সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

তন্ময় দেবনাথ রাজশাহী

রাজশাহীতে সার্ভেয়ারদের বেতন ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে অর্ধ কর্ম বিরতি

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৪, ১২:৪৫ এএম | 124 বার পড়া হয়েছে
রাজশাহীতে সার্ভেয়ারদের বেতন ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে অর্ধ কর্ম বিরতি

রাজশাহীতে ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভেয়ারদের অন্যান্য ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের ন্যায় বেতন স্কেল দশম গ্রেড বাস্তবায়ন করার দাবিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অর্ধদিবস কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করেন।

মঙ্গলবার (২অক্টোবর) সকাল ৯ টা থেকে দুপুর একটা পর্যন্ত রাজশাহী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অর্ধ দিবস কর্ম বিরতি ও অবস্থান ধর্মঘট পালন করেছেন।সমন্বয়করা বলেন আমরা চাই অন্যান্য ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের ন্যায় আমাদের ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের দশম গ্রেডের করা হোক। তারা বলেন আমাদের সাথে যখন প্রতিষ্ঠান জড়িত আছে তারা সকলেই আমাদেরকে সাপোর্ট করেছে ।

তারা বলেন যেমন এলজিডি বিভাগ পানি উন্নয়ন বিভাগ এছাড়াও আমাদের সাথে যে সকল প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম চলমান রয়েছে সে সকল প্রতিষ্ঠান থেকে আমাদেরকে মোবারক জানিয়েছেন।উক্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি ও অবস্থান ধর্মঘটে রাজশাহীর ডিপ্লিমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং সার্ভেয়ারের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল মাসুম,রাজশাহী জেলা ম্যানেজমেন্টের সেক্রেটারি আসলাম, সমন্বয়ক,সাদিদ হাসান,জাকারিয়া,মনিরুল,রাজন সহ ছাত্র-ছাত্রী এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তাগাছা সিংড়ার খাল পূর্ণ খনন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন তথ্য সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:১০ পিএম
মুক্তাগাছা সিংড়ার খাল পূর্ণ খনন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন করেন তথ্য সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী

ময়মনসিংহে জেলার মুক্তাগাছা থানার ৫নং বাঁশাটি ইউনিয়নে ২০২৫-২০২৬ অর্থ বছরের দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন কর্মসূচির আওতায় সিংড়ার খাল পুনঃখনন প্রকল্পের উদ্বোধন কার্যক্রমে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী এমপি।
এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ জাকির হোসেন এমপি, সংসদ সদস্য ১৫০, ময়মনসিংহ-৫, মুক্তাগাছা, ময়মনসিংহ সদর এর এমপি আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক মোঃ সাইফুর রহমান, ময়মনসিংহ জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান, মুক্তাগাছা উপজেলার নির্বাহী অফিসার কৃষ্ণচন্দ্র প্রমুখ।

ঈশ্বরদীর বেনারসী পল্লীতে নেই ব‍্যাস্ততা, অস্তিত্ব সংকটে শতবর্ষের তাঁত শিল্প

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৯ পিএম
ঈশ্বরদীর বেনারসী পল্লীতে নেই ব‍্যাস্ততা, অস্তিত্ব সংকটে শতবর্ষের তাঁত শিল্প

ঈদের বাকি আর কয়েকদিন। কিন্তু সেই ব্যস্ততার ছিটেফোঁটাও নেই পাবনার ঈশ্বরদীর বেনারসী পল্লীতে। শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প যেন আজ অস্তিত্ব সংকটে। বাজার দখল করে নিয়েছে ভারতীয় শাড়ি, আর কাজ হারাচ্ছেন দেশীয় কারিগররা।

বেনারসী পল্লী ঘুরে জানা যায়, পাবনার ঈশ্বরদীর এই বেনারসী পল্লীর ইতিহাস শত বছরেরও বেশি পুরোনো। ব্রিটিশ আমলে ভারত থেকে আসা কারিগররা এখানে এসে বসতি স্থাপন করেন। দক্ষ হাতে কাতান ও বেনারসী শাড়ি বুননের মাধ্যমে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে সমৃদ্ধ এ তাঁত শিল্পের জনপদ।

২০০৪ সালে ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড ফতেহ মোহাম্মদপুর এলাকায় সাড়ে পাঁচ একর জমির ওপর গড়ে তোলে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বেনারসী পল্লী। ২০ বছরে প্লটের কিস্তি পরিশোধের সুবিধার্থে ৯০ জন তাঁতিকে ৯০টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭০টি তিন শতাংশের এবং ২০টি পাঁচ শতাংশের প্লট।

তবে বাস্তবতা ভিন্ন। ৯০টি প্লটের মধ্যে মাত্র সাতটিতে কারখানা স্থাপন করা হয়েছে, আর বর্তমানে চালু রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি। এক সময় এই এলাকা মুখরিত থাকতো তাঁতের খটখট শব্দে। কয়েক হাজার কারিগর ও শতাধিক কারখানায় দিনরাত চলতো শাড়ি তৈরির কাজ। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে আজ সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার পথে।

ঈদ সামনে থাকলেও আগের মতো নেই কর্মচাঞ্চল্য। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কয়েকটি কারখানা, অধিকাংশই বন্ধ হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী ও কারিগরদের অভিযোগ, ভারতীয় স্বয়ংক্রিয় মেশিনে তৈরি কম দামের শাড়ি বাজার দখল করে নেওয়ায় দেশীয় হাতে বোনা বেনারসী শাড়ির চাহিদা কমে গেছে। এতে করে এক সময়ের জমজমাট তাঁত শিল্প এখন ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে।

বেনারসী পল্লীর কারখানা মালিক ও কারিগররা জানান, সরকারি উদ্যোগে এই পল্লী গড়ে উঠলেও এখানে পর্যাপ্ত তাঁত বসেনি। ফলে এটি ধ্বংসের মুখে পড়েছে। একসময় এখানে প্রায় এক হাজার তাঁত ছিল, যা কমতে কমতে এখন ৪০ থেকে ৫০টিতে নেমে এসেছে। নতুন প্রজন্মও এই পেশায় আসতে আগ্রহী নয়।

তাঁত শাড়ি ব্যবসায়ী মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমার বাবা বেনারস থেকে এখানে এসে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু ভারতীয় শাড়ি বাজারে ঢোকার কারণে আমরা আগের মতো তাঁত টিকিয়ে রাখতে পারছি না। শাড়ি তৈরিতে কারিগরের খরচ বেশি হওয়ায় ব্যবসা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

আরেক ব্যবসায়ী মমিনুল ইসলাম বলেন, ভারতীয় শাড়ির দাম কম হওয়ায় আমাদের শাড়ি বেশি দামে বিক্রি করা যায় না। সেখানে মেশিনে এক দিনে দশটি শাড়ি তৈরি হয়, আর আমরা হাতে তৈরি করতে দশ দিন লাগে একটি শাড়ি। এ কারণে আমরা পিছিয়ে পড়ছি।

শতবর্ষের এই ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প টিকিয়ে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তি, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাজার সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন বেনারসী পল্লীর কারিগর ও ব্যবসায়ীরা।

জাহিদ হোসেন, চাঁদপুর

চাঁদপুর শহরের হকার্স মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে ঈদের কেনাকাটা জমজমাট

জাহিদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৫ পিএম
চাঁদপুর শহরের হকার্স মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে ঈদের কেনাকাটা জমজমাট

ঈদ সামনে রেখে জমে উঠেছে চাঁদপুর হকার্স মার্কেট ও শপিংমলগুলো। রমজানের শেষ দিকে এসে কেনাকাটার ব্যস্ততা বেড়েছে কয়েকগুণ। নতুন পোশাক ও আকর্ষণীয় কালেকশন নিয়ে প্রস্তুত ব্যবসায়ীরা, আর পরিবারের জন্য পছন্দের জিনিস কিনতে মার্কেটমুখী হচ্ছেন ক্রেতারা। তবে এবারের ঈদবাজারে পোশাকের দাম তুলনামূলক বেশি বলে অভিযোগ করছেন অনেকেই।

চাঁদপুরে ঐতিহ্যবাহী হকার্স মার্কেটে এখন উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পোশাকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের চাপ বেশি। শাড়ি, থ্রিপিস, জুতা ও প্রসাধনীসহ নানা পণ্যের সমাহারে সাজানো হয়েছে দোকানগুলো। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে মানুষের উপস্থিতি।

ক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে পোশাকের বৈচিত্র্য থাকলেও দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করতে এসে অনেকেই বাজেটের চাপ অনুভব করছেন। মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মতে, পোশাকের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলে কেনাকাটা আরও সহজ হতো।

হকার্সের বিভিন্ন দেকানে ঘুরে দেখা গেছে, এ বছর নারী পোশাকের মধ্যে ‘সারারা’, ‘গারারা’, ‘ফারসি’ ও পাকিস্তানি স্টাইলের পোশাকের চাহিদা বেশি। এসব পোশাকের দাম প্রায় তিন হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে জামদানি ও সিল্ক জামদানির মতো শাড়িও ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে। এসব শাড়ির দাম দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে থাকায় বিক্রিও তুলনামূলক বেশি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের বাজারে বিক্রি সন্তোষজনক। রমজানের শুরু থেকেই বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও শেষ সময়ে এসে বেচাকেনা আরও বেড়েছে। অনেক দোকানেই বিভিন্ন ধরনের নতুন ডিজাইনের পোশাক আনা হয়েছে, যাতে ক্রেতারা পছন্দমতো কিনতে পারেন।

error: Content is protected !!