শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২
শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২

প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

ডেস্ক নিউজ
ডেস্ক নিউজ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ১ অক্টোবর, ২০২৪, ৬:৫২ পিএম | 117 বার পড়া হয়েছে
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সেনাপ্রধানের সাক্ষাৎ

জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশন থেকে ফেরার পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাপ্রধান ওয়াকার-উজ-জামান।

আজ মঙ্গলবার (১ অক্টোবর) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যান সেনাপ্রধান। সেখানে তিনি প্রধান উদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে তথ্যটি জানানো হয়েছে।

বার্তায় জানানো হয়েছে, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন।

এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন।

জাপানিদের সময়জ্ঞান দেখে বিশ্ব অবাক

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৮ পিএম
জাপানিদের সময়জ্ঞান দেখে বিশ্ব অবাক

৫ মিনিট দেরি হওয়ায় পুরো জাতির কাছে ক্ষমা চাইলেন জাপানি মন্ত্রী! মাঝরাস্তায় গাড়ি থেকে নেমে দিলেন দৌড়! 🏃‍♀️ জাপানিদের সময়জ্ঞান দেখে বিশ্ব অবাক!
​”দেরি হওয়া মানে কেবল সময় নষ্ট নয়, এটি অন্যের প্রতি শ্রদ্ধার অভাব!”
— এই নীতিতে বিশ্বাসী জাপানের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রতিমন্ত্রী কিমি ওনোদা। মাত্র ৫ মিনিট দেরি করার অপরাধে তিনি যা করলেন, তা বর্তমান বিশ্বের রাজনীতিকদের জন্য এক অনন্য উদাহরণ।
​কী ঘটেছিল সেই সকালে?
​ট্রাফিক জ্যাম বনাম দায়িত্ব:
গত ৬ মার্চ মন্ত্রিসভার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে যাওয়ার পথে মহাসড়কে দুর্ঘটনার কারণে যানজটে আটকে যান ৪৩ বছর বয়সী এই মন্ত্রী।
​মন্ত্রীর দৌড়: সময় পেরিয়ে যাচ্ছে দেখে তিনি ট্যাক্সি থেকে নেমে হ্যান্ডব্যাগ হাতে দৌড় শুরু করেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই দৃশ্যটি এখন ‘Candy Dash’ নামে ভাইরাল!
​৫ মিনিটের অপরাধ: এত চেষ্টার পরও তিনি যখন পৌঁছান, তখন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে মাত্র ৫ মিনিট বেশি হয়ে গেছে। জাপানি সংস্কৃতিতে ‘৫ মিনিট আগে পৌঁছানো’ নিয়ম, তাই ওনোদার কাছে এটি ছিল বিশাল এক ব্যর্থতা।
​বিরল দৃষ্টান্ত:
অনেকেই হয়তো যানজটের অজুহাত দিতেন, কিন্তু কিমি ওনোদা তা করেননি। তিনি প্রেস ব্রিফিংয়ে মাথা নত করে পুরো জাতির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও সতর্ক থাকার অঙ্গীকার করেছেন।
​আমাদের জন্য শিক্ষা:
আমাদের দেশে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দেরি করা যেখানে সাধারণ বিষয়, সেখানে জাপানে ৫ মিনিটের মূল্য কতটা—তা এই ভিডিওটি না দেখলে বিশ্বাস করা কঠিন। সময়কে শ্রদ্ধা করলে দেশ যে কতটা উন্নত হয়, জাপান তারই প্রমাণ।

৯ বছর ধরে কুড়িয়ে পাওয়া সন্তানকে আগলে রাখছেন আশামনি

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৭ পিএম
৯ বছর ধরে কুড়িয়ে পাওয়া সন্তানকে আগলে রাখছেন আশামনি

আমি তৃতীয় লিঙ্গ হতে পারি, কিন্তু আমি তো মা!”—৯ বছর ধরে কুড়িয়ে পাওয়া সন্তানকে আগলে রাখছেন আশামনি! 😭 এক অনন্য মাতৃত্বের গল্প!
​জন্ম দিলেই মা হওয়া যায় না, মা হওয়া যায় লালন-পালনে আর নিঃস্বার্থ ভালোবাসায়। সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জের আশ্রয়ণ প্রকল্পে থাকা আশামনি আজ সেই অসাধ্য সাধন করেছেন।
নিজে তৃতীয় লিঙ্গের মানুষ হয়েও এক অনাথ শিশুকে নিজের বুকের দুধের চেয়েও বেশি মমতায় বড় করে তুলছেন। আজ সেই সন্তান আশিকুর রহমান তাঁর আম্মুর আঁচল ছাড়া কিছুই বোঝে না।
​মমতার এক বিরল ইতিহাস:
​বাচ্চাটিকে বাঁচানোর লড়াই:
৯ বছর আগে এক অসহায় নারীর গর্ভের সন্তান যখন নষ্ট করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছিল, তখন আশামনি বাধা দেন। নিজের জমানো ৩০ হাজার টাকা দিয়ে সিজারের খরচ চালিয়ে সেই সন্তানকে নিজের কোলে তুলে নেন।
​সংগ্রামী জীবন:
আশামনি কখনো মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে টাকা তোলেন, কখনো নেচে-গেয়ে রোজগার করেন—সবই শুধু ছেলে আশিকের ভবিষ্যতের জন্য।
এখন ছেলের কথা ভেবে রাস্তাঘাট ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে গরু-বাছুর পালন করে সংসার চালানোর স্বপ্ন দেখছেন।
​কোরআনের হাফেজ বানানোর স্বপ্ন: আশামনি চান তাঁর ছেলে বড় আলেম হোক, কোরআনের আলোয় আলোকিত হোক। রাতে যখন ছেলে কোরআন তেলাওয়াত করে, আশামনি সব ক্লান্তি ভুলে একমনে সেই সুর শোনেন।
​ছেলের চোখে মা-ই সব:
৯ বছরের আশিক এখন মাদ্রাসায় যায়। বাড়ি ফিরেই আম্মুকে জড়িয়ে ধরা,
আম্মু ভাত খেয়েছে কি না খোঁজ নেওয়া—তাদের এই স্বর্গীয় বন্ধন দেখলে কারোরই বোঝার উপায় নেই যে আশামনি এই সন্তানের জন্মদাত্রী নন।
​আমাদের শিক্ষা:
সমাজ যাদের অবহেলা করে, সেই তৃতীয় লিঙ্গের একজন মানুষের হৃদয় যে কতটা বিশাল হতে পারে, আশামনি তার জীবন্ত প্রমাণ। তিনি চান
মরার পর যেন তাঁর ছেলে তাঁর কবরে এক মুঠো মাটি দেয়—একজন মায়ের এর চেয়ে বড় পাওয়া আর কী হতে পারে?

বিদেশের মাটিতে অসভ্যতা করে পার পাচ্ছেন না মনিরা কবির

উজ্জ্বল বাংলাদেশ ডেস্ক প্রকাশিত: শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬, ৪:৩৫ পিএম
বিদেশের মাটিতে অসভ্যতা করে পার পাচ্ছেন না মনিরা কবির

বিদেশের মাটিতে অসভ্যতা করে পার পাচ্ছেন না মনিরা কবির!”—এবার কি তবে দেশ ছাড়তে হবে? বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য! 😱 তোলপাড় সারা দেশে!
​রাস্তাঘাটে অশালীন পোশাক পরে ভিডিও বানানো থেকে শুরু করে মেট্রোরেলে অপরিচিত পুরুষের গায়ে শুয়ে পড়া—সোশ্যাল মিডিয়ায়
অসভ্যতার সব সীমা ছাড়িয়ে গেছেন মনিরা কবির। এতদিন এগুলোকে কেবল ‘কন্টেন্ট’ মনে করা হলেও, এবার বিষয়টি গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। একজন সচেতন আইনজীবী মনিরা কবিরকে পাঠিয়েছেন কড়া লিগ্যাল নোটিশ!
​বেরিয়ে এলো যেসব গোপন তথ্য:
​অবৈধ বসবাস: অনুসন্ধানে দেখা গেছে, ২০২৫ সালের ১৬ই জানুয়ারি মনিরার পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে তিনি কোনো বৈধ নথিপত্র ছাড়াই বাংলাদেশে অবস্থান করছেন।
​ট্যাক্স ফাঁকি ও ওয়ার্ক পারমিট:
বিডা (BIDA) থেকে কোনো বৈধ ওয়ার্ক পারমিট না নিয়েই তিনি বড় বড় ব্র্যান্ডের প্রমোশন করছেন। সরকারকে কোনো ট্যাক্স বা ভ্যাট না দিয়েই কামিয়ে নিচ্ছেন লাখ লাখ টাকা।
​ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত: পবিত্র রমজান মাসে একটি মুসলিম প্রধান দেশে জনসমক্ষে অশালীন অঙ্গভঙ্গি এবং ভিডিও তৈরি করা আমাদের সামাজিক মূল্যবোধের ওপর চরম আঘাত।
​অমানবিক আচরণ:
সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, একজন মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তিকে প্রকাশ্য রাস্তায় মারধর করছেন তিনি।
​গুপ্তচরবৃত্তির সন্দেহ: পরিচয় নিয়ে জালিয়াতি (কখনো রাশিয়ান, কখনো টার্কিশ) এবং সন্দেহভাজন মহলের সাথে তাঁর যোগাযোগ জননিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
​আইনি পদক্ষেপ:
আইনজীবী জানিয়েছেন, মনিরা কবিরকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হয়েছে। সঠিক জবাব না দিলে অবিলম্বে মামলা
এবং গ্রেপ্তারের দাবি জানানো হবে। বিদেশের মাটিতে আমরা বাংলাদেশিরা নিয়ম ভাঙলে যেখানে ছাড় পাই না, সেখানে বাংলাদেশে এসে বিদেশিরা কেন আইন বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাবে?

error: Content is protected !!