সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্র কর্তৃক পাচারকৃত যুবককে উদ্ধার

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৪২ পিএম | 86 বার পড়া হয়েছে
আন্তর্জাতিক অপরাধ চক্র কর্তৃক পাচারকৃত যুবককে উদ্ধার

একটি সঙ্ঘবদ্ধ আন্তর্জাতিক মানব পাচারকারী চক্র মিথ্যা প্রলোভন ও প্রতারণার মাধ্যমে বাংলাদেশের নাগরিকদের বিদেশে পাচার করে। তেমনি একটি পাচারকারী চক্রের বাংলাদেশী এজেন্টের সাথে পরিচয় হয় ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া (২৫), পিতা- মোঃ বাবুল বিশ্বাস, সাং- কাঞ্চননগর, থানা- ঝিনাইদহ সদর, জেলা- ঝিনাইদহের। তাকে প্রথমে থাইল্যান্ড এবং পরবর্তীতে ইউরোপের লোভনীয় চাকরির প্রলোভন দেখায়। স্থানীয় এজেন্টের সাথে সাত লক্ষ টাকার বিনিময়ে চুক্তি হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের সরলতার সুযোগ নিয়ে গত ০৯/০৪/২০২৫ তারিখ শাহাজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে থাইল্যান্ড হয়ে কম্বোডিয়াই পাচার করে। ভুক্তভোগী জুয়েল মিয়া কম্বোডিয়া বিমানবন্দরে পৌঁছালে পাচারকারী চক্রের সদস্য গণ তাকে রিসিভ করে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের সীমান্তবর্তী শহর SAMARONG MUNICIPALITY এর O’SMACH নামক স্থানে আটকে রাখে। সেখান থেকে তাকে দিয়ে জোরপূর্বক বিভিন্ন প্রকার অনৈতিক শ্রম প্রদানে বাধ্য করে বিনা পারিশ্রমিক এ। ভুক্তভোগী কে তারা শারীরিক ও মানসিকভাবে অবর্ণনীয় নির্যাতন করতে থাকে। ভিকটিম জুয়েল তার উপর নির্যাতনের কথা তার পরিবারের নিকট জানালে ভিকটিমের বোন রুমা খাতুন স্থানীয় এজেন্টদের সাথে যোগাযোগ করে। এতে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ভিকটিমের উপর নির্যাতনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় এবং পরিবারের সাথে তার যোগাযোগ বন্ধ করে দেয়। ভিকটিম জানতে পারে বাংলাদেশে এজেন্টরা তাকে কম্বোডিয়ান কোম্পানির কাছে বিক্রি করে দিয়েছে। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ভিক্টিম জুয়েল মিয়া বন্দীশালা থেকে পালানোর সুযোগ পান এবং সেখান থেকে পালিয়ে কম্বোডিয়ার রাজধানীর নমপেনে যেতে সক্ষম হন। সেখানে সে খাবার ও আশ্রয়হীনভাবে অবস্থান করছিল। বিষয়টি ভিক্টিম জুয়েল মিয়া তার পরিবারকে জানালে ভিকটিমের বোন মোছাঃ রুমা খাতুন বিজ্ঞ আদালতে মানব পাচার প্রতিরোধ দমন আইন, ২০১২ এর ৬/৭/৮/৯ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। বিজ্ঞ আদালত মামলার তদন্ত ভার জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি), ঝিনাইদহ এর উপর অর্পণ করেন। জেলা গোয়েন্দা শাখার এসআই (নিঃ) গোলাম মোর্শেদ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হন।

পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাহফুজ আফজাল ঘটনাটি অবহিত হয়ে তাৎক্ষণিক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) শেখ বিলাল হোসেনের নেতৃত্বে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি চৌকস টিমকে ভিকটিমকে কম্বোডিয়া থেকে উদ্ধারের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)
শেখ বিল্লাল হোসেন ও অফিসার ইনচার্জ (ডিবি) মোঃ আব্দুল হাশেম সার্বক্ষণিক তদারকি অব্যাহত রাখেন। এক পর্যায়ে গত ইংরেজি ২৩/১২/২০২৫ তারিখ কম্বোডিয়ার ভিকটিমের অবস্থান সনাক্ত করা সম্ভব হয়। পরবর্তীতে বাংলাদেশ পুলিশের National Central Bureau (NBC) শাখার মাধ্যমে Interpol ও কম্বোডিয়া পুলিশের সাথে নিরবিচ্ছিন্ন যোগাযোগ রক্ষা করে ভিকটিমকে উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত ভিকটিম জুয়েল মিয়াকে কম্বোডিয়ান পুলিশ গত ১৯/০১/২০২৬ তারিখে Thai Airlines এর TG585 ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রেরণ করলে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি),
ঝিনাইদহের একটি টিম বিমানবন্দর থেকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ নিয়ে আসে।

অদ্য ২০/০১/২০২৬ তারিখে ভিকটিম জুয়েল মিয়া লোমহর্ষক ভয়াবহ নির্যাতনের বর্ণনা দিয়ে বিজ্ঞ আদালতে জবানবন্দী প্রদান করেছেন। এই আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের সাথে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের সনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

লালমনিরহাটে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

চয়ন কুমার রায় লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
লালমনিরহাটে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

লালমনিরহাট জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (রোববার) জেলা পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ দমনে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশেষ দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
​শাহাদত হোসেন সুমা, বিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)।
​জিন্নাহ আল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)।
​এ কে এম ফজলুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল)।
​জয়ন্ত কুমার সেন, সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল)।
​সালমান ফারুক, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ)।
​এছাড়াও জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ সভায় অংশ নেন।

সভায় বিগত মাসের অপরাধচিত্র তুলে ধরে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পর্যালোচনার মূল বিষয়গুলো ছিল:
​মাদক ও চোরাচালান রোধ: সীমান্তঘেঁষা জেলা হওয়ায় অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান রোধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

​মামলা তদন্ত: গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর তদন্ত দ্রুত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, “জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমুক্ত জেলা গড়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। অপরাধ দমনে কোনো প্রকার শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না।” তিনি পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন এবং সাধারণ মানুষের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সেবা প্রদানের আহ্বান জানান।
​পরিশেষে, ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসারদের মাঝে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

নীতিনৈতিকতাহীন অর্থনির্ভর রাজনীতি দেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি: দেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ

আন্তর্জাতিক রিপোর্টার: মো: সেলিম রানা সৌদি আরব - প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ পিএম
নীতিনৈতিকতাহীন অর্থনির্ভর রাজনীতি দেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি: দেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এম এ রউফ (কাতার) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দেশের রাজনীতি ক্রমেই নীতি-নৈতিকতা থেকে সরে গিয়ে অর্থনির্ভর ও স্বার্থকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে—যা রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও লুটপাট এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক চক্রে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক মনোনয়ন পেতে অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় টাকার প্রভাব এবং ক্ষমতা অর্জনে অর্থের ব্যবহার—এসব কারণে রাজনীতি জনসেবার পথ থেকে সরে গিয়ে ব্যক্তিস্বার্থের হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরি পেতে ঘুষ এবং পদোন্নতির জন্য প্রভাব ও অর্থের ব্যবহার একটি সাধারণ চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে যারা এভাবে অর্থ ব্যয় করে পদ অর্জন করেন, তারা পরে জনগণের কাছ থেকে সেই অর্থ সুদে-আসলে আদায়ের প্রবণতায় লিপ্ত হন। এতে দুর্নীতি একটি চক্রে পরিণত হয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অর্থলোভী ব্যক্তি কখনোই নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শ ধরে রাখতে পারে না। তারা প্রয়োজনে দল ও অবস্থান পরিবর্তন করলেও তাদের মানসিকতা অপরিবর্তিত থাকে। তাই শুধু দল পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়; প্রয়োজন রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও মানসিকতার মৌলিক পরিবর্তন।
সংগঠনটি আরও জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সৎ ও দেশপ্রেমিক মানুষ ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে, আর অসৎ ও লোভী ব্যক্তিরা সমাজে প্রভাবশালী হয়ে উঠছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়বে এবং জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়—অর্থলোভী ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রতিহত করতে হবে। জনগণকে ব্যক্তি নয়, বরং চরিত্র, সততা ও কাজের ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজনীতিকে পুনরায় নীতি, সততা, জবাবদিহিতা ও জনসেবার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই দেশ প্রকৃত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারবে।

প্রকাশক:
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
দেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ
এম এ রউফ (কাতার)
কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব।

গাজীপুরের কোনাবাড়ি ফ্লাইওভারে মিনিবাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

দিশা আক্তার | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৯ এএম
গাজীপুরের কোনাবাড়ি ফ্লাইওভারে মিনিবাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী মিনিবাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। রোববার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সন্ধ্যায় ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
‎পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে তাকওয়া পরিবহনের একটি মিনিবাস কালিয়াকৈরের চন্দ্রার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের মাঝামাঝি এলাকায় বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয় মিনিবাসটি। এতে মিনিবাসটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহত হন অন্তত ১৫ জন।
‎দুর্ঘটনার পর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। আহতদের বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎এ ঘটনায় প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে, ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি ফ্লাইওভার থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
‎গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক রেজাউল করীম জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় এক ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

error: Content is protected !!