বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

সৌদি ছেড়ে যাবেন রোনালদো

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৩১ এএম | 49 বার পড়া হয়েছে
সৌদি ছেড়ে যাবেন রোনালদো

তাঁকে আনা হয়েছিল দেশের ফুটবল ইমেজকে বহির্বিশ্বের সামনে উজ্জ্বল করার জন্য। ২০৩৪ সালে বিশ্বকাপ আয়োজক সৌদি আরবের ‘দূত’ হিসেবেও থাকার কথা তাঁর। কিন্তু ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর সম্প্রতি ম্যাচ বয়কটে ইমেজ সংকটে পড়েছে সৌদি আরবের ফুটবল। সেই সঙ্গে রোনালদোর আচরণ আর দাম্ভিকতায় বিরক্তও সেখানকার কর্মকর্তারা।
অন্যান্য দেশের মতো সৌদি আরবে ক্লাব ফুটবলের আর্থিক কর্মকাণ্ড চলে না। সেখানে দেশের পেশাদার ক্লাবগুলোর ফান্ড ঠিক করে দেয় পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড (পিআইএফ) কর্তৃপক্ষ। ঝামেলাটা বেধেছে ঠিক এখানেই। সম্প্রতি এই পিআইএফ আল-হিলাল বা আল-ইত্তিহাদের মতো ক্লাবগুলোকে যে ধরনের বাজেট দিয়েছে, সেই অঙ্ক দেয়নি রোনালদোর ক্লাব আল-নাসরকে। বিশেষ করে তাঁর রিয়াল মাদ্রিদের সাবেক সতীর্থ করিম বেনজামা আল-ইত্তিহাদ ছেড়ে যোগ দিয়েছেন আল-হিলালে। প্লেয়ার কেনার বাজেট বেশি দেওয়া হয়েছে আল-হিলালকে। জানুয়ারির এই উইন্ডোতে আল-নাসর মাত্র একজন নতুন খেলোয়াড় কিনেছে। রোনালদোর মতো যা লিগ শিরোপা জেতার জন্য দলের পক্ষে যথেষ্ট না। নিজের এই অসন্তুষ্টির কথা জানিয়ে ২ ফেব্রুয়ারি তিনি আল-রিয়াদের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে নামেননি।
অসুস্থতা বা অন্য কোনো কারণে নয়, রোনালদো স্রেফ ম্যাচটি বয়কট করেছেন প্রতিবাদ হিসেবে। এবং পুরো ব্যাপারটি নিয়ে রোনালদো এতটাই বিরক্ত যে, সৌদি লিগ ছাড়ার ইচ্ছাও নাকি প্রকাশ করেছেন। স্কাই স্পোর্টসের খবর, সামনের জুনেই তিনি সৌদি ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্র বা ইউরোপের কোনো ক্লাবে যেতে পারেন। বর্তমান চুক্তিতে রোনালদোর রিলিজ ক্লজ ৫০ মিলিয়ন ইউরো। এদিকে রোনালদোর এমন বয়কটের কারণে সৌদি আরবে ফুটবল সমর্থকরা নিখোঁজ পোস্টার ছাপিয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। ‘রোনালদো হারিয়ে গেছেন’– এ ধরনের স্লোগানও তুলেছে।
সব মিলিয়ে সৌদিতে খুব শান্তিতে নেই সিআর সেভেন। তাঁর এমন আচরণে এবং বিদ্রোহী অবস্থান সমর্থন করছে না সৌদি কর্তৃপক্ষও। আল-নাসর ক্লাবের কর্মকর্তারাও মনে করছেন, কোনো একজন খেলোয়াড় তা তিনি যত বড়ই হোন না কেন, তাঁর জন্য লিগের নীতি বা ক্লাবের বাজেট নির্ধারণ করা যায় না। রোনালদোকে ছেড়ে দেওয়ার গুঞ্জনও জোরেশোরে উঠেছে। যদিও নিজেদের ইমেজ এবং সামনে বিশ্বকাপ থাকায় এই ব্যাপারটি নিয়ে কঠোর হচ্ছে না সৌদি কর্তৃপক্ষ।
পরিস্থিতির নাজুকতা বুঝে কর্মকর্তারা সরাসরি রোনালদোর সঙ্গে কথা বলেছেন। পিআইএফের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধি তাঁর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করছেন, যাতে পরের ম্যাচেই তাঁকে মাঠে নামানো যায়। এই শুক্রবার ঘরের মাঠে আল-ইত্তিহাদের বিপক্ষে যদি খেলতে না নামেন রোনালদো, তাহলে ধরে নিতে হবে সৌদি পর্ব শেষ করতে যাচ্ছেন রোনালদো।
বছর তিনেক আগে আল-নাসরে যোগ দেন তিনি। এখনও পর্যন্ত ক্লাবটির হয়ে সৌদি কিং কাপ বা সৌদি সুপার কাপের মতো অফিসিয়াল কোনো ট্রফি জিততে পারেননি। কেবল ‘আরব ক্লাব চ্যাম্পিয়ন্স কাপ’ জিতেছেন তিনি। তবে ব্যক্তিগতভাবে এই লিগে এসে ১৩৩ ম্যাচে ১১৭টি গোল করেছেন রোনালদো। আগামী বছরের জুন পর্যন্ত ক্লাবটির সঙ্গে চুক্তি তাঁর। তবে বর্তমান যে পরিস্থিতি চলছে, তাতে এই জুনেই হয়তো সৌদি আরব ছাড়তে পারেন পর্তুগালের এই কিংবদন্তি ফুটবলার।

রাব্বুল আলামিন মানুষের উত্তম আমল গ্রহন করেন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৮ এএম
রাব্বুল আলামিন মানুষের উত্তম আমল গ্রহন করেন

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষের উত্তম আ’মল-কে গ্রহন করেন আর সেটার উপহারও দান করে থাকেন আর বদ আ’মল কে গ্রহন করেন আর সেটার শাস্তি দান করে থাকেন, কিন্তু কিছু কিছু আ’মল এমন হয়ে থাকে যা আল্লাহর সাথে সর্ম্পকে ছিন্ন করে দেয়, আয়াতে ও হাদিসে এই বিষয়ে আলোচনা করা হলো, যেমন শিরক, আম্বিয়া মুরসালিনদেরকে হত্যা করা, আম্বিয়া মুরসালিনদের নবুয়তকে অস্বিকার করা, আয়েম্মা মাসুমিনদের কষ্ট দেওয়া, উনাদেরকে হত্যা করা ইত্যাদি। আয়েম্মা মাসুমিন (আঃ)-দের থেকে দূরত্ব উনাদের বেলায়তকে অমান্য করা ও অস্বীকার করা মানুষের নেক আ’মল কে বদ আমলে পরিনত করে দেয়, তাদের আ’মল কে বাতিল করে দেয়, নবী এ কারিম (সাঃ)-এর এরশাদ, হে মানব জাতি আল্লাহর কসম আল্লাহ তায়ালা তোমাদের দ্বীন কে ইমামত দ্বারা সন্মানিত ও পরিপূর্নতা দান করেছেন। যারা ইমামদের আদেশের সামনে মাথা নত করে আহলে বাইত (আঃ)-এর অনুগত্য করে তারাই সাফল্য লাভ করে, আর যারা আহলে বাইত (আঃ)-দের অনুগত্য করেনা তাদের আ’মল কে “হাবত” করে দেওয়া হবে অর্থাৎ নেক আ’মল কে বদ আ’মলে পরিবর্তন করে দেওয়া হবে। ইমামতের ধারায় মাওলা আলী (আঃ) এর পর মাওলা আলী ও হযরত মা ফাতিমা যাহরা (আঃ)-এর বংশধারা থেকে ইমাম মাহদী (আ ফা) এর মাধ্যমে কিয়ামত পযর্ন্ত চলবে। যারা ইমামদের আদেশের সামনে মাথা নত করে আহলে বাইত (আঃ)-দের অনুগত্য করে তারাই সাফল্য লাভ করে, আর যারা আহলে বাইত (আঃ)-দের অনুগত্য করেনা তাদের আ’মল কে “হাবত” করে দেওয়া হবে আর জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুন তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের আর কোন সুযোগ দেওয়া হবে না।
(এহতেজাজে তাবারসি ১খন্ড ৬১পৃ)
অতএব যে ইবাদত আল্লাহ,রাসুল (সাঃ) ও আহলে বাইত (আঃ) বেলায়তের অধিকারী উনাদের অনুগত্য ছাড়া আ’মলের কোন মূল্য নেই, আখেরাতও উত্তম হতে পারেনা।

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৬ এএম
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস হলো যাঁরা মহানবী (সাঃ) এর জানাজা ফেলে ক্ষমতার ভাগবাঁটোয়ারায় মত্ত ছিল, আজ তারাই অনেকের কাছে ‘মডেল’। কিন্তু সত্যের আয়না বড় নির্মম। মা ফাতেমার (সাঃ আঃ) এর জীবনের সেই শেষ দিনগুলোর দিকে তাকালে তথাকথিত বীরত্ব আর নেতৃত্বের মুখোশ চুরমার হয়ে যায়।
যে ঘরের চৌকাঠে দাঁড়িয়ে জিবরাঈল (আঃ) অনুমতি প্রার্থনা করতেন, ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে সেই পবিত্র ঘরেই যারা আগুন দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখিয়েছিল, তারা কি কোনোদিন মোমিন হতে পারে? দরজার আঘাতে যখন নবীনন্দিনীর পাজরের হাড় ভেঙেছিল, তখন কোথায় ছিল তাদের সেই কথিত ‘বীরত্ব’?
বাবার বিচ্ছেদে মা ফাতেমা (সাঃ আঃ) যেখানে বসে একটু ডুকরে কাঁদতেন, সেই ‘বায়তুল হুজন’ (শোকের ঘর) কেন গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো? এমনকি যে গাছের ছায়ায় বসে তিনি অশ্রু বিসর্জন দিতেন, সেই গাছটি পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়েছিল কোন আক্রোশে? নবীর কন্যা কি তবে একটু কাঁদার অধিকারও হারিয়েছিলেন?
যারা নিজেদের ইসলামের রক্ষক দাবি করত, তাদের সেই প্রতাপ কি কেবল মহানবী (সাঃ) এর এতিম কন্যার ওপরেই সীমাবদ্ধ ছিল? যারা তাঁর হক কেড়ে নিল, যারা তাঁকে ঘরহীন করল, তারাই আজ আপনাদের আদর্শ?
অবশেষে পৃথিবীর সব অবিচার যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেল, মা ফাতেমা (সাঃ আঃ) তাঁর বাবার রওজায় গিয়ে যে আর্তনাদ করেছিলেন, তা আজও আরশ কাঁপিয়ে দেয়। তিনি বলেছিলেন
​বাবা! তুমি আমাকে তোমার কাছে নিয়ে যাও, আমাকে মৃত্যু দাও; তোমার উম্মত আমাকে এত ‘সুখ’ দিয়েছে যে আমি আর সইতে পারছি না। মায়ের এই একটি বাক্যই যথেষ্ট সেই বিশ্বাসঘাতকদের আমলনামা স্পষ্ট করার জন্য। যারা মা ফাতেমার ঘর জ্বালিয়েছিল, তারা কোনোদিন ইসলামের আলো হতে পারে না। এই ইতিহাস কেবল শোকের নয়, এটি সত্য আর মিথ্যার পার্থক্য চিনে নেওয়ার এক কঠিন মানদণ্ড। যারা আজ সাকিফাহর নায়কদের বন্দনা করে, তারা কি হাশরের ময়দানে মা ফাতেমার চোখের পানির মুখোমুখি হতে পারবে? নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৫ এএম
উজ্জ্বল বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য

উজ্জ্বল বাংলাদেশ (www.uzzalbangladesh.com) 🇧🇩 একটি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যা রাজিবুল করিম রোমিও সম্পাদিত। এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের খবর, বিনোদন, সাংস্কৃতিক এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রকাশ করে।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে সংবাদ, ভিডিও, ফটোগ্যালারী এবং অন্যান্য ফ্যামিলি-ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট পাওয়া যায়।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের কিছু বৈশিষ্ট্য:

– সংবাদ: বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের খবর, যেমন রাজনীতি, অর্থনীতি, ক্রীড়া, বিনোদন ইত্যাদি।
– ভিডিও: বিভিন্ন ধরনের ভিডিও, যেমন সংবাদ, বিনোদন, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি।
– ফটোগ্যালারী: বিভিন্ন ধরনের ছবি, যেমন সংবাদ, বিনোদন, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি।
– সম্পাদকীয়: রাজিবুল করিম রোমিও সম্পাদিত সম্পাদকীয় নিবন্ধ ।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে আরও পাওয়া যায়:
– রাজনীতি: বাংলাদেশের রাজনৈতিক খবর এবং বিশ্লেষণ।
– বিনোদন: চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, নাটক ইত্যাদির খবর।
– সাংস্কৃতিক: বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক খবর এবং অনুষ্ঠান।
– খেলাধুলা: বাংলাদেশের খেলাধুলার খবর এবং স্কোর ।

ভিজিট করুন: www.uzzalbangladesh. com
উজ্জ্বল প্রজন্মের দৈনিক