বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২
বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ২৮ ফাল্গুন ১৪৩২

চুরি ঠেকাতে জীবন দিলেন ঈশ্বরদীর গেটকিপার পিন্টু

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৪৮ এএম | 77 বার পড়া হয়েছে
চুরি ঠেকাতে জীবন দিলেন ঈশ্বরদীর গেটকিপার পিন্টু

ঈশ্বরদীতে একটি মহিষ চুরি ঠেকাতে গিয়ে নিজের মূল্যবান জীবন হারালেন আশিকুর রহমান পিন্টু (৪৫)। টানা ৯ দিন আইসিইউতে থেকে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন এই সৎ ও দায়িত্বপরায়ণ গেটকিপার। সোমবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বিছানায় নিথর দেহে পরিণত হলো তাঁর সমস্ত সাহসিকতা।

নিহত পিন্টু লক্ষিকুন্ডা ইউনিয়নের কৈকুন্ডা গ্রামের মৃত নুর সালাম সরদারের ছেলে। কর্মস্থল দাশুড়িয়া রেলগেট— যেখানে প্রতিদিন শত শত মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতেন তিনি। কিন্তু সেই দায়িত্ব পালনই শেষ পর্যন্ত কেড়ে নিল তার জীবন।

গত ৯ নভেম্বর ভোরে সবাই যখন অন্ধকারে ঘুমে মগ্ন, তখন দাশুড়িয়া রেলগেটে দায়িত্ব পালন করছিলেন পিন্টু। ভোর চারটার দিকে নীরবতা ভেদ করে তিনি টের পান অস্বাভাবিক নড়াচড়া। রেলগেটের পাশে স্থানীয় মনির উদ্দিনের গোয়ালঘর থেকে দুর্ধর্ষ কিছু চোর একটি মহিষ টেনে এনে রেলগেট এলাকার কাছে দাঁড়ানো একটি পিকআপে তোলার চেষ্টা করছে।

কর্তব্যপরায়ণ পিন্টু একটু দেরি না করে এগিয়ে যান। তার প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ হয়ে চোরেরা মুহূর্তে বদলে যায় হিংস্র পশুতে। এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষির পাশাপাশি ধারালো অস্ত্র দিয়ে পিন্টুকে আঘাত করতে থাকে তারা। একা, নিরস্ত্র, নিজের দায়িত্ব আর সততাকে ঢাল করে দাঁড়িয়ে থাকা পিন্টু একসময় রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

তার করুণ চিৎকার শুনে স্থানীয়রা ছুটে এলে চোরেরা মহিষটি ফেলে পিকআপ নিয়ে পালিয়ে যায়। রক্তে মাখামাখি পিন্টুকে প্রথম ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে, পরে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, সেখান থেকে ঢাকায় আইসিইউতে নিয়ে যাওয়া হয়।
দিনের পর দিন আইসিইউতে পড়ে থেকেও তাঁর অবস্থার উন্নতি হয়নি। অবশেষে চিকিৎসকরা যখন সব আশা হারিয়ে তাকে ঈশ্বরদী ফিরিয়ে আনেন, তখনও হয়তো তিনি ভিতরে ভিতরে জীবনের জন্য যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছিলেন। কিন্তু নিয়তির নির্মমতা— সোমবার সন্ধ্যায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

পাকশী হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এজাজ আহমেদ গভীর শোক জানিয়ে বলেন, দায়িত্ব পালনকালে এমন মৃত্যু অত্যন্ত বেদনাদায়ক। চোরদের শনাক্তে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালাচ্ছি।

পারিবারিক সূত্র জানায়, মৃত্যুকালে পিন্টু স্ত্রী, ১ ছেলে, ২ মেয়ে, আত্নীয়-স্বজন ও প্রচুর গুনগ্রাহী রেখে গেছেন। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় উপজেলার লক্ষিকুন্ডা কৈকুন্ডায় তার নামাজে জানাজা শেষে পার্শ্ববর্তী গোরস্থানে তাকে দাফন করা হবে।

সচেতন মহলের অনেকেই বলছেন, পিন্টুর মৃত্যু শুধু তার পরিবারকেই শোকের সাগরে ভাসায়নি, স্তব্ধ করেছে পুরো ঈশ্বরদীকে। একটি মহিষ বাঁচাতে গিয়ে যে মানুষটি নিজের জীবনই হারালেন, তার সাহসিকতা, সততা ও ত্যাগের গল্প আজ মানুষের হৃদয়ে চিরদিন বেঁচে থাকবে। এই মৃত্যু শুধু একজন মানুষকে হারানো নয়—এ যেন আমাদের সমাজ থেকে আরেকটি সততা, আরেকটি দায়িত্ববোধ, আরেকটি মানবিকতা।

ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৬ এএম
ক্রিকেটারের প্রেমে মজলেন মালাইকা

বলিউডের ‘আইটেম গার্ল’ মালাইকা অরোরা মানেই চর্চার কেন্দ্রবিন্দু। কখনো আরবাজ খানের সঙ্গে বিচ্ছেদ, কখনো অর্জুন কাপুরের সঙ্গে অসম প্রেম, আবার কখনো কোনো হিরের ব্যবসায়ীর সঙ্গে নাম জড়ানো মালাইকার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই ভক্তদের।
তবে এবার কোনো গুঞ্জন বা লুকোছাপা নয়, বরং নিজেই নিজের মনের মানুষের কথা জনসমক্ষে আনলেন এই অভিনেত্রী। মালাইকার জীবনের নতুন এই বিশেষ মানুষটি আর কেউ নন, তিনি সাবেক ভারতীয় ক্রিকেটার ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব নভজ্যোত সিং সিধু।
সম্প্রতি ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শো’-তে অতিথি হিসেবে হাজির হয়ে মালাইকা তাদের এই বিশেষ সম্পর্কের কথা জানান। গ্ল্যামার দুনিয়ার কৃত্রিমতার বাইরে তাদের এই বন্ধুত্ব এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনার তুঙ্গে।
অনুষ্ঠানে আবেগপ্রবণ হয়ে মালাইকা বলেন, ‘অনেকে বলেন একটা বয়সের পর নতুন বন্ধু পাওয়া কঠিন, কারণ মানুষের হাতে সময় নেই। কিন্তু সিধুর মধ্যে আমি একজন সত্যিকারের বন্ধু খুঁজে পেয়েছি। তার প্রতি আমার ভালোবাসা এতটাই অকৃত্রিম যে আমি জানি, তিনি কখনোই আমার মনে কষ্ট দেবেন না।’
কথার মাঝেই মালাইকা এক মজার তথ্য ফাঁস করেন। তিনি জানান, সিধু নিয়ম করে প্রতি ১৫-২০ দিন অন্তর অমৃতসর থেকে মালাইকার জন্য খাঁটি সাদা মাখন, মুখরোচক স্ন্যাকস এবং গুড় পাঠিয়ে দেন। এই শুনেই শো-র সঞ্চালক কপিল শর্মা রসিকতা করে বলেন, ‘ম্যাম, অমৃতসরের কুলচার ওপর সাদা মাখন দেখলেই এখন আপনার কথা মনে পড়ে যায়।’

‘প্রিন্স’ -এর টিজার মুক্তি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৫ এএম
‘প্রিন্স’ -এর টিজার মুক্তি

আসন্ন ঈদুল ফিতরে বড় পর্দা কাঁপাতে আসছেন ঢালিউড কিং শাকিব খান। উৎসবের আমেজকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে তার তুরুপের তাস এবার ‘প্রিন্স’। সিনেমাটির ঘোষণা আসার পর থেকেই ভক্তদের মনে ছিল টানটান উত্তেজনা।
সেই অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) ঠিক দুপুর ১২টায় প্রকাশ পাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত এই ছবির প্রথম ঝলক বা টিজার।
সিনেমাটির ‘ফার্স্টলুক’ পোস্টার প্রকাশ পাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। শাকিব খানের নতুন রূপ আর রহস্যময় আবহ দর্শকদের কৌতূহল উসকে দিয়েছে কয়েক গুণ।
পরিচালক আবু হায়াত মাহমুদ জানিয়েছেন, আগামীকাল দুপুর ১২টায় ‘ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড’-এর অফিশিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে টিজারটি উন্মুক্ত করা হবে। সিনেমাটির পটভূমি সাজানো হয়েছে নব্বই দশকের ঢাকার আন্ডারওয়ার্ল্ড ও আভিজাত্যের এক অনন্য সংমিশ্রণে।
কারিগরি দিক থেকেও চমক দিচ্ছে ‘প্রিন্স’। ভারতের ব্লকবাস্টার হিট ছবি ‘অ্যানিম্যাল’ খ্যাত প্রখ্যাত সিনেমাটোগ্রাফার অমিত রায় সামলাচ্ছেন এর ক্যামেরার দায়িত্ব। ছবিটি প্রযোজনা করছে ক্রিয়েটিভ ল্যান্ড ফিল্মস।
‘প্রিন্স’ সিনেমায় শাকিব খানের বিপরীতে থাকছেন দুই লাস্যময়ী অভিনেত্রী। দেশের জনপ্রিয় মুখ তাসনিয়া ফারিণের পাশাপাশি দেখা যাবে কলকাতার জ্যোতির্ময়ীকে। সব মিলিয়ে আসন্ন ঈদে ‘প্রিন্স’ যে প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তুলতে প্রস্তুত, টিজার প্রকাশের তারিখ ঘোষণাতেই তার স্পষ্ট আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

আমি কাজ করতে চাই না : ঋতুপর্ণা

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ, ২০২৬, ১১:৫৪ এএম
আমি কাজ করতে চাই না : ঋতুপর্ণা

বর্তমান সময়ে শোবিজ জগতের তারকাদের রাজনৈতিক ময়দানে নাম লেখানো কোনো নতুন ঘটনা নয়। ওপার বাংলার দেব থেকে শুরু করে কোয়েল একাধিক জনপ্রিয় মুখ এখন সক্রিয় রাজনীতির মাঠে। তবে ইন্ডাস্ট্রির হাই প্রোফাইল তারকা হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সবসময় এই আঙিনা থেকে দূরে রেখেছেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত।
টলিউডের প্রথম সারির অনেক শিল্পী যখন সিনেমা এবং রাজনীতির মাঠ একসঙ্গে সামলাচ্ছেন, তখন ঋতুপর্ণা কেন ব্যতিক্রম? সম্প্রতি ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ খোলসা করেছেন অভিনেত্রী নিজেই।
রাজনীতিতে যোগ না দেওয়ার কারণ হিসেবে ঋতুপর্ণা স্পষ্ট জানান, তিনি রাজনীতির মারপ্যাঁচ একেবারেই বোঝেন না।
তার ভাষ্যমতে, ‘আমি রাজনৈতিক ব্যাপারটা কিছুই বুঝি না। এমনকি নিজের ব্যক্তিগত জীবনের বা ইন্ডাস্ট্রির পলিটিক্সও আমি বুঝি না। যার ফলে আমাকে বারবার হোঁচট খেতে হয়। যে বিষয়টি নিয়ে আমার সঠিক ধারণা নেই, সেখানে আমি কাজ করতে চাই না।’
রাজনীতির চেয়ে নিজের অভিনয় জীবনকে সমৃদ্ধ করতেই বেশি আগ্রহী এই তারকা। ঋতুপর্ণা আরও বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী। আমি সবসময় আমার শৈল্পিক সত্তাকে প্রাধান্য দিতে চাই এবং আমার শিল্পী জীবনকে আরও উন্নত করতে চাই। শিল্পী হিসেবে যদি মানুষের জন্য কিছু করতে পারি, সেটাই হবে আমার আসল সার্থকতা।’

error: Content is protected !!