শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

সাতক্ষীরা জেলার চারটি সংসদীয় আসনে বিএনপি-জামায়াত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জমে উঠেছে মাঠ

MD. AZGAR ALI
MD. AZGAR ALI - Khulna Bureau Chief, KHULNA DIVISION প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪৫ পিএম | 45 বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরা জেলার চারটি সংসদীয় আসনে বিএনপি-জামায়াত প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জমে উঠেছে মাঠ

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন (২০২৬) ঘিরে সাতক্ষীরা জেলার চারটি সংসদীয় আসনের ভোটাররা এখন প্রতিশ্রুতির জোয়ারে ভাসছেন। ভোট আসে, ভোট যায়—কিন্তু কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন হয়নি—এমন আক্ষেপ দীর্ঘদিনের। তবুও দীর্ঘ ১৭ বছর পর একটি অংশগ্রহণমূলক ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের প্রত্যাশায় ভোটারদের মাঝে নতুন করে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। গ্রাম থেকে শহর—সর্বত্রই চলছে জোর নির্বাচনী প্রচারণা।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই সাতক্ষীরার সব ভোটকেন্দ্র কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সেনাবাহিনী ও ৩৩ বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠ পর্যায়ে তদারকিতে রয়েছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে আনসার সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ব্যালট বাক্সসহ প্রয়োজনীয় সব নির্বাচন সামগ্রী কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে। আগেভাগেই বসানো হয়েছে সিসিটিভি ক্যামেরা এবং গড়ে তোলা হয়েছে চার স্তরের শক্ত নিরাপত্তা বলয়।
এবার সাতক্ষীরার চারটি আসনে মোট ১৯ জন প্রার্থী নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীদের মধ্যে।
সাতক্ষীরা-১ (তালা-কলারোয়া) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুল ইসলাম হাবিব এবং জামায়াতের অধ্যাপক ইজ্জত উল্লাহর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আভাস মিলছে। দুই প্রার্থীই তালা-কলারোয়াকে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজমুক্ত এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পাশাপাশি পাটকেলঘাটাকে উপজেলা এবং তালাকে পৌরসভায় রূপান্তরের ঘোষণা এসেছে। কলারোয়ায় আধুনিক স্টেডিয়াম, বাইপাস সড়ক, কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’, দুস্থদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’, শিক্ষা ও সড়ক অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অঙ্গীকারও রয়েছে।
সাতক্ষীরা-২ (সদর ও দেবহাটা) আসনে বিএনপির মো. আব্দুর রউফ, জামায়াতের মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক ও জাতীয় পার্টির আশরাফুজ্জামান আশু প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের প্রতিশ্রুতির মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি ও সন্ত্রাসমুক্ত মানবিক রাষ্ট্র গঠন, সাতক্ষীরায় পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন, সুন্দরবন টেক্সটাইল মিল পুনরায় চালু করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ভোমরা স্থলবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের আধুনিক বন্দরে রূপান্তর।
সাতক্ষীরা-৩ (আশাশুনি-কালিগঞ্জ) আসনে বিএনপির কাজী আলাউদ্দীন, জামায়াতের মুহাদ্দিস রবিউল বাশার এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জনপ্রিয় চিকিৎসক ডা. শহিদুল আলম ভোটের মাঠে লড়ছেন। এ আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী এড. আলিফ হোসেনও রয়েছেন। প্রার্থীরা টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ, আশাশুনিকে পৌরসভা ঘোষণা, আধুনিক হিমাগার স্থাপন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, সরকারি টেকনিক্যাল কলেজ, রেললাইন সংযোগ এবং সংখ্যালঘু ও নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
সাতক্ষীরা-৪ (শ্যামনগর) আসনে জামায়াতের সাবেক এমপি গাজী নজরুল ইসলাম এবং বিএনপির ড. মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী। তাঁদের ঘোষণায় রয়েছে সুন্দরবনকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মানের পর্যটন কেন্দ্র, ২৫০ শয্যার হাসপাতাল, সুপেয় পানির সংকট নিরসন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় দীর্ঘমেয়াদি বেড়িবাঁধ, সামুদ্রিক বন্দর, কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়, মিনি এয়ারপোর্ট এবং মহসীন কলেজকে পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তরের পরিকল্পনা।
সব আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা ‘১ কোটি কর্মসংস্থান’, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
এদিকে নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে সংসদ নির্বাচনের ব্যালট পেপার ইতোমধ্যেই সাতক্ষীরায় পৌঁছেছে। জেলা রিটার্নিং অফিস সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার ব্যালট পেপার এসে পৌঁছানোর পর সাতটি উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে সেগুলো কঠোর নিরাপত্তায় সংরক্ষণ করা হয়েছে।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মিজ আফরোজা আখতার মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে খুলনা রোড মোড়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচন নিশ্চিত করতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রয়েছে।
জেলা প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, সাতক্ষীরায় মোট ভোটার ১৮ লাখ ৩২ হাজার ৫৮৯ জন। এর মধ্যে পুরুষ ৯ লাখ ১৭ হাজার ৭৩৯ জন, নারী ৯ লাখ ১৪ হাজার ৮২৭ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ১৩ জন। তরুণ ভোটার (১৮–৩৫ বছর) ৬ লাখ ২৮ হাজার ৬০৯ জন, যার মধ্যে নতুন ভোটার ৬৭ হাজার ২৩৩ জন। জেলার ৬০৯টি ভোটকেন্দ্রে ৩ হাজার ৩৭২টি ভোটকক্ষ প্রস্তুত রয়েছে।
ভোটগ্রহণের দিন পর্যন্ত এই কঠোর নিরাপত্তা বলয় বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা। আগামীকাল বৃহস্পতিবার ব্যালটের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে সাতক্ষীরার আগামী দিনের নেতৃত্ব।

বোয়ালখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন রশীদ ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলে শোক

চট্টগ্রাম প্রতিনিধি: প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩৩ এএম
বোয়ালখালীতে সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা হারুন রশীদ ইন্তেকাল: বিভিন্ন মহলে শোক

বোয়ালখালী পৌরসভা ৫নং ওয়ার্ডের পূর্ব গোমদণ্ডী মুফ্তি পাড়া,ফজর আলীর বাড়ি নিবাসী মরহুম নুরুর রহমান এর প্রথম পুত্র,

দৈনিক জনতা, দৈনিক ইনফো বাংলা প্রতিনিধি পটিয়া প্রেসক্লাব ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ সেলিম চৌধুরী’র ফুফাত ভাই ও বোয়ালখালী প্রেসক্লাবের সাবেক অর্থ, প্রচার, প্রকাশনা সম্পাদক সাংবাদিক আল সিরাজ ভাণ্ডারী’র বড়ভাই, আহসান উল্লাহ জামে মসজিদের সহসাধারণ সম্পাদক, হাজিরহাট ইকবাল পাঠাগার সহসভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ (৭১) ১লা এপ্রিল ২০২৬ বুধবার দুপুর ২ টার সময় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন
আল্লাহ তার রুহের মাগফেরাত কামনা করে জান্নাতুল ফেরদৌসের মেহমান হিসাবে কবুল করুন আমিন। ১ এপ্রিল ২০২৬ বুধবার মুফ্তিপাড়া আহসান উল্লাহ জামে মসজিদ ঈদগাহ ময়দানে মরহুমের জানাজার নামাজের তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন করা হয়। মৃত্যুকালে হারুনুর রশীদ দুইভাই এবং ৫জন মেয়ে নাতি, নাতনিসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন রেখে যান।
মরহুম হারুন অর রশিদ এর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন, জিয়া স্মৃতি পরিষদ বোয়ালখালী উপজেলা শাখার আহবায়ক সাংবাদিক মন্জুর আলম মাস্টার, দৈনিক কর্ণফুলী স্টাফ রিপোর্টার এম এ মন্নন, দৈনিক সমকাল প্রতিনিধি শাহিনুর কিবরিয়া মাসুদ, ক্রাইম রিপোর্টার সাংবাদিক আজম খান, বাণিজ্যিক রাজধানীর সম্পাদক আলমগীর চৌধুরী রানা, বোয়ালখালী প্রেসক্লাব, নাগরিক টিভি রিপোর্টার তৌহিদুর রহমান, সূফিকথা সম্পাদনা পরিষদের সাংবাদিক নুর মোহাম্মদ, আহসান উল্লাহ জামে মসজিদ এর পরিচালনা কমিটি, রেজা মোঃ ইকবাল সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রতিষ্টাতা ইকবাল হোসেন চৌধুরী, জলিল ভাণ্ডার দরবার শরীফের শাহজাদা জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ সাইফুউদ্দিন, খোকা ভাণ্ডারী,
মাইজভাণ্ডারী গাউসিয়া হক কমিটি বাংলাদেশ গোমদণ্ডী সদর শাখা, হযরত শাহসুফি মাওলানা সৈয়দ মানজি শাহ্ মাজার শরীফ কমিটি, রমেশভাণ্ডার পরিচালনা কমিটি ও রমেশ পরিবার, হাজিরহাট ইকবাল পাঠাগার। তাজকিয়া কেন্দ্রীয় পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক নুরে আহমদ জিয়াউল হাসান।

 

From
Salim Chowdory
Patiya Corresponden
Chittagong
01819349442

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহ সফর

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১০:৩০ এএম
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ময়মনসিংহ সফর

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, এমপি আগামী শনিবার (০৪এপ্রিল) ময়মনসিংহ সফর করবেন। সফরকালে তিনি বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী শনিবার সকাল ১০:৩০ টায় ত্রিশাল উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার, বিভাগের জেলাসমূহের জেলা প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় যোগ দেবেন। এরপর দুপুর ১২:০০ টায় ময়মনসিংহ সার্কিট হাউজে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়াও বিকাল ০৩:০০টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ বাইপাসের ৫০০ মিটার সামনে শিকারিকান্দা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ময়মনসিংহ বিভাগীয় আধুনিক তথ্য কমপ্লেক্সের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন। এবং দিনের শেষে বিকাল ৫ টায় প্রতিমন্ত্রী সার্কিট হাউজে ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের নবনিযুক্ত প্রশাসকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৩ এএম
ঈশ্বরদীতে ছাত্রদল নেতা সোহাগ কে গুলি করে হত্যা।

 

 

বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঈশ্বরদী সাড়া গোপালপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ঈশ্বরদীর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নিহত ইমরান হোসেন সোহাগ উপজেলার পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল মহান্নবীপাড়া গ্রামের ঈমান আলীর ছেলে।

তিনি উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য ছিলেন। এছাড়া উপজেলা ছাত্রদলের একটি পক্ষের প্রস্তাবিত কমিটির সদস্য সচিব ছিলেন বলে জানা গেছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার সময় ছাত্রদল সদস্য ইমরান হোসেন সোহাগ তার বন্ধুদের নিয়ে গোপালপুর রেললাইনের পাশে চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় পূর্ববিরোধের জেরে প্রতিপক্ষের সন্ত্রাসীরা মুখে কালো কাপড় বেঁধে এসে তাকে এলোপাথাড়ি কুলি করে পালিয়ে যায়। ঘটনার সময় গুলির শব্দও শোনা যায় বলে জানায় স্থানীয়রা। এতে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সোহাগ।

ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তার মাথার একটি অংশ ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে তার মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হবে। কারা কি কারণে তাকে হত্যা করেছে বিষয়টি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

মোঃ ওমরফারুক(সানি)
স্টাফ রিপোর্টার, পাবনা
মোবাঃ ০১৭৪৫১৮৫৪৫৪

error: Content is protected !!