শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

কাঠগড়ায় বাবর আজম

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শনিবার, ৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১২:২৫ পিএম | 53 বার পড়া হয়েছে
কাঠগড়ায় বাবর আজম

রান তাড়ায় ওপেনিংয়ে নেমে দলের জয় নিয়ে ফিরেছেন বাবর আজম। উপহার দিয়েছেন পঞ্চাশ ছোঁয়া ইনিংস। কিন্তু মেলবোর্ন রেনেগেডসের বিপক্ষে যে ঘরানার ব্যাটিংয়ে ইনিংসটি সাজিয়েছেন পাকিস্তানি ব্যাটসম্যান, তাতে রীতিমত বিরক্ত অস্ট্রেলিয়ার গ্রেট ক্রিকেটার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট।
সতীর্থের কাঁধে ম্যাচ জেতানোর সব ভার তুলে দিয়ে, নিজে কেবল টিকে থাকার চেষ্টা করায় বাবরের কড়া সমালোচনা করেছেন গিলক্রিস্ট। তার মতে, বিধ্বংসী হতে না পারলেও অন্তত দ্রুত রান করার উপায় বের করা উচিত বাবরের।
মেলবোর্নে বৃহস্পতিবার ১৬৫ রানের লক্ষ্য তাড়ায় ৫৮ রান করতে ৪৬ বল খেলেন সিডনি সিক্সার্সের ওপেনার বাবর। চারটি চারের সঙ্গে স্রেফ একটি ছক্কা মারেন তিনি।
এই ইনিংসে বাবরের স্ট্রাইক রেট ছিল ১২৬.০৮। দলটির হয়ে রান পেয়েছেন এমন ব্যাটসম্যানদের মধ্যে তার স্ট্রাইক রেটই সবচেয়ে কম।
ছয়ে নেমে ২ ছক্কা ও ৩ চারে ১৫ বলে ৩৪ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন জোয়েল ডেভিসেস। তাতে ৫ বল বাকি থাকতে ৬ উইকেট হাতে রেখে জিততে পারে সিডনি সিক্সার্স।
ম্যাচ চলাকালে ফক্স ক্রিকেটে ধারাভাষ্য দেওয়ার সময় বাবরের ব্যাটিংয়ের ধরন বদলাতে বলেন বিশ্বকাপজয়ী কিপার-ব্যাটসম্যান গিলক্রিস্ট।
“বিধ্বংসী ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিচিত নয় বাবর। সে ক্রস ব্যাটে ও স্লগ শটে ছক্কা মারতে যাবে না। (ব্যাট হাতে) তাকে আরও সক্রিয় হতে হবে। স্রেফ বলের সমান রান করে এবং ক্রিজে সঙ্গীর ওপর কাজ শেষ (ম্যাচ জেতানোর) করার সব দায়িত্ব দেওয়ার চিন্তা সে করতে পারে না।”
এমনিতেই টি-টোয়েন্টিতে বাবরের স্ট্রাইক রেট নিয়ে চর্চা হচ্ছে অনেক দিন ধরে। এই কারণে জাতীয় দল থেকেও বাদ পড়েছেন তিনি। স্বীকৃত টি-টোয়েন্টিতে ৩৩৩ ম্যাচ খেলে ১১ হাজার ৬৬৫ রান করেছেন ডানহাতি এই ব্যাটসম্যান। ১১ সেঞ্চুরি ও ৯৭টি ফিফটি আছে তার। কিন্তু স্ট্রাইক রেট কেবল ১২৮.৮৯।
চলতি আসর দিয়ে বিগ ব্যাশে অভিষেক হয় বাবরের। অস্ট্রেলিয়ার ঘরোয়া এই প্রতিযোগিতায় এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচ খেলে দুটি ফিফটি করেছেন তিনি। অন্য তিন ইনিংসে দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে পারেননি।
গত ২০ ডিসেম্বর সিডনি থান্ডারের বিপক্ষে খেলা ৫৮ রানের ইনিংসটিতে তার স্ট্রাইক রেট ছিল ১৩৮.০৯। সেদিন দুটি ছক্কা ও পাঁচটি চার মারেন তিনি ৪২ বল খেলে।

বিয়ের রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে সিজান নামের এক প্রভাবশালী যুবক এখন লাপাত্তা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৯ পিএম
বিয়ের রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে সিজান নামের এক প্রভাবশালী যুবক এখন লাপাত্তা

তারাবির নামাজ পড়ে এসে আমার মাথায় হাত দিয়ে কসম খেয়েছিল!”—বুকফাটা আর্তনাদ নিয়ে প্রেমিকের বাড়ির উঠোনে বসে এভাবেই নিজের
অধিকার দাবি করছেন খাদিজা। আট মাসের প্রেম আর বিয়ের রঙিন স্বপ্ন দেখিয়ে সিজান নামের এক প্রভাবশালী যুবক এখন লাপাত্তা।
​ঘটনার আদ্যোপান্ত:
​প্রেমের নামে প্রতারণা: গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার জঙ্গল মুকুন্দপুর গ্রামের জিয়া খন্দকারের ছেলে সিজান। দীর্ঘ আট মাস ধরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে খাদিজার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলেন তিনি।
​অনশনে প্রেমিকা:
বিয়ের চাপ দিতেই টালবাহানা শুরু করেন সিজান। অবশেষে নিরুপায় হয়ে খাদিজা তাঁর ৪ বছরের কন্যা সন্তানকে নিয়ে প্রেমিকের বাড়িতে হাজির হন। খাদিজা আসার সাথে সাথেই সিজান ও তাঁর পরিবার বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছেন।
​মর্যাদার লড়াই: ভুক্তভোগী খাদিজার স্পষ্ট ঘোষণা—”মর্যাদা না পেলে এখানেই জীবন দেব, কিন্তু অধিকার না নিয়ে ফিরব না।”
​আইনি পদক্ষেপ ও বর্তমান অবস্থা:
কাশিয়ানী থানার ওসি মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন, অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ওই বাড়িতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তবে অভিযুক্ত সিজান পলাতক থাকায় বিষয়টি এখনো অমীমাংসিত। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও খাদিজার অধিকার আদায়ের দাবি
জানিয়েছেন।

জাপানিদের সময়জ্ঞান দেখে বিশ্ব অবাক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৮ পিএম
জাপানিদের সময়জ্ঞান দেখে বিশ্ব অবাক

৫ মিনিট দেরি হওয়ায় পুরো জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানি মন্ত্রী! মাঝরাস্তায় গাড়ি থেকে নেমে দিলেন দৌড়! 🏃‍♀️ জাপানিদের সময়জ্ঞান দেখে বিশ্ব অবাক!
​”দেরি হওয়া মানে কেবল সময় নষ্ট নয়, এটি অন্যের প্রতি শ্রদ্ধার অভাব!”
— এই নীতিতে বিশ্বাসী জাপানের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রতিমন্ত্রী কিমি ওনোদা। মাত্র ৫ মিনিট দেরি করার অপরাধে তিনি যা করলেন, তা বর্তমান বিশ্বের রাজনীতিকদের জন্য এক অনন্য উদাহরণ।
​কী ঘটেছিল সেই সকালে?
​ট্রাফিক জ্যাম বনাম দায়িত্ব:
গত ৬ মার্চ মন্ত্রিসভার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যাওয়ার পথে মহাসড়কে দুর্ঘটনার কারণে যানজটে আটকে যান ৪৩ বছর বয়সী এই মন্ত্রী।
​মন্ত্রীর দৌড়: সময় পেরিয়ে যাচ্ছে দেখে তিনি ট্যাক্সি থেকে নেমে হ্যান্ডব্যাগ হাতে দৌড় শুরু করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই দৃশ্যটি এখন ‘Candy Dash’ নামে ভাইরাল!
​৫ মিনিটের অপরাধ: এত চেষ্টার পরও তিনি যখন পৌঁছান, তখন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে মাত্র ৫ মিনিট বেশি হয়ে গেছে। জাপানি সংস্কৃতিতে ‘৫ মিনিট আগে পৌঁছানো’ নিয়ম, তাই ওনোদার কাছে এটি ছিল বিশাল এক ব্যর্থতা।
​বিরল দৃষ্টান্ত:
অনেকেই হয়তো যানজটের অজুহাত দিতেন, কিন্তু কিমি ওনোদা তা করেননি। তিনি প্রেস ব্রিফিংয়ে মাথা নত করে পুরো জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকার অঙ্গীকার করেছেন।
​আমাদের জন্য শিক্ষা:
আমাদের দেশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেরি করা যেখানে সাধারণ বিষয়, সেখানে জাপানে ৫ মিনিটের মূল্য কতটা—তা এই ভিডিওটি না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। সময়কে শ্রদ্ধা করলে দেশ যে কতটা উন্নত হয়, জাপান তারই প্রমাণ।

৯ বছর ধরে কুড়িয়ে পাওয়া সন্তানকে আগলে রাখছেন আশামনি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
৯ বছর ধরে কুড়িয়ে পাওয়া সন্তানকে আগলে রাখছেন আশামনি

আমি তৃতীয় লিঙ্গ হতে পারি, কিন্তু আমি তো মা!”—৯ বছর ধরে কুড়িয়ে পাওয়া সন্তানকে আগলে রাখছেন আশামনি! 😭 এক অনন্য মাতৃত্বের গল্প!
​জন্ম দিলেই মা হওয়া যায় না, মা হওয়া যায় লালন-পালনে আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসায়। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের আশ্রয়ণ প্রকল্পে থাকা আশামনি আজ সেই অসাধ্য সাধন করেছেন।
নিজে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হয়েও এক অনাথ শিশুকে নিজের বুকের দুধের চেয়েও বেশি মমতায় বড় করে তুলছেন। আজ সেই সন্তান আশিকুর রহমান তাঁর আম্মুর আঁচল ছাড়া কিছুই বোঝে না।
​মমতার এক বিরল ইতিহাস:
​বাচ্চাটিকে বাঁচানোর লড়াই:
৯ বছর আগে এক অসহায় নারীর গর্ভের সন্তান যখন নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল, তখন আশামনি বাধা দেন। নিজের জমানো ৩০ হাজার টাকা দিয়ে সিজারের খরচ চালিয়ে সেই সন্তানকে নিজের কোলে তুলে নেন।
​সংগ্রামী জীবন:
আশামনি কখনো মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে টাকা তোলেন, কখনো নেচে-গেয়ে রোজগার করেন—সবই শুধু ছেলে আশিকের ভবিষ্যতের জন্য।
এখন ছেলের কথা ভেবে রাস্তাঘাট ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে গরু-বাছুর পালন করে সংসার চালানোর স্বপ্ন দেখছেন।
​কোরআনের হাফেজ বানানোর স্বপ্ন: আশামনি চান তাঁর ছেলে বড় আলেম হোক, কোরআনের আলোয় আলোকিত হোক। রাতে যখন ছেলে কোরআন তেলাওয়াত করে, আশামনি সব ক্লান্তি ভুলে একমনে সেই সুর শোনেন।
​ছেলের চোখে মা-ই সব:
৯ বছরের আশিক এখন মাদ্রাসায় যায়। বাড়ি ফিরেই আম্মুকে জড়িয়ে ধরা,
আম্মু ভাত খেয়েছে কি না খোঁজ নেওয়া—তাদের এই স্বর্গীয় বন্ধন দেখলে কারোরই বোঝার উপায় নেই যে আশামনি এই সন্তানের জন্মদাত্রী নন।
​আমাদের শিক্ষা:
সমাজ যাদের অবহেলা করে, সেই তৃতীয় লিঙ্গের একজন মানুষের হৃদয় যে কতটা বিশাল হতে পারে, আশামনি তার জীবন্ত প্রমাণ। তিনি চান
মরার পর যেন তাঁর ছেলে তাঁর কবরে এক মুঠো মাটি দেয়—একজন মায়ের এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে?

error: Content is protected !!