মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

টিএম বুথে অদৃশ্য টাকা: সাহায্যের আড়ালে নিপুণ প্রতারণা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:১৯ পিএম | 104 বার পড়া হয়েছে
টিএম বুথে অদৃশ্য টাকা: সাহায্যের আড়ালে নিপুণ প্রতারণা

এমসি বাজারের ব্যস্ত দিন। এটিএম বুথের সামনে দীর্ঘ লাইন। সেই লাইনেই দাঁড়িয়ে ছিলেন এক বৃদ্ধা, যার কাছে কার্ড আছে কিন্তু প্রযুক্তির মারপ্যাঁচে পিন নম্বর চেপে টাকা তোলার সাহস নেই। তিনি সবসময়ই কারো না কারো সাহায্য নিয়ে টাকা তোলেন। কিন্তু এবারের সাহায্যকারী ছিল এক ভয়ংকর বহুরূপী।

রহস্যের শুরু: একটি শূন্য ব্যালেন্স। বৃদ্ধা যখন সাহায্যের জন্য এক যুবকের হাতে কার্ডটি তুলে দিলেন, তখন কেউ ভাবতেও পারেনি পর্দার আড়ালে কী ঘটছে। যুবকটি নিপুণ হাতে পিন টাইপ করল ঠিকই, কিন্তু টাকা উত্তোলনের বদলে সে ব্যবহার করল ফান্ড ট্রান্সফার অপশন। বৃদ্ধার অজান্তেই মুহূর্তের মধ্যে টাকাগুলো চলে গেল একটি বিকাশ এজেন্টের নম্বরে। যুবকটি শান্ত মুখে কার্ডটি ফেরত দিয়ে বলল, খালা আপনার কার্ডে তো কোনো টাকাই নেই!

মুহূর্তের মোড়: বৃদ্ধার আর্তনাদ ও নাটকীয় ধরা। একজন সাধারণ মানুষের কাছে টাকা নেই শোনাটা কষ্টের, কিন্তু এই বৃদ্ধার কাছে তা ছিল অবিশ্বাস্য। তার সহজাত সন্দেহে তিনি চিৎকার শুরু করতেই পরিস্থিতি বদলে যায়। বাজারের স্থানীয় জনতা ও কৌতূহলী পথচারীরা মুহূর্তেই বুথ ঘিরে ফেলে। পালিয়ে যাওয়ার পথ না পেয়ে ধরা পড়ে যায় সেই সহজ সরল যুবক।

পকেটে মিলল রহস্যময় মাস্টার কি!

জনতা যখন প্রতারককে আটকে তল্লাশি চালায়, তখন বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। তার কাছে পাওয়া যায় একটি নষ্ট এটিএম কার্ড। ধারণা করা হচ্ছে, বৃদ্ধার আসল কার্ডটি বদলে এই নষ্ট কার্ডটি তার হাতে ধরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল তার। কিন্তু সময়ের অভাবে বা বৃদ্ধার তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় সে ধরা পড়ে যায়।

এমসি বাজারের এই ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয়:

* অচেনা মানুষকে কি পিন নম্বর বলা নিরাপদ?

* সহায়তার আড়ালে ওত পেতে থাকা এই ডিজিটাল পকেটমার’রা আসলে কতটা সংঘবদ্ধ?

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!