শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ৩০ ফাল্গুন ১৪৩২

গণভোটের প্রচারণায় একই মঞ্চে মুখ্য সমন্বয়ক

Md. Mokbul Hossain
Md. Mokbul Hossain - Mymensingh Bureau Chief, Mymensingh প্রকাশিত: সোমবার, ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:৩৪ পিএম | 68 বার পড়া হয়েছে
গণভোটের প্রচারণায় একই মঞ্চে মুখ্য সমন্বয়ক

ময়মনসিংহ বিভাগীয় প্রশাসন ও বিভাগীয় ইসলামিক ফাউণ্ডেশনের যৌথ আয়োজনে আজ ১৯ জানুয়ারি সোমবার বিকালে নগরীর সার্কিট হাউজ মাঠে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোটের প্রচারণা ও ভোটার উদ্বুদ্ধকরণের উদ্দেশ্যে এ বিভাগীয় ইমাম সম্মেলনে ময়মনসিংহ অঞ্চলের ইমামগণ অংশগ্রহণ করেন।

বিভাগীয় কমিশনার ফারাহ শাম্মী এনডিসি এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইমাম সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণভোট সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (ঐকমত্য) মনির হায়দার, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ ফজলুর রহমান, ডিআইজি মোহাম্মদ আতাউল কিবরিয়া।

প্রধান অতিথি বলেন, ২০২৪ সালে অনেকে প্রাণ দিয়েছে, আহত হয়েছে। একটা জুমুল সরকার কতটুকু করতে পারে, কতদূর করতে পারে, সেটা আপনারা দেখেছেন। প্রেক্ষিতে, একসঙ্গে মিলিত হয়ে আমাদের স্মরণ করা উচিত, আমাদের উপর কী দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ যেন এরকম পরিস্থিতিতে আর না পড়ে। যেন মায়ের বুক আর খালি না হয়। এ দায়িত্বটা আমার আপনার সকলের।

মুখ্য সমন্বয়ক আরো বলেন, ভবিষ্যতে দেশটা কোন দিকে যায় বা নিতে হবে এটা নির্ধারণে আপনাদের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই সুযোগ অনেক রক্তের বিনিময়ে এসেছে। ১৬ বছর একজনের শাসন চলেছে। পূর্বের পরিস্থিতি যদি আর না চান তাহলে পরিবর্তন আনতে হবে। সংবিধানে পরিবর্তন আনতে হবে। যেখানে জনগণের ইচ্ছা প্রাধান্য পাবে। এ ব্যবস্থা চলতে পারে না। এ ব্যবস্থা বন্ধ করবেন কীভাবে। জুলাই সনদের সমর্থনে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে।

তিনি আরও বলেন, বিচার বিভাগকে পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। বাংলাদেশে আপনার আমার অধিকার আরেকজন নিয়ে যাবে এটা বন্ধ করতে হবে। ইনসাফ কীভাবে পাবেন, কীভাবে প্রতিরোধ করবেন, সেটা হচ্ছে গণভোট। চুরির রাস্তা বন্ধ। বাংলাদেশের ভবিষ্যত বিনির্মাণ করতে গণভোটে হ্যাঁ এর বিকল্প কিছু দেখছি না। এটা সরকারের এজেন্ডা নয়। রাজনৈতিক দলগুলোর সাথে আলোচনা করার পর সরকার এটার দায়িত্ব পালন করছে। গোলাপী ব্যালটে হ্যাঁ ভোট দেওয়ার মাধ্যমে নাগরিকের রায় বাস্তবায়িত হবে। না হলে তার বিপরীত।

উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেন, ইমাম সমাজের একজন সম্মানীয় নেতা। আপনার মিম্বার আছে, শ্রোতা আছে। আপনাদের প্রচারণার মাধ্যমে বাংলাদেশ যেন একটি ইনসাফের রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে উঠে। আমরা এমন প্রধানমন্ত্রী চাই, যারা দেশ প্রেমের জন্য জীবন দিবে। সংবিধান সংশোধন করা জরুরি হয়ে পড়েছে। সম্পদের সুষ্ঠু বন্টন এ দেশের জন্য আরো জরুরি।

মতবিনিময় সভায় জাতীয় ইমাম সমিতি, ময়মনসিংহ এর সভাপতি মাওলানা আমিনুল হক, আঞ্জুমান ঈদগাহের ইমাম মাওলানা আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ বিভাগীয় ও জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ, সাংবাদিকবৃন্দ ও গণমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

তাড়াশে গভীর নলকূপের মোটর চুরি, থানায় লিখিত অভিযোগ

খালিদ হাসান,স্টাফ রিপোর্টার,উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৭:১৭ পিএম
তাড়াশে গভীর নলকূপের মোটর চুরি, থানায় লিখিত অভিযোগ
  • তাড়াশে গভীর নলকূপের মোটর চুরির ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এক মৎস্য চাষি। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়ন এর কাস্তা এলাকায়।
  • ‎অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাস্তা গ্রামের বাসিন্দা মো. জহুরুল ইসলাম (৪৩), পিতা—মৃত জাবেদ আলী মন্ডল, তার পুকুরে পানি সেচের জন্য স্থাপিত একটি গভীর নলকূপের মোটর চুরির অভিযোগ এনে তাড়াশ থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত আবেদন করেছেন।
  • ‎অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, গত শুক্রবার (১৩ মার্চ ২০২৬) তারিখ দুপুর আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটের দিকে কাস্তা বাজার সংলগ্ন পাকা রাস্তার পূর্ব পাশে একটি পুকুরের দক্ষিণ-পশ্চিম কোণে স্থাপিত গভীর নলকূপ থেকে মোটরটি চুরি হয়। অভিযোগ অনুযায়ী, অজ্ঞাতনামা ৪–৫ জন দুর্বৃত্ত সিসি ক্যামেরার আওতাধীন স্থানে গিয়ে প্রথমে বিদ্যুৎ সংযোগের মেইন সুইচ বন্ধ করে দেয় এবং পরে মোটরটি খুলে নিয়ে পালিয়ে যায়।
  • ‎পরে বিকাল প্রায় ৪টার দিকে নলকূপের দেখভালের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি ঘটনাস্থলে গিয়ে মোটরটি না পেয়ে বিষয়টি জহুরুল ইসলামকে জানান। খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যালোচনা করেন। ফুটেজে দেখা যায়, দুপুর ১২টা ১৯ মিনিট থেকে ১২টা ২২ মিনিটের মধ্যে ১–২ জন ব্যক্তি বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে মোটর খুলে নিয়ে যায়। তবে ফুটেজ স্পষ্ট না হওয়ায় তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
  • ‎অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, এর আগে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি একই স্থানে স্থাপিত নলকূপের একটি ২০ ওয়াটের হ্যালোজেন লাইট চুরি হয়েছিল। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে আবারও মোটর চুরির ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
  • ‎ক্ষতিগ্রস্ত মৎস্য চাষি মো. জহুরুল ইসলাম জানান, “দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে মোটরটি উদ্ধার এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করছি।”

পাইকগাছা প্রেসক্লাবে একই লীজ ঘের নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতার সাংবাদিক সম্মেলন

বি.সরকার, পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:৪২ পিএম
পাইকগাছা প্রেসক্লাবে একই লীজ ঘের নিয়ে ইউনিয়ন বিএনপি নেতার সাংবাদিক সম্মেলন

পাইকগাছা প্রেসক্লাবে ১৪ মার্চ শনিবার সকালে খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলাধীন ভিলেজ পাইকগাছা গ্রামের বাসিন্দা মৃত কলম সরদার-র পুত্র এবং পাইকগাছা পৌরসদরস্থ রিয়া ট্রেডার্স-র প্রোপ্রাইটর সোলাদানা ইউনিয়ন বিএনপি নেতা মোঃ আমিনুর সরদার সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন যে, পাইকগাছার পারিশামারী মৌজার একটি মৎস্য লীজ ঘের নিয়ে পৌরসভার বাসিন্দা প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী রেজাউল করিম ও ডিলেজ পাইকগাছার বাসিন্দা বিল্লাল মোল্লা এবং কালাম সরদারের গোলযোগের কারণে একটি শালিসে তা’কে আমন্ত্রণ করা হয়। পরে তার নামে চাঁদাবাজীসহ বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরে সোলাদানা ইউনিয়ন জামাতের আমীর গ্রাম্য ডাঃ শফিকুল ইসলাম ও আবুল হাসানের নেতৃত্বে কালাম সরদার গংরা মিথ্যা বানোয়াট সহ কাল্পনিক সাংবাদিক সম্মেলন করেন।
তিনি আরও জানান, পাইকগাছা উপজেলার পারিশামারী মৌজায় বিভিন্ন জমির মালিকদের নিকট থেকে ডিড নিয়ে পাইকগাছার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সেতু ফিসের মালিক মোঃ রেজাউল করিম দীর্ঘ ১০ বৎসরের অধিককাল সময় ধরে ১৭০ বিঘা জমিতে মৎস্য ও ধান্য চাষ করে আসছে, যা এলাকার সর্বশ্রেণীর লোক জানেন। উক্ত লীজ ঘের নিয়ে উপজেলার ভিলেজ পাইকগাছা গ্রামের মোঃ সোহেল উদ্দীন মোল্লার পুত্র আওয়ামীলীগের প্রভাবশালীনেতা মোঃ বিল্লাল হোসেন মোল্লা এবং মৃত নাসের সরদারের পুত্র মোঃ আবুল কালাম আজাদ তাদের জমি আছে বলে দাবী করে দখল-পাল্টা দখলের ঘটনা ঘটায়। এ বিষয়টি নিরসনের জন্য গত ৩মার্চ তারিখ সকাল ১১:০০ ঘটিকায় স্থানীয় পাইকগাছা বাজারের সাদিয়া ফিসের অফিস কক্ষে দলিল লেখক সমিতির সভাপতি গাজী বজলুর রহমান, ডিপো মালিক সমিতির সভাপতি শেখ জালাল উদ্দীন, স্থানীয় মোঃ আবুল হাসান, বিধান চন্দ্র মন্ডল, প্রণব মন্ডল, আজিজুর রহমান, স্থানীয় রাজনৈতিক দলের আসলাম পারভেজ, সেলিম রেজা লাকী সহ অনেকে দুইপক্ষকে নিয়ে আলোচনায় বসলে সেখানে আমাকেও ডাকা হয়। আলোচনার এক পর্যায়ে আওয়ামীলীগনেতা বিল্লাল ও জামাতনেতা আবুল কালাম সরদার বলেন, আমরা এই আলোচনা মানি না। যেহেতু এমপি সাহেব আমাদেরকে বেঁধে নিতে বলেছেন এবং জামাতের সোলাদানা ইউনিয়ন আমীর গ্রাম্য ডাক্তার শফিকুল ইসলাম নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেহেতু আমরা কোন আলোচনার সিদ্ধান্ত মানি না এবং ঘের বাঁধবই। পরবর্তী দিন উক্ত জামাতনেতা কালাম সরদার ১টি সাংবাদিক সম্মেলন করে আমার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজীর অভিযোগ এনেছেন। যার কোন সত্যতা নেই। এমনকি তাদের সাথে আমার কোন কথাই হয়নি। সেক্ষেত্রে চাঁদা চাওয়ার কোন প্রশ্নই আসে না। আমি সোলাদানা ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচিত সাবেক সভাপতি। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য আওয়ামীলীগের ছত্র ছায়ায় থেকে কালাম সরদার এহেন বক্তব্য দিয়ে গত ০৯মার্চ তারিখে পাইকগাছা প্রেসক্লাবে একটি সাংবাদিক সম্মেলন করেছে। যা বিন্দু মাত্রই সত্যতা নেই। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাই। পাশাপাশি গত ১১ মার্চ তারিখে সোলাদানা ইউনিয়নের জামাতের আমীর গ্রাম্য ডাঃ শফিকুল ইসলাম একটি সাংবাদিক সম্মেলন করে নিজেকে উক্ত ঘেরের দখল বিষয়ে সম্পৃক্ততা থাকার কথা স্বীকার করে পাইকগাছার প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী রেজাউল করিমকে আওয়ামীলীগনেতা ও সন্ত্রাসী বলে যে সাংবাদিক সম্মেলন করেছে তা নিজের অপকর্মকে ঢাকার জন্য ছাপাই গাওয়া ছাড়া আর কিছুই নয়। কারণ তিনি এবং আবুল হাসান উক্ত ঘের জবর দখলের সম্পৃক্ততার কথা সাংবাদিক সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন। সেক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত বাবসায়ী রেজাউল করিমের কাছে চাঁদা চাওয়ার বিষয়টি কাল্পনিক নাও হতে পারে। নিজের অপকর্ম ঢাকতে সে রেজাউল করিমকে আওয়ামীলীগ ও সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়েছে। অথচ গত ১৬ বছর রেজাউল করিমের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে বিএনপি ও জামাতের ঘের মালিকরা পোনা মাছ সরবরাহ করত। যে কারণে আওয়ামীলীগের কাছে চাপের মধ্যে ছিল। এমনকি মিথ্যা মামলা-মোকদ্দমায় হয়রানী হতে হয়েছে। গ্রাম্য ডাঃ শফিকুল ইসলাম আওয়ামীলীগনেতা বিল্লাল হোসেনসহ তার অনুসারীদেরকে পুনর্বাসন করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে বিএনপির বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। যা কখনো মঙ্গল বয়ে আনার মত না।
তিনি বলেন, “আমার সঙ্গে তাদের কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন বা কথাবার্তাই হয়নি। সেক্ষেত্রে চাঁদা দাবির প্রশ্নই ওঠে না। আমাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”
তিনি আরও দাবি করেন, ঘের দখল ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তি নিজেদের সম্পৃক্ততার বিষয়ও স্বীকার করেছেন। নিজেদের কর্মকাণ্ড আড়াল করতেই অন্যের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলা হচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আমিনুর সরদার তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তীব্র নিন্দা জানিয়ে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরার জন্য সাংবাদিকদের প্রতি আহ্বান জানান।

কামাল উদ্দীন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ

নওগাঁর আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোদগ

কামাল উদ্দীন টগর, নওগাঁ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: শনিবার, ১৪ মার্চ, ২০২৬, ৬:২২ পিএম
নওগাঁর আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখলের অভিযোদগ

নওগাঁর আত্রাইয়ে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে এক অসহায় বিধবা নারীর জমি অবৈধ ভাবে দখল ও মাছ চুরির অবিযোগ উঠেছে ১। মোঃ আব্দুল জলির পিতা মৃত আপের আলী পিয়াদ২।মোঃ আব্দুর রাজ্জাক মোল্যা পিতা মৃতঃ- বিশু মোল্যা ৩। মোঃ আমজাদ আলী পিতা মৃতঃ- ইনু ৪।মোঃ- মোঃআঃ করিম মেম্বার পিতামৃত অকিম প্রাং সর্ব্ব সাং কাজী পাড়া উপজেলা আত্রাই জেলা নওগাঁ ৫। নুরু মোল্যা পিতামৃত আসকর আলী মোল্যা ৬।মেঃ-আব্দু সাত্তার পিতা মৃত উপশেখ,৭। মোঃ সাদ্দাম পিতা মৃত মালেক,৮।মোঃ বুদা পিতামৃত ইশা ৯। মোঃ আব্দুল খালেক ১০।মোঃ জানবক্স মাষ্টার উভয়ের পিতা মৃতকিসম ত আলী ১১।রমজান আলী ফাকু পিতামৃতভোলা ১২।ফিরোজ পিতামৃত নিয়ামত আলী,১৩।ময়না পিতা মৃত ইয়াকুব আলী ১৪। মোঃ আব্দুল গফুর পিতা মৃত ইসমাইল ১৫।মোঃ বক্কর পিতা মৃত খলিল,১৬। মনি পিতা রইচউদ্দিন সর্ব্ব সাং ঘোষ পাড়া ১৭। মোঃ মোজাম পিয়াদা পিতা মৃত নজের আলী পিয়াদা ১৮। মোঃ আঃ রহমান পিয়াদা পিতামৃত সন্তোশ পিয়াদা সর্ব্ব সাং পিয়াদা পাড়া থানা আত্রাই জেলা নওগাঁ বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভূক্ত ভোগী ওই নারী নওগাঁর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রে ট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। এছাড়া ওই জমিতে ফৌজদারি কযবিধি ১৪৪?১৪৫ ধারা জারি রয়েছে।
মামলা ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আত্রাই উপজেলার ৩নং আহসানগন্জ ইউনিয়ন এলাকার মৌজা আমরুল কসবা সাবেক খতিয়ান নং৯২/৫৩২ সাবেক দাগ নং৫১ হাল ৫৩ ও সাবেক ৯৫ হাল ৯৮ মোট ১৩.২০ একর জমির মালিক অসহায় বিধবা ময়না বেওয়া। বিভিন্ন সূত্রে জমি ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু ওই জমিতে চোখ পড়ে ভূমি দস্যু আব্দুল জলি গং এর এবং আমার জমিতে খনন করে মাছ চাষ করতে গেলে আমি একজন অসহায় বিধবা নারী হয়ে বাধা দিলে আমাকে অকত্য ভাষায় গালিগালাজ এবং প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে। আমি নিরুপায় হয়ে স ্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, উঋপজেলা নি বাহী অফিসার, সহকারী কমি শনার ভূমি আত্রাই থানা অফিসার ইনচাজ মহোদয়ের নিকট লিখিত অভিযোগ দিলেও আমি কোন সুরহা পাই নাই। আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমার নামিয় সম্পতিতে জোর পূবক মাছ ধরেছে ইহাতে আমার প্রায় এক লক্ষ টাকার মাছ চুরি করে নিয়ে যায় উকাত বিবাদিগন।
মামলার বাদি ময়না বেগম বলেন ক্রয় ও বিভিন্ন সূত্রে১৩.২০ একর সম্পত্তির মালিক আমি। মিউটেশন করে ভোগ দখলে আছি। অন্তবতীকালীন সরকার আশার পর আঃ জলিল ও তারঁ সন্ত্রাসী দলবল দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে আমার জমিতে অবৈধ দখল মাছ ধরে চুরি করে নিয়ে যায়। এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শেখ মোঃ মন্জুরুল আলম ম ন্জু বলেন এবিষয়ে এলাকার লোকজন আমার নিকট এসেছিলেন আমি বিষয় টি সহকারী কমিশনার ভূমি মহোদয়ের নিকট জানালে তিনি সাভেয়ার সাহেব কে মাপ যোগ করে দেখা যায় উক্ত জমি এক নম্বর খাস এবং সেখানে সরকারী ভাবে খাল খনন করা হয়েছে।এবং ইউ জমির খাজনা প্রদান করে চেক কাটা নাই। আসলে উক্ত সম্পত্তি ১ নম্বর খাস খতিয়ান ভূক্ত সম্পত্তি বলে জানান। আত্রাই থানার অফিসার ইনচাজ মে াঃ আব্দুল করিম বলেন কেউ যদি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে তাহলে তারঁ বিরুদ্ধে আইন গত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

error: Content is protected !!