বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৫ ফাল্গুন ১৪৩২

গীবত বলা ও শোনা সমান পাপ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: বুধবার, ২ অক্টোবর, ২০২৪, ৭:২৬ পিএম | 115 বার পড়া হয়েছে
গীবত বলা ও শোনা সমান পাপ

গীবত শব্দের আভিধানিক অর্থ পরনিন্দা করা, কুৎসা রটানো, পেছনে সমালোচনা করা, পরচর্চা করা, দোষারোপ করা, কারও অনুপস্থিতিতে তার দোষ অন্যের সামনে তুলে ধরা। ইসলামি শরিয়তে গিবত হারাম ও কবিরা গুনাহ। হাদিসের বর্ণনায় রয়েছে, “যারা অগ্র-পশ্চাতে অন্যের দোষ বলে বেড়ায়, তাদের জন্য রয়েছে ধ্বংসের দুঃসংবাদ।” (মুসলিম)।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “দুর্ভোগ তাদের জন্য, যারা পশ্চাতে ও সম্মুখে লোকের নিন্দা করে।…অবশ্যই তারা হুতামাতে (জাহান্নামে) নিক্ষিপ্ত হবে। তুমি কি জানো হুতামা কী? তা আল্লাহর প্রজ্বলিত অগ্নি, যা হৃদয়কে গ্রাস করবে। নিশ্চয় বেষ্টন করে রাখবে, দীর্ঘায়িত স্তম্ভসমূহে।”(সুরা-১০৪ হুমাজা, আয়াত: ১-৯)।

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, “রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা কি জানো গিবত কাকে বলে?’ সাহাবিরা বললেন, ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.) ভালো জানেন।’ তিনি বলেন, ‘তোমার কোনো ভাই সম্পর্কে এমন কথা বলা, যা সে অপছন্দ করে, তা-ই গীবত।’

সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল, আমি যে দোষের কথা বলি, সেটা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে, তাহলেও কি গিবত হবে?’ উত্তরে রাসুল (সা.) বলেন, ‘তুমি যে দোষের কথা বলো, তা যদি তোমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে, তবে তুমি অবশ্যই গিবত করলে আর তুমি যা বলছ, তা যদি তার মধ্যে না থাকে, তবে তুমি তার ওপর তুহমত ও বুহতান তথা মিথ্যা অপবাদ আরোপ করেছ।’ (মুসলিম)।

পাঠক, উপরের আলোচনায় নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন গিবত একটি ভয়ানক পাপ। আমাদের সমাজে বেশিরভাগ মানুষ ৭টি বিষয়ের উপর বেশি গীবত করে থাকেন। সেগুলো নিচে দেওয়া হল…

খাবা‌রের গীবত

নিকৃষ্টতম গীবত হল খাবা‌রের গীবত করা। একজন মানুষ কষ্ট ক‌রে রান্না ক‌রে, আর সবাই মি‌লে রান্নার বদনাম কর‌তে থা‌কে। খাবা‌রের গীবত বে‌শি হয় বি‌য়ে বা‌ড়ি‌তে। ‌যেমন বলা, খাবারটা মজা হয় নাই, লবণ কম হয়ে‌ছে, এত লবণ দি‌য়ে‌ছে যে তিতা লাগ‌ছে ইত্যা‌দি। রাসূল (স.) কখনই খাবা‌রের দোষ ধর‌তেন না। ভা‌লো না লাগ‌লে এক পা‌শে স‌রি‌য়ে রাখ‌তেন। কখনই বল‌তেন না, কী খাবার রান্না ক‌র‌েছে মু‌খেই দেয়া যা‌চ্ছে না!

দৈ‌হিক কাঠা‌মোর গীবত

কা‌রো কা‌ছে কোন ব্য‌ক্তির দৈ‌হিক ত্রু‌টি উল্লেখ করাও গীবত। যেমন বলা অমুক ব্য‌ক্তি খুব মোটা, তার নাক বোঁচা, চোখ খু‌বই ছোট, চো‌খে দে‌খে না, মাথায় তো চুল নাই, পে‌টে ভূ‌ড়ি আছে, সে তো খু‌বই খাট ইত্যা‌দি।‌ কোন ব্য‌ক্তির আড়া‌লে অন্য কা‌রো সা‌থে য‌দি আপ‌নি ঐ ব্য‌ক্তির দৈ‌হিক কাঠা‌মো নি‌য়ে এরকম আলোচনা ক‌রেন তাহ‌লে তা গীবত হ‌য়ে যা‌বে। “একবার আয়েশা (রা.) ব‌লেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপ‌নি কী সা‌ফিয়ার বেঁ‌টে হওয়াটা অপছন্দ ক‌রেন না ? রাসূল (স.) বল‌লেন,”হে আয়েশা! তু‌মি এমন এক‌টি কথা বল‌লে যা নদীর পা‌নির সা‌থে মি‌শি‌য়ে দি‌লে তার উপর প্র‌তি‌ক্রিয়া সৃ‌ষ্টি কর‌বে।”
(আবু দাউদ )

পোশা‌কের গীবত

এভা‌বে বলা অমু‌কের পোশাক খাট,‌ কেমন কালা‌রের জামা-কাপড় প‌রে দেখ‌তে বি‌শ্রি লা‌গে, ঐ মে‌য়ে এত ফি‌টিংওয়ালা পোশাক প‌রে, অমুক তো পাতলা ড্রেস প‌রে ইত্যা‌দি। “একবার আয়েশা (রা.) বলেন, অমুক স্ত্রীলো‌কের আচল খুব লম্বা। রাসূল (স.) একথা শু‌নে বলল‌েন, “হে আয়েশা! তোমার থুথু ফেলা কর্তব্য।” আয়েশা (রা.) ব‌লেন, আমি থুথু ফেল‌লে মুখ থে‌কে গোশ‌তের এক‌টি টুকরা বের হ‌য়ে আসে। (আত তারগীব ওয়াত তারহীব)

অভ্যাস বা আচার-আচার‌ণের গীবত

‌কোন ব্য‌ক্তির আচার ব্যবহার নি‌য়ে সমা‌লোচনা করা। যেমন, সে মানুষ‌কে কষ্ট দি‌য়ে কথা ব‌লে, ব্যবহার খারাপ, অভদ্র, পেটুক, অলস, সকাল ১০টা পর্যন্ত ঘুমায় ইত্যা‌দি। একবার সালমান ফারসী (রা.) আহার ক‌রে শ‌ুয়ে পড়‌লেন । দু’ ব্য‌ক্তি তার খাওয়া ও শোয়ার ধরণ নি‌য়ে সমা‌লোচনা কর‌লে নি‌ম্নোক্ত আয়াত না‌যিল হয়। “‌তোমরা পরস্প‌রের গীবত কর না।” (সুরা হুজরাত : ১১)

বং‌শের গীবত

তুচ্ছ করার জন্য কাউ‌কে বলা, অমু‌কের বংশ নিচু, অমু‌কের পূর্ব পুরু‌ষেরা ছিল কূ‌লি, মজুর বা চোর, ডাকাত ইত্যা‌দি, অমু‌কের তো কোন বংশই নেই ইত্যা‌দি বলা। রাসূল (স.) ব‌লেন, “দীনদ্বারি ও সৎকর্ম ব্যতীত কোন ব্য‌ক্তির অপর কোন ব্য‌ক্তির উপর শ্রেষ্ঠত্ব নেই ।” (আব্দুর রহমান আশ-শারানী)

ইবাদ‌তের গীবত

ইবাদ‌তের ত্রু‌টি বিচ্যু‌তি নি‌য়ে সমা‌লোচনা করা। যেমন কাউ‌কে গি‌য়ে বলা; অমু‌কতো ঠিকমত নামায পর‌তে পা‌রে না, মাকরুহ ওয়া‌ক্তে নামায প‌রে, রমযা‌নের রোজা ঠিকমত রা‌খে না, এত বড় হয়েছে কিন্তু এখ‌নো নামায প‌ড়ে না, এত বড় মে‌য়ে কুরআন পড়‌তে জা‌নে না ইত্যা‌দি। একবার তাহাজ্জু‌দের ওয়া‌ক্তে কতক লোক ঘু‌মি‌য়ে থাক‌লে শেখ সা’দী (রহ.) তা‌দের সমা‌লোচনা ক‌রেন এবং ব‌লেন, এই লোকগু‌লো য‌দি তাহাজ্জুদ পড়‌তো ত‌বে কতই না ভা‌লো হত। সা’দীর পিতা একথা শু‌নে ব‌লেন, কতই না ভা‌লো হত য‌দি তু‌মি তাহাজ্জুদ না প‌ড়ে এদের মত ঘু‌মি‌য়ে থাক‌তে। তাহ‌লে এদের গীবত করার
পাপ তোমার ঘা‌ড়ে চাপত না।” (এহইয়াই উলূ‌মিদ-দীন)

কা‌নের গীবত

নি‌জে না বল‌লেও কা‌রো গীবত শোনা এবং শোনার সময় কোনরুপ বাধা না দেয়া কা‌নের গীবত।

গীবত দু’ভা‌বে হয়…
১. মু‌খে ব‌লে
২. কা‌নে শো‌নে

গীবত বলা ও শোনা সমান পাপ। “রাসূল (স.) ব‌লে‌ছেন, গীবত শ্রবণকারীও গীবতকারী‌দের একজন।” (তাবরানী)

আল্লাহ তা’আলা আমাদের এই গীবত চর্চা থেকে হেফাজত করুন। আমিন।

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

মকবুল হোসেন, ময়মনসিংহ, উজ্জ্বল বাংলাদেশ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০০ পিএম
অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫’ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা

অদম্য নারী পুরস্কার-২০২৫ সম্মাননা উপলক্ষ্যে বিভাগীয় কমিটির সভা আজ ১৭ ফেব্রুয়ারি মঙ্গলবার ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতিত্ব করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) কাজী জিয়াউল বাসেত।

আগামী ০৮ মার্চ ২০২৬ তারিখে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে নারীদের পাঁচটি বিশেষ ক্যাটাগরিতে ময়মনসিংহ বিভাগের সফল নারীদের পুরস্কার প্রদান করা হবে। ক্যাটাগরিগুলো হলো: অর্থনৈতিকভাবে সাফল্য অর্জনকারী নারী, শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সাফল্য অর্জনকারী নারী, সফল জননী নারী, নির্যাতনের দুঃস্বপ্ন মুছে জীবনসংগ্রামে জয়ী নারী এবং সমাজ উন্নয়নে অসামান্য অবদান রেখেছেন যে নারী। ময়মনসিংহ বিভাগে প্রতিটি ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা দুইজন করে নারীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, যা পরবর্তী সভায় চূড়ান্তভাবে একজন করে বাছাই করে ঢাকায় পাঠানো হবে। এক্ষেত্রে প্রত্যেকটি নারীর নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে অবদান ও সংগ্রামের ভিডিও চিত্র প্রদর্শন করা হয় এবং তুলনামূলক অধিকতর যোগ্য নারীকে সর্বসম্মতিক্রমে বাছাইয়ের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সারাদেশে বাছাইকৃত নারীদের মধ্যে থেকে জাতীয় পর্যায়ে আগামী ০৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে পুরস্কার ও সম্মাননা প্রদান করা হবে।

তাসলিমা রত্না

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

তাসলিমা রত্না প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৯ পিএম
ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা

ময়মনসিংহ নগরীর একজন অভিভাবক বলে কথা, ময়মনসিংহের সদর – ৪ আসনের সংসদ সদস্য জনাব আবু ওয়াহাব আকন্দ মহোদয়
আপনার জন্য শুভকামনা রইল।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নগরী নিয়ে কিছু কথা ব্যক্ত করতে চাই।
আমার এই লেখাটির যাদের দৃষ্টিগোচর হবে অবশ্য শেয়ার করবেন।
১/ প্রথম কথা হলো বর্তমানে এই নগরীর আপনি একজন এমপি হয়েছেন,সেক্ষেএে আমার প্রশ্ন —
২/ নগরীর যানজট নিরসন করতে হবে অবৈধ লাইসেন্স বাতিল করতে হবে, অবৈধ ফুটপাত পার্ক দখল মুক্ত করতে হবে।
৩/ নগরীকে মাদক মুক্ত করতে হবে– যদিও মাদক মুক্ত হওয়ার পথে না কারন টাকা খেয়ে পুলিশ প্রশাসন আসামী ছেড়ে দেয়, — এটা নিত্য নৈমিত্তিক ঘটনা।
৪/ বেকার যুবকদের কর্মসংস্হানের ব্যবস্হা করতে হবে,, —
৫ /সব শেষে এটাই বলবো কিছু কিছু পয়েন্টে রাস্তার যে বহালদশা সেটা সংস্কার করতে হবে/ শিক্ষানগরীকে কোন পুঁজিবাদ ইভেন ব্যবসায়ী ক্ষেএে নেওয়া যাবেনা, বরং একজন শিক্ষার্থীকে সঠিক শিক্ষা পাঠদানে গড়ে তুলতে হবে – আর বয়স্ক বাবা মা যাদের কেউ নেই, তাদের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র স্থল গড়ে তুলতে হবে।
আর সব চেয়ে বড় কথা হলো বিগত বছরে কি হয়েছে,সব দ্বিধাধন্দ ভূলে আমাদের এই নগরীকে অন্যান্য জেলার তুলনায় আরও ডেভেলপ করতে হবে।
থানায় কোন সাংবাদিক দালালি করতে পারবেনা
আর একটা বিশেষ কথা না বলে পারলাম না সেটা হলো
অহিংসার রাজনীতি বন্ধ করতে হবে? চুরি, ছিনতাই ও অরাজকতা লুটপাট থেকে পুলিশ প্রশাসন কে অবশ্য সজাক দৃষ্টিভঙি রাখতে হবে, সেক্ষেএে আপনার ভূমিকা বড় ভূমিকা রাখতে হবে।
ইভেন ময়মনসিংহ বাসি আপনার কাছে এইটুকুর দাবিদার
আমি একজন গণমাধ্যম কর্মী হয়ে একজন সাধারণ মানুষ হয়ে এই কথা বলছি।
এই নগরীর মানুষ একজন সত্যি কারের সেবক হিসেবে, আপনার কি করনীয় আছে, সেই টুকো আমরা শত ভাগ আশাবাদী।
জনগণ আপনাকে ভোট দিয়েছে বলে আজ আপনি জন প্রতিনিধি, তাই আমার এই লেখাটা একটু দৃষ্টিগোচর দিবেন মহোদয়।
আমি ছোট মানুষ আমার মনে এই কথা গুলো ছিলো তাই সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে প্রকাশ করলাম।
বেয়াদবি নিবেননা।
আর একটা বিষয় না বললেই হয়না, এখন আপনার আশেপাশে কিছু অহেতুক সুবিধাবাদী লোক যাতায়াতের মাএা দ্বিগুণ আকারে বৃদ্ধি পাবে, তাদেরকে একটু দুরে সরিয়ে রাখবেন।

বিশেষ প্রতিনিধি

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

বিশেষ প্রতিনিধিঃ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৫ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি ও ওসিকে বান্দরবান পাঠানোর হুমকি: বাগাতিপাড়ায় প্রতারণার অভিযোগে যুবক

নাটোরের বাগাতিপাড়া উপজেলায় চাকুরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রায় ১০ লাখ টাকা কন্ট্রাক্ট হয়।
পরে নগদ ৫ লক্ষ টাকা অগ্রিম নিয়ে আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শুভ (২২) নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযুক্ত শুভ উপজেলার পাঁকা ইউনিয়নের ছোট পাঁকা গ্রামের মো. শাহিন আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বড় পাঁকা গ্রামের মৃত কানু হাজীর ছেলে সাইফুল ইসলামের স্ত্রী মোছা: জেমি খাতুন (৩৭)-এর কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে পাকাঁ কলেজের সভাপতি আবু আব্দুল্লাহ ওরফে বুলবুলের নাম ভাঙিয়ে প্রায় ৫ লাখ টাকা নেন তিনি। তবে প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরি দিতে ব্যর্থ হলে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
পরে রাজশাহীর বাঘা উপজেলার আড়ানী এলাকায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে একটি সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে শুভ টাকা নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন এবং ২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখের মধ্যে টাকা ফেরত দেওয়ার অঙ্গীকার করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময়ে টাকা পরিশোধ না করে তিনি নানা অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, গত সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে শুভ জেমি খাতুনের বাড়িতে গিয়ে উল্টো আবারও ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন এবং ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এ সময় তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে ঘুষি মারার হুমকি এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বান্দরবানে বদলি করিয়ে দেওয়ার কথাও বলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এতে ভুক্তভোগী পরিবার চরম উদ্বেগ ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।
জেমি খাতুন বলেন, “চাকুরির আশ্বাসে আমরা কষ্ট করে টাকা জোগাড় করে দিয়েছি।
এখন টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।” জেমি আরও জানান, ঘটনার সময় গোপনে মোবাইল ফোনে ভিডিও ধারণ করা হয়েছে, যেখানে অভিযুক্তের হুমকিমূলক বক্তব্য রেকর্ড রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, এ ধরনের প্রতারণার ঘটনায় দ্রুত তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
এ বিষয়ে বাগাতিপাড়ান মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুরুল আলম’র মুঠোফোন বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।