বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৩৯ এএম | 52 বার পড়া হয়েছে
অন্তর্বর্তী সরকারের বিবৃতি

শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ বিকেল থেকে ইনকিলাব মঞ্চের ব্যানারে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। যমুনা ও এর আশপাশের এলাকায় বিক্ষোভ নিষিদ্ধ থাকা সত্ত্বেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রথমে বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে কোনো ধরনের বল প্রয়োগ করেনি।

শুক্রবার, ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনার অভিমুখে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে গেলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি।
জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র (lethal weapon) ব্যবহার করা হয়নি বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, এ ঘটনায় আহত হয়ে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবেরসহ সর্বমোট ২৩ জন চিকিৎসা গ্রহণ করেছেন। তবে তাঁদের কারও শরীরে গুলির আঘাত নেই বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেছেন।
সরকার স্পষ্টভাবে পুনর্ব্যক্ত করছে যে শহীদ শরীফ ওসমান হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। জাতিসংঘের অধীনে তদন্ত পরিচালনার আইনগত দিক সরকার গভীরভাবে পর্যালোচনা করছে এবং এ বিষয়ে আগামী রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে জাতিসংঘের সংশ্লিষ্ট সংস্থার নিকট আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠানো হবে।
বিভিন্ন মাধ্যমে বিক্ষোভকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগের যে অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে, তা সঠিক নয়।
আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সংবেদনশীল রাজনৈতিক সময়ে সরকার সকলকে ধৈর্য, সংযম ও দায়িত্বশীলতা বজায় রাখার আহ্বান জানাচ্ছে। দেশের প্রায় ১৮ কোটি মানুষ অধীর আগ্রহে এই নির্বাচনের অপেক্ষায় রয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃষ্টি বর্তমানে বাংলাদেশের দিকে নিবদ্ধ। বিদেশি বহু সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক ইতোমধ্যে বাংলাদেশে উপস্থিত হয়েছেন।
সরকার দেশের সকল নাগরিকের প্রতি একটি উৎসবমুখর, শান্তিপূর্ণ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতা ও সহযোগিতার আহ্বান জানাচ্ছে। আসন্ন নির্বাচন রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক। দীর্ঘ সংগ্রাম, আত্মত্যাগ ও রক্তক্ষয়ের বিনিময়ে অর্জিত এই নির্বাচনী সুযোগ জাতির জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।
দেশের সার্বিক অগ্রগতি, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন নিশ্চিত করতে এই নির্বাচনকে অবশ্যই সুষ্ঠু, সুন্দর, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এ লক্ষ্য অর্জনে কোনো ধরনের বিচ্যুতি গ্রহণযোগ্য নয়। সরকার বিশ্বাস করে, দেশের সকল নাগরিকের সম্মিলিত দায়িত্বশীল আচরণ ও সহযোগিতার মাধ্যমেই একটি গ্রহণযোগ্য, মর্যাদাপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক নির্বাচন সফলভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

রাব্বুল আলামিন মানুষের উত্তম আমল গ্রহন করেন

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৮ এএম
রাব্বুল আলামিন মানুষের উত্তম আমল গ্রহন করেন

আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মানুষের উত্তম আ’মল-কে গ্রহন করেন আর সেটার উপহারও দান করে থাকেন আর বদ আ’মল কে গ্রহন করেন আর সেটার শাস্তি দান করে থাকেন, কিন্তু কিছু কিছু আ’মল এমন হয়ে থাকে যা আল্লাহর সাথে সর্ম্পকে ছিন্ন করে দেয়, আয়াতে ও হাদিসে এই বিষয়ে আলোচনা করা হলো, যেমন শিরক, আম্বিয়া মুরসালিনদেরকে হত্যা করা, আম্বিয়া মুরসালিনদের নবুয়তকে অস্বিকার করা, আয়েম্মা মাসুমিনদের কষ্ট দেওয়া, উনাদেরকে হত্যা করা ইত্যাদি। আয়েম্মা মাসুমিন (আঃ)-দের থেকে দূরত্ব উনাদের বেলায়তকে অমান্য করা ও অস্বীকার করা মানুষের নেক আ’মল কে বদ আমলে পরিনত করে দেয়, তাদের আ’মল কে বাতিল করে দেয়, নবী এ কারিম (সাঃ)-এর এরশাদ, হে মানব জাতি আল্লাহর কসম আল্লাহ তায়ালা তোমাদের দ্বীন কে ইমামত দ্বারা সন্মানিত ও পরিপূর্নতা দান করেছেন। যারা ইমামদের আদেশের সামনে মাথা নত করে আহলে বাইত (আঃ)-এর অনুগত্য করে তারাই সাফল্য লাভ করে, আর যারা আহলে বাইত (আঃ)-দের অনুগত্য করেনা তাদের আ’মল কে “হাবত” করে দেওয়া হবে অর্থাৎ নেক আ’মল কে বদ আ’মলে পরিবর্তন করে দেওয়া হবে। ইমামতের ধারায় মাওলা আলী (আঃ) এর পর মাওলা আলী ও হযরত মা ফাতিমা যাহরা (আঃ)-এর বংশধারা থেকে ইমাম মাহদী (আ ফা) এর মাধ্যমে কিয়ামত পযর্ন্ত চলবে। যারা ইমামদের আদেশের সামনে মাথা নত করে আহলে বাইত (আঃ)-দের অনুগত্য করে তারাই সাফল্য লাভ করে, আর যারা আহলে বাইত (আঃ)-দের অনুগত্য করেনা তাদের আ’মল কে “হাবত” করে দেওয়া হবে আর জাহান্নামের জ্বলন্ত আগুন তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। তাদের আর কোন সুযোগ দেওয়া হবে না।
(এহতেজাজে তাবারসি ১খন্ড ৬১পৃ)
অতএব যে ইবাদত আল্লাহ,রাসুল (সাঃ) ও আহলে বাইত (আঃ) বেলায়তের অধিকারী উনাদের অনুগত্য ছাড়া আ’মলের কোন মূল্য নেই, আখেরাতও উত্তম হতে পারেনা।

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:০৬ এএম
ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস

ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পরিহাস হলো যাঁরা মহানবী (সাঃ) এর জানাজা ফেলে ক্ষমতার ভাগবাঁটোয়ারায় মত্ত ছিল, আজ তারাই অনেকের কাছে ‘মডেল’। কিন্তু সত্যের আয়না বড় নির্মম। মা ফাতেমার (সাঃ আঃ) এর জীবনের সেই শেষ দিনগুলোর দিকে তাকালে তথাকথিত বীরত্ব আর নেতৃত্বের মুখোশ চুরমার হয়ে যায়।
যে ঘরের চৌকাঠে দাঁড়িয়ে জিবরাঈল (আঃ) অনুমতি প্রার্থনা করতেন, ক্ষমতার মোহে অন্ধ হয়ে সেই পবিত্র ঘরেই যারা আগুন দেওয়ার ধৃষ্টতা দেখিয়েছিল, তারা কি কোনোদিন মোমিন হতে পারে? দরজার আঘাতে যখন নবীনন্দিনীর পাজরের হাড় ভেঙেছিল, তখন কোথায় ছিল তাদের সেই কথিত ‘বীরত্ব’?
বাবার বিচ্ছেদে মা ফাতেমা (সাঃ আঃ) যেখানে বসে একটু ডুকরে কাঁদতেন, সেই ‘বায়তুল হুজন’ (শোকের ঘর) কেন গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো? এমনকি যে গাছের ছায়ায় বসে তিনি অশ্রু বিসর্জন দিতেন, সেই গাছটি পর্যন্ত কেটে ফেলা হয়েছিল কোন আক্রোশে? নবীর কন্যা কি তবে একটু কাঁদার অধিকারও হারিয়েছিলেন?
যারা নিজেদের ইসলামের রক্ষক দাবি করত, তাদের সেই প্রতাপ কি কেবল মহানবী (সাঃ) এর এতিম কন্যার ওপরেই সীমাবদ্ধ ছিল? যারা তাঁর হক কেড়ে নিল, যারা তাঁকে ঘরহীন করল, তারাই আজ আপনাদের আদর্শ?
অবশেষে পৃথিবীর সব অবিচার যখন সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে গেল, মা ফাতেমা (সাঃ আঃ) তাঁর বাবার রওজায় গিয়ে যে আর্তনাদ করেছিলেন, তা আজও আরশ কাঁপিয়ে দেয়। তিনি বলেছিলেন
​বাবা! তুমি আমাকে তোমার কাছে নিয়ে যাও, আমাকে মৃত্যু দাও; তোমার উম্মত আমাকে এত ‘সুখ’ দিয়েছে যে আমি আর সইতে পারছি না। মায়ের এই একটি বাক্যই যথেষ্ট সেই বিশ্বাসঘাতকদের আমলনামা স্পষ্ট করার জন্য। যারা মা ফাতেমার ঘর জ্বালিয়েছিল, তারা কোনোদিন ইসলামের আলো হতে পারে না। এই ইতিহাস কেবল শোকের নয়, এটি সত্য আর মিথ্যার পার্থক্য চিনে নেওয়ার এক কঠিন মানদণ্ড। যারা আজ সাকিফাহর নায়কদের বন্দনা করে, তারা কি হাশরের ময়দানে মা ফাতেমার চোখের পানির মুখোমুখি হতে পারবে? নিজের বিবেককে প্রশ্ন করুন।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৫ এএম
উজ্জ্বল বাংলাদেশের বৈশিষ্ট্য

উজ্জ্বল বাংলাদেশ (www.uzzalbangladesh.com) 🇧🇩 একটি জনপ্রিয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল, যা রাজিবুল করিম রোমিও সম্পাদিত। এটি বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের খবর, বিনোদন, সাংস্কৃতিক এবং অন্যান্য বিষয় নিয়ে প্রকাশ করে।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে সংবাদ, ভিডিও, ফটোগ্যালারী এবং অন্যান্য ফ্যামিলি-ফ্রেন্ডলি কন্টেন্ট পাওয়া যায়।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের কিছু বৈশিষ্ট্য:

– সংবাদ: বাংলাদেশের বিভিন্ন ধরনের খবর, যেমন রাজনীতি, অর্থনীতি, ক্রীড়া, বিনোদন ইত্যাদি।
– ভিডিও: বিভিন্ন ধরনের ভিডিও, যেমন সংবাদ, বিনোদন, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি।
– ফটোগ্যালারী: বিভিন্ন ধরনের ছবি, যেমন সংবাদ, বিনোদন, সাংস্কৃতিক ইত্যাদি।
– সম্পাদকীয়: রাজিবুল করিম রোমিও সম্পাদিত সম্পাদকীয় নিবন্ধ ।

উজ্জ্বল বাংলাদেশের ওয়েবসাইটে আরও পাওয়া যায়:
– রাজনীতি: বাংলাদেশের রাজনৈতিক খবর এবং বিশ্লেষণ।
– বিনোদন: চলচ্চিত্র, সঙ্গীত, নাটক ইত্যাদির খবর।
– সাংস্কৃতিক: বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক খবর এবং অনুষ্ঠান।
– খেলাধুলা: বাংলাদেশের খেলাধুলার খবর এবং স্কোর ।

ভিজিট করুন: www.uzzalbangladesh. com
উজ্জ্বল প্রজন্মের দৈনিক