শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

মুক্তা হাসান

মুক্তা হাসানের রেসিপিতে তেলাপিয়া মাছ ফ্রাই

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২৫, ১২:১১ পিএম | 104 বার পড়া হয়েছে
মুক্তা হাসানের রেসিপিতে তেলাপিয়া মাছ ফ্রাই

তেলাপিয়া মাছ ফ্রাই হলো একটি জনপ্রিয় এবং সুস্বাদু খাবার। এটি কম খরচে ও সহজে তৈরি করা যায়। তাছাড়া এটি প্রোটিন ও অন্যান্য পুষ্টিগুণে ভরপুর। মডেল ও অভিনেত্রী মুক্তা হাসান আজ তেলাপিয়া মাছ ফ্রাই এর রেসিপি দিয়েছেন। তো, আসুন রেসিপিটি জেনে নেওয়া যাক।
#উপকরণ:
তেলাপিয়া মাছ : বড় একটি তেলাপিয়া মাছের ৬ টুকরো, মরিচ গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ, আদা বাটা ১ চা চামচ, রসুন বাটা ১ চা চামচ, জিরা গুঁড়া ১ চা চামচ, ধনে গুঁড়া ১ চা চামচ, লবণ স্বাদমতো, লেবুর রস ১ টেবিল চামচ, ভাজার জন্য পরিমাণমতো তেল।
#প্রণালি :
প্রথমেই মাছ পরিষ্কার করে কেটে ও ধুয়ে নিন। একটি পাত্রে মরিচের গুঁড়া, হলুদের গুঁড়া, আদা বাটা, রসুন বাটা, জিরা গুঁড়া, ধনে গুঁড়া, লবণ এবং লেবুর রস একসাথে মিশিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন।
অতঃপর তৈরি করা মশলার ওই মিশ্রণটি মাছের গায়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিন এবং ৩০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা মেরিনেট হতে দিন।
এবার একটি ফ্রাই প্যানে তেল গরম করুন। তেল গরম হলে মেরিনেট করা মাছের টুকরোগুলো প্যানে দিন। উভয় পাশ সোনালী – বাদামী এবং মচমচে হওয়া পর্যন্ত মাঝারি আঁচে ভাজুন। প্রতিটি পাশ ভাজতে প্রায় ৫-৭ মিনিট সময় লাগতে পারে। ভাজা হয়ে গেলে, মাছের টুকরোগুলো তেল থেকে তুলে নিয়ে অতিরিক্ত তেল ঝরিয়ে নিন। উপরে পেঁয়াজ কুচি এবং কাঁচামরিচ দিয়ে সাজিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন।
#তেলাপিয়া ফ্রাই করতে কিছু অতিরিক্ত টিপস :
#মাছে লেবুর রস দিলে অতিরিক্ত সুগন্ধ আসে এবং এটি মাছের কোনো অপ্রীতিকর গন্ধ থাকলে তা দূর করতে সাহায্য করে।
#যদি সম্ভব হয়, মাছের টুকরোগুলো ভাজার আগে অল্প সময়ের জন্য ফ্রিজে রেখে দিন, এতে মশলা আরও ভালোভাবে মাছের সাথে লেগে থাকবে।
#ভালোভাবে ভাজার জন্য তেল যেন যথেষ্ট গরম হয়, এটি নিশ্চিত করুন, এতে মাছ প্যানে লেগে যাবে না।

বিচ্ছু মঞ্চস্থ বনমালীতে

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪৫ এএম
বিচ্ছু মঞ্চস্থ বনমালীতে

বনমালী শিল্পকলা কেন্দ্রের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ও পৃষ্টপোষকতায় গতকাল সন্ধ্যায় বনমালী মঞ্চে মঞ্চস্থ হয় ড্রামা সার্কেলের ২৫ তম প্রযোজনা নাটক বিচ্ছু। মলিয়ের এর দ্যা স্কাউন্ড্রেল অফ ক্যাপি অবলম্বনে এ নাটকটির রূপান্তর করেছেন তারিক আনাম খান। নাটকটির নির্দেশনা করেছেন খন্দকার ফরিদুল ইসলাম (ফিরোজ খন্দকার)। নাটকটিতে অভিনয় করেন বরকত উল্লাহ শিমুল, আমিনুল হক, ফিরোজ খন্দকার, রিপন হোসেন, ফয়সাল আহম্মেদ নাছিম, হাফিজুর রহমান, মামুনুর রশিদ, সিয়াম খান, মেহেদী হাসান আলিফ, অনুরাজ চন্দ্র দাস, আশীষ বৈরাগী, মোছা. রজনী আক্তার, বর্ষা বিশ্বাস সৃষ্টি, শারমিন জাহান প্রিয়া, অন্বেষা মন্ডল অর্পা ও পূর্ণিমা তরফদার। নাটকটির প্রচ্ছদকারী হলেন দোলন আজিজ। প্রপস সিরাজুল ইসলাম হীরা, আমিনুল হক, আলোক পরিকল্পনা ওহিদুল কাওসার, আবহ সঙ্গীতে ছিলেন মিকাইল হোসেন ও ওয়ালিদ হোসেন। রূপসজ্জায় ছিলেন সিরাজুল ইসলাম হীরা ও মামুনুর রশিদ। প্রযোজনা অধিকর্তা ছিলেন ওহিদুল কাওসার ও আব্দুল হাফিজ রতন। কারিগরি সহায়তায় ছিলেন মতিনুর আলম সবুজ, ফিরোজ আলম স্বপন, মারুফুর রহমান, রুমন, শিরোন, ইসাহক ও আছাদ। অসংখ্য দর্শক নাটকটি উপভোগ করেন।

বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪২ এএম
বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ফেরাতে ৫ দফা দিলেন শেখ হাসিনা

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে ভাষণ দিয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভারতের নয়া দিল্লির ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাবে (এফসিসি) আয়োজিত ‘সেভ ডেমোক্রেসি ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানে অডিও বার্তার মাধ্যমে তিনি এই বক্তব্য প্রদান করেন।

শেখ হাসিনা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ‘অবৈধ, সহিংস’ প্রশাসনের প্রধান হিসেবে অভিযুক্ত করেন। বক্তব্যে তিনি ড. ইউনূসকে ‘দখলদার’, ‘অর্থ পাচারকারী’ এবং ‘ক্ষমতালোভী বিশ্বাসঘাতক’ হিসেবে বারবার উল্লেখ করেন। শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশ আজ ধ্বংসের কিনারে দাঁড়িয়ে আছে।”

তিনি অভিযোগ করেন যে, দেশ বর্তমানে “একটি বিশাল কারাগার, একটি বধ্যভূমি এবং মৃত্যু উপত্যকায়” পরিণত হয়েছে। মানবাধিকার পদদলিত হচ্ছে, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা বিলুপ্ত হয়েছে এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের ওপর সহিংসতা ছড়িয়ে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানকে একটি “সতর্কভাবে সাজানো ষড়যন্ত্র” হিসেবে বর্ণনা করে শেখ হাসিনা বলেন, সেই দিন থেকেই বাংলাদেশে গণতন্ত্র নির্বাসনে গিয়েছে। তার মতে, বর্তমানে দেশে আইনশৃঙ্খলার কোনো অস্তিত্ব নেই এবং মব ভায়োলেন্স, লুটতরাজ ও চাঁদাবাজিতে রাজধানী থেকে গ্রাম পর্যন্ত জিম্মি হয়ে পড়েছে। এর পেছনে তিনি উগ্রবাদী গোষ্ঠী ও বিদেশি স্বার্থকে দায়ী করেন।

শেখ হাসিনা দাবি করেন, ড. ইউনূস জাতীয় সম্পদ ও কৌশলগত স্বার্থ বিদেশি শক্তির হাতে তুলে দিয়ে বাংলাদেশকে একটি বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের দিকে ঠেলে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, “জাতিকে প্রতারিত করে খুনি ফ্যাসিস্ট ইউনূস আমাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে বিপর্যয়ের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।”

বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে শেখ হাসিনা তার বক্তব্যে পাঁচটি প্রধান দাবি তুলে ধরেন: ১. মুক্ত ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে ‘অবৈধ ইউনূস প্রশাসন’কে অপসারণ করা। ২. দৈনন্দিন সহিংসতা বন্ধ করে জননিরাপত্তা পুনরুদ্ধার করা। ৩. ধর্মীয় সংখ্যালঘু, নারী ও অসহায় জনগোষ্ঠীর সুরক্ষায় দৃঢ় নিশ্চয়তা প্রদান করা। ৪. সাংবাদিক ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা বন্ধ এবং বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ফিরিয়ে আনা। ৫. গত এক বছরের ঘটনাবলী তদন্তে জাতিসংঘকে একটি “নতুন ও নিরপেক্ষ তদন্ত” পরিচালনার করতে হবে।

সবশেষে তিনি আওয়ামী লীগকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ‘একমাত্র বৈধ অভিভাবক’ হিসেবে দাবি করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষ শক্তিকে সংবিধান পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

ভাষণের এক পর্যায়ে ইউনূসকে যে কোনো আসনে তার বিরুদ্ধে লড়াই করার চ্যালেঞ্জও জানান বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা।

কপি-পেস্টের দিন শেষ

ইউটিউব এখন ক্রিয়েটর চায়, কপিয়ার নয়

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৪১ এএম
ইউটিউব এখন ক্রিয়েটর চায়, কপিয়ার নয়

Warnings! ইউটিউব সম্প্রতি এই ধরনের হাজার হাজার চ্যানেল ব্যান করছে, আপনার সব পরিশ্রম মুহূর্তেই শেষ হয়ে যেতে পারে!

সম্প্রতি ইউটিউব তাদের প্ল্যাটফর্মকে আরও উন্নত করার জন্য কোয়ালিটির ওপর খুব বেশি জোর দিচ্ছে এবং হাজার হাজার চ্যানেলকে কোনো নোটিশ ছাড়াই ব্যান করে দিচ্ছে।

অনেকেই শর্টকাটে সফল হওয়ার জন্য এমন কিছু পথ বেছে নিচ্ছেন, যা এখন ইউটিউবের অ্যালগরিদমের কাছে Red Flag হিসেবে চিহ্নিত। এই লিস্টটা অবশ্যই Save করে রাখুন এবং নিজের চ্যানেলের সাথে মিলিয়ে দেখুন!

১. AI ভয়েসওভার দিয়ে বানানো ফেসলেস কম্পাইলেশন চ্যানেল

এই ধরনের চ্যানেল এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে। অন্যের ভিডিওর ক্লিপ, স্টক ফুটেজ আর AI ভয়েস দিয়ে বানানো “Top 10” বা “Amazing Facts” টাইপের চ্যানেল, যেগুলোতে নিজস্বতা বা নতুনত্ব (Minimal Transformation) নেই, সেগুলো ইউটিউব এখন “low-effort” কনটেন্ট হিসেবে গণ্য করছে এবং ব্যান করে দিচ্ছে।

২. ‘ঘরে বসে আয় করুন’ টাইপের চ্যানেল

যেসব চ্যানেল “গ্যারান্টি দিয়ে দিনে ১০০০ টাকা আয় করুন” বা এই ধরনের চটকদার ও অবাস্তব আয়ের লোভ দেখায়, সেগুলোকে ইউটিউব এখন স্ক্যাম হিসেবে ধরছে। এই ধরনের চ্যানেলগুলোতে খুব দ্রুত Strike আসছে এবং চ্যানেল টারমিনেট হয়ে যাচ্ছে।

৩. অটোমেটেড বা ‘AI Slop’ চ্যানেল

এগুলো হলো সেইসব চ্যানেল, যেগুলো Reddit-এর গল্প বা বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে আর্টিকেল কপি করে, সেগুলোর ওপর AI দিয়ে ভয়েসওভার এবং ছবি বসিয়ে ভিডিও বানায়। এই চ্যানেলগুলোতে কোনো মানবিক ছোঁয়া বা মৌলিকত্ব থাকে না। ইউটিউব এগুলোকে “automated spam” হিসেবে চিহ্নিত করছে।

৪. ভুয়া ক্রাইম স্টোরির চ্যানেল

True Crime একটি জনপ্রিয় Niche, কিন্তু যেসব চ্যানেল কোনো যাচাই-বাছাই ছাড়া মিথ্যা ঘটনাকে সত্যি বলে চালায়, কাল্পনিক গল্পকে বাস্তব হিসেবে উপস্থাপন করে বা সঠিক সোর্স উল্লেখ করে না, সেগুলোকে ইউটিউব Misinformation ছড়ানোর দায়ে ব্যান করছে।

৫. AI দিয়ে বানানো ভুয়া নিউজ ও রাজনৈতিক চ্যানেল

বর্তমান সময়ের নির্বাচন, বিচার বা যেকোনো সংবেদনশীল ঘটনা নিয়ে AI দিয়ে বানানো ভুয়া ফুটেজ, মিথ্যা উক্তি বা ভুয়া খবর প্রচারকারী চ্যানেলগুলোকে ইউটিউব কোনো ছাড় দিচ্ছে না। Disclosure ছাড়া AI ব্যবহার করাটাও এখানে বড় ধরনের ঝুঁকি।

৬. AI দিয়ে বানানো সেলিব্রিটি গসিপ চ্যানেল

থাম্বনেইলে AI দিয়ে সেলিব্রিটিদের বিকৃত বা কাল্পনিক ছবি তৈরি করা, তাদের মুখে ভুয়া কথা বসিয়ে দেওয়া বা মিথ্যা গসিপ ছড়ানো চ্যানেলগুলো ইউটিউবের টার্গেট লিস্টে রয়েছে। এটি ব্যক্তিত্বের অধিকার লঙ্ঘন করে এবং প্ল্যাটফর্মের নীতিবিরুদ্ধ।

৭. এডিট করা পুলিশ বা আইনি ফুটেজ

পুলিশের বডি ক্যামেরার ফুটেজ বা আদালতের ভিডিও এমনভাবে এডিট করে উপস্থাপন করা, যা মূল ঘটনাকে ভুলভাবে দেখায় বা কোনো চলমান আইনি প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে, সেই চ্যানেলগুলোকেও কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে।

৮. অন্যের ভিডিওর কপি-পেস্ট কম্পাইলেশন চ্যানেল

কোনো অনুমতি ছাড়া অন্যের টিকটক ভিডিও, ফানি ক্লিপস বা গেমিং ফুটেজ ডাউনলোড করে শুধু জোড়া লাগিয়ে আপলোড করে দেওয়া চ্যানেলগুলো এখন কপিরাইট স্ট্রাইকের পাশাপাশি সরাসরি ব্যানও হয়ে যাচ্ছে। ইউটিউব এখন “Repetitious Content” পলিসি নিয়ে অনেক বেশি কঠোর।

তাহলে এখন উপায় কী?

উপায় হলো Originality এবং Transformation। আপনি অন্যের ক্লিপ বা AI ব্যবহার করতে পারেন, কিন্তু তার সাথে অবশ্যই আপনার নিজস্ব ধারাভাষ্য, বিশ্লেষণ, শিক্ষণীয় কিছু বা কমেডি যোগ করতে হবে।

আপনার ভিডিওতে আপনার নিজস্বতার (Your Own Touch) ছাপ থাকতে হবে।

সহজ কথায়, কপি-পেস্টের দিন শেষ। ইউটিউব এখন ক্রিয়েটর চায়, কপিয়ার নয়।