সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ

লালমনিরহাট আনসার-ভিডিপির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪৩ পিএম | 80 বার পড়া হয়েছে
লালমনিরহাট আনসার-ভিডিপির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মানবিক চিকিৎসা কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের অংশ হিসেবে লালমনিরহাট জেলায় শুরু হয়েছে তিন দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও ওষুধ বিতরণ কর্মসূচি।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আবদুল মোতালেব সাজ্জাদ মাহমুদের দিকনির্দেশনায় এবং রংপুর রেঞ্জের রেঞ্জ কমান্ডার উপমহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল, বিভিএম, পিভিএমএস-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

রবিবার ১১ জানুয়ারি থেকে আগামী ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার সাপ্টীবাড়ী কলেজ মাঠ চত্বরে আয়োজিত এই মেডিকেল ক্যাম্পে আনসার ও ভিডিপি বাহিনীর সদস্য-সদস্যা, তাদের পরিবারবর্গ এবং সাধারণ রোগীদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। ক্যাম্পে চক্ষু চিকিৎসা, চক্ষু ছানী ক্যাটারেক্ট অপারেশন, দন্ত চিকিৎসাসহ সাধারণ রোগের চিকিৎসা সেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধ পাচ্ছেন। বিশেষ করে চক্ষু সমস্যায় ভোগা রোগীদের জন্য আধুনিক ব্যবস্থাপনায় চক্ষু ছানী অপারেশনের বিশেষ ব্যবস্থা থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাপ্টীবাড়ী কলেজের অধ্যক্ষ সুদান চন্দ্র সেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে রেগী ও সদস্যদপর উদ্দেশ্যে নানা দিক নির্দেশনা ও পরামর্শ মূলক বক্তব্য দেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর রংপুর রেঞ্জের, রেঞ্জ কমান্ডার উপমহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল, বিভিএম, পিভিএমএস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট ৩৪ আনসার ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক পরিচালক কামারুজ্জামান।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপমহাপরিচালক মোহাম্মদ আবদুল আউয়াল বলেন,“আনসার ও ভিডিপি বাহিনী শুধু আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সীমাবদ্ধ নয়; দেশের দরিদ্র, অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোও আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের দারগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে, যা মানবিক বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।” তিনি সমাজের বিত্তবান ও সমাজপতিদের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সভাপতির বক্তব্যে অধ্যক্ষ সুদান চন্দ্র সেন এই মানবিক উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক, রেঞ্জ কমান্ডার, জেলা কমান্ড্যান্টসহ সংশ্লিষ্ট সকল কর্মকর্তার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগ দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য বড় আশীর্বাদ এবং স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভবিষ্যতেও সর্বাত্মক সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

মেডিকেল টিমের সদস্য ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াস জানান, প্রথম দিনেই বিপুল সংখ্যক রোগী চিকিৎসা সেবা ও বিনামূল্যে ওষুধ গ্রহণ করেছেন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এ উদ্যোগকে ঘিরে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। ফ্রি চিকিৎসা সেবা পেয়ে আনসার-ভিডিপি সদস্য, তাদের পরিবারবর্গসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংগঠনের মহাপরিচালক, রেঞ্জ উপমহাপরিচালক ও জেলা কমান্ড্যান্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।

এ সময় লালমনিরহাট জেলা আনসার-ভিডিপির জেলা কমান্ড্যান্ট মোঃ শহিদুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্য দেন। এছাড়াও আনসার-ভিডিপি সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, কর্মচারী, স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। বিনামূল্যে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা, ঔষধ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সাধারণ মানুষের জন্য অত্যন্ত সহায়ক হয়েছে।

ড্রিমার্স কনসাল্টেশন এন্ড রিসার্চ ১৩ জন চিকিৎসকের একটি টিম ও মেডিকেল এ্যাসিসটেন্ট, আনসার-ভিডিপি সদস্যদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তিন দিনব্যাপী এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইন সফলভাবে চলমান রয়েছে।

টানা ৫ দিন দেশজুড়ে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৫৪ পিএম
টানা ৫ দিন দেশজুড়ে কালবৈশাখীর পূর্বাভাস

চৈত্র মাসের প্রথম থেকে প্রায় প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে কালবৈশাখী। এর সঙ্গে কোথাও কোথাও হচ্ছে শিলাবৃষ্টি। মধ্য চৈত্র চলেও এলেও আবহাওয়ার তেমন কোনো পরিবর্তন হয়নি। আজ সোমবারও (১৬ চৈত্র) দেশের ৮টি বিভাগেই কালবৈশাখী বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

আজ সকাল ৯টায় আবহাওয়া অধিদপ্তরের আগামী ৫ দিনের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় আজ অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে। এদিন সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। একই সময় রাজধানী ঢাকায় পশ্চিম অথবা উত্তর পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪০-৫০ কিলোমিটার বেগে বাতাস বয়ে যেতে পারে।

পূর্বাভাসের তথ্য অনুয়ায়ী, আগামী ৩ এপ্রিল পর্যন্ত প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখীসহ বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে আজ সকাল ৯টা দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, রাজধানী ঢাকায় যা ছিল ২৪ দশমিক ৯। এ ছাড়া গতকাল দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল চুয়াডাঙ্গায় ৩৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

অন্যদিকে গতকাল সকাল ৯টা থেকে আজ সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৩৬ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালীতে।

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি

ঝালকাঠি গাবখান নদীতে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর কিশোর আলিফের মরদেহ উদ্ধার

মো. নাঈম হাসান ঈমন, ঝালকাঠি প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪৪ পিএম
ঝালকাঠি গাবখান নদীতে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর কিশোর আলিফের মরদেহ উদ্ধার

ঝালকাঠি প্রতিনিধি: ঝালকাঠির কেফাইত নগর এলাকায় গাবখান সেতুর নিচে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়া কিশোর আলিফের মরদেহ ৪৮ ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে গাবখান নদীতে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয়রা তার মরদেহ দেখতে পেয়ে তীরে তুলে আনে। নিহত আলিফ একজন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ও হাফেজ ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে আলিফ তার ছোট ভাই আলফি ও খালাতো ভাই টুকটুককে সঙ্গে নিয়ে নদীতে গোসল করতে নামে। এ সময় প্রবল স্রোতে পড়ে হঠাৎ করেই তলিয়ে যায় সে। এরপর থেকেই নিখোঁজ ছিল আলিফ। ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল এবং স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান শুরু করে। টানা দুই দিন খোঁজাখুঁজির পর অবশেষে নিখোঁজের প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পর তার মরদেহ উদ্ধার হয়।

স্বজনরা জানান, আলিফ সিলেটের হবিগঞ্জে বসবাস করতেন। ঈদের ছুটিতে ঝালকাঠির কেফাইত নগরে নানাবাড়িতে বেড়াতে এসেছিল সে। ছুটি শেষে রোববার (২৯ মার্চ) তার বাবা সেলিম তাকে নিতে আসার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়েই বাবা পৌঁছালেও জীবিত সন্তানের বদলে তাকে ফিরতে হয়েছে সন্তানের নিথর দেহ নিয়ে—যা স্বজনদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া ফেলেছে।
এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের পরিবেশ বিরাজ করছে। স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের ভাষ্য, গাবখান সেতুর নিচের এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সাঁতার না জানা শিশু-কিশোরদের জন্য এটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। পর্যাপ্ত সতর্কতা ও সচেতনতার অভাবে এখানে প্রায়ই এমন দুর্ঘটনা ঘটে বলে তারা অভিযোগ করেন।

মালিকুজ্জামান কাকা

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রেলগেটের আব্দুর রাজ্জাকের জিডি

মালিকুজ্জামান কাকা প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬, ৪:৪২ পিএম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে রেলগেটের আব্দুর রাজ্জাকের জিডি

যশোর শহরের ৫নং ওয়ার্ড রেলগেট পশ্চিম পাড়ার আব্দুর রাজ্জাক (৬৩) প্রানহানি আশঙ্কায় রয়েছেন। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে তিনি কোতোয়ালি মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। আব্দুর রাজ্জাক মৃত সেকেন্দার আলীর ছেলে। জিডি নং ২০৩০, তারিখ: ২৬/০৩/২০২৫।

অভিযোগ অনুসারে অভিযুক্ত হচ্ছে ১) রোজীনা বেগম (৩৮) পিতা- মৃত। অনি মোহাম্মাদ ২) আবু মুসা (২০) পিতা- লাল যাবু ৩) রায়হান (২৮)bপিতা- আবুল বাশার ৪) মুন্নি (৪৯) স্বামী আবুল বাসার ৫) ইসলাম শিতা মৃত: অলি মোহাম্মাদ। আসামিরা সবাই রেলগেট পশ্চিম পাড়ার বাসিন্দা। আব্দুর রাজ্জাকের জমি জমা নিয়ে উল্লেখিত বিবাদীদের সাথে পূর্ব শত্রুতা রয়েছে। জমি-জমা নিয়ে বিবাদীদের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসরাল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত কোতয়ালি যশোরে একাধিক মামলা রয়েছে। ১নং বিবাদীত নামের দায়েরকৃত সিন্নার মামলা নং- ১৪২৯/২২। ৪নং বিবাদীর নামের সিআর মামলা নং-১৫১৪/২৩, ৫নং বিবাদীর নামের সিআর মামলা নং-১১২০/২৩। মূলত এসব মামল্যর কারনে বিবাদীরা আব্দুর রাজ্জাকের উপর ক্ষিপ্ত। মামলা তুলে নিতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন হুমকি সহ মারপিট ও হত্যা চেষ্টা করে। বিবাদীরা আমার নামে মিথ্যা মামলা, মিথ্যা অভিযোগ ও মিথ্য জিডি করে তাকে হয়রানি করছে বলেও জোর অভিযোগ।
গত ২৫ মার্চ বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী নাছিমা বেগম একই মহল্লার বাবুর দোকনে কেনাকাটা করতে গেলে স্বাক্ষীদের উপস্থিতিতে বিবাদীরা তার স্ত্রীকে যেকোন সমায় মারপিটসহ ও প্রকাশ্যে প্রাণ নাশের হুমকি দেয়। বিববাদীরা মামলা তুলে নিতেও বিভিন্নভাবে চাপ সৃষ্টি করছে। বর্তমানে আব্দুর রাজ্জাক চরম নিরাপত্তা হীনতায় ভুগছেন। এ হুমকি ঘটনার সাক্ষী জহুরা বেগম (৩৮), জবেদা বেগম (৪৫), বাবুর স্ত্রী ও কন্যা সহ আশে পাশের আরো অনেকে। জরুরি বিধায় উক্ত বিবাদীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন সহ ভবিষ্যৎ নিরাপত্তার জন্য সাধারন ডাইরী করা হয়েছে।

error: Content is protected !!