বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

কেন বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ‘গেম চেঞ্জার’?

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:০০ এএম | 25 বার পড়া হয়েছে
কেন বাংলাদেশের জাতীয় নির্বাচন পুরো দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ‘গেম চেঞ্জার’?

🌏 ​অনেকেই প্রশ্ন করেন, আমাদের নির্বাচন নিয়ে ভারত, চীন বা আমেরিকার এত মাথাব্যথা কেন? উত্তরটা লুকিয়ে আছে আমাদের ম্যাপে আর আমাদের ক্রমবর্ধমান সক্ষমতায়। চলুন জেনে নিই কেন বাংলাদেশের নির্বাচন দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতির জন্য এত গুরুত্বপূর্ণ:
​📍 ১. ভৌগোলিক সংযোগ বা কানেক্টিভিটি:
বাংলাদেশ হলো দক্ষিণ এশিয়া এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার সেতুবন্ধন। ভারতের ‘সেভেন সিস্টার্স’ বা উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলোর জন্য বাংলাদেশের ভূখণ্ড ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। শিলিগুড়ি করিডোর বা ‘চিকেন’স নেক’-এর বিকল্প হিসেবে বাংলাদেশের ট্রানজিট ভারতের নিরাপত্তার জন্য ভাইটাল।
​⚓ ২. বঙ্গোপসাগরের নিয়ন্ত্রণ:
বঙ্গোপসাগর এখন বিশ্ব রাজনীতির নতুন কেন্দ্রবিন্দু। আমেরিকার ‘ইন্দো-প্যাসিফিক স্ট্র্যাটেজি’ (IPS) আর চীনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (BRI) — এই দুই মহাপরিকল্পনার মাঝখানে বাংলাদেশ এক স্ট্র্যাটেজিক অবস্থানে আছে। আমাদের সমুদ্রবন্দরগুলোর নিয়ন্ত্রণ বা অংশীদারিত্ব কার হাতে থাকবে, তা আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্য বদলে দিতে পারে।
​🤝 ৩. ভারত-চীন-আমেরিকা সমীকরণ:
বাংলাদেশ বর্তমানে এক বিরল ভারসাম্য বজায় রাখছে। ভারতের ঐতিহাসিক বন্ধু, চীনের বিশাল অর্থনৈতিক পার্টনার এবং আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক সহযোগী। নির্বাচনে ক্ষমতার রদবদল বা নতুন সরকারের নীতি এই তিন শক্তির সাথে সম্পর্কের সমীকরণ বদলে দিতে পারে।
​📈 ৪. অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা:
২০২৬ সালে বাংলাদেশ এলডিসি (LDC) থেকে উত্তরণ করতে যাচ্ছে। এই অঞ্চলের অন্যতম বড় বাজার হিসেবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা প্রতিবেশী দেশগুলোর বাণিজ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। অস্থিরতা মানেই পুরো অঞ্চলের সাপ্লাই চেইন ব্যাহত হওয়া।
​🛡️ ৫. নিরাপত্তা ও চরমপন্থা দমন:
দক্ষিণ এশিয়ায় উগ্রবাদ এবং সন্ত্রাসবাদ দমনে বাংলাদেশের ভূমিকা প্রশংসিত। একটি গণতান্ত্রিক ও স্থিতিশীল সরকার এখানে না থাকলে পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যেতে পারে।
​পরিশেষে:
বাংলাদেশের মানুষের একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে আগামীর পররাষ্ট্রনীতি। আমরা কার সাথে কতটা ঝুঁকব, নাকি ‘সবার সাথে বন্ধুত্ব’ বজায় রাখব—সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

রাব্বুল আলামিন মানুষের উত্তম আমল গ্রহন করেন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৮ এএম
রাব্বুল আলামিন মানুষের উত্তম আমল গ্রহন করেন

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষের উত্তম আ’মল-কে গ্রহন করেন আর সেটার উপহারও দান করে থাকেন আর বদ আ’মল কে গ্রহন করেন আর সেটার শাস্তি দান করে থাকেন, কিন্তু কিছু কিছু আ’মল এমন হয়ে থাকে যা আল্লাহর সাথে সর্ম্পকে ছিন্ন করে দেয়, আয়াতে ও হাদিসে এই বিষয়ে আলোচনা করা হলো, যেমন শিরক, আম্বিয়া মুরসালিনদেরকে হত্যা করা, আম্বিয়া মুরসালিনদের নবুয়তকে অস্বিকার করা, আয়েম্মা মাসুমিনদের কষ্ট দেওয়া, উনাদেরকে হত্যা করা ইত্যাদি। আয়েম্মা মাসুমিন (আঃ)-দের থেকে দূরত্ব উনাদের বেলায়তকে অমান্য করা ও অস্বীকার করা মানুষের নেক আ’মল কে বদ আমলে পরিনত করে দেয়, তাদের আ’মল কে বাতিল করে দেয়, নবী এ কারিম (সাঃ)-এর এরশাদ, হে মানব জাতি আল্লাহর কসম আল্লাহ তায়ালা তোমাদের দ্বীন কে ইমামত দ্বারা সন্মানিত ও পরিপূর্নতা দান করেছেন। যারা ইমামদের আদেশের সামনে মাথা নত করে আহলে বাইত (আঃ)-এর অনুগত্য করে তারাই সাফল্য লাভ করে, আর যারা আহলে বাইত (আঃ)-দের অনুগত্য করেনা তাদের আ’মল কে “হাবত” করে দেওয়া হবে অর্থাৎ নেক আ’মল কে বদ আ’মলে পরিবর্তন করে দেওয়া হবে। ইমামতের ধারায় মাওলা আলী (আঃ) এর পর মাওলা আলী ও হযরত মা ফাতিমা যাহরা (আঃ)-এর বংশধারা থেকে ইমাম মাহদী (আ ফা) এর মাধ্যমে কিয়ামত পযর্ন্ত চলবে। যারা ইমামদের আদেশের সামনে মাথা নত করে আহলে বাইত (আঃ)-দের অনুগত্য করে তারাই সাফল্য লাভ করে, আর যারা আহলে বাইত (আঃ)-দের অনুগত্য করেনা তাদের আ’মল কে “হাবত” করে দেওয়া হবে আর জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুন তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের আর কোন সুযোগ দেওয়া হবে না।
(এহতেজাজে তাবারসি ১খন্ড ৬১পৃ)
অতএব যে ইবাদত আল্লাহ,রাসুল (সাঃ) ও আহলে বাইত (আঃ) বেলায়তের অধিকারী উনাদের অনুগত্য ছাড়া আ’মলের কোন মূল্য নেই, আখেরাতও উত্তম হতে পারেনা।

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৬ এএম
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস হলো যাঁরা মহানবী (সাঃ) এর জানাজা ফেলে ক্ষমতার ভাগবাঁটোয়ারায় মত্ত ছিল, আজ তারাই অনেকের কাছে ‘মডেল’। কিন্তু সত্যের আয়না বড় নির্মম। মা ফাতেমার (সাঃ আঃ) এর জীবনের সেই শেষ দিনগুলোর দিকে তাকালে তথাকথিত বীরত্ব আর নেতৃত্বের মুখোশ চুরমার হয়ে যায়।
যে ঘরের চৌকাঠে দাঁড়িয়ে জিবরাঈল (আঃ) অনুমতি প্রার্থনা করতেন, ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে সেই পবিত্র ঘরেই যারা আগুন দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখিয়েছিল, তারা কি কোনোদিন মোমিন হতে পারে? দরজার আঘাতে যখন নবীনন্দিনীর পাজরের হাড় ভেঙেছিল, তখন কোথায় ছিল তাদের সেই কথিত ‘বীরত্ব’?
বাবার বিচ্ছেদে মা ফাতেমা (সাঃ আঃ) যেখানে বসে একটু ডুকরে কাঁদতেন, সেই ‘বায়তুল হুজন’ (শোকের ঘর) কেন গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো? এমনকি যে গাছের ছায়ায় বসে তিনি অশ্রু বিসর্জন দিতেন, সেই গাছটি পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়েছিল কোন আক্রোশে? নবীর কন্যা কি তবে একটু কাঁদার অধিকারও হারিয়েছিলেন?
যারা নিজেদের ইসলামের রক্ষক দাবি করত, তাদের সেই প্রতাপ কি কেবল মহানবী (সাঃ) এর এতিম কন্যার ওপরেই সীমাবদ্ধ ছিল? যারা তাঁর হক কেড়ে নিল, যারা তাঁকে ঘরহীন করল, তারাই আজ আপনাদের আদর্শ?
অবশেষে পৃথিবীর সব অবিচার যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেল, মা ফাতেমা (সাঃ আঃ) তাঁর বাবার রওজায় গিয়ে যে আর্তনাদ করেছিলেন, তা আজও আরশ কাঁপিয়ে দেয়। তিনি বলেছিলেন
​বাবা! তুমি আমাকে তোমার কাছে নিয়ে যাও, আমাকে মৃত্যু দাও; তোমার উম্মত আমাকে এত ‘সুখ’ দিয়েছে যে আমি আর সইতে পারছি না। মায়ের এই একটি বাক্যই যথেষ্ট সেই বিশ্বাসঘাতকদের আমলনামা স্পষ্ট করার জন্য। যারা মা ফাতেমার ঘর জ্বালিয়েছিল, তারা কোনোদিন ইসলামের আলো হতে পারে না। এই ইতিহাস কেবল শোকের নয়, এটি সত্য আর মিথ্যার পার্থক্য চিনে নেওয়ার এক কঠিন মানদণ্ড। যারা আজ সাকিফাহর নায়কদের বন্দনা করে, তারা কি হাশরের ময়দানে মা ফাতেমার চোখের পানির মুখোমুখি হতে পারবে? নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৫ এএম
উজ্জ্বল বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য

উজ্জ্বল বাংলাদেশ (www.uzzalbangladesh.com) 🇧🇩 একটি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যা রাজিবুল করিম রোমিও সম্পাদিত। এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের খবর, বিনোদন, সাংস্কৃতিক এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রকাশ করে।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে সংবাদ, ভিডিও, ফটোগ্যালারী এবং অন্যান্য ফ্যামিলি-ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট পাওয়া যায়।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের কিছু বৈশিষ্ট্য:

– সংবাদ: বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের খবর, যেমন রাজনীতি, অর্থনীতি, ক্রীড়া, বিনোদন ইত্যাদি।
– ভিডিও: বিভিন্ন ধরনের ভিডিও, যেমন সংবাদ, বিনোদন, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি।
– ফটোগ্যালারী: বিভিন্ন ধরনের ছবি, যেমন সংবাদ, বিনোদন, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি।
– সম্পাদকীয়: রাজিবুল করিম রোমিও সম্পাদিত সম্পাদকীয় নিবন্ধ ।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে আরও পাওয়া যায়:
– রাজনীতি: বাংলাদেশের রাজনৈতিক খবর এবং বিশ্লেষণ।
– বিনোদন: চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, নাটক ইত্যাদির খবর।
– সাংস্কৃতিক: বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক খবর এবং অনুষ্ঠান।
– খেলাধুলা: বাংলাদেশের খেলাধুলার খবর এবং স্কোর ।

ভিজিট করুন: www.uzzalbangladesh. com
উজ্জ্বল প্রজন্মের দৈনিক