বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

মোঃ ওমর ফারুক (সানি), স্টাফ রিপোর্টার

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর ঘোষণায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের

Md. Omar Faruk (Sunny)
Md. Omar Faruk (Sunny) - Staff Reporter, Pabna District প্রকাশিত: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর, ২০২৫, ৯:৫৩ এএম | 41 বার পড়া হয়েছে
প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারীর ঘোষণায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের

ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন সার্ভিস চালু সহ পূর্ব ঘোষিত চারটি প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশনের নির্বাহী কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার ( ৯ ডিসেম্বর ) বিকালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি খান হাবিব মোস্তফা। সভা থেকে সর্বসম্মতভাবে দাবি করা যে, ২০২৩ সালের মে মাসে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন পাবনায় এসে ওই বছরের সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকা–পাবনা সরাসরি ট্রেন চালুর ঘোষণা দিয়েছিলেন। রাজনৈতিক সংকীর্ণতা এবং সুবিধাভোগী মহলের চক্রান্তে ট্রেন সার্ভিস চালু করা সম্ভব হয় নাই। এরপর ২০২৪ এর গণবিপ্লবের পর রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব বিভিন্ন সময়ে “দ্রুততম সময়ের মধ্যে” ট্রেন চালুর আশ্বাস দিয়েছেন। এভাবে এক বছর অতিবাহিত হলেও ট্রেন সার্ভিস চালুর বিষয়ে কার্যকর কোন অগ্রগতি এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান হয়নি। যা, পাবনা বাসীর সাথে এক ধরনের বৈষম্য ও প্রতারণার শামিল।

পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রানের দাবি ঢাকা-পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেন সার্ভিস। শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন এই দাবি বাস্তবায়নের পক্ষে জনমত গঠন, সাধারণ সভা, মানববন্ধন, গণস্বাক্ষর কর্মসূচি, বারবার সংবাদ সম্মেলন সহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছে। সর্বশেষ, চলতি বছরের ১৮ অক্টোবর পাবনা প্রেসক্লাবে জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে ট্রেন সার্ভিস চালুর দাবি জানায়। কিন্তু, প্রধান উপদেষ্টার সড়ক, সেতু ও রেল যোগাযোগ বিষয়ক বিশেষ সহকারী শেখ মইনুদ্দিন মঙ্গলবার ঈশ্বরদীতে এসে ২০২৬ সালের মার্চ মাসে ট্রেন চালুর ঘোষণা দিয়েছেন। তার এই বিলম্বিত ঘোষণায় আমরা শুধু হতবাক হইনি, এটি সম্পূর্ণ অগ্রহনযোগ্য ও গণ প্রত্যাখ্যাত। আমাদের প্রশ্ন হলো, এই সরকার কি ওই সময় পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকবে? নাকি, উনারা কোন রাজনৈতিক দলকে বিশেষ সুবিধা দিতে চাচ্ছেন? নাকি, এই বিলম্বিত ঘোষণার মাঝে অন্য কোন দুর্ভিসন্ধি আছে?
বারবার ঘোষণা দেওয়ার পরেও ট্রেন সার্ভিস চালু না হওয়ায় পাবনাবাসীর মনে আজ গভীর সন্দেহ তৈরি করেছে। আমরা আশঙ্কা করছি, কোনো অদৃশ্য মহল কৌশলে এ প্রকল্প বাস্তবায়নে বাধা সৃষ্টি করছে।

রেলকে শুধু যাত্রী পরিবহনের মাধ্যম হিসেবেই নয়, বরং মালামাল পরিবহন ও আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে গড়ে তুলতে পাবনা–ঢাকা রুট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, কোন অজুহাতেই ট্রেন সার্ভিস চালু বিলম্বিত করার সুযোগ নেই।

শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন মনে করে পাবনার মানুষ বিপ্লব পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে তাদের অধিকার চেয়েছে। এই সরকারের মেয়াদ কালেই আমাদের দাবি পূরণ করতে হবে। প্রধান উপদেষ্টার সড়ক, সেতু ও রেল যোগাযোগ বিষয়ক বিশেষ সহকারীকে তার ঘোষণা পুনর্বিবেচনা করে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যেই ঢাকা–পাবনা সরাসরি এক্সপ্রেস ট্রেন সার্ভিস চালুর ঘোষণা দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। এ সময়সীমার মধ্যে কার্যকর ব্যবস্থা না নিলে শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী পাবনাবাসীকে সাথে নিয়ে পরবর্তী কর্মসূচি গ্রহণ করবে। সেক্ষেত্রে, ঢাকার রেল ভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালনসহ রেলপথ অবরোধের মতো কর্মসূচিও ঘোষণা করা হতে পারে।

শেকড় পাবনা ফাউন্ডেশন আবারও সংশ্লিষ্ট সকল নীতি-নির্ধারকদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছে—প্রতিশ্রুতির পর প্রতিশ্রুতি না দিয়ে দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাবনাবাসীর দীর্ঘদিনের কাঙ্খিত দাবিটি পূরণ করুন।

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ

শিক্ষায় আলোর পথ দেখাচ্ছে দেবপর্ণা শিশু নিকেতন

মশিয়ার রহমান, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৪ পিএম
শিক্ষায় আলোর পথ দেখাচ্ছে দেবপর্ণা শিশু নিকেতন

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার চাপানীহাট(ফেডারেশন সংলগ্ন) ডালিয়া,টু জলঢাকা সড়কের পাশে অবস্থিত দেবপর্ণ শিশু নিকেতন’ এখন শিশু শিক্ষায় এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। ২০২২ সালে প্রতিষ্ঠিত এই শিক্ষাবপ্রতিষ্ঠানটি অল্প সময়ে এলাকাবাসীর আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য—শিশুদের আধুনিক ও নৈতিক শিক্ষার সমন্বিত চর্চা। শিক্ষার্থীদের মানসিক, সামাজিক ও নৈতিক বিকাশের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হয়। আধুনিক পাঠ্যক্রমের পাশাপাশি ধর্মীয় শিক্ষা, চারিত্রিক উন্নয়ন, শৃঙ্খলা ও মূল্যবোধ শেখানো হয় শিশুদের শৈশব থেকেই।
প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ২৫০ জন শিক্ষার্থী পাঠগ্রহণ করছে। পাঠদান পরিচালনায় রয়েছেন একঝাঁক অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক-শিক্ষিকা। পরিচালনা পর্ষদে রয়েছেন ৫ জন নিবেদিত প্রাণ সদস্য, যাঁরা নিয়মিত শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখছেন।
প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক শ্রী নরায়ন রায় যিনি একজন অভিজ্ঞ সম্পন্ন ব্যক্তি, তিনি জানান,শুধু পরীক্ষার ফল নয়, আমরা চাই প্রতিটি শিক্ষার্থী আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে উঠুক। সুশিক্ষিত ও নৈতিক গুণে গুণান্বিত নাগরিক তৈরিই আমাদের মূল লক্ষ্য।
প্রতিবছর দেবপর্ণ শিশু নিকেতন শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন এবং উপজেলা কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের অধীনে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। উল্লেখযোগ্যভাবে, প্রতিবছরই শতভাগ পাসের হার অর্জন করে, এই কৃতিত্বের পেছনে রয়েছে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতা।
শিক্ষকরা জানান,আমরা শিশুকে শুধু বইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখি না। পাঠ্যবইয়ের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সহপাঠ কার্যক্রম, খেলাধুলা, কাব্যচর্চা, ধর্মীয় জ্ঞান ও আচরণগত শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দেই। ফলে শিশুদের ভিত শক্ত হচ্ছে।
দেবপর্ন শিশু নিকেতন শুধু একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নয়, এটি একটি স্বপ্নের কারখানা—যেখানে শিশুরা গড়ে উঠছে আলোকিত ভবিষ্যতের নির্মাতা হিসেবে।

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা

চুয়াডাঙ্গার হাউলী ইউনিয়ন পরিষদে ভি ডব্লিউ বি চাউল বিতরণ

মোঃ মিনারুল ইসলাম চুয়াডাঙ্গা প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৩:২৩ পিএম
চুয়াডাঙ্গার হাউলী ইউনিয়ন পরিষদে ভি ডব্লিউ বি চাউল বিতরণ

চুয়াডাঙ্গা জেলার দামুড়হুদা উপজেলার ০৬ নং হাউলী ইউনিয়ন পরিষদের অর্ন্তগত গ্রামের অসহায় দুস্থ পরিবারের মধ্যো ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের ভি ডব্লিউ বি কার্ডধারী ৩৭৪ জন সদস্যদের কে বিনামুল্যে ৩০ কেজি হারে প্রত্যেক কে ০১ বস্তা করে চাউল দেওয়া হয়।

এ সময় ভি ডব্লিউ বি কার্ডধারীদের কাছ থেকে কোনো টাকা নেওয়া হয়নি।

প্রত্যেক ভি ডডব্লিউ বি কার্ডধারী সদস্যদেরকে ৩০ কেজি করে চাউল দেওয়া হয়।

ভি ডব্লিউ বি চাউল শুরু হয় বেলা ১১:০০ টার সময়। চাউল বিতরনের সময় উপস্থিত ছিলেন অত্র ইউনিয়নের চেয়্যারম্যান ( ভারপ্রাপ্ত ) মোঃ নিজাম উদ্দীন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব/ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোঃ মনিরুজ্জামান , ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন মোঃ আতিকুর রহমান উপজেলা স্বাস্হ্য কর্মকর্তা দামুড়হুদা চুয়াডাঙ্গা। মোছাঃ সাবিনা ইয়াসমিন ইউপি সদস্য ওয়ার্ড নং-০২ মোঃ জাহাঙ্গীর আলম ইউপি সদস্য ওয়ার্ড নং-০৩ মোঃ আব্দুল হান্নান ইউপি সদস্য ওয়ার্ড নং-০৪ মোঃ শহিদুল ইসলাম ইউপি সদস্য ওয়ার্ড নং-০৫ মোঃ রিকাত আলী ইউপি সদস্য ওয়ার্ড মোছাঃ রওশনারা খাতুন, ইউপি সদস্য সংরক্ষিত ০১.০২.০৩ মোছাঃ রহিমা খাতুন, ইউপি সদস্য সংরক্ষিত ০৭.০৮.০৯ ইউপি হিসাব সহকারী মোঃ সাজিবুল ইসলাম ( মিলন)

এছাড়াও আরও উপস্থিত ছিলো দামুড়হুদা উপজেলা হাউলী ইউনিয়ন বি এন পির সভাপতি মোঃ ইউসুফ আলী , বাংলাদেশ জামায়েত ইসলামীর হাউলী ইউনিয়ন আমীর মোঃ ওবাইদুল হক সহ গ্রাম পুলিশের সদস্যবৃন্দু।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

রাজারহাটে প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা ইংরেজি শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ৩:২০ পিএম
রাজারহাটে প্রাইভেট পড়াতে গিয়ে দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা ইংরেজি শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় এক চাঞ্চল্যকর ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। প্রাইভেট পড়ানোর সময় এক দশম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে এক বিদ্যালয় শিক্ষকের বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম রুহুল আমিন। তিনি উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের ফুলখাঁ চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক এবং সাকোয়াঁ গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে ফুলখাঁ চাকলা বাজার সংলগ্ন এলাকায় ‘উন্নয়ন সমাজকল্যাণ সংস্থা’ ভবনে বিদ্যালয়ের ক্লাস শেষে শিক্ষার্থীদের প্রাইভেট পড়াতেন রুহুল আমিন।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রতিদিনের মতোই প্রাইভেট পড়তে যায় কয়েকজন শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীও সেখানে উপস্থিত ছিল। অভিযোগে বলা হয়, প্রাইভেট চলাকালে একপর্যায়ে সুযোগ বুঝে ছাত্রীটিকে একা পেয়ে তাকে পাশবিক নির্যাতন, স্পর্শকাতর স্থানে হাত, ধর্ষণের চেষ্টা চালান এই শিক্ষক।
এ সময় ভুক্তভোগী ছাত্রীটি ভীতসন্ত্রস্ত অবস্থায় সেখান থেকে বের হয়ে বাড়িতে চলে যায়। পরে কান্নায় ভেঙে পড়ে পুরো ঘটনা তার মাকে জানায়। ঘটনার খবর মুহূর্তের মধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং প্রতিবাদী স্বর উচ্চারিত হয়।
ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পরই বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখছে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
ফুলখাঁর চাকলা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দীনেশ চন্দ্র রায় কাজ্জী বলেন, “রুহুল আমিন আমাদের বিদ্যালয়ের শিক্ষক। তার বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে আমরা বিষয়টি আমলে নিয়ে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
অভিভাবক ও এলাকার সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষী ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোরালো দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মামুনুর রশীদ বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

error: Content is protected !!