শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৭ ফাল্গুন ১৪৩২

নদীভাঙন, মামলা ও উন্নয়ন বঞ্চনার বিরুদ্ধে সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফের আবেগঘন খোলা চিঠি

ফেনীর কান্না কি শুনবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান?

Master Mohammad Hanif
Master Mohammad Hanif - Feni District Correspondent, Feni District প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৩ পিএম | 44 বার পড়া হয়েছে
ফেনীর কান্না কি শুনবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান?

ফেনীর উন্নয়ন, ন্যায়বিচার ও দীর্ঘদিনের অবহেলার অবসান চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর প্রতি এক আবেগঘন খোলা চিঠি দিয়েছেন ফেনী সদর উপজেলার ৯নং লেমুয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ চাঁদপুর গ্রামের বাসিন্দা, লেমুয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ হানিফ।

দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দলীয় আদর্শ ও সাধারণ মানুষের পক্ষে লেখালেখি করে আসা এই সাংবাদিক দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি একাধিকবার হামলা ও মামলার সম্মুখীন হয়েছেন। তার ভাষায়, “সত্য ও মানুষের অধিকারের কথা বলাই ছিল আমার অপরাধ।”

অগ্নিসংযোগ ও স্বপ্নভঙ্গের বেদনা
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনের পরদিন তার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। তার গরুর খামার পুড়িয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষতি হয়।

এই ঘটনায় তার জীবনের বহু স্বপ্ন ধূলিসাৎ হয়ে যায় বলে দাবি করেন তিনি। দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় মুহূর্তেই ছাই হয়ে যাওয়ার স্মৃতি এখনো তাকে তাড়িয়ে বেড়ায়।

১। নদীভাঙনে বিলীন বসতভিটা, আতঙ্কে হাজারো পরিবার
খোলা চিঠির প্রথম দাবিতে তিনি লেমুয়া বাজার সংলগ্ন কালিদাস পাহাড়িয়া নদীর ভয়াবহ ভাঙনের চিত্র তুলে ধরেন।

তার দাবি, নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে বসতঘর, ফসলি জমি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। প্রতিদিন গৃহহীন হচ্ছে অসংখ্য পরিবার।

তিনি জরুরি ভিত্তিতে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, স্থায়ী নদীশাসন প্রকল্প গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের দাবি জানান। তার সতর্কবার্তা, “এভাবে চলতে থাকলে লেমুয়া বাজারের অস্তিত্বই একদিন হারিয়ে যাবে।”

২। খাসজমি দখলমুক্ত করে জনকল্যাণে ব্যবহারের আহ্বান
দ্বিতীয় দাবিতে তিনি অভিযোগ করেন, লেমুয়া বাজারের সরকারি খাসজমি দীর্ঘদিন ধরে প্রভাবশালীদের দখলে রয়েছে। এসব জমি উদ্ধার করে সেখানে স্কুল, হাসপাতাল, খেলার মাঠ কিংবা অন্যান্য জনকল্যাণমূলক স্থাপনা নির্মাণের আহ্বান জানান তিনি। তার মতে, ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত হলে স্থানীয় উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

৩। ঝুঁকিপূর্ণ মা ও শিশু হাসপাতাল
লেমুয়া বাজার সংলগ্ন মা ও শিশু হাসপাতালের জরাজীর্ণ অবস্থা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হানিফ।

ভবনটি এতটাই নাজুক যে চিকিৎসক ও রোগীরা আতঙ্কের মধ্যে সেবা নিচ্ছেন বলে দাবি তার। তিনি দ্রুত সংস্কার কিংবা নতুন ভবন নির্মাণের জোর দাবি জানিয়ে বলেন, “একটি দুর্ঘটনা পুরো এলাকার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।”

৪। ৩০ বছর ধরে অচল ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র
চতুর্থ দাবিতে তিনি উল্লেখ করেন, বৃটিশ আমলে নির্মিত একটি ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্র প্রায় ৩০ বছর ধরে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। লেমুয়া ও আশেপাশের প্রায় এক লাখ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে আশ্রয়কেন্দ্রটি পুনর্নির্মাণ ও আধুনিকায়নের দাবি জানান তিনি। দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় কার্যকর আশ্রয়কেন্দ্র না থাকা বড় ঝুঁকি বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

৫। ফেনীতে মেডিকেল কলেজ ও পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবি
পঞ্চম দাবিতে তিনি ফেনীতে একটি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠার পূর্ব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। পাশাপাশি একটি পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের দাবি তোলেন, যাতে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা নিজ জেলায় উচ্চশিক্ষার সুযোগ পায়। তার মতে, উচ্চশিক্ষা ও চিকিৎসা অবকাঠামো গড়ে উঠলে ফেনীর সার্বিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।

৬। লালপোল বাইপাসে ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবি
ষষ্ঠ দাবিতে তিনি ফেনী শহর থেকে চট্টগ্রাম-সোনাগাজী গামী লালপোল বাইপাস সড়কে একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের দাবি জানান। তার বক্তব্য, এ সড়কে প্রায়ই প্রাণঘাতী দুর্ঘটনা ঘটে।
“একটি ফ্লাইওভার হাজারো মায়ের কান্না থামাতে পারে”— এমন আবেগঘন ভাষায় তিনি দ্রুত প্রকল্প গ্রহণের আহ্বান জানান।

৭। বিএনপি নেতাকর্মীদের মামলা প্রত্যাহারের দাবি
চিঠির শেষ অংশে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৭ বছরে লেমুয়া ইউনিয়নে বিএনপির প্রায় দুই শতাধিক নেতাকর্মীর নামে অসংখ্য মামলা দায়ের হয়েছে, যা এখনো চলমান। তিনি এসব মামলাকে রাজনৈতিক হয়রানি আখ্যা দিয়ে দ্রুত প্রত্যাহারের দাবি জানান।

তার দাবি, আইনের সুশাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়।
“আমি ক্ষুদ্র কর্মী, কিন্তু মানুষের দাবি বড়”
চিঠির উপসংহারে মোহাম্মদ হানিফ বলেন,
“আমি একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে আমার নেতা ও দেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে এলাকার মানুষের ন্যায্য দাবি তুলে ধরলাম।

আশা করি, তিনি ফেনীর উন্নয়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।”
নিজের নাম মোহাম্মদ হানিফ নও মোবাইল নম্বর ০১৮৯০১৫৩৩৪৭ সংযুক্ত করে তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।

এখন প্রশ্ন একটাই—ফেনীর সাধারণ মানুষের এই আর্তনাদ কি প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে পৌঁছাবে? নদীভাঙন, অবকাঠামোগত সংকট, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ঘাটতি ও রাজনৈতিক হয়রানির অবসান কি এবার সত্যিই ঘটবে?
ফেনীবাসীর দৃষ্টি এখন সরকারের পদক্ষেপের দিকে।

গাইবান্ধার নারীর কণ্ঠস্বর জাতীয় সংসদে

তৃণমূলের প্রত্যাশা ফরিদা ইয়াসমিন শোভা

মোঃ মিঠু মিয়া, গাইবান্ধা, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:৩০ পিএম
তৃণমূলের প্রত্যাশা ফরিদা ইয়াসমিন শোভা

বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাসে রাজপথ মানেই ত্যাগ, আর ত্যাগ মানেই ফরিদা ইয়াসমিন শোভা। টানা ১৭ বছর ধরে মামলা-হামলা, গ্রেপ্তার, লাঞ্ছনা আর দমন-পীড়নের মাঝেও যিনি মাথা নত করেননি—গাইবান্ধার রাজনীতিতে তিনি আজ এক প্রতীকী নাম। দলের দুর্দিনে রাজপথের সম্মুখ সারিতে থেকে আন্দোলন-সংগ্রামকে বেগবান করা এই নারী নেত্রী পরিচিত ‘রাজপথের অগ্নিকন্যা’ হিসেবে।

দলীয় সূত্র জানায়, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিটি কঠিন অধ্যায়ে ফরিদা ইয়াসমিন শোভা ছিলেন দৃঢ়, আপসহীন। সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনেও তিনি ছিলেন নেতৃত্বের প্রথম সারিতে—নারীদের কণ্ঠে সাহস জোগানো, কর্মীদের মনোবল চাঙা করা এবং সংগঠনের শৃঙ্খলা অটুট রাখায় তাঁর ভূমিকা ছিল দৃশ্যমান।
বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা মহিলা দল-এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালনরত এই পরীক্ষিত নেত্রী দীর্ঘদিনের ত্যাগে দলকে সাংগঠনিকভাবে শক্ত ভিত দিয়েছেন। একের পর এক রাজনৈতিক মামলা, বাড়ি-ঘর ঘেরাও, কর্মীদের ওপর নির্যাতন—কোনোটাই তাঁকে রাজপথ ছাড়াতে পারেনি। বরং প্রতিটি আঘাত তাঁকে আরও দৃঢ় করেছে—এমনটাই বলেন স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
তৃণমূলের অভিমত, গাইবান্ধার নারীদের ন্যায্য অধিকার ও রাজনৈতিক কণ্ঠস্বর জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরতে ফরিদা ইয়াসমিন শোভা একজন যোগ্য প্রতিনিধি। দীর্ঘ আন্দোলনের অভিজ্ঞতা, পরীক্ষায় উত্তীর্ণ নেতৃত্ব এবং সর্বস্তরের গ্রহণযোগ্যতা বিবেচনায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-এর আসন্ন মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ-এর সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হিসেবে তাঁর নামটি সামনে আসাই স্বাভাবিক—এমন প্রত্যাশা তৃণমূল থেকে শীর্ষপর্যায়ে।

স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে ফরিদা ইয়াসমিন শোভার অবদান অনস্বীকার্য। গাইবান্ধার আন্দোলন-সংগ্রামের সম্মুখে থেকে যিনি দলকে এগিয়ে নিয়েছেন, তাঁর মতো ত্যাগী ও সাহসী নেত্রীকে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা হবে গাইবান্ধাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার প্রতিফলন।

দলীয় দুর্দিনের রাজপথে যাঁর কণ্ঠ ছিল বজ্রনির্ঘোষ, যাঁর উপস্থিতি কর্মীদের সাহস জুগিয়েছে—সেই ফরিদা ইয়াসমিন শোভা আজ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি মনোনয়নের একজন জোরালো দাবিদার—এ কথা বলছে গাইবান্ধার রাজপথ, বলছে ১৭ বছরের ত্যাগের ইতিহাস।

বিশেষ প্রতিনিধি সালেহ আহমেদ

দলিল লেখক ও আমিন, মোঃ ইকবাল হোসেনের শুভেচ্ছা বার্তা

বিশেষ প্রতিনিধি সালেহ আহমেদ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:২৪ পিএম
দলিল লেখক ও আমিন, মোঃ ইকবাল হোসেনের শুভেচ্ছা বার্তা

সিয়াম সাধনার মাস পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার সর্বস্তরের জনগণের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ২ নং ওয়ার্ডের দলিল লেখক ও আমিন মোঃ ইকবাল হোসেন।

তিনি সাবেক যুগ্ম সম্পাদক, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা যুবদল ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সিদ্ধিরগঞ্জ থানা শাখার সাবেক সদস্য এবং বর্তমানে ০২ নং ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন,
“পবিত্র মাহে রমজান আমাদের জীবনে নিয়ে আসে ধৈর্য, ত্যাগ, সংযম ও আত্মশুদ্ধির এক অনন্য সুযোগ। এই মাস আমাদের শেখায়—হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে ভ্রাতৃত্ব, সহমর্মিতা ও ভালোবাসার বন্ধনে আবদ্ধ হতে। আসুন, আমরা সবাই একে অপরের পাশে দাঁড়াই, বিশেষ করে অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে আসি। এটি শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, বরং আমাদের ধর্মীয় কর্তব্যও।”

তিনি আরও বলেন,
“আমি ২ নং ওয়ার্ডসহ সমগ্র সিদ্ধিরগঞ্জবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। মহান আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে পূর্ণ মাস রোজা রাখার, সঠিকভাবে ইবাদত-বন্দেগি করার এবং রমজানের প্রকৃত শিক্ষা হৃদয়ে ধারণ করার তৌফিক দান করুন। পবিত্র রমজানের আলোয় আমাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও জাতীয় জীবন হোক সুন্দর, পবিত্র ও কলুষমুক্ত।”

রমজান মাসে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবসায়ী সমাজ ও সচেতন নাগরিকদের প্রতি তিনি আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।

পরিশেষে তিনি আবারও সিদ্ধিরগঞ্জবাসীকে জানান—
রমজান মোবারক। মহান আল্লাহ আমাদের সকলের দোয়া ও ইবাদত কবুল করুন। 🌙

যুবলীগ নেতা জাহিদ বিরুদ্ধে অভিযোগ

সাংবাদিক মুজাহিদ এর উপর সন্ত্রাসী হামলা

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:১৬ পিএম
সাংবাদিক মুজাহিদ এর উপর সন্ত্রাসী হামলা

রাজাবাড়ি ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ডের মেম্বার রব মেম্বারের ছেলে ও যুবলীগ নেতা জাহিদের বিরুদ্ধে এলাকার সক্রিয় সাংবাদিক মুজাহিদ উপর অতর্কিত হামলার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি সাংবাদিক মহলে তীব্র শোক ও ক্ষোভের সঞ্চার করেছে।

ভুক্তভোগী সাংবাদিক ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে জমি সংক্রান্ত নিউজ কাভারেজ জন্য জয়নারামপুর দিঘির পার যায় জাহিদ ও তার কয়েকজন সহযোগী সাংবাদিক মুজাহিদ তখন নিউজ রেডি করছে পরে এরপর তারা দেশীয় অস্ত্র লাঠি-সোটা নিয়ে অতর্কিতভাবে তার উপর চড়াও হয় এবং বর্বরোচিত মারধর শুরু করে। এ সময় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত রনি

এলাকায় সাংবাদিকতা করা মুজাহিদ সম্প্রতি জমি দখল এর সংবাদ প্রকাশ করায় স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী মহলের সঙ্গে তার বিরোধ চলছিল বলে সূত্রে জানা গেছে।

একজন সাংবাদিকের উপর এ ধরনের হামলাকে গণতন্ত্র ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতার উপর সরাসরি আঘাত হিসেবে অভিহিত করেছে স্থানীয় সাংবাদিক ইউনিয়ন। নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “সাংবাদিকের কলম যেভাবে থামাতে চাওয়া হয়েছে, তা ঘৃণ্য।”

এদিকে, এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠন ও রাজনৈতিক দল বিবৃতি দিয়েছে। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে। এবং সেই সাথে মুজাহিদ সাংবাদিক দুইটা মোবাইল এবং বুম ছিনিয়ে নেয়।

অভিযুক্ত জাহিদ

স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়ে সংগঠনগুলো বলেছে, “জড়িতদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় থেকে যেন অপরাধীরা পার পেয়ে না যায়। আমরা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই।”

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত জাহিদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।