শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২
শুক্রবার, ৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২

মোঃ আজগার আলী, খুলনা ব্যুরো প্রধান

আশাশুনি উপজেলায় ভূগর্ভস্থ স্তর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

MD. AZGAR ALI
MD. AZGAR ALI - Khulna Bureau Chief, KHULNA DIVISION প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৭:০৬ পিএম | 37 বার পড়া হয়েছে
আশাশুনি উপজেলায় ভূগর্ভস্থ স্তর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগ

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় ভূগর্ভস্থ স্তর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের অভিযোগে এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের কলিমাখালী এলাকায় ড্রেজার মেশিন (বলগেট) ব্যবহার করে দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। এতে পরিবেশ বিপর্যয়, ভূমিধস ও জনবসতির মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কলিমাখালী ৭৩ নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে থেকে লুৎফর রহমান মাস্টারের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৭২০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনবান্ধব সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রায় ৪৬ লাখ ২৫ হাজার ৬৫ টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন এই সড়ক প্রকল্পটি শ্রীউলা ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির মাধ্যমে বাস্তবায়িত হচ্ছে। এতে কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (WFP)। পাশাপাশি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও এলজিইডির সার্বিক সহযোগিতা রয়েছে।
অভিযোগ উঠেছে, সড়ক নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় বালু সংগ্রহের নামে স্থানীয় কয়েকজন মৎস্য ঘের মালিকের সঙ্গে চুক্তি করে ভূগর্ভস্থ স্তর থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এ কাজে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সালেহা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী কালাম এবং বেসরকারি এনজিও সুশীলন–এর শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা ও নির্বাহী পরিচালকের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।
কলিমাখালী গ্রামের মনিরুল ইসলাম ও শাহিনুর ড্রেজার মেশিন ব্যবহার করে বালু উত্তোলন করে তা সরাসরি রাস্তার কাজে ব্যবহার করছেন। এতে প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে প্রকাশ্যে এই অবৈধ বালু উত্তোলন চললেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করে বলেন, প্রশাসনের একটি অংশ ও প্রভাবশালী মহলকে ‘ম্যানেজ’ করেই এই অবৈধ কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। এর ফলে ফসলি জমি, মৎস্য ঘের ও বসতবাড়ি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। যেকোনো সময় ভূমিধস বা বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা জানান, ড্রেজার মেশিন দিয়ে ভূগর্ভস্থ স্তর থেকে বালু উত্তোলনের ফলে পানির স্তর নেমে যায়, মাটির স্বাভাবিক গঠন ও উর্বরতা নষ্ট হয় এবং নদী ও জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হয়। এতে মৎস্য প্রজনন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে ভয়াবহ নদীভাঙন ও কৃষি ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দেয়।
এ বিষয়ে সুশীলনের পরিচালক মোস্তফা আক্তারুজ্জামান পল্টুর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। তবে সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক মোস্তফা নুরুজ্জামান বলেন, “আমরা শুধু রাস্তা নির্মাণের তদারকি করছি। অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে আমি কিছু জানি না।”
আশাশুনি উপজেলা এলজিইডি প্রকৌশলী অনিন্দ্য দেব বলেন, “এটি WFP-এর প্রকল্প। ঠিকাদার স্থানীয় জমির মালিকদের সঙ্গে কথা বলে বালু সংগ্রহ করছে। আমাদের দায়িত্ব কেবল কাজের মান তদারকি করা।”
এ বিষয়ে আশাশুনি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) বিজয় কুমার জোয়ার্দার জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুজ্জামান হিমু বলেন, “রাষ্ট্রীয় সম্পদ নষ্টের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
সচেতন মহল ও সুশীল সমাজের দাবি, অবিলম্বে মৎস্য ঘের ও জমির ভূগর্ভস্থ স্তর থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ করে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। অন্যথায় আশাশুনি অঞ্চলে ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয় ও ভূমিধসের আশঙ্কা ক্রমেই বাড়বে।

নাটোরে ১২ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

মো: রাজিবুল ইসলাম বাবু বিশেষ প্রতিনিধি : প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০৩ পিএম
নাটোরে ১২ কেজি গাঁজাসহ ২ মাদক কারবারি আটক

নাটোরে যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজাসহ দুই মাদক কারবারিকে আটক করেছে জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)।

শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোরে নাটোর সদর থানাধীন চকরামপুর এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলেন- রাজবাড়ী সদর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের মৃত কাসেম শেখের ছেলে লিটন শেখ (৪২) এবং নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার ছাতিয়ানগাছা মন্ডলপাড়া গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫)।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায় , গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৩টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত শহরের চকরামপুর এলাকায় ইসলামিয়া পচুর হোটেলের সামনে চেকপোস্ট বসিয়ে গাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় কুড়িগ্রাম থেকে ফরিদপুরগামী শাহী ক্লাসিক (ঢাকা মেট্রো-ব-১৪-৫৩৫৭) নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের দুই যাত্রীর কাছে থাকা স্কুল ব্যাগে তল্লাশি চালিয়ে ১২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নাটোর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক খন্দকার নাজিম উদ্দিন।

এ ঘটনায় পরিদর্শক খন্দকার নাজিম উদ্দিন বাদী হয়ে নাটোর সদর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করেছেন। আটক ব্যক্তিদের থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

মো: রাজিবুল ইসলাম বাবু
বিশেষ প্রতিনিধি
নাটোর।
০১৩১০-৩২১ ৩০৬.
০১৭৪০-৮১৫ ৫০৬.
৩ এপ্রিল ২০২৬.

সুন্দরবন থেকে অস্ত্র-গুলিসহ দুই বনদস্যু আটক, উদ্ধার ৩ জেলে

রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৭:০২ পিএম
সুন্দরবন থেকে অস্ত্র-গুলিসহ দুই বনদস্যু আটক, উদ্ধার ৩ জেলে

সুন্দরবনে কোস্টগার্ডের অভিযানে  অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ  দুই বনদস্যু আটক। এসময় উদ্ধার করা হয় মুক্তি পনের দাবিতে দস্যুদের কাছে জিম্মি থাকা  তিন জেলেকে।
‎শুক্রবার (০৩ এপ্রিল) বিকালে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন, কোস্টগার্ড  পশ্চিমজোন এর মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন ।

‎তিনি জানান,গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, সুন্দরবনের কুখ্যাত দস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী সদস্যরা সুন্দরবনের বাইনতলা খাল সংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এমন তথ্যের ভিত্তিতে,  শুক্রবার ভোরে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে দস্যুরা বনের ভেতর পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে আভিযানিক দল কর্তৃক দস্যুদের ধাওয়া করে। এসময় ২টি একনলা বন্দুক, ২৩ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ৫ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৫ পিস ইয়াবা ও নগদ ১,১০০ টাকাসহ  বন দস্যু ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর ২ জন সক্রিয় সদস্যকে আটক করে তাদের আস্তানা ধ্বংস করা হয়।

‎কোস্টগার্ড জানায়, আটক বন দস্যু মোঃ সোহাগ হাওলাদার (৩৫) বাগেরহাটের শরণখোলা এবং বাবুল সানা (৪২) খুলনার পাইকগাছা থানার বাসিন্দা। উভয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনীর সক্রিয় সদস্য হিসেবে ডাকাতি করে আসছিল।

‎অপরদিকে, আরও একটি গোপন তথ্যের ভিত্তিতে সুন্দরবনের খোল ডাঙ্গ খাল সংলগ্ন এলাকা বনদস্যু জোনাব বাহিনীর আস্তানায় অভিযান চালায় কোস্টগার্ড। এসময় মুক্তিপণের দাবিতে দস্যু বাহিনীর কাছে জিম্মি থাকা ৩ জন জেলেকে উদ্ধার করা হয়। তবে কোস্টগার্ডের অভিযান টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কোন বন দস্যুকে আটক করতে পারেনি কোস্টগার্ড।

‎এ সময় দস্যুদের আস্তানা থেকে ২ রাউন্ড তাজা কার্তুজ, ১ রাউন্ড ফাঁকা কার্তুজ, ৩টি ওয়াকিটকি চার্জার, ৩টি মোবাইল ব্যাটারি ও ১টি কুড়াল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত জেলে ইনতাজ (৫০), মোশাররফ (৪২) ও আনিস (৪৫) সাতক্ষীরার শ্যামনগর থানার বাসিন্দা।

‎আটককৃত ডাকাত, জব্দকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকৃত জেলেদের পরিবারের নিকট হস্তান্তরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানায় কোস্টগার্ড।

‎কোস্টগার্ড সুত্রে জানাযায়, গত বছরের শুরু থেকে  অদ্যাবধি বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ধারাবাহিক অভিযানে কুখ্যাত করিম-শরীফ, নানা ভাই, ছোট সুমন, আলিফ ও আসাবুর বাহিনীর মোট ৬১ জন দস্যুকো আটক  করা হয়েছে। ওই সব অভিযানে  ৮০টি আগ্নেয়াস্ত্র, ৫৯৯ রাউন্ড তাজা গোলা, ৩০৮ রাউন্ড ফাঁকা গোলা ও ১,৯৫০ রাউন্ড এয়ারগানের গুলি জব্দ এবং দস্যুদের কবল থেকে ৭৮ জন জেলে ও ৩ জন পর্যটককে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

মাদারীপুর শিবচরে ৩ দিন পর তেল পাম্পে উপচে পড়া ভিড়, কৃষকদের জন্য স্যালাইন-পানির ব্যবস্থা

অপি মুন্সী: শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি:- প্রকাশিত: শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬, ৬:৫৯ পিএম
মাদারীপুর শিবচরে ৩ দিন পর তেল পাম্পে উপচে পড়া ভিড়, কৃষকদের জন্য স্যালাইন-পানির ব্যবস্থা

‎সারাদেশের মত মাদারীপুর জেলার শিবচরেও জালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। মোটরসাইকেল চালক,গাড়ি চালকসহ কৃষি কাজেও ব্যাপক সমস্যায় পড়েছে।

‎ শুক্রবার ৩শরা এপ্রিল শিবচরে তিন দিন পর পাম্পগুলোতে তেল আসায় মোটরসাইকেল ও গাড়ির উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। দীর্ঘ লাইনে দাড়িয়ে সংগ্রহ করতে হচ্ছে জালানি তেল এতে চরম ভোগান্তির স্বীকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। কৃষি কাজে জমি চাষ, সেচ প্রদানের জন্য খেটে খাওয়া গ্রামের বয়স্ক কৃষকদেরও লাইনে দাড়িয়ে তেল সংগ্রহ করতে হচ্ছে।

‎সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় শিবচরের আব্দুল হাকিম খান (এ এইচ কে) ফিলিং স্টেশনে মোটরসাইকেল, গাড়ি ও কৃষকেরা লাইনে দাড়িয়ে তেল সংগ্রহ করছেন। তবে চাহিদার তুলনায় অনেক কম তেল দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন অনেকে। শৃঙ্খলাভাবে লাইন ঠিক রাখার জন্য ফিলিং স্টেশনগুলোতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

‎তেল নিতে আসা কৃষক লাভলু হাওলাদার বলেন, এখন ধানে সেচ দিতে হয়,জমি চাষ করতে হয়, ঠিকমত যদি আমরা তেল না পাই তাহলে চাষাবাদ করবো কিভাবে। তিনি আরো বলেন, আমরা যদি জমিতে সময়মত বীজ বপন করতে না পারে,তাহলে খাবো কি? সেই চিন্তায় রাতে ঘুম আসে না।

‎মোটরসাইকেল তেল সংগ্রহ করতে আসা মনির হোসেন বলেন,তিন পর শিবচরে তেল আসছে রৌদ্রের মধ্যে লাইনে দাড়িয়ে আছি তেল নিতে হবে কিছু করার নাই। তিনি বলেন, মোটরসাইকেলে ৩০০ টাকার বেশি তেল দেয় না, এতক্ষণ লাইনে দাড়িয়ে থেকে এত কম তেল না দিয়ে ১ হাজার টাকার দিলে ভালো হত।

‎ এ দিকে আব্দুল হাকিম খান (এ এইচ কে) ফিলিং স্টেশনের পক্ষে থেকে বিনামূল্যে কৃষক ও বয়স্কদের জন্য খাবার পানি ও স্যালাইন সরবরাহ করতে দেখা গেছে।

‎শিবচর হাইওয়ে থানার ওসি জহিরল ইসলাম জানান, তিন দিন পরে শিবচরের ফিলিং স্টেশন গুলোতে তেল আসছে,এ জন্য একটু ভীড় দেখা যাচ্ছে, লাইনে দাড়িয়ে সুশৃঙ্খল ভাবে যাতে সবাই তেল সংগ্রহ করতে পারে সে জন্য আমরা কাজ করছি।

error: Content is protected !!