বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২

বরিশাল বিভাগে ভোটের লড়াইয়ে ৩ নারী প্রার্থী

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬, ৬:৫৬ পিএম | 70 বার পড়া হয়েছে
বরিশাল বিভাগে ভোটের লড়াইয়ে ৩ নারী প্রার্থী

বাংলাদেশের ক্ষেত্রে রাজনীতির মাঠে নারীর পথচলা এখনো সহজ নয়। প্রতিটি ধাপে লড়াই, প্রতিটি মুহূর্তে প্রমাণের চাপ। তবুও সাহস হারাননি বরিশাল বিভাগের তিন নারী। পুরুষপ্রধান রাজনীতির কঠিন বাস্তবতায় দাঁড়িয়ে তারা ভোটের মাঠে নামিয়েছেন নিজেদের স্বপ্ন, যোগ্যতা আর পরিবর্তনের বার্তা। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই তিন নারী প্রার্থী এখন আলোচনার কেন্দ্রে ভোটারদের কৌতূহল, আশার আলো এবং নতুন সম্ভাবনার প্রতীক হয়ে উঠেছেন তারা।

নির্বাচন সূত্র বলছে, বরিশাল ও ঝালকাঠির তিনটি আসনে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন এই তিন নারী। পেশাগত দক্ষতা, সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং আর্থিক স্বচ্ছতার কারণে তারা ইতোমধ্যেই ভোটারদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। আলোচিত এই তিন প্রার্থী হলেন- বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল (বাসদ)-এর মনীষা চক্রবর্তী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর ডা. মাহমুদা আলম মিতু এবং বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো।

বরিশাল-৫: গরিবের ডাক্তার মনীষা চক্রবর্তী:
বরিশাল সদর ও সিটি করপোরেশন নিয়ে গঠিত বরিশাল-৫ আসনে বাসদ থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মনীষা চক্রবর্তী। তিনি একজন এমবিবিএস চিকিৎসক ও অবিবাহিত। হলফনামা অনুযায়ী তার বার্ষিক আয় দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা। নগদ অর্থ রয়েছে ১২ লাখ ৬৪ হাজার টাকার বেশি এবং ব্যাংকে জমা আছে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৩১ লাখ টাকা। দীর্ঘদিন ধরে শ্রমজীবী মানুষ, রিকশা ও অটোচালকদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যুক্ত থাকায় তিনি এলাকায় পরিচিত গরিবের ডাক্তার হিসেবে। বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা আরও বেড়েছে। দুটি মামলার একটিতে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন, অন্যটি উচ্চ আদালতের নির্দেশে স্থগিত রয়েছে।

ঝালকাঠি-১: নতুন ধারার মুখ ডা. মাহমুদা আলম মিতু:
ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে এনসিপি থেকে লড়ছেন এমবিবিএস চিকিৎসক ডা. মাহমুদা আলম মিতু। তার বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা। হাতে নগদ অর্থ রয়েছে প্রায় ২৮ লাখ টাকা। স্বামীর নগদ অর্থ প্রায় ৪৬ লাখ টাকা। ব্যাংকে জমাসহ তার মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৭৪ লাখ টাকা এবং স্বামীর সম্পদ প্রায় ৫৩ লাখ টাকা। নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে নির্বাচনে অংশ নিয়ে তিনি ঝালকাঠির রাজনীতিতে নারী নেতৃত্বের এক নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছেন। তরুণ ভোটারদের কাছে তিনি ইতোমধ্যেই কৌতূহলের নাম হয়ে উঠেছেন।

ঝালকাঠি-২: অভিজ্ঞ ইলেন ভুট্টোঃ
ঝালকাঠি সদর ও নলছিটি নিয়ে গঠিত ঝালকাঠি-২ আসনে বিএনপি থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সাবেক সংসদ সদস্য ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো। তিনি সাবেক এমপি জুলফিকার আলী ভুট্টোর সহধর্মিণী। শিক্ষাগত যোগ্যতা এইচএসসি, পেশায় ব্যবসায়ী। বাড়ি ভাড়া ও ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় প্রায় ৬ লাখ ৭৩ হাজার টাকা। নগদ অর্থ রয়েছে ২১ লাখ টাকার বেশি। মোট সম্পদের পরিমাণ প্রায় ১ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। সাবেক এমপি হিসেবে এলাকায় তার ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। তবে দলীয় কোন্দল কাটিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করাই তার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ।

বিএম কলেজ বাংলা বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক জাহান আরা বেগম বলেন, ‘এই তিন নারীর ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও সামাজিক অবস্থান শক্ত হলেও তাদের প্রধান চ্যালেঞ্জ পুরুষপ্রধান রাজনৈতিক কাঠামো এবং শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বীদের মোকাবিলা করা। এই তিন নারীর অংশগ্রহণ বরিশাল বিভাগের নির্বাচনী মাঠে নারীর দৃশ্যমান উপস্থিতি ও নেতৃত্বের পথকে আরও সুদৃঢ় করবে। তারা শুধু প্রার্থী নন তারা এক একটি বার্তা, যে বার্তা বলে দেয় রাজনীতির মাঠে নারীর স্থান আর সীমাবদ্ধ নয়।

তাছলিমা আক্তার মুক্তা

ফুলকে ভালোবাসো

তাছলিমা আক্তার মুক্তা প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:৫৯ পিএম
ফুলকে ভালোবাসো

ফুলের মতো সুন্দর হয়ে
ফোটলে গাছে গাছে ,
কত্ত পাখি আসতো কাছে
আমায় ভালোবাসে ।

মানুষ গুলোও বাসতো ভালো
আসতো আমার কাছে ,
নানা রঙের সুভাষ ছড়িয়ে
থাকতাম তাদের পাশে ।

পাখির সাথে করতাম খেলা
হাওয়ার তালে তালে ,
ভালোবেসে ছোট্ট শিশুকে
চুমু দিতাম গালে ।

কলি হয়ে ফোটাতাম আমি
সোনালী রোদ্দুরে
ভীষণ খুশি থাকতাম মোরা
এই পৃথিবী জুড়ে ।

ছিরো না কেউ ফুল কখনো
ফুলের বাগান থেকে ,
সারাজীবন ফুলরা তোমাদের
সুভাষ যাবে মেখে ।

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী

গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

মোঃ রবিউল ইসলাম মিনাল:গোদাগাড়ী রাজশাহী প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৭ পিএম
গোদাগাড়ীতে অসহায় প্রতিবন্ধী বিধবার জমি দখলের চেষ্টা ও নির্যাতনের অভিযোগ

রাজশাহীর গোদাগাড়ী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের মাদারপুর ডিমভাঙ্গা এলাকায় এক অসহায় শারীরিক প্রতিবন্ধী বিধবা নারীর বসতভিটা দখলের চেষ্টা ও অমানবিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী মোসা. সাবেরা খাতুন তার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয়টুকু রক্ষা এবং জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও পৌরসভার দ্বারে দ্বারে ঘুরলেও দীর্ঘদিন ধরে কোনো প্রতিকার পাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মাদারপুর গ্রামের মৃত আলতাব হোসেনের মেয়ে মোসা. সাবেরা খাতুন তার বাবা-মায়ের রেখে যাওয়া রেলওয়ের জমিতে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। নিঃসন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার সুযোগ নিয়ে প্রতিবেশী প্রভাবশালী মো. শাজাহান আলী ও তার চার ছেলে এসরাইল, ইউসুফ, খালেক ও মোসাহাক ওই জায়গাটি লিখে দেওয়ার জন্য তাকে দীর্ঘকাল ধরে চাপ দিয়ে আসছে।
​জায়গা দিতে অস্বীকার করায় বিবাদীপক্ষ তার ওপর অবর্ণনীয় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সাবেরা খাতুন জানান ​তার বাড়ির সামনে মলমূত্র ও গোবর ফেলে পরিবেশ দূষিত করা হচ্ছে।
​ড্রেন বন্ধ করে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি করা হয়েছে।
​গত ২২ সেপ্টেম্বর রাতে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
​সরকারি টিউবওয়েল দখল ও জনভোগান্তি
​স্থানীয়দের অভিযোগ, অভিযুক্ত শাজাহান আলী ও তার ছেলেরা সরকারিভাবে প্রাপ্ত একটি টিউবওয়েল নিজেদের দখলে নিয়ে ঘিরে রেখেছে। ফলে ওই এলাকার সাধারণ মানুষ খাবার পানি সংগ্রহ করতে পারছেন না। পানি নিতে গেলে স্থানীয়দের সাথেও দুর্ব্যবহার ও হয়রানি করা হয় বলে অভিযোগ তুলেছেন গ্রামবাসী।

​প্রশাসনের নীরবতায় ক্ষোভ
​ভুক্তভোগী সাবেরা খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, আমার কেউ নেই। তারা আমার বাড়িতে তালা মেরে আমাকে বের করে দিতে চায়। আমি থানা ও পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি অনেক আগে, কিন্তু আজ পর্যন্ত কোনো সমাধান পাইনি। আমি এখন প্রাণভয়ে দিন কাটাচ্ছি।
​এলাকাবাসীর মতে, একজন সহায়-সম্বলহীন নারীর ওপর এমন আচরণ চরম অমানবিক। দীর্ঘদিন অভিযোগ পড়ে থাকলেও প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে।

​বর্তমানে সাবেরা খাতুন চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিনাতিপাত করছেন। তিনি তার বসতভিটা রক্ষা এবং নিজের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

এই বিষয়ে অভিযোগ প্রসঙ্গে ইউসুফ আলীর সঙ্গে ফোনে তার কথা বললে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন ।
অভিযোগ প্রসঙ্গে বিস্তারিত জানতে চাইলে প্রশ্নের জবাবে
তিনি সাংবাদিককে বলেন কি ভুলভাল বকছেন, এবং সাংবাদিককে বলে নিউজ করলে দেখে নেব ‌এমন হুমকি প্রদান করে।

হাজী সেলিম

আমি মানুষ, আমি প্রাণ

হাজী সেলিম প্রকাশিত: বুধবার, ৪ মার্চ, ২০২৬, ১:২৪ পিএম
আমি মানুষ, আমি প্রাণ

আমি গরীব হতে পারি, অমানুষ নই,
আমি ক্ষুদ্র হতে পারি, কিন্তু ভীত নই।
আমি হাসাতে পারি, কাঁদাতে নয়,
আমি দূরে থাকি, তবু ভুলি নই।
আমি লিখি সত্যের কাহিনী সবার তরে,
আমি বলি কথা ন্যায়ের সবার তরে।
আমি বাঁচতে চাই কাজের তরে,
আমি মাটির সন্তান, মানবতার তরে।
আমি শত্রুকে দেই ন্যায়ের সাজ,
বন্ধুকে করি আমি অন্তরের পাশে নিজস্ব রাজ।
মিথ্যা, গুজব, অপবাদে আমি প্রতিবাদ,
গোপনে করি অনুসন্ধান, সত্যের খোঁজে সদা প্রবাদ।
আমি কাছে, দূরে, সবজায়গায় বিরাজমান,
সত্যের পথে গাইয়া বেড়াই গুণগান।
কৃষকের ছেলে, রাখালের সন্তান,
গরীবের বন্ধু, দুঃস্থের প্রিয় প্রাণ।
আমি অগ্নিঝরা মত চলি,
সত্য, ন্যায়, মুক্তির বার্তা বয়ে চলি।
আমি সবকিছু নিয়ে কথা বলি,
অপরাধী, অসত্য, অবিচারের বিরুদ্ধে রুখে দিই।
আমি অপরাধীর চেনা,
আমি ঋণী তুমি হিনা।
আমিও ভালোবাসি আজো তোমায়,
ও আমার প্রিয় মাতৃভূমি, ও আমার জন্মভূমি।
আমি দেশের নাগরিক, জাতির গান,
আমি সত্যের যোদ্ধা, ন্যায়ের প্রতীক, মহান।
আমার প্রাণ, আমার ভালোবাসা,
সকল মানুষের, সকল জীবের, মহান মাতৃভূমির তরে।

error: Content is protected !!