জাহারুল ইসলাম জীবন
Happy Valentine’s Day
এ-সময় উপস্থিতি ছিলেন, মুন্সিগঞ্জ -তিন আসনের সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় বিএনপির সমাজ-কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জনাব কামরুজ্জামান রতন ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নেতা নুর হোসাইন নুরানী ও জেলা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য ও শহর বিএনপি সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও পৌর সাবেক তিনবারের সফল কমিশনার জনাব শহীদুল ইসলাম শহীদ ও পৌর বিএনপি শহর যুগ্ম আহবায়ক যুবদলের সাবেক সভাপতি সুলতান আহমেদ।
আজ ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার বিশিষ্ট শিল্পপতি জনাব মোশারফ হোসেন পুস্তি বলেন, মুন্সিগঞ্জ তিন আসনে আবৃত্তি ঘটনা ঘটেছে আমাদের ইলেকশন ও রাজনৈতিক সাথে সম্পৃক্ততা নেই তবে আশাকরি সংসদ সদস্য কেন্দ্রীয় সমাজ-কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক জনাব কামরুজ্জামান রতন সাহেব নির্বাচনের পর ঘোষণা করেছেন কেউ যদি আইন নিজের হাতে তুলে নেন তাহলে রাজনৈতিক দল নেতা বহন করবেন না আমাদের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন সাহেবও বহন করবেন না।
তিনি আরও বলেন যে কেউ যদি ওৎশৃঙ্খলা কথাবার্তা না বলি যারা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বীতা ছিলো তারা আমাদের আত্মীয়-স্বজন প্রতিবেশী মহল্লা ও গ্রামের আপন এবং ইলেকশন চলে গেছে সবাইকে ধন্যবাদ।
গণতান্ত্রিক ধারাবাহিকতা রক্ষা ও শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা পালনের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, সংসদে গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল অবস্থান নিয়ে সরকারকে জবাবদিহির মুখে রাখা এবং একই সঙ্গে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে ইতিবাচক অবদান রাখাই হবে তাদের আগামী দিনের প্রধান লক্ষ্য।
আজ শনিবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা সতর্ক, নীতিনিষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালন করব। সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করব এবং একই সঙ্গে জাতীয় অগ্রগতিতে গঠনমূলক ভূমিকা রাখব।’
নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর ডা. শফিকুর রহমান বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় জনগণের রায়কে সম্মান জানানোই নেতৃত্বের আসল পরীক্ষা। শুরু থেকেই একটি স্থিতিশীল ও কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার যে প্রতিশ্রুতি ছিল, তা এখনো অটুট রয়েছে।
দলীয় স্বেচ্ছাসেবক ও সমর্থকদের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ মাসজুড়ে যারা সময়, শ্রম ও সাহস দিয়ে কাজ করেছেন, এমনকি কেউ কেউ গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানির মুখোমুখি হয়েছেন, তাদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা জানাই। আপনাদের সাহস আমাদের গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করেছে।’
ফলাফল নিয়ে হতাশা থাকা স্বাভাবিক বলেও মন্তব্য করেন ডা. শফিকুর রহমান। তবে ৭৭টি আসন নিয়ে সংসদে শক্তিশালী বিরোধী অবস্থান তৈরি হওয়াকে তিনি ভবিষ্যতের ভিত্তি হিসেবে দেখছেন। তাঁর ভাষায়, এটি কোনো পশ্চাদপসরণ নয়, এটি আগামী দিনের প্রস্তুতি।
ইতিহাসের উদাহরণ টেনে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, রাজনৈতিক ভাগ্য পরিবর্তনশীল। গণতান্ত্রিক রাজনীতি দীর্ঘ পথের যাত্রা, যেখানে আস্থা অর্জন, ক্ষমতার জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং দায়িত্বশীল প্রস্তুতি নেওয়াই মূল লক্ষ্য।
তিনি আরও বলেন, তাঁদের আন্দোলন কোনো একক নির্বাচনকে ঘিরে নয়; বরং গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি শক্তিশালী করা, নাগরিক অধিকার সুরক্ষা এবং জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে। শান্তিপূর্ণ ও নীতিনিষ্ঠ রাজনীতির প্রতি তাঁদের অঙ্গীকার অটুট থাকবে বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।