শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২
শনিবার, ২৪ জানুয়ারি ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২

তৃণমূল থেকে উঠে আসা অপ্রতিরোধ্য নেতৃত্ব

বগুড়া সদর উপজেলা ছাত্রদলের হৃদস্পন্দন কাওছার হাবীব সাকিব

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৫, ১১:২০ এএম | 143 বার পড়া হয়েছে
বগুড়া সদর উপজেলা ছাত্রদলের হৃদস্পন্দন কাওছার হাবীব সাকিব

রাজনীতি যখন অনেকের কাছে পদ-পদবীর প্রতিযোগিতা, তখন কিছু মানুষ আছেন যারা রাজনীতিকে দেখেন দায়িত্ব ও ত্যাগের জায়গা থেকে। তেমনই এক নাম— মোঃ কাওছার হাবীব সাকিব, বগুড়া সদর উপজেলা ছাত্রদলের তৃণমূলের সবচেয়ে প্রাণবন্ত ও নির্ভরযোগ্য মুখ।

ছাত্ররাজনীতির মাঠে তিনি এসেছিলেন ২০১৫ সালে, তখনো তরুণ, উদ্যমী এবং স্বপ্নবাজ। সেই সময় থেকেই কাওছার রাজনীতিকে বেছে নেন মানুষের কল্যাণের জন্য, ছাত্রদের অধিকারের জন্য, আর সংগঠনের ঐক্যের জন্য। তার হাতে গড়া সংগঠন আজ মাঠে, মিছিলে, আন্দোলনে এক দৃশ্যমান শক্তি।

কাওছার হাবীব সাকিবের রাজনীতির মূল ভিত্তি — “তৃণমূল আগে, পদপদবি পরে।”
তিনি বিশ্বাস করেন, তৃণমূলকে শক্তিশালী না করলে কোনো সংগঠন টিকতে পারে না। তাই গত এক দশক ধরে তিনি কর্মীদের পাশে থেকেছেন— কারও সুখে, কারও দুঃখে, কারও সংকটে। প্রতিটি আন্দোলনে, প্রতিটি কর্মসূচিতে, কাওছার ছিলেন সামনে, নেতৃত্বে, সাহসে।

২০১৯ সালে শাখারিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি অর্জন করেন ব্যাপক জনপ্রিয়তা। তৃণমূলের ভালোবাসা তাকে দিয়েছে আলাদা পরিচয় — “জনতার কাওছার।”

বর্তমানে তিনি বগুড়া সদর উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী। এই পদে তাঁর নাম ঘোষণার পর থেকেই ছাত্রদলের তরুণ নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা গেছে এক অন্যরকম উদ্দীপনা। অনেকে বলছেন,

> “সাধারণ সম্পাদক নয়, তিনি তৃণমূলের প্রাণ। তাঁকে ছাড়া সংগঠনের রক্তসঞ্চালন অসম্ভব।”

রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষাজীবনেও কাওছার হাবীব সাকিব সমান মনোযোগী। তিনি সরকারি আজিজুল হক কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অনার্স ৪র্থ বর্ষের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি সংগঠন পরিচালনা, সামাজিক কর্মকাণ্ড, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান— সবক্ষেত্রেই রয়েছে তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি। ছাত্রজীবনের নেতৃত্বগুণ আজ তাঁকে এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে।

কাওছারের পরিবারও বিএনপি রাজনীতির এক নিবেদিত পরিবার। সেই পারিবারিক মূল্যবোধ, রাজনৈতিক ঐতিহ্য ও ত্যাগের চেতনা থেকেই তিনি গড়ে তুলেছেন নিজের রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। তাঁর লক্ষ্য শুধু দায়িত্ব পাওয়া নয়, বরং সংগঠনকে এমন এক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া, যেখানে নেতৃত্ব মানেই সেবা, ঐক্য আর নীতির প্রতীক।

বগুড়া জেলা বিএনপির সংগ্রামী সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোশারফ হোসেন, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এইচ.এস. মাফতুন আহমেদ খান রুবেল, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জহুরুল আলমসহ জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান সরকার ও সাধারণ সম্পাদক এম.আর. হাসান পলাশের নেতৃত্বে তিনি কাজ করছেন সংগঠনকে আধুনিক, গতিশীল ও নীতি-ভিত্তিক রূপ দিতে।

আজ বগুড়া সদর উপজেলার তৃণমূল নেতাকর্মীদের কণ্ঠে একটাই দাবি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে—

> “ছাত্রদলের নতুন ভবিষ্যৎ চাই, নেতৃত্বে চাই কাওছার হাবীব সাকিবকে।”

২২ অক্টোবর ২০২৫ সালের সদর উপজেলা ছাত্রদলের সম্মেলনকে ঘিরে তাই কর্মীদের চোখে একটাই স্বপ্ন —
“সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দেখব আমাদের কাওছার ভাইকে।”

চিকিৎসায় সাফল্য ও মানবিকতা: ঢাকা-১৭ আসনে ডা. খালিদুজ্জামানের পক্ষে গণজোয়ার

নিজস্ব প্রতিবেদক ঢাকা প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৯:১০ এএম
চিকিৎসায় সাফল্য ও মানবিকতা: ঢাকা-১৭ আসনে ডা. খালিদুজ্জামানের পক্ষে গণজোয়ার

আসন্ন সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সম্প্রতি এক নিঃসন্তান মায়ের আবেগঘন স্ট্যাটাস ভাইরাল হওয়ার পর তার প্রতি জনসমর্থন ও সাধারণ মানুষের সহমর্মিতা আরও বেড়েছে।

চিকিৎসায় অভাবনীয় সাফল্য

পিরোজপুরের বাসিন্দা আইরিন সুলতানা নামে এক নারী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, দীর্ঘ ৬ বছর দেশের নামি-দামি বহু চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়েও তিনি মাতৃত্বের স্বাদ পাননি। অবশেষে ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের চিকিৎসায় মাত্র ২৬ দিনের মাথায় তিনি গর্ভধারণ করেন। বর্তমানে তিনি একটি সুস্থ কন্যাসন্তানের মা। তার মতে, রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি থাকলেও একজন চিকিৎসক হিসেবে ডা. খালিদুজ্জামান বহু পরিবারে আশার আলো জ্বালিয়েছেন।

যোগ্যতা নিয়ে অপপ্রচারের জবাব

ডা. খালিদুজ্জামানের এমএসসি ইন ক্লিনিক্যাল এমব্রায়োলজি (ভারত) ডিগ্রিসহ চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার সফলতার রেকর্ডটি দীর্ঘ। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম টেস্টটিউব বেবি সফলতায় তার অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সাধারণ ভোটাররা বলছেন, তার মেধা ও দক্ষতাকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে।

নির্বাচনী মাঠে ‘দাড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রভাব

ব্যক্তিগত জীবনে পরোপকারী এবং সফল এই চিকিৎসককে ঘিরে ঢাকা-১৭ আসনের ভোটারদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। ভোটারদের একাংশ মনে করছেন, প্রথাগত রাজনীতির বাইরে একজন দক্ষ পেশাজীবীকে জনপ্রতিনিধি হিসেবে পাওয়া এলাকার উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক। বিশেষ করে মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের কাছে বিনামূল্যে বা স্বল্পমূল্যে উন্নত চিকিৎসার যে প্রতিশ্রুতি তিনি দিচ্ছেন, তা সাধারণ মানুষের মনে জায়গা করে নিয়েছে।

জনগণের প্রত্যাশা

নির্বাচনী প্রচারণায় ডা. খালিদুজ্জামান বলছেন, তিনি নির্বাচিত হলে ঢাকা-১৭ আসনকে একটি আধুনিক ও স্বাস্থ্যসেবা-বান্ধব মডেল হিসেবে গড়ে তুলবেন। কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং কর্মের মাধ্যমেই তিনি সকল সমালোচনার জবাব দিতে চান।

পরিশেষে, একজন সফল চিকিৎসক যখন রাজনৈতিক ময়দানে আসেন, তখন সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেড়ে যায়। আইরিন সুলতানার মতো হাজারো মানুষের দোয়া ও ভালোবাসাই এখন ডা. এস এম খালিদুজ্জামানের নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার বড় শক্তি।

আহত-৩০

কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

এ.এস.এম হামিদ হাসান, কটিয়াদী (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম
কিশোরগঞ্জে বিএনপির জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রামে বিএনপি’র নির্বাচনী জনসভায় চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে।

শুক্রবার (২৩জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে উপজেলার কাস্তুল ইউনিয়নের ভাতশালা গ্রামে এসংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, বিকেলে ভাতশালা গ্রামে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এডভোকেট ফজলুর রহমানের সমর্থনে নির্বাচনী জনসভা চলছিল। তবে তিনি অসুস্থতার কারণে ওই জনসভায় উপস্থিত হতে পারেননি।

ঘটনা সূত্রে আরো জানা যায়, সভার শেষে পর্যায়ে কাস্তুল ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলম কিসমতের নেতৃত্বে একটি মিছিল সভাস্থলে পৌঁছায়। এসময় ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে যুবদল নেতাকর্মীদের চেয়ারে বসা নিয়ে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তা হাতাহাতি পর্যায়ে রূপ নেয়। সংঘর্ষে যুবদল নেতা মাহবুব আলম কিসমতসহ অন্তত ২০জন আহত হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে যুবদল নেতা মাহবুব আলম কিসমত অভিযোগ করে বলেন, মিছিল নিয়ে জনসভায় পৌঁছানোর পর ২নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া ও তার সাথে থাকা লোকজন আমাদের ওপর হঠাৎ হামলা চালায়। এতে আমি সহ অন্তত দলের ২০ নেতাকর্মী আহত হই।

অপরদিকে তার দেওয়া অভিযোগ অস্বীকার করে ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সাদেক মিয়া বলেন যুবদল নেতা কিসমত ও তার সাথে থাকা লোকজনই প্রথম আমাদের উপর হামলা করেছে। হামলায় আমি সহ অন্তত দলের ৮-১০ জন কর্মী গুরুতর আহত হয়েছে।

এ বিষয়ে অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সোয়েব খান জানান, বর্তমানে ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এখানকার পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক অবস্থায় রয়েছে। তবে হতাহতের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে তাদের পক্ষ থেকে কোন অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শীতের পিঠার স্বাদে মুখর হয়ে উঠেছিল শিরিন আওলাদ মডেল স্কুল চত্বর

মোঃ সুলতান মাহমুদ,স্টাফ রিপোর্টার, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২৬, ১১:২৫ পিএম
শীতের পিঠার স্বাদে মুখর হয়ে উঠেছিল শিরিন আওলাদ মডেল স্কুল চত্বর

গাজীপুরের শ্রীপুরের শিরিন আওলাদ মডেল স্কুলে দিনব্যাপী পিঠা উৎসব হয়েছে। শীতের আমেজে গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী পিঠার স্বাদে মুখর হয়ে উঠেছিল স্কুল চত্বর।

আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় পিঠা উৎসবের উদ্বোধন করেন ছোট কলিম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুল হান্নান সজল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বেগম শামসুন্নাহার।
অনুষ্ঠানের উৎসবে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ছিল চোখে পড়ার মতো।
উৎসবে ভাপা পিঠা, পুলি, চিতই, পাটিসাপটা, দুধচিতইসহ নানা ধরনের ঐতিহ্যবাহী পিঠা প্রদর্শন ও বিক্রি করা হয়। শিক্ষার্থীরা নিজেরা পিঠা তৈরি করে স্টলে উপস্থাপন করে। এতে তাদের মধ্যে সৃজনশীলতা ও দলগত কাজের অভিজ্ঞতা তৈরি হয়।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের পাঠ্যবইয়েরে বাইরের জ্ঞান অর্জন এবং দেশীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত করতেই এ আয়োজন। পিঠা উৎসব ঘিরে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। অনেক অভিভাবকও সন্তানের তৈরি পিঠার স্বাদ নিতে অংশ নেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মহিদুল ইসলাম সাংবাদিককে বলেন, ‘এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের আনন্দের পাশাপাশি সংস্কৃতি চর্চায় আগ্রহী করে তোলে। ভবিষ্যতেও এমন শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অব্যাহত থাকবে।’
পিঠা উৎসবকে ঘিরে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের যৌথ প্রচেষ্টায় পুরো আয়োজনটি সফলের পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও অনুষ্ঠিত হয়।