মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২
মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২

ভূঞাপুরে জামায়াতের পথসভায় ভাঙচুর: হামলা ও হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৪:০৭ পিএম | 171 বার পড়া হয়েছে
ভূঞাপুরে জামায়াতের পথসভায় ভাঙচুর: হামলা ও হুমকির অভিযোগ, থানায় জিডি

টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ফলদাবাজারে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর একটি নির্বাচনী পথসভার পর দলের এক নেতাকে হামলা হুমকি দেওয়া এবং সভাস্থলে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভূঞাপুর থানায় দুটি সাধারণ ডায়রি (জিডি) করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় ফলদা বাজারে জামায়াতে ইসলামীর পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় টাঙ্গাইল-২ আসনের দলীয় মনোনীত এমপি প্রার্থী হুমায়ুন কবির ও জামায়াতে ইসলামীর আমির আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। জামায়াত নেতাদের অভিযোগ করে জানান, সভা চলাকালে স্থানীয় বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের সদস্যরা মিছিল নিয়ে বারবার সমাবেশস্থল প্রদক্ষিণ করে এবং উদ্দেশ্যমূলক স্লোগান দেয়। এতে পরিবেশ বিনষ্ট হলে জামায়াত নেতারা পূর্ব দিক দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন। এরপর অভিযোগ ওঠে, বিএনপি-ছাত্রদলের ফলদা ইউনিয়নের সভাপতি সোহাগ সরকারসহ ২০-২৫ জন একদল লোক জামায়াতের ফলদা ইউনিয়ন শাখার সেক্রেটারি মিজান (৪২)-কে ঘিরে ধরে। এ বিষয়ে মিজান স্থানীয় থানায় অভিযোগ করেন, যার জিডি নম্বর ৪৮১। তিনি জানান, তাঁকে বাড়িঘর ভাঙচুর, আগুন দেওয়া, ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া এবং জামায়াতকে ভোট দিলে ভোটকেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। তিনি জানান, পূর্ব থেকেই তাঁকে ব্যবসায় বাধা দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। অন্যদিকে, জামায়াতের অন্য নেতা মোঃ সুজন মিয়া আরেকটি অভিযোগ করেন, যার জিডি নম্বর ৪৬২। তিনি জানান, বিএনপি ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পথসভাস্থলে হামলা চালিয়ে ৪৭টি চেয়ার, হ্যালোজেন লাইট ও টেবিল ভাঙচুর করে। এ সময় স্থানীয় ব্যবসায়ী ইব্রাহিম হোসেনকে লাঠিসোটা দিয়ে মারাত্মকভাবে পিটানো হয়। ইব্রাহিম হোসেন জানান, তিনি বিএনপি করলেও তাঁর ছেলে জামায়াতে ইসলামী করার কারণে তাঁকে হুমকি দেওয়া হয় এবং প্রহার করা হয়। মিজান জানান, নিরাপত্তাহীনতা ও ভবিষ্যতে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং আইনি প্রমাণ সংরক্ষণের জন্য তিনি থানায় এই ডায়রি করতে বাধ্য হন। ভূঞাপুর থানার অফিসার-ইন-চার্জ মোহাম্মদ সাব্বির রহমান ও ওসি তদন্ত মোঃ আনোয়ার হোসেন গতকাল রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। সে সময় ওসি সাব্বির রহমান বলেন, “আইনগত প্রক্রিয়া চলমান আছে, আমরা প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের লক্ষ্যে কে কোন দল সেটা আমরা দেখব না।” এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহাবুব হাসান সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, ফলদা বাজারে সংঘটিত ভাঙচুরের ঘটনাকে প্রশাসন শূন্য সহনশীলতার নীতিতে বিবেচনা করছে এবং করবে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত করার যেকোনো অপরাধ ফৌজদারি আইন অনুযায়ী কঠোরতম ব্যবস্থা গ্রহণের আওতায় আনা হবে। ইতোমধ্যে ঘটনাস্থলে সংগ্রহ করা প্রমাণের ভিত্তিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অপরাধীদের শনাক্তকরণ ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। “স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিচ্ছি যে, যে হোক, দল-পক্ষ পরিচয় নির্বিশেষে, যেকোনো প্রকার সহিংসতায় জড়িত প্রত্যেককে আইনের কঠোরতম শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। আইনবিধি অনুযায়ী তাদের মূলোৎপাটন করা হবে। কেউ কোনোভাবেই ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারবে না। শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সকল নাগরিক ও পক্ষকে আইন মেনে চলার জন্য দৃঢ়ভাবে অনুরোধ করছি। আইনবিধির বাইরে গিয়ে ধৃষ্টতা দেখালে, আইন অমান্য করলে, আইনবিধি অবহেলা করলে তাকে ছাড় দেওয়া হবে না। ভূঞাপুরে অবৈধ কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। এ বিষয়ে প্রশাসনের অবস্থান সম্পূর্ণ স্পষ্ট এবং অটল।”

ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

তালাত মাহমুদ বিশেষ প্রতিনিধি প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৫০ পিএম
ইসলাম কি ভাবে আরবের অশান্তি দূর করেছিল

ইসলাম মানুষের বাস্তব সমস্যার বাস্তব সমাধান করতে পেরেছিল । আর তা দেখেই পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষ ইসলামের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছিল । কিন্তু আফসোস প্রকৃত ইসলামের সেই প্রাঞ্চল আদর্শ আজ নেই । ফলে এককালে যে মুসলিমরা অর্ধ দুনিয়াকে ন্যায় শান্তি ও সুবিচার অলংকারে সাজিয়ে তুলেছিল । সেই মুসলিমরাই আজ সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে অবজ্ঞাত, উপেক্ষিত, নির্যাতিত, নিপীড়িত, অপমানিত,উভ্যাস্ত ,জনগোষ্ঠীতে পরিমিত পরিণিত হয়েছে । ইসলাম অনৈক্য -হানাহানিতে লিপ্ত দাঙ্গাবাজ আরবদের কে ইস্পাত কঠিন ঐক্যবদ্ধ করেছিল বংশানুক্রমিক শত্রুতা আর রক্তপাতে নিমজ্জিত আরব জাতিকে একে অপরের ভাই বানিয়ে দিয়েছিল ।বিশৃঙ্খল ও উশৃঙ্খল আরবদের কে, শৃঙ্খলা শিক্ষা দিয়েছিল ইসলাম যাদের জীবন যাপনে এতদিন শৃঙ্খলার কোন লেশমাত্র ছিল না । তারা ইসলামের আদর্শ গ্রহণের পর পুরোপুরি বদলে গিয়েছিল। তাদের ব্যক্তিগত জীবন পারিবারিক জীবন পোশাক আশাক খাদ্য গ্রহণ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা সামাজিকতা জাতীয় সাময়িক কর্মকাণ্ডের পুরোটাই ছিল সুশৃংখল ও সুপরিকল্পিত। “চলবে”

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৭ পিএম
রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

রাজাপালং বাসীকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানালেন রাজাপালং ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মীর শাহেদুল ইসলাম রোমান

প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

জাহিদ হোসেন স্টাফ রিপোর্টার, চাঁদপুর প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬, ৩:৪৫ পিএম
প্রতিদিন ট্রলার যোগে চরাঞ্চলের সবজি পুরান বাজার বৌ বাজারে বিক্রি জন্য আনা হয়

চাঁদপুর জেলার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের প্রতিটি বাড়ি যেনো এক একটি সবজি বাগান।

তারা বছরের যে কোনো সময়ের চাইতে শীত মৌসুমে সবজির আবাদ বেশি ফলায়। চরাঞ্চলের মানুষে নিয়মিত এসব সবজি চাষ করে নিজের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাজারেও বিক্রি করে।

চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন চলাঞ্চলের নদী ভাঙা গড়ার খেলায় এক চর থেকে অন্য চরে বসতি স্থাপন করে এসব চরাঞ্চলের মানুষজন। নতুন চরে নতুন করে স্বপ্ন দেখেন যেখানে তাদের নতুন করে বাড়ি সাজানো হয়। আর সেখানেই গড়ে তুলেন সবজির বাগান। একই সাথে গবাদি পশু ও অন্যান কৃষি উৎপাদন করেন। বর্তমানে চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি দিয়ে শহর অঞ্চলের সবজির একটি অংশ চাহিদা মিটায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর পশ্চিমে চরগুলোর দিকে থাকালে প্রতিটি বাড়ি দেখে মনে হয় যেন সবজির বাগানে ভরপুর। তারা বাড়ির সামনের জমিও ও ঘরের অঙ্গিনায় এসব সবজি চাষ করে জীবন গড়ার স্বপ্ন দেখেন।

চাঁদপুর সদর উপজেলার রাজরাজেশ্বর ইউনিয়নের বলাশিয়া, শিলার চর, চিরারচর, বেড়া চাক্কি, বাঁশগাড়ি চরে গিয়ে দেখা গেছে পদ্মা-মেঘনা নদীর অঞ্চলগুলোতে বিভিন্ন শাক লতাপাতা লাগিয়ে শহরের চাহিদা মিটায়। কিন্তু শীত মৌসুমে পানি শুকিয়ে গেলে জমিতে সরিষা, মাশকালাই, করলা শশা, আলু, ফুলকপি, বাঁধাকপিসহ অন্যান্য শীতকালীন শাক-সবজির আবাদ। পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও বসে নেই এসব উৎপাদনে । প্রতিটি বাড়ি নারীদের হাতের ছোঁয়ায় পরিণত হয় এক একটি সবজি বাগানে ।

এ বিষয়ে জনতা ৭১ টিভির প্রতিবেদক সরেজমিনে গেলে কথা হয় ট্রলারে লোক কিসমত আলীর সাথে। তিনি, বার বার নদী ভাঙ্গনের ফলে নতুন চর জেগে উঠে আর নতুন চরে পলি সমৃদ্ধ মাটিতে এসব সবজির ফলন খুব ভালো হয়।

শীতকালে দেখা যায় চরাঞ্চলের উৎপাদিত সবজি ট্রলারে পদ্মা-মেঘনা পাড়ি দিয়ে চাঁদপুর শহরে র পুরান বাজার বৌ বাজারে নিয়ে আসে । শহরের চরাঞ্চলের সবজির চাহিদা বেশী। প্রতি কেজি শিম পাইকারী বিক্রি হয় ২০-২৫ টাকা। প্রতি পিস লাউ ৪০-৫০ টাকা। কুমড়া গড়ে প্রতি পিচ ৪০-৫০ টাকা। এছাড়াও অনেকে কুমড়া, মাশকালাই শাক বিক্রি করেন। শীত মৌসুমে নদীতে মাছ কম পাওয়া যায়। সবজির বিক্রির টাকা কিছুটা হলে আমাদের চরাঞ্চলের লোকদের আয় রোজগার বাড়ে।

তবে এখন কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে বাড়িতে সবজি এবং জমিতে একাধিক উচ্চ ফলনশীল ফসল উৎপাদনের জন্য চেষ্টা অব্যাহত আছে।

error: Content is protected !!