সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ৬ এপ্রিল ২০২৬, ২৩ চৈত্র ১৪৩২

লালমনিরহাটে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৪ পিএম | 13 বার পড়া হয়েছে
লালমনিরহাটে জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 

লালমনিরহাট জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (রোববার) জেলা পুলিশ লাইন্স মিলনায়তনে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন লালমনিরহাট জেলার পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান। সভায় জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধ দমনে পুলিশ কর্মকর্তাদের বিশেষ দিক-নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সভায় জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন:
​শাহাদত হোসেন সুমা, বিপিএম (বার), অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ)।
​জিন্নাহ আল মামুন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্)।
​এ কে এম ফজলুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এ-সার্কেল)।
​জয়ন্ত কুমার সেন, সহকারী পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল)।
​সালমান ফারুক, সহকারী পুলিশ সুপার (শিক্ষানবিশ)।
​এছাড়াও জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং জেলা পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ সভায় অংশ নেন।

সভায় বিগত মাসের অপরাধচিত্র তুলে ধরে জেলার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশের সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পর্যালোচনার মূল বিষয়গুলো ছিল:
​মাদক ও চোরাচালান রোধ: সীমান্তঘেঁষা জেলা হওয়ায় অবৈধ মাদকদ্রব্য উদ্ধার এবং সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান রোধে জিরো টলারেন্স নীতি বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়।

​মামলা তদন্ত: গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর মামলাগুলোর তদন্ত দ্রুত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন পুলিশ সুপার।

সভাপতির বক্তব্যে পুলিশ সুপার আসাদুজ্জামান বলেন, “জনসাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমুক্ত জেলা গড়াই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। অপরাধ দমনে কোনো প্রকার শিথিলতা প্রদর্শন করা হবে না।” তিনি পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন এবং সাধারণ মানুষের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রেখে সেবা প্রদানের আহ্বান জানান।
​পরিশেষে, ভালো কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ পুলিশ অফিসারদের মাঝে সম্মাননা ও পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

নীতিনৈতিকতাহীন অর্থনির্ভর রাজনীতি দেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি: দেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ

আন্তর্জাতিক রিপোর্টার: মো: সেলিম রানা সৌদি আরব - প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০২ পিএম
নীতিনৈতিকতাহীন অর্থনির্ভর রাজনীতি দেশের জন্য ভয়াবহ হুমকি: দেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ

বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে “দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ। সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা এবং কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব এম এ রউফ (কাতার) এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, দেশের রাজনীতি ক্রমেই নীতি-নৈতিকতা থেকে সরে গিয়ে অর্থনির্ভর ও স্বার্থকেন্দ্রিক হয়ে উঠছে—যা রাষ্ট্রের জন্য মারাত্মক হুমকি।

বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে হাজার হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ও লুটপাট এখন আর বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক চক্রে পরিণত হয়েছে। রাজনৈতিক মনোনয়ন পেতে অর্থ ব্যয়ের প্রবণতা, নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় টাকার প্রভাব এবং ক্ষমতা অর্জনে অর্থের ব্যবহার—এসব কারণে রাজনীতি জনসেবার পথ থেকে সরে গিয়ে ব্যক্তিস্বার্থের হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে।
নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরি পেতে ঘুষ এবং পদোন্নতির জন্য প্রভাব ও অর্থের ব্যবহার একটি সাধারণ চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে যারা এভাবে অর্থ ব্যয় করে পদ অর্জন করেন, তারা পরে জনগণের কাছ থেকে সেই অর্থ সুদে-আসলে আদায়ের প্রবণতায় লিপ্ত হন। এতে দুর্নীতি একটি চক্রে পরিণত হয়ে রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে পড়ছে।
বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, অর্থলোভী ব্যক্তি কখনোই নীতি-নৈতিকতা ও আদর্শ ধরে রাখতে পারে না। তারা প্রয়োজনে দল ও অবস্থান পরিবর্তন করলেও তাদের মানসিকতা অপরিবর্তিত থাকে। তাই শুধু দল পরিবর্তন করে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়; প্রয়োজন রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও মানসিকতার মৌলিক পরিবর্তন।
সংগঠনটি আরও জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সৎ ও দেশপ্রেমিক মানুষ ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছে, আর অসৎ ও লোভী ব্যক্তিরা সমাজে প্রভাবশালী হয়ে উঠছে। এ ধারা অব্যাহত থাকলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়বে এবং জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
“দেশবন্ধু” রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়—অর্থলোভী ও দুর্নীতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে প্রতিহত করতে হবে। জনগণকে ব্যক্তি নয়, বরং চরিত্র, সততা ও কাজের ভিত্তিতে নেতৃত্ব নির্বাচন করতে হবে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, রাজনীতিকে পুনরায় নীতি, সততা, জবাবদিহিতা ও জনসেবার ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠা করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তাহলেই দেশ প্রকৃত উন্নয়নের পথে এগিয়ে যেতে পারবে।

প্রকাশক:
অ্যাডভোকেট এ এন এম ঈসা
প্রতিষ্ঠাতা ও কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক
দেশবন্ধু রেমিটেন্স যুদ্ধা সংসদ
এম এ রউফ (কাতার)
কেন্দ্রীয় সদস্য সচিব।

গাজীপুরের কোনাবাড়ি ফ্লাইওভারে মিনিবাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

দিশা আক্তার | স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৯ এএম
গাজীপুরের কোনাবাড়ি ফ্লাইওভারে মিনিবাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ১৫

গাজীপুরের কোনাবাড়ী এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের সঙ্গে যাত্রীবাহী মিনিবাসের সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ১৫ জন। রোববার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সন্ধ্যায় ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কের গাজীপুর মহানগরের কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে।
‎পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সন্ধ্যা ৬টার দিকে চান্দনা চৌরাস্তা থেকে তাকওয়া পরিবহনের একটি মিনিবাস কালিয়াকৈরের চন্দ্রার উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। পথে কোনাবাড়ী ফ্লাইওভারের মাঝামাঝি এলাকায় বিকল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে সজোরে ধাক্কা দেয় মিনিবাসটি। এতে মিনিবাসটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়। আহত হন অন্তত ১৫ জন।
‎দুর্ঘটনার পর পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। আহতদের বিভিন্ন ক্লিনিক ও হাসপাতালে পাঠানো হয়। নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
‎এ ঘটনায় প্রায় এক ঘণ্টা ঢাকা–টাঙ্গাইল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকে, ফলে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন দুটি ফ্লাইওভার থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
‎গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কোনাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক রেজাউল করীম জানান, নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে এবং আহতদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। প্রায় এক ঘণ্টা পর মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শীর্ষ সন্ত্রাসী শংকর শীলকে ঘিরে আতঙ্ক; পুনর্বাসনের অভিযোগে ক্ষোভ, সহিংসতার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা সংবাদদাতা প্রকাশিত: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৫৭ এএম
শীর্ষ সন্ত্রাসী শংকর শীলকে ঘিরে আতঙ্ক; পুনর্বাসনের অভিযোগে ক্ষোভ, সহিংসতার আশঙ্কায় সাধারণ মানুষ

লেমুয়া ইউনিয়নে রাজনৈতিক নির্যাতনের ভয়াবহ অভিযোগ।

অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি, আতঙ্কে সাধারণ মানুষ

ফেনী সদর উপজেলার ৯ নম্বর লেমুয়া ইউনিয়নে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা, নির্যাতন এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের গুরুতর অভিযোগ তুলে স্থানীয়দের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও আতঙ্ক বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দাবি, বিগত সরকারের সময় একটি প্রভাবশালী চক্রের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর চালানো হয়েছে দমন-পীড়ন, মিথ্যা মামলা, গ্রেফতার এবং সহিংসতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশারফ হোসেন নাসিমের নেতৃত্বে একটি শক্তিশালী বলয় গড়ে ওঠে, যারা পুরো ইউনিয়নের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। অভিযোগ রয়েছে, তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী নুরুল আমিন এবং যুবলীগ নেতা শংকর শীল এ কর্মকাণ্ডে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের তালিকা তৈরি করে প্রশাসনের কাছে সরবরাহ করা হতো এবং সেই অনুযায়ী চালানো হতো অভিযান। এসব অভিযানে অনেক নিরীহ মানুষ রাজনৈতিক পরিচয়ের কারণে হয়রানি ও দীর্ঘদিন কারাভোগ করেছেন।
বিশেষ করে শংকর শীলকে কেন্দ্র করে নানা গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে ব্যক্তিগত বিরোধেও মানুষকে মিথ্যা মামলায় জড়াতেন। সামান্য বিষয়েও মারধর, হামলা ও মামলা ছিল নিত্যদিনের ঘটনা, ফলে পুরো ইউনিয়নে ভয়ের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।
২০১৩-২০১৪ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় ভাঙ্গার তাকিয়া এলাকায় একটি অবস্থান কেন্দ্র স্থাপন করে সেখানে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে নিয়মিত মহড়া দেওয়া হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। ফেনীগামী বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের আটক করে মারধর এবং পরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি করেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সন্ধ্যার পর বাড়ি বাড়ি অভিযান চালানো হতো। এসব অভিযানে কাউকে না পেলে ঘরবাড়ি ভাঙচুর ও লুটপাট করা হতো। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, এসব ঘটনায় শংকর শীলসহ তার সহযোগী পঙ্কজ, আজাদ, দাউদ ও সমীরকে অস্ত্রসহ দেখা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, শংকর শীলের কাছে একটি শটগান ও পিস্তল ছিল, যা তৎকালীন চেয়ারম্যানের অস্ত্র বলে ধারণা করা হয়। গত ৫ আগস্টের পর চেয়ারম্যান এলাকা ত্যাগ করলেও এসব অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। এতে করে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে বড় ধরনের সহিংস ঘটনা ঘটতে পারে।
এছাড়া ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট ফেনীতে ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনাতেও শংকর শীলের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সেদিন তাকে অস্ত্রসহ দেখা গেছে।
অন্যদিকে, শংকর শীলের ভাই দীপঙ্কর শীলকে নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি ফেনী পৌরসভায় অস্থায়ী চাকরি হারানোর পর নিজেকে বিএনপির কর্মী পরিচয় দিয়ে পুনরায় চাকরিতে বহাল হন এবং প্রভাবশালী নেতাদের সুপারিশের কথা প্রচার করেন। তবে স্থানীয় বিএনপি নেতারা এসব দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন।
লেমুয়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি সভাপতি ফেরদৌস কোরাইশি, সাবেক যুবদল নেতা নিজাম উদ্দিন, সাবেক কৃষক দল নেতা মহিউদ্দিন এবং বর্তমান কৃষক দল সভাপতি সুজল হকসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ প্রশাসনের প্রতি দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। তারা অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে জরুরি পদক্ষেপ এবং অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এলাকাবাসীর মতে, পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না আনলে লেমুয়া ইউনিয়নে যে কোনো সময় বড় ধরনের সহিংসতা ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াবে।

error: Content is protected !!