মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২
মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২

সাতক্ষীরায় অবৈধ ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:১১ পিএম | 57 বার পড়া হয়েছে
সাতক্ষীরায় অবৈধ ডাম্পারের ধাক্কায় প্রাণ গেল পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীর

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলায় অবৈধভাবে চলাচলকারী একটি ডাম্পারের সঙ্গে মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে মাহির হোসেন (১১) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) দুপুর আনুমানিক ১২টার দিকে কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বেজুয়া গ্রামে বেজুয়া সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাহির হোসেন বেজুয়া গ্রামের রবিউল গাজীর ছেলে এবং বেজুয়া ফরিদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাহির তার বাবার সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে যাচ্ছিল। এ সময় মাটি বহনকারী একটি ডাম্পারের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে মাহির গুরুতর আহত হয়। তবে তার বাবা তুলনামূলকভাবে অল্প আহত হন বলে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত আহত মাহিরকে উদ্ধার করে নিকটস্থ এক পল্লী চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান। অবস্থার অবনতি হলে তাৎক্ষণিকভাবে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার কিছুক্ষণ পরই কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহির হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দুর্ঘটনাকবলিত ডাম্পারটি মাটি ভরাটের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছিল এবং সেটি কোনো বৈধ কাগজপত্র ছাড়াই সড়কে চলাচল করছিল। অভিযোগ রয়েছে, বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের ফরিদপুর গ্রামের বাবুর আলী গাজীর ছেলে সিরাজুল ইসলাম ওই ডাম্পারটি কন্ট্রাক্টের মাধ্যমে নিয়ে আসেন।
দুর্ঘটনার পর ঘাতক ডাম্পারটি সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শেখ জাহিদ আলমের হেফাজতে আটক রাখা হয়েছে। খবর পেয়ে কালিগঞ্জ থানার পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং বিষয়টি তদন্ত শুরু করেছে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নিহত মাহির হোসেনের মরদেহ সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে পরিবারের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি চলছিল। একই সঙ্গে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতিও চলছিল বলে জানা গেছে।
এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা অবিলম্বে অবৈধ ডাম্পার চলাচল বন্ধ, সড়ক নিরাপত্তা জোরদার এবং দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

ভয়েস অব কাজিপুরের উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

অঞ্জনা চৌধুরী, নির্বাহী সম্পাদক, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৮:০৫ পিএম
ভয়েস অব কাজিপুরের উদ্যোগে হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ

সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় জনপ্রিয় সামাজিক সংগঠন ভয়েস অব কাজিপুর–এর উদ্যোগে অসহায় ও হতদরিদ্র মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। পবিত্র রমজান মাসকে সামনে রেখে মানবিক এই কার্যক্রম স্থানীয় মানুষের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

রোববার সকাল ১১টায় কাজিপুর উপজেলার মেঘাই এলাকার ১ নং বাঁধে প্রায় ২০০টি হতদরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। এলাকার দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে এসব খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে সংগঠনের নেতাকর্মীরা সকাল থেকেই প্রস্তুতি নেন। পরে সুশৃঙ্খলভাবে তালিকাভুক্ত পরিবারের হাতে ইফতার সামগ্রীর প্যাকেট তুলে দেওয়া হয়।

প্রতিটি প্যাকেটে ছিল নিত্যপ্রয়োজনীয় বিভিন্ন খাদ্যসামগ্রী। এর মধ্যে ছিল সয়াবিন তেল, খেজুর, চিনি, লবণ, ছোলা, মশুর ডাল, ট্যাং, সাবান, গুঁড়া দুধ, বেসন, সেমাই, মুড়ি, খেসারী ডালসহ আরও বেশ কিছু প্রয়োজনীয় দ্রব্য। এসব সামগ্রী দিয়ে একটি পরিবারের কয়েকদিনের ইফতারের প্রয়োজনীয়তা মেটানো সম্ভব হবে বলে আয়োজকরা জানান।

ইফতার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সাজ্জাদুল ইসলাম মিন্টু, আনিছুর রহমান, রোকন সিরাজী ও আব্দুল মজিদ বাবু।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আশকার পাইন, যিনি ভয়েস অব কাজিপুরের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। এছাড়া সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফার্মাসিস্ট কালাম আজাদ, সহ-সভাপতি হাজী নুরুল আমিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আশা সরকারসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাসে অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো একটি মানবিক দায়িত্ব। সমাজের বিত্তবান মানুষ যদি এগিয়ে আসে, তাহলে দরিদ্র মানুষের কষ্ট অনেকটাই লাঘব করা সম্ভব। তারা বলেন, ভয়েস অব কাজিপুর প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সামাজিক ও মানবিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

প্রধান উপদেষ্টা প্রকৌশলী সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “রমজান মাস সংযম, সহমর্মিতা ও মানবিকতার শিক্ষা দেয়। এই মাসে সমাজের অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। ভয়েস অব কাজিপুর সেই দায়িত্ববোধ থেকেই এ ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।”

প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি আশকার পাইন বলেন, “আমাদের সংগঠন সব সময় সাধারণ মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। আজকের এই ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি তারই একটি অংশ। আমরা চাই সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষও যেন সম্মানের সাথে রমজানের ইফতার করতে পারে।”

তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতেও শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও মানবিক সহায়তামূলক নানা কর্মসূচির মাধ্যমে মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবে ভয়েস অব কাজিপুর।

সাধারণ সম্পাদক ফার্মাসিস্ট কালাম আজাদ বলেন, “সংগঠনের সকল সদস্যের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও আরও বড় পরিসরে মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।”

ইফতার সামগ্রী পেয়ে উপকারভোগী পরিবারগুলোর সদস্যরা আনন্দ প্রকাশ করেন এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের অনেকেই বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। এ ধরনের সহায়তা তাদের জন্য অনেক বড় সহায়তা।

স্থানীয়রা জানান, সামাজিক সংগঠন হিসেবে ভয়েস অব কাজিপুর দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় নানা ধরনের মানবিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। অসহায় মানুষের সহায়তা, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিভিন্ন মানবিক উদ্যোগের মাধ্যমে সংগঠনটি ইতোমধ্যেই স্থানীয় মানুষের আস্থা অর্জন করেছে।

আয়োজকরা জানান, ভবিষ্যতেও সমাজের অসহায় মানুষের পাশে থেকে মানবিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করছে ভয়েস অব কাজিপুর।

পবিত্র রমজান মাসে এমন মানবিক উদ্যোগ স্থানীয় মানুষের মাঝে মানবিকতা, সহমর্মিতা ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাঁশখালীতে মোবাইল কোর্টের তথ্য পাচারের দায়ে তিনজনকে কারাদণ্ড

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩৪ পিএম
বাঁশখালীতে মোবাইল কোর্টের তথ্য পাচারের দায়ে তিনজনকে কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলায় রাতের আঁধারে অবৈধভাবে মাটি কাটার বিরুদ্ধে পরিচালিত মোবাইল কোর্ট অভিযানের তথ্য পাচারের অভিযোগে তিনজনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) রাতে উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ওমর সানি এই অভিযান পরিচালনা করেন।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ চক্র মোবাইল কোর্ট অভিযান চলাকালে উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অবস্থান নিয়ে মাটি কাটার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের আগাম সতর্কবার্তা দিয়ে আসছিল। ফলে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছালেও একাধিকবার অভিযান ব্যর্থ হয়। অভিযানের তথ্য ফাঁস হয়ে যাওয়ায় মাটি কাটার কাজে ব্যবহৃত এক্সক্যাভেটর ও মিনি ড্যাম্পার ট্রাক নিয়ে সংশ্লিষ্টরা পালিয়ে যায়।

সর্বশেষ সোমবার (২ মার্চ) রাত ১২টা থেকে ভোর ৩টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত উপজেলার দুটি স্থানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকালে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি লক্ষ্য করা যায়। জালিয়াঘাটা এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় যথারীতি আগাম তথ্য পেয়ে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করলেও পরবর্তীতে পুরো এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একাধিক সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

এ সময় মো. রিদুয়ান (২৯), নুরুল আলম (৪৫) ও মো. ইব্রাহিম (৪৫)-এর মোবাইল ফোনকল রেকর্ডে অভিযানের তথ্য সংশ্লিষ্টদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা স্বীকার করেন, দীর্ঘদিন ধরে মোবাইল কোর্ট অভিযানের খবর পেয়ে মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের ফোনে সতর্ক করে পালিয়ে যেতে সহায়তা করতেন। বিনিময়ে এ চক্রটি মাটি কাটার লভ্যাংশ ভোগ করত।

ঘটনায় বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১০-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে মো. রিদুয়ানকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং নুরুল আলম ও মো. ইব্রাহিমকে ১৫ দিন করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, মো. রিদুয়ানের বিরুদ্ধে পূর্বে বাঁশখালীর পাহাড়ি অঞ্চলে অবৈধ মাটি কাটার একাধিক অভিযোগ থাকলেও এবারই প্রথম তাকে মোবাইল কোর্ট অভিযানে আটক করা সম্ভব হয়েছে।

প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। কৃষি ও প্রকৃতি রক্ষায় অবৈধ মাটি কাটার বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সবাইকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম এলজিইডিতে দুদকের অভিযান

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ প্রকাশিত: সোমবার, ২ মার্চ, ২০২৬, ৫:৩১ পিএম
চট্টগ্রাম এলজিইডিতে দুদকের অভিযান

চট্টগ্রামে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) আওতায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ ও নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (২ মার্চ) দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর এনফোর্সমেন্ট টিম নগরের ষোলশহরে অবস্থিত এলজিইডি কার্যালয়ে এ অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানের বিষয়টি নিশ্চিত করেন দুদক চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এর উপপরিচালক সুবেল আহমেদ। তিনি জানান, হাটহাজারী, কর্ণফুলী ও আনোয়ারা উপজেলায় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাৎ ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এসব অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রয়োজনীয় রেকর্ডপত্র ও দাপ্তরিক নথি তলব করা হয়েছে। অভিযানের সময় এলজিইডি’র প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তরে গিয়ে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে বক্তব্য গ্রহণ করা হয়।
প্রাপ্ত নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে এলজিইডি’র সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দায়-দায়িত্ব নির্ধারণ করে দুদকের এনফোর্সমেন্ট টিম কমিশনের কাছে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (Local Government Engineering Department) দেশের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে থাকে।

error: Content is protected !!