মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

পটুয়াখালীতে যৌতুক মামলার বাদী ফাতেমাকে কোট চত্বরে সতিনের বর্বরোচিত হামলা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৩৩ পিএম | 94 বার পড়া হয়েছে
পটুয়াখালীতে যৌতুক মামলার বাদী ফাতেমাকে কোট চত্বরে সতিনের বর্বরোচিত হামলা

পটুয়াখালী বিঞ্জ আদালতে বাদী মামলার তারিখে হাজিরা দিতে এসে,৬ নাম্বার সতিন ও শশুরের বর্বরোচিত হামলার শিকার হন মামলার বাদী ফাতেমা বেগম। আদালত চত্বরেই, রক্তাক্ত যখম হন দ্বিতীয় স্ত্রী ফাতেমা।

পটুয়াখালী জজ কোর্ট প্রাঙ্গণে, ঘটে গেল এক ন্যক্কারজনক ঘটনা। যৌতুক ও নির্যাতনের মামলায়, আদালতে হাজিরা দিতে এসে, সতিনের হামলার শিকার হয়ে, রক্তাক্ত হয়েছেন দ্বিতীয় স্ত্রী ফাতেমা বেগম। শত শত মানুষের সামনে, আদালত চত্বরেই, ছয় নাম্বার স্ত্রী নাসিমা, তার সতিন ফাতেমার ওপর এ হামলা চালান।

ভুক্তভোগী ও আদালত সূত্রে জানা যায়, নাটোরের বাগাতিপাড়া থানার, কুমরাই গ্রামের, জিয়াউর রহমানের ছয় স্ত্রী। দ্বিতীয় স্ত্রী ফাতেমা বেগমের সাথে, সতেরো বছরের সংসার করেন জিয়াউর সেই সংসারে দুটি সন্তান থাকা সত্ত্বেও, জিয়াউর রহমান গোপনে পরকিয়া করে পরে নাসিমাকে বিয়ে করেন।

এ নিয়ে পারিবারিক কলহ ও যৌতুকের দাবির প্রেক্ষিতে, ফাতেমা বেগম বাদী হয়ে, গত ১৮-৫-২০২৫ আঠারো-ই মে, দুই হাজার পঁচিশ তারিখে, পটুয়াখালী বিঞ্জ আদালতে, স্বামী ও সতিনসহ চার জনের বিরুদ্ধে, যৌতুক নিরোধ আইনের তিন ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নম্বর, সি আর, ৮৫০/২৫ আটশো পঞ্চাশ, বাই, দুই হাজার পঁচিশ।

উক্ত মামলায়, আদালতে তারিখ থাকায় কোটে আসেন, বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষ। কিন্তু আদালত প্রাঙ্গণেই মুখোমুখি হলে, ৬ নাম্বার স্ত্রী নাসিমা, হঠাৎ করে দ্বিতীয় স্ত্রী ফাতেমা বেগমের ওপর চড়াও হন কিল,ঘুসি,থাপ্পড়, মারতে শুরু করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই, নাসিমা তার সতিনকে মারধর শুরু করেন, এবং একপর্যায়ে, রক্তাক্ত জখম করেন। আদালতের মতো সুরক্ষিত স্থানে, এমন হামলার ঘটনায়, উপস্থিত বিচারপ্রার্থী ও আইনজীবীরা, তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

ভুক্তভোগী ফাতেমা বেগম, কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “আমি শুধু বিচার চাইতে এসেছিলাম। আমার দুই সন্তান নিয়ে কোথায় যাব,৩৫ বছর বয়সে কোথায় মাথা গুজবো,ওরা কাকে বাবা বলে ডাকবে। মামলা করেছি দেখি আমার স্বামী ভাল হয়ে যায় কিনা। আর ওরা আমাকে আদালতেই এসে আমাকেসহ আমার বাবার বাড়ীর লকজনকে মেরে ফেলার চেষ্টা করল। আমি এর উপযুক্ত বিচারের দাবী জানাই।

উক্ত ঘটনার বরাত দিয়ে এক নারী বলেন, এমন অমানবিক নির্যাতন কোট চত্বরে আমি আর কখনো দেখি নাই। ১৭ বছর সংসারে ২ সন্তান থাকার পরেও মানুষ কেন যে পরকিয়া করে আমি বুঝি না।

উক্ত ঘটনার ব্যপারে পটুয়াখালী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি, এর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখন পর্যন্ত থানায় কোন অভিযোগ হয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!