বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২
বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৯ মাঘ ১৪৩২

খোকন হাওলাদার, সাভার (ঢাকা) প্রতিনিধি

২১শে ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ৮ই ফাল্গুনকে ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে স্বীকৃতির দাবি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:৫০ পিএম | 91 বার পড়া হয়েছে
২১শে ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে ৮ই ফাল্গুনকে ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে স্বীকৃতির দাবি

২১শে ফেব্রুয়ারীর পরিবর্তে বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী ৮ই ফাল্গুনকে ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার দাবিতে বাংলাদেশ হাইকোর্ট ও জাতীয় শিক্ষা অধিকার চত্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন ভাষা আন্দোলনের চেতনায় উদ্বুদ্ধ নাগরিক মোঃ নস্কর আলী।

সোমবার (২রা ফেব্রুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২টার সময়ে অবস্থান কর্মসূচি চলাকালে তিনি বলেন, “বাংলা আমাদের রাষ্ট্রভাষা, জাতীয় পরিচয় ও স্বাধীনতার মূল ভিত্তি। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনকভাবে আমরা আজও ভাষা শহীদদের স্মরণ করি ইংরেজি তারিখে—২১শে ফেব্রুয়ারি হিসেবে। অথচ ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের ৮ই ফাল্গুনেই সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ নাম না জানা বহু শহীদ মাতৃভাষা বাংলার জন্য জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। এই দিনটি বাংলায় পালন না করা শহীদদের আত্মত্যাগের সঙ্গে প্রতারণার শামিল।”

তিনি আরও অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রীয় ভাষা হিসেবে বাংলার সাংবিধানিক স্বীকৃতি থাকলেও প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, উচ্চশিক্ষা, ব্যাংকিং, স্বাস্থ্যখাত ও তথ্যপ্রযুক্তিসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বাংলার পূর্ণাঙ্গ ও বাধ্যতামূলক ব্যবহার আজও নিশ্চিত হয়নি। এর ফলে সাধারণ জনগণ সরকারি সেবা গ্রহণে নানাবিধ জটিলতা ও হয়রানির মুখে পড়ছে।

মোঃ নস্কর আলী জানান, বাংলা ভাষার সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়নের দাবিতে তিনি ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০ সালে হাইকোর্টে একটি রিট পিটিশন দায়ের করেন, যার নম্বর ২০৮৬/২০২০। পিটিশনে ২১শে ফেব্রুয়ারীসহ সকল জাতীয় দিবসে বাংলার বাধ্যতামূলক ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং ৮ই ফাল্গুনকে ভাষা শহীদ দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদন জানানো হয়। তবে দীর্ঘ প্রায় ছয় বছরেও মামলাটির নিষ্পত্তি হয়নি বলে তিনি হতাশা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, “আদালতের প্রতি সবিনয় আবেদন—আগামী ৮ই ফাল্গুনের আগেই যেন মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়। এই দাবিতেই আজকের অবস্থান কর্মসূচি।”

অবস্থান কর্মসূচিতে তিনি যে দাবিসমূহ উত্থাপন করেন, তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সকল জাতীয় দিবস ও রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে বাংলা পঞ্জিকা অনুসরণ বাধ্যতামূলক করা। ২১শে ফেব্রুয়ারীর নাম পরিবর্তন করে ৮ই ফাল্গুন ভাষা শহীদ দিবস ঘোষণা। একুশে বই মেলার নাম পরিবর্তন করে ‘৮ই ফাল্গুন বই মেলা’ নামকরণ। একুশে পদকের নাম পরিবর্তন করে ‘ভাষা শহীদ পদক’ করা। সকল সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বাংলা সন, তারিখ ও ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করা। সকল পণ্যের মোড়কে, সাইনবোর্ড, ব্যানার, লিফলেট ও প্রচারপত্রে বাংলা ভাষার বাধ্যতামূলক ব্যবহার। বাংলা ভাষা ব্যবহার না করলে আইনানুগ শাস্তি ও জরিমানার বিধান প্রণয়ন।

কর্মসূচি চলাকালে তিনি লিফলেট বিতরণ করেন এবং বলেন, “বাংলা ভাষা সর্বক্ষেত্রে বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত প্রয়োজনে দেশব্যাপী আন্দোলন কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়া হবে।”

বাংলা ভাষার মর্যাদা, নাগরিক অধিকার ও রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব বাস্তবায়নের প্রশ্নে এই কর্মসূচি নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।

আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:১৩ এএম
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে ইইউ নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধানের সৌজন্য সাক্ষাৎ

১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সম্মানিত আমীর ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশনের প্রধান পর্যবেক্ষক ও ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ইভারস ইজাবস এর নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠকটি অত্যন্ত আন্তরিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠককালে তারা বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। বিশেষ করে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করার ব্যাপারে বাংলাদেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন ঘনিষ্টভাবে কাজ করবে বলে বৈঠকে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরও শক্তিশালী ও টেকসই করার ব্যাপারে তারা একমত পোষণ করেন।
এ সময় ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে আশ্বাস প্রদান করা হয় যে, বাংলাদেশের আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণে ইউনিয়নের ২০০ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কাজ করবে।
ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইইউনিয়ন ও বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
আমীরে জামায়াতের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আবদুল হালিম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের প্রধান অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের, জামায়াতের ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিস্টার আবু বকর মোল্লা, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. যুবায়ের আহমেদ এবং আমীরে জামায়াতের পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মাহমুদুল হাসান।

রাজশাহীতে ভুটভুটি ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত-২

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:০২ এএম
রাজশাহীতে ভুটভুটি ও বালুবাহী ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত-২

রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার তাহেরপুর রোডে বালুবাহী ট্রাকের সাথে ভুটভুটির সংঘ*র্ষে দুইজন নি*হ*ত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে আটটার দিকে এই দুর্ঘ*টনা ঘটে।
পুঠিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, বালুবাহী ট্রাকটি পুঠিয়া থেকে তাহেরপুরের দিকে যাচ্ছিল। পুঠিয়া পৌরসভার গন্ডগোহালী গ্রামের নিমতলা এলাকায় বিপরীত দিকে থেকে আসা একটি ভুটভুটির সাথে ট্রাকটির (কুষ্টিয়া-ট-১১-০২১৬) মুখোমুখি সংঘ*র্ষ হয়। এ ঘটনায় নসিমনে থাকা শ্রমিক রাজশাহী নগরীর কাশিয়াডাঙ্গা থানার হড়গ্রাম শেখপাড়া এলাকার নাহিম ও হামিম নি*হ*ত হন। তারা শহর থেকে পুঠিয়ায় মুরগি কিনতে এসেছিলেন।
দুর্ঘটনার পর ঘটনাস্থল থেকে স্থানীয় জনতা ট্রাকচালক মিন্টুকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত মুরগি ব্যবসায়ী মামুন হোসেন বলেন, আমার গাড়ির দুজন লোক মারা গেছে। প্রায় দেড় লাখ টাকার মুরগি ছিল। আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেছে।

এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৫৭ এএম
এক বছরে প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ টাকা

এক বছরে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সম্পদ বেড়েছে ১ কোটি ৬১ লাখ ৪ হাজার ৩৯২ টাকার। এক বছর আগের অর্থ বছরে তাঁর সম্পদ ছিল ১৪ কোটি ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৩ টাকার। বিদায়ী অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৫ কোটি ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৬৫ টাকা। সঞ্চয়পত্র নগদায়ন, সঞ্চয়ী বা মেয়াদি আমানতে বৃদ্ধি, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া শেয়ার ইত্যাদি কারণে মোট সম্পদ বেড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
প্রধান উপদেষ্টার সম্পদ বাড়লেও এক বছরে কমেছে তাঁর স্ত্রী আফরোজী ইউনূসের সম্পদ। এক বছরে তাঁর সম্পদ কমেছে ৮৪ লাখ ১৩ হাজার ৯১৪ টাকা। এক বছর আগের অর্থ বছরে তাঁর ২ কোটি ১১ লাখ ৭৭ হাজার ২৭৪ টাকা। বিদায়ী অর্থবছরে তা কমে হয়েছে ১ কোটি ২৭ লাখ ৬৩ হাজার ৩৬০ টাকা।
মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ এই তথ্য প্রকাশ করেছে।