শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২

মো: রাজিবুল ইসলাম বাবু

মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিন: বাবার পদাঙ্কে প্রতিমন্ত্রী কন্যার আবেগঘন যাত্রা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৫ পিএম | 17 বার পড়া হয়েছে
মন্ত্রণালয়ে প্রথম দিন: বাবার পদাঙ্কে প্রতিমন্ত্রী কন্যার আবেগঘন যাত্রা

দীর্ঘ ৩৩ বছর আগে যে মন্ত্রণালয়ের কক্ষে বসে দেশের জন্য কাজ করেছিলেন এক জননেতা, আজ ঠিক সেই একই কক্ষে দায়িত্ব পালন শুরু করলেন তাঁরই কন্যা—নবনিযুক্ত প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল। দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম দিনেই পিতার স্মৃতিতে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

দায়িত্ব গ্রহণের দিন নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন স্ট্যাটাসে প্রতিমন্ত্রী লিখেছেন, “আজ মন্ত্রণালয়ে আমার প্রথম দিন। দীর্ঘ ৩৩ বছর আগে যে অফিসে বসে আব্বু দেশের জন্য কাজ করেছিলেন, আজ আমি সেই একই অফিসে বসে দেশের জন্য কাজ করতে যাচ্ছি। দিন-রাতে এমন কোনো মুহূর্ত নেই, যখন আমার বাবা আমার সঙ্গে থাকেন না।”
অফিস কক্ষে বসেই পিতার স্মৃতি যেন আরও গভীরভাবে নাড়া দেয় তাঁকে। তিনি লেখেন, “আজ অফিসে বসে পাশের বোর্ডের ৬ নম্বর তালিকায় আব্বুর নামের দিকে যতবার চোখ পড়েছে, মনে হয়েছে আব্বু আমাকে বলছেন—‘I was waiting here for you।’”
প্রয়াত সাবেক মন্ত্রী ফজলুর রহমান পটল দেশের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁরই উত্তরসূরি হিসেবে ব্যারিস্টার পুতুলের এই যাত্রা রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা মনে করছেন, পিতার আদর্শ ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন এবং জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন। অন্যদিকে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পারিবারিক ঐতিহ্য ও ব্যক্তিগত মেধার সমন্বয়ে নতুন প্রজন্মের নেতৃত্বে ইতিবাচক পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দায়িত্ব গ্রহণের শুরুতেই আবেগঘন এই অভিজ্ঞতা ভবিষ্যৎ পথচলায় তাঁকে আরও দৃঢ় ও অনুপ্রাণিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
উল্লেখ্য, জাতীয় রাজনীতিতে উত্তরাধিকারের ধারাবাহিকতা নতুন কিছু নয়। তবে ব্যক্তিগত আবেগ, পারিবারিক ইতিহাস ও দায়িত্ববোধের এমন মেলবন্ধন এই যাত্রাকে আলাদা মাত্রা দিয়েছে।

গাইবান্ধার নারীর কণ্ঠস্বর জাতীয় সংসদে

তৃণমূলের প্রত্যাশা ফরিদা ইয়াসমিন শোভা

মোঃ মিঠু মিয়া, গাইবান্ধা, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩০ পিএম
তৃণমূলের প্রত্যাশা ফরিদা ইয়াসমিন শোভা

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে রাজপথ মানেই ত্যাগ, আর ত্যাগ মানেই ফরিদা ইয়াসমিন শোভা। টানা ১৭ বছর ধরে মামলা-হামলা, গ্রেপ্তার, লাঞ্ছনা আর দমন-পীড়নের মাঝেও যিনি মাথা নত করেননি—গাইবান্ধার রাজনীতিতে তিনি আজ এক প্রতীকী নাম। দলের দুর্দিনে রাজপথের সম্মুখ সারিতে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামকে বেগবান করা এই নারী নেত্রী পরিচিত ‘রাজপথের অগ্নিকন্যা’ হিসেবে।

দলীয় সূত্র জানায়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি কঠিন অধ্যায়ে ফরিদা ইয়াসমিন শোভা ছিলেন দৃঢ়, আপসহীন। সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনেও তিনি ছিলেন নেতৃত্বের প্রথম সারিতে—নারীদের কণ্ঠে সাহস জোগানো, কর্মীদের মনোবল চাঙা করা এবং সংগঠনের শৃঙ্খলা অটুট রাখায় তাঁর ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান।
বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা মহিলা দল-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনরত এই পরীক্ষিত নেত্রী দীর্ঘদিনের ত্যাগে দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্ত ভিত দিয়েছেন। একের পর এক রাজনৈতিক মামলা, বাড়ি-ঘর ঘেরাও, কর্মীদের ওপর নির্যাতন—কোনোটাই তাঁকে রাজপথ ছাড়াতে পারেনি। বরং প্রতিটি আঘাত তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে—এমনটাই বলেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
তৃণমূলের অভিমত, গাইবান্ধার নারীদের ন্যায্য অধিকার ও রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে ফরিদা ইয়াসমিন শোভা একজন যোগ্য প্রতিনিধি। দীর্ঘ আন্দোলনের অভিজ্ঞতা, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নেতৃত্ব এবং সর্বস্তরের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর আসন্ন মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ-এর সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে তাঁর নামটি সামনে আসাই স্বাভাবিক—এমন প্রত্যাশা তৃণমূল থেকে শীর্ষপর্যায়ে।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে ফরিদা ইয়াসমিন শোভার অবদান অনস্বীকার্য। গাইবান্ধার আন্দোলন-সংগ্রামের সম্মুখে থেকে যিনি দলকে এগিয়ে নিয়েছেন, তাঁর মতো ত্যাগী ও সাহসী নেত্রীকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা হবে গাইবান্ধাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন।

দলীয় দুর্দিনের রাজপথে যাঁর কণ্ঠ ছিল বজ্রনির্ঘোষ, যাঁর উপস্থিতি কর্মীদের সাহস জুগিয়েছে—সেই ফরিদা ইয়াসমিন শোভা আজ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি মনোনয়নের একজন জোরালো দাবিদার—এ কথা বলছে গাইবান্ধার রাজপথ, বলছে ১৭ বছরের ত্যাগের ইতিহাস।

বিশেষ প্রতিনিধি সালেহ আহমেদ

দলিল লেখক ও আমিন, মোঃ ইকবাল হোসেনের শুভেচ্ছা বার্তা

বিশেষ প্রতিনিধি সালেহ আহমেদ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৪ পিএম
দলিল লেখক ও আমিন, মোঃ ইকবাল হোসেনের শুভেচ্ছা বার্তা

সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২ নং ওয়ার্ডের দলিল লেখক ও আমিন মোঃ ইকবাল হোসেন।

তিনি সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবদল ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সাবেক সদস্য এবং বর্তমানে ০২ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন,
“পবিত্র মাহে রমজান আমাদের জীবনে নিয়ে আসে ধৈর্য, ত্যাগ, সংযম ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য সুযোগ। এই মাস আমাদের শেখায়—হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হতে। আসুন, আমরা সবাই একে অপরের পাশে দাঁড়াই, বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে আসি। এটি শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, বরং আমাদের ধর্মীয় কর্তব্যও।”

তিনি আরও বলেন,
“আমি ২ নং ওয়ার্ডসহ সমগ্র সিদ্ধিরগঞ্জবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে পূর্ণ মাস রোজা রাখার, সঠিকভাবে ইবাদত-বন্দেগি করার এবং রমজানের প্রকৃত শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করার তৌফিক দান করুন। পবিত্র রমজানের আলোয় আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন হোক সুন্দর, পবিত্র ও কলুষমুক্ত।”

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবসায়ী সমাজ ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি তিনি আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

পরিশেষে তিনি আবারও সিদ্ধিরগঞ্জবাসীকে জানান—
রমজান মোবারক। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের দোয়া ও ইবাদত কবুল করুন। 🌙

যুবলীগ নেতা জাহিদ বিরুদ্ধে অভিযোগ

সাংবাদিক মুজাহিদ এর উপর সন্ত্রাসী হামলা

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৬ পিএম
সাংবাদিক মুজাহিদ এর উপর সন্ত্রাসী হামলা

রাজাবাড়ি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রব মেম্বারের ছেলে ও যুবলীগ নেতা জাহিদের বিরুদ্ধে এলাকার সক্রিয় সাংবাদিক মুজাহিদ উপর অতর্কিত হামলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি সাংবাদিক মহলে তীব্র শোক ও ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে জমি সংক্রান্ত নিউজ কাভারেজ জন্য জয়নারামপুর দিঘির পার যায় জাহিদ ও তার কয়েকজন সহযোগী সাংবাদিক মুজাহিদ তখন নিউজ রেডি করছে পরে এরপর তারা দেশীয় অস্ত্র লাঠি-সোটা নিয়ে অতর্কিতভাবে তার উপর চড়াও হয় এবং বর্বরোচিত মারধর শুরু করে। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত রনি

এলাকায় সাংবাদিকতা করা মুজাহিদ সম্প্রতি জমি দখল এর সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল বলে সূত্রে জানা গেছে।

একজন সাংবাদিকের উপর এ ধরনের হামলাকে গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর সরাসরি আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছে স্থানীয় সাংবাদিক ইউনিয়ন। নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সাংবাদিকের কলম যেভাবে থামাতে চাওয়া হয়েছে, তা ঘৃণ্য।”

এদিকে, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন ও রাজনৈতিক দল বিবৃতি দিয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। এবং সেই সাথে মুজাহিদ সাংবাদিক দুইটা মোবাইল এবং বুম ছিনিয়ে নেয়।

অভিযুক্ত জাহিদ

স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে সংগঠনগুলো বলেছে, “জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে যেন অপরাধীরা পার পেয়ে না যায়। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জাহিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।