মোঃ রেজাউল ইসলাম লিটন নীলফামারী
নীলফামারীতে জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের উদ্যোগে চুরি হওয়া ১০দশটি গরু উদ্ধার
নীলফামারীতে চুরি হওয়া ১০টি গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ ও স্থানীয় প্রতিনিধি। এ ঘটনায় চোরচক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
চোর সদস্য সুজনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১১ মার্চ রাত ১২টা ৪০ মিনিটে সুজনের বাড়ির পেছনের ভুট্টাক্ষেত থেকে একটি ও তার বাড়ি থেকে দুইটি গরু উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পুলিশ স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে তরুনীবাড়ি গ্রামের মোস্তাকিন নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে অভিযান চালায়। পরে তার বাড়ির একটি টিনশেড ঘর থেকে মোট ছয়টি গরু উদ্ধার করা হয়।
পরবর্তীতে শুক্রবার সন্ধ্যায় চেয়ারম্যান ও গ্রাম পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে তরণী বাড়ির বাসিন্দা ইমান আলীর বসতবাড়ি হতে একটি বিদেশি গরু উদ্ধার করা হয়।
পলাশবাড়ী ইউনিয়ন গ্রাম পুলিশের সর্দার সন্তোষ জানান পলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম তালুকদারের প্রচেষ্টার মাধ্যমে তরুনী বাড়ি ইমান আলীর বসতবাড়ী হতে ১ বিদেশি গরু উদ্ধার করতে সক্ষম হই।
ইউপি সদস্য বিনয় কুমার রায় বলেন গরু চুরির বিষয়ে চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় পুরো ইউপি সদস্য গ্রাম পুলিশ এবং প্রশাসনসহ আমরা একটা বৈঠক করি এবং সকলেরই সহযোগিতায় গরু উদ্ধার করতে সক্ষম হই।
পলাশবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইব্রাহিম তালুকদার বলেন, প্রতিনিয়ত গরুচুরি হওয়ার ঘটনায় আমি একটি জরুরী মিটিং এর ব্যবস্থা করি। এই মিটিংয়ে আমার পরিষদের সকল সদস্য গ্রাম পুলিশ ও প্রশাসন উপস্থিত ছিলেন। এবং সেখানে আমি ঘোষণা দেই যদি চুরি হওয়া গরু এবং চোরকে ধরতে আমরা কেউ সক্ষম হই তাহলে আমি ১ লক্ষ টাকা পুরস্কার দিব।পরবর্তীতে আমাদের সকলের তৎপরতায় এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় আমরা চোর সদস্যের একজন ও দশটি গরু উদ্ধার করতে সক্ষম হই।আমাদের ও পুলিশের এই অভিযান অব্যাহত আছে এবং থাকবে।
এ ঘটনায় জড়িত অন্যান্য চোর সদস্যদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন নীলফামারী জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) এ.বি.এম. ফয়জুল ইসলাম।














