মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদে আ.লীগের আমলে মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির তলব
মুন্সিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও স্বৈরাচার অস্ত্রধারী আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন এর আমলে অত্যাচার, জুলুম দুর্নীতি, গুম, খুন, ধর্ষণ অপহরণ চাঁদাবাজি টেন্ডারবাজি, ধান্দাবাজি, দখলবাজি, ক্যাডার বাহিনী নিয়ন্ত্রন,অনিয়মসহ নিজ দলের রাজনীতিবিদদের ঘায়েল প্রতিপক্ষকে কোণঠাসা, অস্ত্রসহ পদপদবী মনোনয়ন বানিজ্য অবৈধ বালু মহল মাদক ব্যবসার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আয় করার নানা অপকর্ম তারা স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের ক্ষমতার আমলে করেননি এমন কোন রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, প্রশাসন ও সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ সহযোগিতায় সন্ত্রাস আর ত্রাসের পেশির জোরে প্রাচ্যের ড্যান্ডি খ্যাত।
বাংলাদেশ সরকার দুর্নীতি দমনের এক তথ্যে মহাপরিচালক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থার আওতায় তদন্তে মামলার আসামিরা হলেন, মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন এর দ্বিতীয় স্ত্রী জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সোহানা তাহমিনা ও সাবেক এমপি মুন্সিগঞ্জ তিন আসনের সংসদ সদস্য মৃণাল কান্তি দাসের স্ত্রী নিলীমা দাস ও সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আনিসউজ্জামান আনিস, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি আফসার উদ্দিন ভূঁইয়া আফসুর ও মিরকাদিম পৌরসভার আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেক মেয়র শহিদুল ইসলাম শাহিনসহ নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে গোয়েন্দা বিভাগে তালিকয়।
মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর মোহাম্মদ মহিউদ্দিন গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর আত্মগোপনে চলে গেছেন। তবে ৪ আগস্ট মুন্সিগঞ্জে শিক্ষার্থীদের ওপরে সশস্ত্র হামলায় তিনজন নিহত হওয়ার ঘটনায় তাদের মুখ্য ভূমিকা রয়েছে বলে গোয়েন্দা সদস্যদের হাতে তথ্য-উপাত্ত রয়েছে এ পরিস্থিতিতে মহিউদ্দিন ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের গতিবিধি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রেখেছেন গোয়েন্দা সংস্থার মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা। সর্বশেষ গোয়েন্দা তথ্য বলছে, এ দম্পতি এখনও দেশেই অবস্থান করছেন। বিদেশে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ার ঝুঁকি নিতে চাইছেন না। নিরাপদে থাকতে ঘন ঘন স্থান পরিবর্তন করছেন তারা।
এবিষয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, অপারেশন ডেভিল হান্টের অভিযানে রাঘব বোয়াল চুনোপুঁটি কেউ ছাড় পাবে না। যারা শয়তান, তারাই ডেভিল হান্টে ধরা পড়বে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কর্মকর্তারাও ছাড় পায়নি।অপারেশন ততদিন চলবে যতদিন ডেভিল মুক্ত না হবে।








