শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২

Secret Prompting Formula

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫৪ পিএম | 68 বার পড়া হয়েছে
Secret Prompting Formula

AI দিয়ে যেকোনো টপিকের উপর বানান Stunning Infographic! এই Secret Prompting Formula-টা শেখার পর আপনার আর কোনো Template লাগবে না!
আপনি যদি AI-কে শুধু বলেন, “Make an infographic about marketing”, সে আপনাকে একটা বোরিং এবং সাধারণ ছবি দেবে।
But, আপনি যদি AI-কে একজন Art Director-এর মতো করে নির্দেশ দেন, তাহলে সে আপনাকে এমন masterpiece বানিয়ে দেবে যা দেখে মানুষ অবাক হয়ে যাবে!
আজ আমি আপনাদেরকে সেই “Universal Prompt Formula”-টা শেখাব, যা আপনি Travel, Health, Tech, Business—যেকোনো ইন্ডাস্ট্রির জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
The 4-Part “God-Level” Prompt Blueprint
যেকোনো টপিকের জন্য একটি পারফেক্ট ইনফোগ্রাফিক প্রম্পট বানাতে, আপনাকে এই ৪টি অংশ পূরণ করতে হবে:
Part 1: The Core Concept & Hero Visual (মূল আইডিয়া)
Part 2: The Information Layers (তথ্যের স্তর)
Part 3: The Art Direction (ডিজাইনের নির্দেশনা)
Part 4: The Technical Specs (ফাইনাল আউটপুট)
চলুন, একটা একটা করে দেখি।
Part 1: The Core Concept & Hero Visual
এটা হলো আপনার প্রম্পটের প্রথম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এখানে আপনি AI-কে বলবেন, আপনার ইনফোগ্রাফিকের মূল বিষয়বস্তু কী এবং সবচেয়ে আকর্ষণীয় ছবিটা কী হবে।
Formula:
“Ultra-clean modern infographic for ‘[Your Topic]’. Showcase [The ‘Hero’ of your story] in a visually appealing finished form, floating slightly in perspective or angled view.”
Example (for a Fitness topic):
“Ultra-clean modern infographic for ‘The Perfect Push-up Form’. Showcase a minimalist illustration of a person in the correct final push-up position as the hero visual, floating slightly in perspective.”
Part 2: The Information Layers
এখানে আপনি AI-কে বলবেন, আপনার মূল ছবির চারপাশে কী কী তথ্য দেখাতে হবে।
Ingredients/Components Section: আপনার বিষয়ের মূল উপাদানগুলো কী?
Steps Section: কাজটি করার ধাপগুলো কী কী?
Additional Info Section: অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য (যেমন: সময়, উপকারিতা, টিপস) আছে কি?
Formula:
`”Arrange [information type 1], [information type 2], and [information type 3] around the hero visual in a dynamic editorial layout.
[Information Type 1] Section: Include clean icons or mini illustrations for each key component.
[Information Type 2] Section: Show the main steps in numbered panels with short, clear text. Use arrows or lines to create a logical flow.”`
Fitness topic এর উপর কিছু এক্সাম্পলঃ
`”Arrange ‘Key Muscle Groups’ and ‘Step-by-Step Guide’ around the hero visual.
‘Key Muscle Groups’ Section: Use call-out lines to point to the Chest, Shoulders, and Triceps on the hero illustration.
‘Step-by-Step Guide’ Section: Show the 3 main steps (Starting Position, Lowering, Pushing Up) in numbered panels with clean line-art illustrations.”`
Part 3: The Art Direction
এখানে আপনি AI-কে ডিজাইন, কালার এবং ফন্ট নিয়ে নির্দেশ দেবেন। This is where you become the Art Director!
Formula:
“Visual Style: [Style 1] meets [Style 2]. Use a [adjective] color palette of [color 1], [color 2], and [color 3]. Use clean vector icons and [adjective] typography. The background should be [description of background].”
Example (for the Fitness topic):
“Visual Style: Modern fitness app UI meets minimalist infographic. Use a motivating and energetic color palette of deep blue, bright orange, and white. Use clean vector icons and bold, sans-serif typography. The background should be a simple, light gray gradient.”
Part 4: The Technical Specs
এটা হলো ফাইনাল অংশ। এখানে আপনি ছবির সাইজ, কোয়ালিটি এবং অন্যান্য টেকনিক্যাল বিষয় বলে দেবেন।
Formula:
“Composition: The [Hero Visual] is the main focus. Ensure enough negative space to keep the design clean. Output: [Aspect Ratio, e.g., 1080×1350], ultra-crisp details, optimized for a social media feed, no watermark.”
Example (for the Fitness topic):
“Composition: The main push-up illustration is the focus. The layout must feel balanced and motivating. Output: 1080×1350 aspect ratio, ultra-crisp details, optimized for Instagram, no watermark.”
Now you have the universal formula! এই ৪টি অংশকে মিলিয়ে আপনি যেকোনো টপিকের জন্য নিজের “God-Level” প্রম্পট বানাতে পারবেন।
এই Blueprint-টা Save করে রাখুন।
[an Example Recipe Infographic Prompt]
`”Ultra-clean modern recipe infographic.
Showcase [Your Food Name, e.g., “Hyderabadi Chicken Biryani”] in a visually appealing finished form—served in a traditional handi, with some portion on a plate- floating slightly in perspective.
Arrange ingredients, steps, and tips around the dish in a dynamic editorial layout.
Ingredients Section: Include clean, modern icons or mini illustrations for each key ingredient (like chicken, basmati rice, yogurt, saffron) with their quantities. Arrange them in a logical cluster.
Steps Section: Show the 4 main preparation steps in numbered panels with short, clear text. Use arrows or lines to create a logical flow around the main dish. Include small cooking icons (e.g., a pan for frying onions, a pot for cooking rice).
Additional Info: Display ‘Total Calories’, ‘Prep/Cook Time’, and ‘Servings’ in clean, circular badges near the dish.
Visual Style: Editorial infographic meets lifestyle food photography. Use vibrant, natural food colors. Add subtle drop shadows for depth. Use clean vector icons and modern, easy-to-read typography. Use a soft gradient background for a premium editorial feel.
Composition: The finished biryani is the hero visual. Ensure there is enough negative space to keep the design clean and readable.
Output: 1080×1080 aspect ratio, ultra-crisp details, optimized for a social media feed, no watermark.”`

আলোচনার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:৪১ এএম
আলোচনার নামে এমন কিছু করা উচিত নয়, যা মুক্তিযুদ্ধকে খাটো করে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমালোচনা, আলোচনা বা গবেষণার নামে এমন কিছু করা বা বলা উচিত নয়, যা স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসকে খাটো করে।

আজ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভার আয়োজন করে বিএনপি।

সভায় বাংলাদেশকে স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আকাঙ্ক্ষা সীমাহীন হলেও সম্পদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। আমাদের স্বাদ এবং সাধ্যের মধ্যে ফারাক থাকলেও আমি এই দেশের একজন নাগরিক হিসেবে, একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে যাই, আমরা যদি ঐক্যবদ্ধভাবে সকলে একসঙ্গে দেশের জন্য কাজ করি, তাহলে অবশ্যই আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।’

দলের নেতা-কর্মীসহ দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমার দলের সহকর্মীদের, প্রত্যেক গণতান্ত্রিক মানুষের কাছে আমি একটি কথা তুলে ধরতে চাই—আসুন, এবারের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার হোক—সমাজের একটি অংশ নয়, বরং আমরা সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিয়ে এই দেশে ভালো থাকব। আসুন, আমরা প্রত্যেকে একসঙ্গে সহ-অবস্থানের মাধ্যমে খারাপকে দূরে ঠেলে দিয়ে ভালো থাকার চেষ্টা করব—এই হোক আমাদের আজকের স্বাধীনতা দিবসের অঙ্গীকার, প্রত্যাশা, প্রতিজ্ঞা।’

সরকারের কর্মকাণ্ড তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার আপনাদেরই সরকার, বর্তমানের গণতান্ত্রিক সরকার এ দেশের মানুষের নির্বাচিত সরকার, বর্তমানের গণতান্ত্রিক সরকার এ দেশের মানুষের প্রতিষ্ঠিত সরকার। সরকার রাষ্ট্রের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে লক্ষ্য করে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, খাল খনন, বৃক্ষরোপণ, কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাসহ বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছে। জনগণের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন পদক্ষেপ আমরা গ্রহণ করছি। প্রতিনিয়ত তার জন্য আপনাদের এই সরকার অক্লান্ত পরিশ্রম করছে, চেষ্টা করে যাচ্ছে।’

মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ঘোষণার প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তারেক রহমান বলেন, ‘তৎকালীন বিশ্বে অন্যতম শক্তিশালী সেনাবাহিনী ছিল, তাদের বিরুদ্ধে আমরা বিজয় ছিনিয়ে এনেছিলাম—এই বাংলাদেশের মানুষ। সুতরাং, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরবগাথা, তা নিয়ে আলোচনা হবে, গবেষণা চলবে এবং এটাই স্বাভাবিক ব্যাপার। তবে আলোচনা-সমালোচনা কিংবা গবেষণার নামে এমন কিছু করা বা বলা অবশ্যই আমাদের জন্য ঠিক হবে না—যেটি আমাদের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের যে গৌরব, ইতিহাস, তাকে কোনোভাবে খাটো করতে পারে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যে কথাটি আমি আপনাদের সামনে বলেছিলাম, সেটি হলো—অতীত নিয়ে সব সময় পড়ে থাকলে এক চোখ অন্ধ। আর অতীতকে যদি আমরা ভুলে যাই, তাহলে আমাদের দুই চোখ অন্ধ। সুতরাং, আমরা যেমন অতীতকে একদম ভুলে যাব না, ভুলে যাওয়া চলবে না; ঠিক একইভাবে অতীতেও আমরা দেখেছি। খুব বেশি দিন না, নিকট অতীতেও আমরা দেখেছি যে—অতীত নিয়ে এত বেশি চর্চা হয়েছে, যেটা আমাদের সামনে যে সমৃদ্ধ ভবিষ্যৎ আছে, সেই ভবিষ্যৎকে বাধাগ্রস্ত করেছে।’

এ সময় স্বাধীনতার ঘোষণা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা এবং এর প্রেক্ষাপট নিয়ে আপনাদের বক্তব্যে অনেক অজানা তথ্য উঠে এসেছে, যা এই মঞ্চে সহ অথবা সামনে যাঁরা বসে আছেন, বাইরেও বহু মানুষ আজকের এই আলোচনা শুনছেন, অনেকেরই হয়তো অনেক কিছু জানা ছিল না। কিন্তু আলোচকবৃন্দের বক্তব্যে আজকে এই রকম অনেকগুলো বিষয় উঠে এসেছে। আজকে বাইরে এখানে আসার সময় আমি দেখেছি, তরুণ প্রজন্মের অনেক সদস্য ভেতরে আসতে পারেনি জায়গা সংকুলানের কারণে, তাঁরা ভিড় করেছেন। সেই তরুণ প্রজন্মের দৃষ্টি আকর্ষণ করে খুব সংক্ষেপে আমি বলতে চাই—বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম অনিবার্য চরিত্র শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বছরের পর বছর, এমনকি যুগের পর যুগ ধরেও বিশ্বের যেখানে যাঁরা স্বাধীনতার লড়াই করেছেন, সংগ্রাম করেছেন, একমাত্র তাঁদের পক্ষেই উপলব্ধি করা সম্ভব—স্বাধীনতার মূল্য কতখানি। আমরা যদি একটু পাশে তাকাই, তাহলেই দেখতে পারব—স্বাধীনতার গুরুত্ব এবং তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারছে স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনের মানুষ। লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা ১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা অর্জন করেছি, হাজারো প্রাণের বিনিময়ে আমরা ২০২৪ সালে দেশ এবং স্বাধীনতা রক্ষা করেছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০২৪ সালে বিভিন্ন প্রতিকূল পরিস্থিতির ভেতরে থেকেও, বিভিন্ন অত্যাচার-নির্যাতন সহ্য করেও আপনারা কীভাবে প্রতিরোধ গড়েছিলেন, কীভাবে আপনারা স্বৈরাচারকে দেশ থেকে বিতাড়িত করেছিলেন…. আমরা আমাদের বহু সহকর্মীকে সেদিন হারিয়েছি; প্রতিটি প্রাণের স্বপ্ন আছে, আকাঙ্ক্ষা আছে… স্বপ্ন ছিল, আকাঙ্ক্ষাও ছিল। সেই আকাঙ্ক্ষা পূরণেই তাঁরা সাহসের সঙ্গে সেদিন লড়াই করেছিলেন—৭১, ৯০, ২৪-এ। ১৯৭১ থেকে আজ পর্যন্ত প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামের সকল শহীদের আকাঙ্ক্ষা ছিল—সাম্য, মানবিক মর্যাদা এবং সামাজিক ন্যায়বিচারভিত্তিক তাঁবেদারমুক্ত একটি স্বাধীন-সার্বভৌম, নিরাপদ, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ও প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও সালাহউদ্দিন আহমদ বক্তব্য দেন।

আলোচনা সভায় আরও অংশ নেন শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ওয়াকিল আহমেদ, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মামুন আহমেদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

আলোচনা সভার শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ স্বাধীনতাযুদ্ধে বীর শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়।

পৃথিবীর যেসব দেশে রাজতন্ত্র চালু রয়েছে

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৭ এএম
পৃথিবীর যেসব দেশে রাজতন্ত্র চালু রয়েছে

রাজা-রানির গল্প এখনো পৃথিবীতে আছে? হ্যাঁ, আছে। এখনো তাঁদের রাজপ্রাসাদ আর রাজকীয় জৌলুশ আছে বিভিন্ন দেশে। আছে রাজকীয় সেনা আর তাদের মনোমুগ্ধকর কুচকাওয়াজ। এমনকি আপনার ভীষণ পছন্দের কোনো কোনো দেশেও কিন্তু চালু আছে রাজতন্ত্র, মানে রাজাদের শাসন। সেসব দেশের নাম শুনে হয়তো আপনার চোখ কপালে উঠবে। কিন্তু এই রাজতন্ত্র নিশ্চয় আর মধ্যযুগের মতো নেই। কথায় কথায় এখন হয়তো কাউকে আর শূলে চড়ানো হয় না; কিংবা কারও দিকে ছুড়ে দেওয়া হয় না সোনার মোহর। তারপরেও আছে রাজাদের শাসন।

বলে রাখা ভালো, রাজতন্ত্রের ব্যবস্থাতেও এসেছে বদল। কিছু দেশে আছে পূর্ণ রাজতন্ত্র, আর কিছু কিছু দেশে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।

পূর্ণ রাজতন্ত্র

এ ধরনের দেশে রাজা বা সুলতানের হাতে থাকে রাষ্ট্রের প্রায় সব ক্ষমতা। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে—

সৌদি আরব, ব্রুনেই, ওমান, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইসোয়াতিনি বা সোয়াজিল্যান্ড

সাংবিধানিক রাজতন্ত্র

এ ধরনের দেশে রাজা বা রানি প্রতীকীভাবে রাষ্ট্রের প্রধান থাকেন। কিন্তু প্রকৃত শাসন চলে নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে। ইউরোপ ও এশিয়া—এ দুটি মহাদেশে এমন বেশ কিছু রাষ্ট্রের মধ্যে আছে—

ইউরোপে: যুক্তরাজ্য, সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক, স্পেন, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, মোনাকো, লিচেনস্টেইন।

এশিয়ায়: জাপান, থাইল্যান্ড, জর্ডান, কুয়েত, ব্রুনেই, ভুটান, কম্বোডিয়া, মালয়েশিয়া।

কমনওয়েলথ

যে দেশগুলো এখনো ব্রিটিশ রাজা বা রানিকে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মেনে চলে, সেসব দেশ কমনওয়েলথভুক্ত দেশ। এসব দেশের মধ্যে আছে— কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জ্যামাইকা, বাহামাস, পাপুয়া নিউগিনি।

এসব দেশ ছাড়া আরও কিছু ছোট দ্বীপরাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে আছেন যুক্তরাষ্ট্রের রাজা বা রানি।

কোন দেশে রাজা বেশি ক্ষমতাবান

পূর্ণ রাজতন্ত্র ব্যবস্থা রয়েছে যেসব দেশে, সেসব দেশের রাজারা এখনো ক্ষমতাবান। তবে যদি তুলনা করা যায়, সে ক্ষেত্রে তাদের ক্ষমতার কিছু উঁচু-নিচু হয় বটে। সেভাবে দেখলে একটা তুলনামূলক চিত্র দাঁড় করানো যায়। যেমন—

সৌদি আরব

পূর্ণ রাজতন্ত্রের উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে আছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশ। এখন দেশটির রাজা যুবরাজ সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদ। তিনি দেশটির রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান। তাঁর হাতেই আছে আইন, প্রশাসন, সামরিক—সব ক্ষেত্রের চূড়ান্ত ক্ষমতা। দেশটিতে সংসদ থাকলেও তা নির্বাচিত নয়, বরং পরামর্শমূলক। এসব কারণে সৌদি আরবকে আজকের বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী রাজতন্ত্রগুলোর একটি ধরা হয়।

ব্রুনেই

দেশটির সুলতান হাসানাল বলকিয়াহ। তাঁর পুরো নাম হাজি হাসানাল বলকিয়াহ মুইজ্জাদ্দিন ওয়াদ্দৌলাহ। ১৯৬৭ সালের ৫ অক্টোবর থেকে ব্রুনেইয়ের ২৯তম এবং বর্তমান সুলতান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একাধারে দেশটির প্রধানমন্ত্রী, অর্থ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী। অর্থাৎ তাঁর হাতেই প্রায় সম্পূর্ণ ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত।

ইসোয়াতিনি বা সোয়াজিল্যান্ড

১৯৬৮ সালের ৬ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে দেশটি এখন আফ্রিকা মহাদেশের একটি রাজতান্ত্রিক দেশ। নিম্ন-মধ্যম আয়ের আফ্রিকান এই দেশের রাজার নাম এমসওয়াতি তৃতীয়। ২০১৮ সালে রাজা দেশটির নাম পরিবর্তন করে সোয়াজিল্যান্ডের বদলে রাখেন ইসোয়াতিনি, এর অর্থ সোয়াজি জাতির ভূমি। গর্বের নাম নিশ্চয়। কিন্তু দেশটিতে রাজাই সব। তিনি অনেক ক্ষেত্রে সরাসরি রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ করেন বলে জানা যায়।

সবচেয়ে পুরোনো রাজতন্ত্র কোনটি

এখানে একটি চমক আছে। একসময় বলা হতো, ব্রিটিশ রাজ্যে সূর্য ডোবে না। অর্থাৎ ব্রিটিশরা তাদের রাজ্য প্রায় পুরো পৃথিবীতে সম্প্রসারণ করেছিল উপনিবেশ তৈরির মাধ্যমে। কিন্তু রাজতন্ত্রের ঐতিহ্যের নিরিখে জাপান সম্রাটদের বংশধারা ব্রিটিশ রাজপরিবারের চেয়ে প্রায় দেড় হাজার বছরের পুরোনো।

বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন ধারাবাহিক রাজতন্ত্র হিসেবে জাপানের নাম উল্লেখ করা হয়। ধারণা করা হয়, জাপান সম্রাটের বংশধারা ২ হাজার ৬০০ বছরের বেশি পুরোনো। দেশটির রাজতন্ত্র কখনো পুরোপুরি বিলুপ্ত হয়নি—এটাই এর বিশেষত্ব। জাপানের বর্তমান সম্রাটের নাম নারুহিতো। তিনি দেশটির ১২৬তম সম্রাট হিসেবে ক্রাইস্যান্থেমাম সিংহাসনে আরোহণ করেন ২০১৯ সালের ১ মে। নারুহিতো তাঁর বাবা সম্রাট আকিহিতোর কাছ থেকে সিংহাসনের উত্তরাধিকার পান।

যুক্তরাজ্য

সম্ভবত পৃথিবীর বেশি পরিচিত রাজপরিবার যুক্তরাজ্যের। আমাদের দেশও একসময় তাদের রাজ্যের অংশ ছিল। এই দেশ একসময় গ্রেট ব্রিটেন বা শুধু ব্রিটেন নামে পরিচিত ছিল। সেই সূত্রে সে দেশের মানুষ আমাদের দেশে পরিচিত ছিল ব্রিটিশ হিসেবে। এ দেশের রানি ভিক্টোরিয়ার নামেই শুরু হয়েছিল ভিক্টোরিয়ান যুগের। তার ছাপ আছে আমাদের দেশের স্থাপনা, চিত্রকর্মসহ বিভিন্ন মাধ্যমে।

যাহোক, যুক্তরাজ্য এখন আর পূর্ণ রাজতান্ত্রিক দেশ নয়, সাংবিধানিক রাজতন্ত্রের দেশ। এ দেশের রাজা চার্লস তৃতীয়। বলা হয়ে থাকে, এ রাজপরিবারের ঐতিহ্য প্রায় হাজার বছরের পুরোনো।

ডেনমার্ক

ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন রাজপরিবার আছে ডেনমার্কে। এই রাজতন্ত্রের ইতিহাস শুরু হয় দশম শতক থেকে। ফ্রেডরিক দশম বর্তমানে এ দেশের রাজা। রাজা থাকলেও দেশটি আসলে সাংবিধানিক রাজতন্ত্রে বিশ্বাস করে। ডেনমার্ক অত্যন্ত ধনী এবং আধুনিক একটি দেশ। এ দেশের নাগরিকদের জীবনযাত্রার মান ইউরোপে সেরা। এটি ইউরোপের সবচেয়ে প্রাচীন ও ব্যাপক সমাজকল্যাণমূলক রাষ্ট্রগুলোর একটি।

ধারণা করা হয়, ভাইকিংরা এগারো শ বছর আগে ডেনীয় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে। রাজতন্ত্রের ইতিহাসে ডেনমার্ক ইউরোপের দীর্ঘস্থায়ী রাজ্যগুলোর একটি।

কোন কোন দেশে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়েছে

বিশ্বের প্রায় সব দেশে একসময় রাজতন্ত্র ছিল। অর্থাৎ রাজারা রাজ্য তথা দেশ চালাতেন। কিন্তু পরে প্রায় পুরো পৃথিবীতে রাজতন্ত্র বিলুপ্ত হয়ে প্রজাতন্ত্র বা রিপাবলিকে রূপ নেয়। কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উদাহরণ—

ফ্রান্স: ১৭৮৯ থেকে ১৭৯৯ সাল পর্যন্ত চলা ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে দেশটিতে রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি ঘটে। সে সময় দেশটির রাজা ষোড়শ লুইকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ঘটনা ছিল ইউরোপসহ পশ্চিমা সভ্যতার ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

রাশিয়া: ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের পর দেশটিতে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে। এ ঘটনা ছিল বিশ শতকের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক ঘটনা। সেই বিপ্লবে রাশিয়ার জার নিকোলাস দ্বিতীয় নিহত হন।

চীন: ১৯১১ সালে সংঘটিত সিনহাই বিপ্লবের মাধ্যমে চীনে সাম্রাজ্যভিত্তিক শাসনের পতন ঘটে এবং ১৯১২ সালের ১ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। সে সময় চীনে ছিল ২ হাজার ১৩২ বছরের পুরোনো সাম্রাজ্যের শাসন। দেশটির শেষ সম্রাটের নাম ছিল পুয়ি এবং তিনি যখন পদত্যাগ করেন, সে সময় তাঁর বয়স ছিল ছয় বছর।

জার্মানি: প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয় এবং সেই সূত্রে তীব্র অর্থনৈতিক সংকটের কারণে জার্মানিতে শুরু হয় গণ-অভ্যুত্থান। এর কারণে ১৯১৮ সালের ৯ নভেম্বর জার্মানিতে ৪৭১ বছরের হোহেনজোলারন রাজবংশের অবসান ঘটে। কাইজার উইলিয়াম ২ নেদারল্যান্ডসে নির্বাসিত হলে জার্মানিতে ভাইমার রিপাবলিক বা প্রজাতন্ত্র ঘোষিত হয়।

ইতালি: কোনো আন্দোলনের মাধ্যমে নয়; বরং ১৯৪৬ সালের ২ জুন একটি ঐতিহাসিক গণভোটের মাধ্যমে ইতালিতে রাজতন্ত্রের পতন ঘটে প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে পরাজয়, ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান এবং রাজপরিবারের ভূমিকার প্রতি জন-অসন্তোষের কারণে ইতালীয়রা গণভোট আয়োজন করে আনুষ্ঠানিকভাবে স্যাভয় রাজবংশকে বিদায় জানায়। এর মাধ্যমে ১৮৬১ সাল থেকে চলে আসা ইতালীয় রাজত্বের অবসান ঘটে।

ইরান: ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের মাধ্যমে ইরানের আড়াই হাজার বছরের রাজতান্ত্রিক ইতিহাসের অবসান ঘটে। সে সময় দেশটিতে ছিল পাহলভি রাজবংশের শাসন। শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভি ছিলেন সে সময়ের রাজা। তাঁর স্বৈরাচারী শাসন, পাশ্চাত্য নির্ভরতা, তীব্র অর্থনৈতিক বৈষম্য ও দমনপীড়নের বিরুদ্ধে গণজাগরণ ঘটে যায়। ফলে আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনির নেতৃত্বে ইরান ইসলামি প্রজাতন্ত্রের দিকে পা বাড়ায়।

ইথিওপিয়া: শেবার বিখ্যাত রানি এবং রাজা সলোমনের গল্পখ্যাত দেশ ইথিওপিয়ায় রাজতন্ত্রের ইতিহাস বহু প্রাচীন। এ দেশে খ্রিষ্টপূর্ব ৭ অব্দে রাজতন্ত্রের ইতিহাস পাওয়া যায়। এই দীর্ঘ সময়ে দেশটিতে রাজত্ব করেন বিভিন্ন বংশের রাজারা। বিশ শতকের শেষ দিকে এসে তার সমাপ্তি হয়। ১৯৭৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশটির শেষ সম্রাট হাইল সেলাসি ক্ষমতা ত্যাগ করেন তাঁরই সেনাবাহিনীর কাছে।

নেপাল: আমাদের একেবারে কাছের দেশ নেপাল। হিমালয় কন্যা হিসেবে এর পরিচিতি। ভারতীয় উপমহাদেশের এই দেশে ছিল প্রাচীন রাজতন্ত্রের ঐতিহ্য। তবে মাওবাদী বিদ্রোহের কারণে ২০০৮ সালের ২৮ মে দীর্ঘ ২৪০ বছরের রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে নেপালে। এর পর থেকে দেশটি ফেডারেল ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক বা প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। নেপালের শেষ রাজা ছিলেন জ্ঞানেন্দ্র শাহ।

এই দেশগুলো ছাড়া আরও অনেক দেশ; যেমন গ্রিস, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, আফগানিস্তান ইত্যাদি বিভিন্ন সময়ে রাজতন্ত্র থেকে সরে এসেছে।

পেট্রলপাম্পে উপস্থিত জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬, ১২:৩৪ এএম
পেট্রলপাম্পে উপস্থিত জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

জ্বালানি তেল নিয়ে বাজারে অস্থিরতার মধ্যে নিজ শহর যশোরে হঠাৎ পেট্রলপাম্পে উপস্থিত হয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। আজ শুক্রবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শহরের মনিহারে মনির উদ্দিন ও যাত্রিক পেট্রোলিয়াম সার্ভিস নামের দুটি তেলের পাম্পে যান তিনি। এ সময় তিনি পাম্প দুটির স্টোরেজ যাচাই করেন। পরে পাম্পের মজুত এবং ক্রয়-বিক্রয়ের নথিপত্র দেখেন। এ সময় কিছু অসংগতি পাওয়ায় পাম্পগুলোর কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন তিনি।

পাম্পের সামনে যানচালকদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বলেন, অস্থির হওয়ার কোনো কারণ নেই। দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। সরকার পরিস্থিতির ওপর সার্বক্ষণিক নজর রাখছে। তেল নিয়ে অহেতুক আতঙ্ক না ছড়াতে সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে বাড়তি তেল মজুত না করতে চালকদের প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।

অনিন্দ্য ইসলাম অমিত যশোর-৩ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য। জ্বালানি তেলের সংকট নিয়ে অস্থিরতার জন্য পাম্পমালিক ও ক্রেতারা একে অন্যের ওপর দোষ চাপাচ্ছেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নিজ এলাকায় রাতে হঠাৎ পাম্পগুলো তদারকি করলেন। আর এই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে প্রশংসা করছেন সাধারণ মানুষ। তাঁরা বলছেন, সরকারের এ ধরনের তৎপরতা পাম্পমালিক ও অসাধু ক্রেতাদের সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণে আসবে।

যশোরের পাম্পমালিকেরা জানান, ডিজেলের সরবরাহ মোটামুটি থাকলেও পেট্রল ও অকটেনের তীব্র ঘাটতি রয়েছে। যশোরের অধিকাংশ ফিলিং স্টেশনে ঝোলানো হয়েছে ‘তেল নেই’ সাইনবোর্ড। যে কয়েকটি পাম্পে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে মোটরসাইকেলচালকদের দীর্ঘ লাইন। তেলের খোঁজে অনেক চালককে ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে হচ্ছে। দীর্ঘ পথ ঘুরেও চাহিদা অনুযায়ী তেল পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছেন অনেকে।

যাত্রিক ফিলিং স্টেশনের ব্যবস্থাপক ইকরাম হোসেন অভিযোগ করে বলেন, চাহিদামতো তেল না পাওয়ার পাশাপাশি অনেক চালক দিনে তিন-চারবার করে তেল নিয়ে যাচ্ছেন। অপ্রয়োজনে এই বাড়তি সংগ্রহের কারণেই সাধারণ মানুষ তেল পাচ্ছেন না।

error: Content is protected !!