চুক্তি করা, অবৈধ অটো রিকশা উচ্ছেদে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সময়মতো দাখিল না করায় ২৬টি অটো রিকশা নবায়ন বাতিল করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিনিধি বলেন, শহরে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা, ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতা এবং মশা নিধন কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতে চলছে। বর্তমানে ডেঙ্গুর প্রকোপ নেই, তবে আমাদের সচেতন থাকতে হবে। আর নন-কমিউনিকেবল ডিজিজ কর্নার এর মধ্যে হাইপারটেনশন ও ডায়াবেটিস প্রতিরোধে এক মাসের ওষুধ ও নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রতিনিধি জানান, প্রায় ৯৪ শতাংশ জমিতে বোরো ধান রোপণ হয়ে গেছে, পর্যাপ্ত সার ও কীটনাশক মজুদ রয়েছে। । তারা এখন জৈব স্যার ও জৈব কৃষি প্রযুক্তির দিকে যাচ্ছে।

এছাড়াও স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতের জন্য রাস্তা সংস্কার, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের আর্সেনিক নিরসনে উদ্যোগ, সড়ক বিভাগের আসন্ন রমজান উপলক্ষ্যে ১৫ রমজানের মধ্যে রাস্তা চলাচল উপযোগী ও যানজটমুক্ত রাখা, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের যুবকদের বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও যুব ঋণ প্রদান, বিদ্যুৎ বিভাগের বকেয়া বিদ্যুৎ বিল ও প্রিপেইড মিটার, মৎস্য অধিদপ্তরের ভেজাল মৎস্য খাবার সরবরাহ প্রতিরোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা ও একুয়ামেডিসিন সরবরাহ সহ সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সার্বিক কার্যক্রম আলোচনা হয়।

সভাপতি বলেন, পবিত্র রমজান মাস চলছে। নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে যা করা দরকার তা করতে হবে। আপনাদের প্রদানকৃত যাকাতের একটা নির্দিষ্ট অংশ সরকারি যাকাত ফান্ডে জমা দিন। নিত্যপণ্যের বাজার স্বাভাবিক রাখতে ব্যবস্থা নিন। বর্তমান সময়ের সাথে সমন্বয় করে দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালনা করুন। সভায় সভাপতি সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরকে নিজ নিজ কার্য সম্পাদনে নির্দেশনা দেন এবং সুন্দর সমন্বয়ের মাধ্যমে ময়মনসিংহ নগরীকে একটা নাগরিক বান্ধব নগরী হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

রমজানের ফজিলত

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৪৭ পিএম
রমজানের ফজিলত

দিন ফুরালো রাত ফুরালো
চলে গেলো রহমত ,
ভাগ্যে আর ফিরবে কি না
রমজানের ফজিলত ।

আমার মতো হতভাগা শুধু
পৃথিবীতে পাপ করেছি অর্জন ,
পাপের প্রায়শ্চিত্ত করবো আমি
মিথ্যাচারিতা করবো বর্জন ।

অশ্লীলতার নাজাত পেতে
রামাদান এসেছে পৃথিবীতে,
মাগফিরাতের আর্শীবাদে
এবাদত করবো রমজানেতে।

কোরআন তেলাওয়াত করে
তারাবি সালাত আদায় করে
কবরবাসীদের করবো দোয়া
জান্নাতুল ফেরদৌসের পাবে ছুঁয়া।

error: Content is protected !!