সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২

মহামায়ার সৌন্দর্য ফেরাচ্ছেন স্বেচ্ছাশ্রমিকরা

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ৭:৩৩ পিএম | 152 বার পড়া হয়েছে
মহামায়ার সৌন্দর্য ফেরাচ্ছেন স্বেচ্ছাশ্রমিকরা

প্রাকৃতিম নৈস্বর্গে ঘেরা ১১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের মহামায়া লেকের নীল জলরাশি ঢেকে গেছে কচুরিপানা আর ময়লা আবর্জনায়। প্রায় দুই মাস সময় ধরে এখানে পর্যটকদের আনাগোনা না থাকায় লেকের বেশিরভাগ অংশ কচুরিপানায় ছেয়ে যায়। এখানে নিয়োজিত সরকারের বনবিভাগ কিংবা ঠিকাদার এটির পরিস্কারে দায়িত্ব না নিলেও স্বেচ্ছাশ্রমে পরিস্কারের দায়িত্ব নিয়েছে বিডি ক্লিন মিরসরাই নামের একটি সংগঠন।

বুধবার (২ অক্টোবর) সকাল থেকে সংগঠনটির ২০ থেকে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক লেকে নেমে কচুরিপানা এবং ময়লা আবর্জনা পরিস্কার শুরু করে। এসময় লেক এলাকায় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) হারুন উর রশিদ ও মিরসরাই রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহেন শাহ্ নওশাদ।

স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন বিডি ক্লিন মিরসরাই এর সমন্বয়ক মো. নুরের নবী জানান, গেছে বন্যা এবং বেশ কিছুদিন ধরে লেক এলাকায় পর্যটকদের আনাগোনা না থাকায় লেকের অধিকাংশ এলাকা কচুরিপানা এবং ময়লায় ভরে গেছে। বিশেষ করে এসময় লেকে ডিঙ্গি নৌকাসহ অন্যান্য জলযান না চলায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।

এসময় তিনি বলেন, ‘সরকারের বনবিভাগের আওতায় থাকা এ লেকটি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর লেক এবং এটির সৌন্দর্য সারা দেশের পর্যটকদের আকৃষ্ট করে। আমরা নিজেরা উদ্যেগি হয়ে বনবিভাগের কর্মকর্তাদের অনুমতি নিয়ে এটি পরিস্কারের দায়িত্ব নিয়েছি। এখানে আমাদের ২০ থেকে ২৫ জন স্বেচ্ছাসেবক কাজ করছে।’

প্রসঙ্গত, ২০০৯-১০ অর্থ বছরে চট্টগ্রাম উত্তর বনবিভাগের মিরসরাই রেঞ্জ এলাকায় পাহাড়ী বারো মাসি ঝরনায় কৃত্রিম বাঁধ দিয়ে বাস্তবায়ন করা হয় মহামায়া সেচ প্রকল্প। এতে তৈরি হয় ১১ বর্গকিলোমিটার আয়তনের লেক। যা আয়তনের দিক দিয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তর। এরপর এটিকে সরকারের বনবিভাগ বোটানিক্যাল গার্টেন ও ইকোপার্কে রূপান্তর করে। পরে এটি বাণিজ্যিকরণে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেয়া হয়।

ঈশ্বরদীর বেনারসী পল্লীতে নেই ব‍্যাস্ততা, অস্তিত্ব সংকটে শতবর্ষের তাঁত শিল্প

মোঃ ওমরফারুক(সানি), স্টাফ রিপোর্টার প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৯ পিএম
ঈশ্বরদীর বেনারসী পল্লীতে নেই ব‍্যাস্ততা, অস্তিত্ব সংকটে শতবর্ষের তাঁত শিল্প

ঈদের বাকি আর কয়েকদিন। কিন্তু সেই ব্যস্ততার ছিটেফোঁটাও নেই পাবনার ঈশ্বরদীর বেনারসী পল্লীতে। শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প যেন আজ অস্তিত্ব সংকটে। বাজার দখল করে নিয়েছে ভারতীয় শাড়ি, আর কাজ হারাচ্ছেন দেশীয় কারিগররা।

বেনারসী পল্লী ঘুরে জানা যায়, পাবনার ঈশ্বরদীর এই বেনারসী পল্লীর ইতিহাস শত বছরেরও বেশি পুরোনো। ব্রিটিশ আমলে ভারত থেকে আসা কারিগররা এখানে এসে বসতি স্থাপন করেন। দক্ষ হাতে কাতান ও বেনারসী শাড়ি বুননের মাধ্যমে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে সমৃদ্ধ এ তাঁত শিল্পের জনপদ।

২০০৪ সালে ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা ব্যয়ে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড ফতেহ মোহাম্মদপুর এলাকায় সাড়ে পাঁচ একর জমির ওপর গড়ে তোলে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বেনারসী পল্লী। ২০ বছরে প্লটের কিস্তি পরিশোধের সুবিধার্থে ৯০ জন তাঁতিকে ৯০টি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭০টি তিন শতাংশের এবং ২০টি পাঁচ শতাংশের প্লট।

তবে বাস্তবতা ভিন্ন। ৯০টি প্লটের মধ্যে মাত্র সাতটিতে কারখানা স্থাপন করা হয়েছে, আর বর্তমানে চালু রয়েছে হাতে গোনা কয়েকটি। এক সময় এই এলাকা মুখরিত থাকতো তাঁতের খটখট শব্দে। কয়েক হাজার কারিগর ও শতাধিক কারখানায় দিনরাত চলতো শাড়ি তৈরির কাজ। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে আজ সেই ঐতিহ্য হারিয়ে যাওয়ার পথে।

ঈদ সামনে থাকলেও আগের মতো নেই কর্মচাঞ্চল্য। খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে কয়েকটি কারখানা, অধিকাংশই বন্ধ হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী ও কারিগরদের অভিযোগ, ভারতীয় স্বয়ংক্রিয় মেশিনে তৈরি কম দামের শাড়ি বাজার দখল করে নেওয়ায় দেশীয় হাতে বোনা বেনারসী শাড়ির চাহিদা কমে গেছে। এতে করে এক সময়ের জমজমাট তাঁত শিল্প এখন ধীরে ধীরে বিলুপ্তির পথে।

বেনারসী পল্লীর কারখানা মালিক ও কারিগররা জানান, সরকারি উদ্যোগে এই পল্লী গড়ে উঠলেও এখানে পর্যাপ্ত তাঁত বসেনি। ফলে এটি ধ্বংসের মুখে পড়েছে। একসময় এখানে প্রায় এক হাজার তাঁত ছিল, যা কমতে কমতে এখন ৪০ থেকে ৫০টিতে নেমে এসেছে। নতুন প্রজন্মও এই পেশায় আসতে আগ্রহী নয়।

তাঁত শাড়ি ব্যবসায়ী মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমার বাবা বেনারস থেকে এখানে এসে ব্যবসা শুরু করেছিলেন। কিন্তু ভারতীয় শাড়ি বাজারে ঢোকার কারণে আমরা আগের মতো তাঁত টিকিয়ে রাখতে পারছি না। শাড়ি তৈরিতে কারিগরের খরচ বেশি হওয়ায় ব্যবসা ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

আরেক ব্যবসায়ী মমিনুল ইসলাম বলেন, ভারতীয় শাড়ির দাম কম হওয়ায় আমাদের শাড়ি বেশি দামে বিক্রি করা যায় না। সেখানে মেশিনে এক দিনে দশটি শাড়ি তৈরি হয়, আর আমরা হাতে তৈরি করতে দশ দিন লাগে একটি শাড়ি। এ কারণে আমরা পিছিয়ে পড়ছি।

শতবর্ষের এই ঐতিহ্যবাহী তাঁত শিল্প টিকিয়ে রাখতে আধুনিক প্রযুক্তি, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা এবং বাজার সুরক্ষার দাবি জানিয়েছেন বেনারসী পল্লীর কারিগর ও ব্যবসায়ীরা।

জাহিদ হোসেন, চাঁদপুর

চাঁদপুর শহরের হকার্স মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে ঈদের কেনাকাটা জমজমাট

জাহিদ হোসেন প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৯:০৫ পিএম
চাঁদপুর শহরের হকার্স মার্কেটের বিভিন্ন দোকানে ঈদের কেনাকাটা জমজমাট

ঈদ সামনে রেখে জমে উঠেছে চাঁদপুর হকার্স মার্কেট ও শপিংমলগুলো। রমজানের শেষ দিকে এসে কেনাকাটার ব্যস্ততা বেড়েছে কয়েকগুণ। নতুন পোশাক ও আকর্ষণীয় কালেকশন নিয়ে প্রস্তুত ব্যবসায়ীরা, আর পরিবারের জন্য পছন্দের জিনিস কিনতে মার্কেটমুখী হচ্ছেন ক্রেতারা। তবে এবারের ঈদবাজারে পোশাকের দাম তুলনামূলক বেশি বলে অভিযোগ করছেন অনেকেই।

চাঁদপুরে ঐতিহ্যবাহী হকার্স মার্কেটে এখন উপচে পড়া ভিড়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পোশাকের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের চাপ বেশি। শাড়ি, থ্রিপিস, জুতা ও প্রসাধনীসহ নানা পণ্যের সমাহারে সাজানো হয়েছে দোকানগুলো। ঈদ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে মানুষের উপস্থিতি।

ক্রেতারা জানিয়েছেন, বাজারে পোশাকের বৈচিত্র্য থাকলেও দাম গত বছরের তুলনায় অনেকটাই বেশি। পরিবারের সবার জন্য কেনাকাটা করতে এসে অনেকেই বাজেটের চাপ অনুভব করছেন। মধ্যবিত্ত ক্রেতাদের মতে, পোশাকের দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে থাকলে কেনাকাটা আরও সহজ হতো।

হকার্সের বিভিন্ন দেকানে ঘুরে দেখা গেছে, এ বছর নারী পোশাকের মধ্যে ‘সারারা’, ‘গারারা’, ‘ফারসি’ ও পাকিস্তানি স্টাইলের পোশাকের চাহিদা বেশি। এসব পোশাকের দাম প্রায় তিন হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে জামদানি ও সিল্ক জামদানির মতো শাড়িও ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে। এসব শাড়ির দাম দুই হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে থাকায় বিক্রিও তুলনামূলক বেশি।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ঈদের বাজারে বিক্রি সন্তোষজনক। রমজানের শুরু থেকেই বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতি থাকলেও শেষ সময়ে এসে বেচাকেনা আরও বেড়েছে। অনেক দোকানেই বিভিন্ন ধরনের নতুন ডিজাইনের পোশাক আনা হয়েছে, যাতে ক্রেতারা পছন্দমতো কিনতে পারেন।

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি প্রকাশিত: সোমবার, ১৬ মার্চ, ২০২৬, ৬:৫৪ পিএম
রূপগঞ্জের সাংবাদিক কে প্রাণনাশের হুমকি

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ সাংবাদিক ফোরামের সভাপতি ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল জাগো নিউজের রূপগঞ্জ প্রতিনিধি নাজমুল হুদা (৪৬) কে সন্ত্রাসীরা প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে। গত ১৩মার্চ সন্ধ্যা ৭টায় মোটরসাইকেলে ভুলতা গাউছিয়া যাওয়ার পথে কর্নগোপ রহিম মার্কেট এলাকায় মাস্ক ও হেলমেট পরিহিত অজ্ঞাত ৪জন সন্ত্রাসী এ হুমকি দেয়।
জানা যায়, রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার কর্ণগোপ এলাকার বাসিন্দা সাংবাদিক নাজমুুল হুদা দীর্ঘদিন ধরে জাগো নিউজে সংবাদ পরিবেশন করে আসছেন। সন্ত্রাসী, চাঁদাবজিসহ অপরাধমূলক সংবাদ প্রচার করায় সন্ত্রাসীরা তাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে বলে সাংবাদিক নাজমুল হুদা অভিযোগ করেছেন।
এ ব্যাপারে নাজমুল হুদা বাদী হয়ে অজ্ঞাত ৪/৫জনকে অভিযুক্ত করে রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন। সাংবাদিক নাজমুল হুদার এ হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ প্রেসক্লাব, রূপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাব, পূর্বাচলের সাংবাদিক কার্যালয় ও পূর্বাচল প্রেসক্লাবের সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছে। অবিলম্বে সাংবাদিকের হুমকি দাতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য তারা দাবি জানায়।
রূপগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ সবজেল হোসেন বলেন, সাংবাদিক নাজমুল হুদাকে প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় রূপগঞ্জ থানায় সাধারণ ডায়েরি অর্ন্তভুক্ত করা হয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সন্ত্রাসীরা যতই প্রভাবশালী হোক ছাড় দেওয়া হবে না।

error: Content is protected !!